শোনহে মমিন ভাই যত দ্বীনদার
ত্রিশ হরফে হইল অজুদ বান্দার।
- আলিফ হইতে নাক
- বা হইতে চক্ষু
- তা হইতে তালু
- ছা হইতে মুখ
- জীম হইতে জিভ
- হা হইতে হাড়
- খা হইতে শিরের খুপড়ি
- দাল হইতে দাত
- জাল হইতে নখ
- রা হইতে রগ
- জা হইতে জিগার
- সিন হইতে সীনা
- শিন হইতে সানা
- সোয়াদ হইতে পেট
- দোয়াদ হইতে পিঠ
- তোয়া হইতে তিল্লি
- জোয়া হইতে দেল
- আইন হইতে গরদান
- গাইন হইতে গোস্ত
- ফা হইতে ফেপসা
- ক্বফ হইতে কলব
- কাফ হইতে কলিজা
- লাম হইতে নাভী
- মীম হইতে কোমর
- নুন হইতে রক্ত
- ওয়াও হতে আওয়াজ
- হা হইতে হাটু
- লাম আলিফ হইতে পা
- হামজা হইতে পোতা
- ইয়া হইতে পায়ের এড়ি
ফকির সমাচার
- ফা হরফে ফাকাকাশি
- ক্বাফ হরফে কেনায়েত
- ইয়া হরফে ইয়াদ আল্লাহ
- রা হরফে রেজামন্দি
ত্রিশ হরফ ত্রিশ পারা কোরান হইল
আর দশ ভেদ তাহা ফকির পাইল।
কোরান শরীফের মোকাম মঞ্জিলের বয়ান
- কোরানের শির হল বিসমিল্লাহ
- কোরানের জান হল আদম
- কোরানের আরশ হল সুরা বাকারা
- কোরানের চেরাগ সুরা মুলক
- কোরানের তাজ সুরা রহমান
- কোরানের দীল সুরা ইয়াসিন
- কোরানের মাথা সুরা ফাতেহা
- কুরানের ইয়ার আয়াতুল করসী
- কোরানের মঞ্জিল সুরা কাহাফ
ফকিরের বয়ান
পহেলা ফকির পাক পরওয়ার
আদম সুফি জানো দোছরা ফকির।
তেছরা ফকির জানো মুহাম্মদ রাসুল
চাহারামে শের আলী খোদার মকবুল।
চার তরিকার বয়ান
- ১ম চিশতীয়া – ইমাম খাজা মঈনুদ্দিন, দুধের পিয়ালা তালকীন, পেয়ালায় জিব্রাইল, কলেমা তাইয়্যেবা দরজার খিল, সফেদ নিশান, মক্কার পূর্ব দ্বার।
- ২য় সোহরাওয়ার্দীয়া – ইমাম শিহাবুদ্দিন, সহদের পিয়ালা তালকীন, পিয়ালায় মিকাইল, কলেমা শাহাদাত দরজার খিল, জরদ নিশান, মক্কার উত্তর দ্বার।
- ৩য় কাদেরীয়া – ইমাম আব্দুল কাদের জীলানী, পানির পিয়ালা তালকীন, পিয়ালায় ই¯্রাফিল, কলেমা তাওহীদ দরজার খিল, কালো নিশান, মক্কার দক্ষিন দ্বার।
- ৪র্থ নশকাবন্দীয়া – ইমাম খাজা বাহাউদ্দিন, দুধের পিয়ালা তালকীন, পেয়ালায় আজরাইল, কলেমা তামজীদ দরজার খিল, সবুজ নিশান, মক্কার পশ্চিম দ্বার।
দিন রাতের বয়ান
দিনের মুর্শিদ সূর্য্য, রাতের মুর্শিদ চন্দ্র।
মানব শিশুর জন্ম সমাচার
যে ওয়াক্তে এক বিন্দু পড়ে উদরে মায়ের
লাল রঙ ধরে সে কুদরতে রবের।
