সংকলন – লাবিব মাহফুজ চিশতী
১. এরাই (বিনীতগণ) বিশ্বাস করে যে, তাদের রবের সাথে তাদের মুলাকাত ঘটবে এবং তারই দিকে ফিরে যাবে। বাকারা ৪৫, ৪৬
২. তাকওয়া করো আর জেনে রাখো তোমরা মুলাকাতে যাচ্ছো। বাকারা ২২৩
৩. যারা শপথ ও অঙ্গীকার তুচ্ছ মূল্যে বিক্রি করে আল্লাহ কেয়ামতের দিন তাদের দিকে তাকাবেন না, কথা বলবেন না, পরিশুদ্ধ করবেন না। আল ইমরান ৭৭
৪. যারা আল্লাহর সাক্ষাত কে মিথ্যা বলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত। আনআম ৭৭
৫. রব তোমাদের দিয়েছেন দৃষ্টিশক্তি। যে দেখে, সে নিজের মঙ্গলের জন্যই দেখে। যে অন্ধ থাকে সে নিজেরই অকল্যাণ করে। আনআম ১০৪
৬. রাসুলগণ কি আমার পরিচয় বিবৃত করেননি? তারা কি এ দিনের মুলাকাত সম্পর্কে সাবধান করে নি? আনআম ১৩০
৭. আমরা জ্ঞান সহকারে বিবৃত করবো যে আমরা কখনো অদৃশ্য ছিলাম না। আরাফ ৭
৮. আমি তাদেরকে ভুলে আছি যারা এ সময়ের সাক্ষাতকে ভুলে ছিল। আরাফ ৫১
৯. যারা আমার আয়াত ও আখেরাতের মুলাকাত অস্বীকার করে তারা ব্যর্থ। আরাফ ১৪৭
১০. যারা আমার সাক্ষাতের আশা করে না এবং যারা আমার আয়াত থেকে গাফেল তাদের আবাস স্থল অগ্নি। ইউনুস ৭,৮
১১. যারা আমার সাক্ষাতের আশা পোষণ করে না, অবাধ্যতার কারণে আমি তাদের উদভ্রান্তের মত ঘুরে বেড়াতে দেই। ইউনুস ১১
১২. যখন আমার সুস্পষ্ট আয়াত তাদের সামনে তেলাওয়াত করা হয়, তখন আমার সাক্ষাতে অবিশ্বাসীরা বলে অন্য কুরান আনো। ইউনুস ১৫
১৩. আল্লাহর সাক্ষাত যারা অস্বীকার করেছে, তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তারা সঠিক পথ প্রাপ্ত ছিলনা। ইউনুস ৪৫
১৪. বল এটাই আমার পথ, আমি ও আমার অনুসারীগণ চাক্ষুস দেখার মত স্পষ্ট নিদর্শন দ্বারা আল্লাহর দিকে আহ্বা করি। ইউসুফ ১০৮
১৫. তিনি আয়াত বিশদভাবে বর্নণা করেন যাতে তোমরা রবের সাথে মুলাকাত সমন্ধে নিশ্চিত হতে পারো। রাদ ২
১৬. মেরাজের পরিবেশ আমি বরকতময় করেছিলাম আমার নিদর্শন সমূহ তাকে দেখানোর জন্য। বনী ইসরাইল ১
১৭. এখানে যে অন্ধ আখিরাতেও সে অন্ধ এবং অধিকতর পথভ্রষ্ট। বনী ইসরাইল ৭২
১৮. সেই কাফেরদের জন্য জাহান্নাম, যাদের চক্ষু ছিল আমার জিকির হতে পর্দার অন্তরালে। কাহাফ ১০০,১০১
১৯. যারা অস্বীকার করে নিদর্শন ও রবের সাথে সাক্ষাত, তাদের আমল বিনষ্ট হয়ে গেছে। কাহাফ ১০৫
২০. যে তার রবের সাক্ষাত কামনা করে সে যেন আমলে সালেহা করে এবং আহাদ রবের ইবাদতে কাওকে শরীক না করে। কাহাফ ১১০
২১. যারা আমার সাক্ষাত কামনা করে না তারা বলে রবকে আমরা দেখিনা কেনো? তাদের অন্তরে অহংকার ও অবাধ্যতা। ফুরকান ২১
২২. যে আল্লাহর মুলাকাত কামনা করে সে জেনে রাখুক, আল্লাহর নির্ধারিত কাল আসবেই। আনকাবুত ৫
২৩. যারা আল্লাহর আয়াত ও সাক্ষাত অস্বীকার করে, তারাই রহমত হতে নিরাশ হয়। আনকাবুত ২৩
২৪. মানুষের মধ্যে অধিকাংশ রবের সাক্ষাত বিষয়ে অবিশ্বাসী। রুম ৮
২৫. যারা আখেরাতে আমার সাক্ষাত অস্বীকার করে তারা শাস্তি ভোগ করবে। রুম ১৬
২৬. বস্তুত তারা তাদের রবের সাক্ষাত সম্পর্কে কাফের। রুম ১৬
২৭. অতএব শাস্তি আস্বাদন কর, যেমন করে এ দিনের সাক্ষাত সম্পর্কে তোমরা বিস্মৃত ছিলে। সাজদাহ ১৪
২৮. জাহান্নামের প্রহরীগণ বলবে, তোমাদের নিকট কি রাসুলগণ আয়াত ও রবের সাক্ষাত বিষয়ে সতর্ক করেননি? জুমার ৭১
২৯. এরা তাদের রবের সাক্ষাত সম্পর্কে সন্দিহান, আল্লাহ সর্ব পরিবেষ্টনকারী। হামীম সাজদাহ ৫৪
৩০. আমি তোমাদের ভুলে রইলাম যেমন করে তোমরা আমার মুলাকাত ভুলে ছিলে। জাসিয়াহ ৩৪
৩১. তার (রাসুলের) দৃষ্টি লক্ষ্যচূত হয়নি, সে তার রবের মহান আয়াতসমূহ দেখেছিল। নাজম ৮-১৮
৩২. তিনি আদি অন্ত, জাহির বাতেন। সর্বজ্ঞানী। হাদীদ ৩
৩৩. সেদিন কতক মুখমন্ডল উজ্জল হবে, তাদের রবের দিকে নজর দিয়ে। ক্বিয়ামাহ ২২,২৩
৩৪. হে মানুষ, তোমার রবের কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত কঠোর সাধনা করো, এরপর তুমি তার মুলাকাত লাভ করবে। ইনশিকাক্ব ৬

