ইরানের আজম নামক স্থানে জন্ম হযরত খাজা হাবীব আজমী (র) এর। বাস করতেন বসরা শহরে। সেখানে ছিল তাঁর সুদের ব্যবসা। পরবর্তীতে সুদ ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে হযরত খাজা হাসান বসরী (রা) এর নিকট মুরীদ হন হযরত খাজা হাবীব আজমী (র)।
বসরা শহর। সে শহরেই বাস করতেন এক নামকরা সুদ ব্যবসায়ী। ব্যবসায় তিনি সিদ্ধহস্ত। শহরজোড়া তাঁর প্রচুর খাতক। বিরাট কারবার। অত্যন্ত কঠোর চিত্তের ব্যবসায়ীটি সারাদিন বাড়ি বাড়ি ঘরে সুদ আদায় করেন।
পতিত মানব জাতিকে পথ প্রদর্শনের নিমিত্তে যুগে যুগে এ ধরাধামে আগমন করেছেন অসংখ্যা পূণ্যাত্মা। তাদেরই একজন হলেন হযরত মালেক ইবনে দীনার (র)। খাজা হাসান বসরী (রা) এর সমসাময়িক ছিলেন তিনি। অত্যন্ত উচ্চমানের সাধক ছিলেন তিনি।
যদি স্বয়ং আল্লাহ আপনার সঙ্গে থাকেন আর আপনার পূর্ণ আস্থা অটুট থাকে, তাহলে আর ভাবনা কিসের? আর এ কথায় যদি আপনার আস্থা না থাকে তাহলে অন্যের উপদেশে কোনো ফল হবে না।
সরাসরি মহানবী (সা) এর সানুরাগ সংস্পর্শধন্য খাজা হাসান আল বসরী (রা)। এলমে মারিফতের দীক্ষা নেন নবী (সা) এর গুপ্তজ্ঞানের ধারক বাহক মাওলা আলী (আ) এর নিকট হতে। তাঁর যামানার সর্বোচ্চ জ্ঞানী হিসেবে তাঁকেই ধরা হতো।
জগৎগুরু মোহাম্মদ (সা) এর সানুরাগ সংস্পর্শধন্য খাজা হাসান আল বসরী। একদিন নবী (সা) এর পানি পান করার পাত্র থেকে পানি পান করে ফেললেন শিশু হাসান বসরী। পেয়ালায় পানির পরিমান কম দেখে নবী (সা) জিজ্ঞেস করলেন, পানি পান করেছে কে?