এক দিনের বিন্দু হইলে চলে নিরবেতে
দুই দিনের বিন্দু হইলে মিলে সে খুনেতে।
তিন দিন হইলে বিন্দু ফেনার মত হয়
চারিদিনে দেহের সব লাল পয়দা হয়।
পঞ্চ দিনে হয় বিন্দু কাজল যেমন
ছয় দিনে ঘোলা রঙ শোন সে বচন।
সপ্ত দিন হইলে বিন্দু আকার সে ধরে
হাড়ে মাংসে জোড়া হয় আট দিন পরে।
নয় দিনে হয় পুরা দেহের আকার
দশ দিনে হয় জানো চোখের সঞ্চার।
এক মাসের গর্ভকে চিনিতে না পারে
দুই মাস হইলে লোকে কানাকানি করে।
ধজা গজা হয় জানো তিন মাস হইলে
হাড় মাংস হয় জানো চার মাসের কালে।
পাঁচ মাস প্রাণপাখি আসে দেহেতে
ছয় মাস হইলে শিশু আকার উদরেতে।
সাত মাস হইলে ব্যাথা হয় যে পেটের
আট মাসে পান্ডুর বরণ হয় যে মায়ের।
নয় মাসে স্তনে কালো ডিম্বের সুরত
দশ মাস পুরা হইলে পয়দা কুদরত।
এক বিন্দু হইতে করেন আদম গঠন
আব আতশ খাক বাদ চারি চিজ, নিরাঞ্জন।
গড়িল সুন্দর কায়া বাহার দেখিতে
আঠার মোকাম খোদা বানায় তাহাতে।
দেহের গঠন ও দিনের বয়ান
মুর্শিদ বলেন বাবা কহিযে তোমারে
কমল গঠন হয় রোজ সোমবারে।
মঙ্গলেতে গড়ে নাড়ি, বুুধে মুখ হইল
লক্ষ্মীবারে লাড়কার পেট বুক গড়িল।
দুনয়ন বালকের হইল শুক্রবারে
মগজ আর কান হইল রোজ শনিবারে।
রবিবারে লাড়কার ধড়ে আসে জান
তামাম জাহানে যত হইল ইনসান।
অজুদের বিবরণ
শির যে হইল টুঁই পাঞ্জরা যে চাল
রুয়া যে তাহার আছে মড়াল মিশাল।
শরীর হইল ঘর, পথ সিড়ি তার
চক্ষু সে ছাউনি হইল রগ কন্ঠ তার।
রুহ হইল ধন রতন, শোন সমাচার
আঠার চিজেতে ঘর হইল তৈয়ার।
আঠার চিজের বয়ান
মণি মগজ হাড় রগ এ চারি বাপের
গোস্ত পোস্ত পশম রক্ত এ চারি মায়ের।
দশ চিজ এলাহীর শোন বাপজান
একে একে কহি তাহা করিয়া বয়ান।
দেখা, শুনা, বলা, দম, তাকত,
ঈমান, দেল, এরাদা, চলা ফেরা, গাফেলি।
আসমান হইল মাথা অজুদ মাঝারে
মুদি ও বাগানী জানো ফেরেশতার তরে।
মুর্শিদ বলেন, বাবা বলিযে তোমায়
হলকুম জানিবে কুঙা, পেট পাট হয়।
দ্বার হইল মুখখানি কপাট যে দাত
খেয়াল করিয়া বাবা বুঝ এই বাত।
নৌকা হইল পাও, কান্ডারী নয়ন
মনে বুঝে দেখো বাবা করিয়া ধিয়ান।
মোকামের বয়ান
ঘর সে ভ্রমরা হইল নাছুত জবান
মাথা যে মন্দির দ্বার লাহুত নিদান।
ঘর জানো দেহখানি মালাকুত দুয়ার
জিব যার জড় তার জাবারুত যে দ্বার।
