আল কুরআন’ এর প্রয়োজনীয় কিছু আধ্যাত্মিক আয়াত। পোস্ট দুটিতে কুরআন শরীফ হতে নিত্য প্রয়োজনীয় ১২৫ টি গুঢ় ভাবব্যঞ্জনাধর্মী বাণী মোবারক তথা আয়াত সন্নিবেশিত হয়েছে। আশা করি পোস্ট দুটি থেকে সত্যানুসন্ধীগণ উপকৃত হবেন।
জগৎগুরু মোহাম্মদ (সা) এর সানুরাগ সংস্পর্শধন্য খাজা হাসান আল বসরী। একদিন নবী (সা) এর পানি পান করার পাত্র থেকে পানি পান করে ফেললেন শিশু হাসান বসরী। পেয়ালায় পানির পরিমান কম দেখে নবী (সা) জিজ্ঞেস করলেন, পানি পান করেছে কে?
যুগে যুগে এ ধরনীতে আবির্ভূত হন স্রষ্টার কিছু প্রিয় বান্দা। তাদের অনুকরণ-অনুসরণের জোর তাগিদ দেয়া হয়েছে সকল ধর্মেই। আমাদের আজকের আলোচনায় থাকছে এমনই এ জোতির্ময় সত্ত্বা “হযরত খাজা ওয়ায়েস আল ক্বরণী”।
মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ, এ শ্রেষ্ঠত্ব এসেছে তার মেধা, গঠন ও সুরত শৈলীর কল্যাণে। সে সৃষ্টিকে এমন করে সৃজন করে কুল আলমকে করেছে সুশৃঙ্খল, প্রাধান্য পেয়েছে প্রভুত্বের। মহান আল্লাহ পাক এই মানুষের মননে ছাবেত হয়ে তার প্রশংসার সবটুকু কুড়িয়ে নিয়েছেন।
মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ, এ শ্রেষ্ঠত্ব এসেছে তার মেধা, গঠন ও সুরত শৈলীর কল্যাণে। সে সৃষ্টিকে এমন করে সৃজন করে কুল আলমকে করেছে সুশৃঙ্খল, প্রাধান্য পেয়েছে প্রভুত্বের। মহান আল্লাহ পাক এই মানুষের মননে ছাবেত হয়ে তার প্রশংসার সবটুকু কুড়িয়ে নিয়েছেন।
কোরান বিশ্বাস করা ফরজ, আহলে বাইয়্যেতকে বিশ্বাস করাও ফরজ। কোরান বিশ্বাস করলো আহলে বাইয়্যেত বিশ্বাস করলো না, তারা কুফরী করলো। আমাদের অধিকাংশ আলেম সমাজ এই কুফরীতেই লিপ্ত আছে। ইহাই তাদের অন্ধত্বের পরিচয়, মূর্খতার পরিচয়।