সংকলন – লাবিব মাহফুজ চিশতী
1. ইহদিনাস সিরাতাল মুস্তাকিম – কাদের পথ? অলী আউলিয়াদের নয়কি?
2. আলিফ লাম মীম – উহা ঐ কিতাব যাহাতে সন্দেহ নাই – উহা কোন কিতাব?
3. হলুদ গাভী কোরবানীর আদেশ – (সুরা বাকারা)। হলুদ গাভী কোথায় পাওয়া যায়?
4. ফাজকুরুনী আজকুরুকুম ওয়াশকুরুলী ওয়ালা তাকফুরুন – প্রভূকে ডাকলে জবাব দেন। কিন্তু আমাদেরকে জবাব দেন না কেনো?
5. লিকুল্লি জাআলনা মিনকুম শিরআতান ওয়া মিনহাজ – মিনহাজ টা কি?
6. ফাত্তাহ ৮, ১০ – রাসুলের হাতে বাইয়াত। রাসুলের হাতে বাইয়াত কিভাবে হবো? রেসালাত খতম হয়েছে কি?
7. যাদের অন্তরে শয়তান আছে তারা অনুসরণ করে রূপক/প্রতীকের। রূপক প্রতীক কোনগুলো?
8. অনুমান সত্যের সামনে কোনো কাজে আসবে না – ইন্নাজ জান্না লা ইউগনি মিনাল হাক্কি শাইয়ান। আমাদের সকল ইবাদত অনুমানে নয়কি?
9. ফালানা কুচ্ছানা আলাইহিম বিইলমিউ ওয়ামা কুন্না গাইবিন” – আমি বিবৃত করব জ্ঞান সহকারে যে আমি অদৃশ্য ছিলাম না। (আরাফ ৭)। কেনো আল্লাহকে অদৃশ্য বলা হয়?
10. ফাইযা সাওওয়াতুহু ওয়া নাফাকতু ফিহি মিররুহি ফাকাউ লাহু সাজিদিন” – যখন তার আকৃতি গঠন করবো এবং তাতে আমার রুহু ফুকে দেবো তখন তার জন্য সেজদা করিও। (হিজর ২৯)। আদমকে সেজদার আদেশ কেনো?
11. শুরা ২৩ – রেসালাতের বিনিয়ম নিকটর্তীগণের ভালোবাসা ব্যতীত কিছু চাই না। নিকটবর্তীগণ কারা? তাদের প্রতি প্রাণাধিক ভালোবাসার আদেশ কেনো?
12. মান ইয়াহ দিল্লাহি ফাহুয়াল মুহতাদ, ওয়া মান ইউদলিল ফালান তাজিদা লাহু ওয়্যালিয়্যান মুর্শিদান” – আল্লাহ যাকে হেদায়েত করেন সেই হেদায়েত প্রাপ্ত হয়, যাকে পথহারা করেন সে কোনো ওলি বা পথ প্রদর্শক পাবে না। (কাহাফ ১৭)। মুর্শিদ কারা?
13. ফা কতুলু আনফুসাকুম জালিকা খাইরুল্লাহকুম ইনকুন্তুম তা’লামুন” – তোমাদের নফসকে কতল করো যদি তোমরা জ্ঞানি হয়ে থাকো। নফস কি? কত প্রকার? কিভাবে কতল করতে হয়?
14. ফালা ইয়ানজু ইললা মান আতাললাহা বি কালবিন ছলিম” – যে পবিত্র অন্তকরন নিয়ে আসবে সেই নাজাত পাবে। (শুরা ৮৯)। কালবে ছালিম কি? কিভাবে অর্জন করতে হয়?
15. ইয়া আইয়্যাতুহান নাফসুল মুতমাইন্নাহ, ইরজিয়ী ইলা রব্বিকি রদিয়াতাম মারদিয়্যাহ, ফাদখুলি ফি ইবাদি, ওয়াদখুলি জান্নাতি” – হে প্রশান্ত আত্মা, ফিরে আস তোমার রবের দিকে খুশি মনে, সেবক দলে দাখেল হও, দাখেল হও আমার জান্নাতে। (ফজর)। নফতে মুতমাইন্না কি?