চক্ষু সে নাছুত হইল কান মালাকুত
নাসিকা লাহুত হইল জবান জাবারুত।
এ চারি মোকামে আছে ফেরেশতা যে চার
কেবা কোথা রহে তার শুন সমাচার।
ফেরেশতার বয়ান
জবানে জিবরীল আছে মিকাইল চোখেতে
নাকে ই¯্রাফিল আর আজরাইল মগজেতে।
জরদ রং জবানের চক্ষু যে সফেদ
নাক সবুজ কান সিয়া কহিলাম ভেদ।
মোর্শেদ বলেন বাবা শুন মন দিয়া
জরদ রঙ জিব্রীলের মিকাইল সিয়া।
ই¯্রাফিলের রঙ তুমি সবুজ জানিবে
সাদা রঙ আজরাইলের লিখিল কিতাবে।
পীর বলে শুন বাবা বলি যে তোমায়
জিব্রাইলের ময়ুর রূপ জানিবে নিশ্চয়।
মিকাইলের গৃধিনী রূপ বাজ ইস্রাফিল
বাঘের সেকেলে বাবা জানো আজরাইল।
জাতের রঙের বয়ান
পীর বলে পানির যে লাল রঙ হয়
খাকের জরদ রঙ বলি যে তোমায়।
হাওয়ার সবুজ রঙ আতশ হয় সিয়া
ইহার খোলাসা হাল শুন মন দিয়া।
চক্ষু দুটি পানি জানো খাক হইল জবান
নাক হইল বাদ, মগজ আতশ প্রমাণ।
এই চারি চিজ আছে ওজুদ মাঝারে
এক চীজ শুখাইলে বান্দা যায় মরে।
পানিতে ছয়লাব হবে লাহুত শুকালে
না রবে বদনখানা নাছুত শুকালে।
ভাটি ও উজান নাহি শুকালে জাবরুত
দরিয়ার পানিতে মিশে শুকালে মলকুত।
ডাহিনেতে খোদা আছে বামে মোহাম্মদ
আদমের গোর মধ্যে রাখিয়াছ হদ্দ।
দুই কান্ধে আছে কেরামাত কাতেবিন
কিতাবে ছাবেত ইহা জানিবে একীন।
রাহার বয়ান
শরীয়ত আক্কেল জানো ফহম তরিকত
রূপ জানো মারফত, দম হাকিকত।
মুর্শিদ বলেন বাবা শুন তার বেনা
দেল মক্কা জানো বাবা কলব মদিনা।
মঞ্জিলের বয়ান
মন লাহুতে থাকে মলকুতে স্থিতি তার
জাবরুতে থাকিয়া সদা করেন আহার।
খোশবায়ু বদবায়ু পায় লাহুতেতে নাকে
মনুরায় নিদ্রাকালে দেলের কোণে থাকে।
দেল আছে ডিম্বরূপে জরদ রঙ তার
মনুরা যে ধুয়া রঙ শুন হাল তার।
পবনের রঙ সবুজ জানিবে দেলেতে
সাত রঙ উঠে ধূয়া মরণকালেতে।
ঐ ধূয়া মিটে গেলে মরণ নিশ্চয়
মক্কা ও মদিনা তোড়ে পবন পালায়।
দুইটি চেরাগ আছে দেহের বিচেতে
সেই বাতি বিনা তেলে জ¦লে দিবা রাতে।
জায়গা নাই তিল মাত্র আঠারো সেজদাতে
নূরনবী নামাজ গুজারে সেখানেতে।
সোনার বাসা আছে সেই সাতালি পর্বতে
ঝাকে ঝাকে উড়ে পাখি সেই মোকামেতে।
নৃত্য করি যায় তারা সুপাখা পাইলে
ভারী জব্দ হয় সেথা কু-পাখি সকলে।
অজুদের বয়ান
মন হইল মহাজন শুন সমাচার
দু চক্ষু হইল ধন, পবন খরিদ্দার।
তিনশত ষাইট রগ পানির অজুদেতে
