অনুবাদ – লাবিব মাহফুজ চিশতী
যখন গণনা করা হয়েছিল ভাগ্য, মহিমাময় রাতে
যখন থমকে গিয়েছিল সময় –
চীনের ওপর দিয়ে উড়ে গিয়েছিল সেই বিস্ময়কর সত্ত্বা
সি মোরগ! যার অনিন্দ্যসুন্দর দেহ থেকে
খসে পড়েছিল একটি পালক!
অনন্ত ইচ্ছাশক্তি ও সৌন্দর্য ছিল সে পালকে।
যারা দেখলো, তারাই হলো আলোকিত
খুঁজে পেল এমন এক অন্তর্বর্তী রূপ
স্থির, উজ্জল রেখা – প্রশান্তি!
সে পালকটি এখনও রয়ে গেছে, চীনের পবিত্র স্থানে
তাই রাসুলে খোদা আহ্বান জানিয়েছেন
জ্ঞান অর্জনের জন্য চীন-দেশ ভ্রমণের।
যেখানে সে পালকের সুরম্য শাখা
শোভিত করে হাজারো উদ্যান,
যার ছায়াতলে আশ্রয় নেয় হাজারো সত্যার্থী।
কিন্তু যারাই অনুভব করে সে সত্য,
হয়ে যায় নির্বিকার, বাকশূণ্য!
তাঁর করুণা জগতে প্রবেশ করে এবং
গড়ে তোলে আমাদে ভাগ্যকে।
তুমি যদি জ্ঞানী হও, তবে তাকে অন্বেষণ করো
বসে বসে বৃথা বাক্যব্যায় কোরো না।
তাহলে তোমাকে পথভ্রষ্ট করবে জমাট মৃত্যু!
জমায়েত পাখির দল, কম্পিত হৃদয়ে
তাদের বাদশাহ এর জন্য করছিল প্রতীক্ষা
আপন অন্তরকে চির-প্রশান্ত করতে,
আপন অন্তরে কিতাবের বাণীর জাগরণ ঘটাতে,
তারা ছিল আকুল।
সূর্যের প্রতি প্রেম তোমাকে বানাবে অঙ্গার –
পথ দীর্ঘ, বিপদসঙ্কুল।
আতঙ্কে আচ্ছন্ন হোয়োনা, সত্যকে স্মরণ করো
অজুহাত তোমাকে বঞ্চিতই করবে।