16. ইন্নাহু লা কুরআনুল কারিম। ফি কিতাবিম মাকনুন। লা ইয়ামাচ্ছুহু ইল্লাল মুতাহহারুন” – ইহা সম্মানিত কোরআন, যাহা আছে সুরক্ষিত কিতাবে, পুতপবিত্রগন ব্যাতিত কেহ ইহাকে স্পর্শ করতে পারে না। (ওয়াক্বিয়াহ ৭৭-৭৯)। অজু বিহিন স্পর্শ কিভাবে?
17. আরাফ ৫৪ – ছয় দিনে আসমান জমিন সৃষ্টি। তখন দিন রাত কেমন ছিল, ছয় বারের নাম কি ছিল? কুল বললেই তো হয়ে যায়, ছয় দিনের কি দরকার ছিল?
18. আমানত, যা আসমান জমিন পর্বত নেয়নি, মানুষ নিয়েছে, আমানত কি?
19. সালাতুল ওস্তা কে হেফাজত করতে বলা হয়েছে, সালাতুল ওস্তা কি?
20. ইন্নাল মুসাল্লানাল্লাজিনা হুম সালাতিহিম দায়েমুন (মাআরিজ ২৩) দায়েমী সালাত কি? কিভাবে পড়তে হয়?
21. হামিম সাজদা ৫৩ – জগতের সবি মানবদেহে আছে। আরশ, করসি, লওহ, কলম, জান্নাত, জাহান্নাম কোথায় কিভাবে আছে?
22. মেরাজে রাসুল কোথায় গেলেন? যেখানে আল্লাহ বলেন, ওয়াহুয়া মাআকুম আইনাম কুনতুম, ওলিল্লাহিল মাশরেকী ও মাগরেবী, নাহনু আকরাবু?
23. আল্লাহ মুসা কে পাঠালেন খিজিরের কাছে ইলমে লাদুন্না শিখতে। ইলমে লাদুন্না কি?
24. আর রহমান, আল্লামাল কুরআন। তিনিই রহমান, শিক্ষা দেন কোরআন। কিভাবে?
25. জায়নামাজের দোয়া – আল্লাহর চেহারার দিকে মুখ ফিরাইলাম – আনআম ৭৯। আল্লাহর চেহারা কেমন? আল্লাহর মুখ কোনদিকে? মুখ কেমন?
26. অক্ষরে নেকী হলে কুরআনে বর্ণিত নমরুদ, ফেরাউন, শয়তান, ইবলিছ বললে কি নেকী হবে?
27. কুরআন পাহাড়ের ওপর নাযিল করলে পাহাড় ধ্বসে যেত। (সুরা হাশর)। কোরআনের সাথে বর্ণনাটি সত্যি?
28. রাসুল তোমাদের মধ্যে কোনো পুরুষের পিতা নন (আহযাব – মাকানা মুহাম্মাদিন আবা আহাদিম) কিভাবে?
29. আল্লাযিনা ইয়্যাজকুরুনাল্লাহা কিয়ামাউ ওয়া কু’উ দান ওয়া আলা জুনুবিহিম ওয়াইয়্যাতা ফাক্কারুনা ফি খলাকিচ্ছামাওয়াতি ওয়াল আরদ্ব” – তারাই জ্ঞানী, যারা উপবিষ্ট, দন্ডায়মান, অর্ধ শায়িত সব অবস্থায় আল্লাহর ধ্যানে মশগুল থাকে, সৃষ্টি রহস্য চিন্তা করে। হেরা গুহার ধ্যান উপেক্ষিত কেনো?
30. কুল্লুমান আলাইহা ফান, ওয়া ইয়াবকা ওয়াজহু রাব্বুকা জুল জালালি ওয়াল ইকরাম” – সবকিছুই ফানা, নশ্বর, এবং স্থায়ী তোমার রবের চেহারা যা জালাল, কেরামতের অধিকারি।(আর রাহমান ২৬,২৭)। রবের চেহারা কেমন?