দুইশত ছয় হাড় আছে জেছেমেতে।
একশত বিশ রগ প্রধান যে গুণি
হাড়ে রগে খাড়া হইল এই দেহখানি।
হলকুমের রগ আবি বলিনু তোমারে
বাদি রগ নাছুতে জানিবে অন্তরে।
ভুড়ির রগ খাকি হইল, আতশি শীরের
একে একে সব হাল করিনু জাহের।
মালাকুতে সাম বেদ, যজু নাছুতে
অথর্ব বেদ জাবারুতে, ঋক লাহুতে।
জাত ও সেফাতি রুহ শুন সমাচার
আমিন মোমিন রুহ এই জানো চার।
মকিম মুর্শেদ আর হাওয়ার কাছেতে
পাঁচ আত্মা আছে জানো অজুদ বিচেতে।
এলেম হইল বাবা হাদিস কোরান
যাহাকে পড়িলে পায় সওয়াব ইনছান।
মাটির আহওয়াল বাবা শুন একীনেতে
খোরাক নিয়ে তার পত্তন লাহুতে।
অমৃতের নিশায় সেই স্থিতি জল পরে
পানির আহওয়াল বাবা বলি এই বারে।
হাওয়া যে খোরাক তার শুন মন দিয়া
মাটিতে মিশায় সেই জাবরুতে ঘিরিয়া।
হাওয়ার খোরাক জানো মিশায় মাটিতে
শুণ্যতে উতপত্তি তার থাকে সে নাছুতে।
খোরাক আতশের জানো খায় সে দুনিয়াতে
মিশায় আবেতে সেই থাকে মালাকুতে।
মণিবিন্দুর বয়ান
মুর্শেদ বলেন বাবা শুন সমাচার
রক্তের শতকে বিন্দু খুন যে বান্দার।
শত বিন্দু খুন ঘিরে মগজ হইতে
শত বিন্দু ঘাম তাহার সঙ্গেতে।
এই খুন ঘাম মিলে মণি পয়দা হয়
এক বিন্দু মণি তাতে জানিবে নিশ্চয়।
জওয়ান কালেতে মণি বাড়ে অতিশয়
যত খরচ হয় মণি তত বেড়ে যায়।
খরচ হয় রাতে যত দিনে ফের পুরে
কমি নাহি হয় মণি, জানিবে অন্তরে।
মাসে এক দিন মণি খরচ করিবে
বছরে বারো যাহা হিসাব রাখিবে।
নারী ঋতুবতী জানো মাসে মাসে হয়
পাক সাফ হইলে নারী মিলিবারে কয়।
ইহা ভিন্ন নিত্য নিত্য করিলে রমণ
দেহ ক্ষীন হয় তার নিকটে মরণ।
সপ্তমী অষ্টমী অমাবস্যা রবিবারে
প্রতিপাদ পূর্ণিমায় রমণ না করে।
শিশু যদি জন্ম নেয় এই সব বারে
দুরাচার লাড়কা হয় জানিবে অন্তরে।
পাও কে জানিবে বাবা অসাধ্যের থলি
জবানের কুঞ্জি খোরাক জানিবে সকলি।
কলেমা শাহাদাত হইল থলি কলেমার
আখেরের কুঞ্জি বাবা এবাদত আল্লাহর।
খয়রাতের ওস্তাদ বাবা জানিবে দৌলত
গোসলের ওস্তাদ বাবা জানিবে বাম হাত।
আওয়াজের ওস্তাদ বাবা বিসমিল্লাহ জানিবে
নিয়্যত ওস্তাদ তার হয় এক ভাবে।
ওস্তাদ তাহার হইল জবান সুরত
জবানের ওস্তাদ ইয়াদ, শুন হাকিকত।
ওস্তাদ স্মরণের বাবা মউত জানিবে
ওস্তাদ তাহার আল্লাহ ইয়াদ রাখিবে।
পীর বলে শুন বাবা মাজেরা তাহার
আবে পয়দা হইল আবি মাছ আদি আর।
পয়দা হইয়াছে বাদে যত পরেন্দার
আগুনে হইল পয়দা দেও পরী সার।
মাটিতে পয়দা হল জীব জন্ত গণ
আঠারো হাজার আলম করিল সৃজন।
এই চারি চিজে জানো আলম আল্লার
পয়দা করিল জানো পাক পরোয়ার।
মুর্শিদ বলেন বাবা, শুন এক দেলে
নিশ্বাস প্রশ্বাস উঠে নাছুত কমলে।
হংস বাস করে জানো কমল মালাকুতে
মনুরা চাহিয়া আছে মন্দির জাবারুতে।
লাহুত কমলে ঢেউ উঠে অনিবার
সেই ঢেউ হইল বন্ধ মরণ বান্দার।
গুরু বলে শুন বাছা তার পরিচয়
ঋতু হইলে ফল জান মণি বীজ হয়।
নারী ও পুরুষে যবে হয় যে মিলন
সন্তান তাহাতে জান কুদরতি গড়ন।
কলেমার বয়ান
তাইয়্যিব কলেমা আছে মোকাম নাছুতে
শাহাদাত কলেমা আছে মোকাম মালাকুতে।
কলেমা তাওহীদ আছে মোকাম জাবরুতে
কলেমা তামজীদ আছে মোকাম লাহুতে।
ফুল যবে ছিল না গন্ধ আছিল বিচিতে
নদী নাহি চিল পানি আছিল মুক্তাতে।
গাছ যবে নাহি ছিল ফলকে যে তার
গায়েবেতে রেখেছিল আপে করতার।
সংসার না ছিল যবে বেনাম ওজিফাতে
ধেয়ান করিয়া বাবা বুঝ দেলেতে।
গরু যবে নাহি ছিল দূর্বার দুধ ছিল
দেহ নাহি ছিল শব্দ শূণ্যতে আছিল।
পবন হইল পাখি এ দেহ পিঞ্জির
নাক সে দুয়ার জানো পিঠের হাড় জিঞ্জির।
ধন হইল ঈমান জানো দেহখানি ঘর
প্রাণ সে হইল সাধু শয়তান চোর।
পীর বলে শুনো আরেক মাজেরা দেহের
ওজুদ হইল গাছ, রক্ত আঠা তার।
দুই আঁখি ফুল হইল, বোটা হল নাক
মুর্শিদি কালাম এই না করো খেলাফ।
মউতের বয়ান
মউতের এক সাল বাকী থাকে যার
চোখের রৌশনি জানো কমে যায় তার।
মউতের এগারো মাস বাকী থাকে যার
মন পাখি উদাস হইয়া থাকে যা তাহার।
দশ দ্বার কমল বন্ধ দশম মাসেতে
ভ্রমর না পিয়ে মধূ নবম মাসেতে।
মন উদাস হয় বান্দার আট মাস থাকিতে
কপাট খিল খুলে পড়ে সাত মাসেতে।
ছয়মাস থাকিতে বান্দার ঘুম নাহি হয়
পাঁচ মাস থাকিতে চোর ঘরে সিঙ দেয়।
চারি মাস হইলে বান্দা বেশরম হয়
তিন মাসে দেহের দরিয়া শুকাইয়া যায়।
বারো বুরুজ লড়ে যায় দু মাস থাকিতে
একমাস থাকিতে চন্দ্র না থাকে ধড়েতে।
চোখের পুতুলি বদল হয় এক পক্ষ রহিতে
মন চঞ্চল হয় জানো বারো দিন থাকিতে।
দশদিন থাকিতে বান্দার ঘটে পেরেশানি
নয় দিনে নবদ্বার খুলে যে আপনি।
আট দিন থাকিতে জানো ঘোর নিশ^াস বয়
সাতদিন থাকিতে মন উদাসীন হয়।
ফকির বিলাস সারংশ সমাপ্ত।

