লেখক – লাবিব মাহফুজ চিশতী
এইযে রাধাকৃষ্ণ, এইযে সার্বজনীন দৈত্ববাদ, এর ইন্টারনাল সত্যটাকে বোঝা দরকার।
কৃষ্ণ বা বিষ্ণু সার্বজনীন ত্রয়ীশক্তির অন্যতম। প্রকৃতিতত্ত্বে যে লীলায় রত বা রাধা অঙ্গে নিত্য উদ্ভাসিত নব সৃজনের কারিগর। জন্ম মৃত্যু রহিত পরম পুুরুষাকার শ্রীকৃষ্ণ ভ্রমান্ডব্যাপ্ত রাধাক্ষেত্রে স্ব-কর্ষণশক্তির প্রয়োগে তৈরী করেন চৌরাশি ক্রোশের নিত্যবৃন্দাবন। সেখানে স্বয়ং বংশীধারীর সপ্তসুর বা মাশানীপ্রাপ্ত নূর সেতারার উজ্জীবনে নিহিত থাকে জগতসমূহের চূড়ান্ত সফলতা।
আমাদের প্রতিটি দেহভ্রমান্ডে সদা সঞ্চরমান অতিজাগতিক গুণরাশি ও বিস্তৃত অটল জাতজাগতিক বস্তুনিচয়ের লীলাক্ষেত্রে আহাদ-আহাম্মদ-মুহাম্মদ (ত্রয়ীশক্তি)র অন্যতম সদাকৃষ্ণ যখন রাধামিলনের মাধ্যমে গড়ে তোলেন নিত্যবৃন্দাবন, তখনি আমরা হয়ে উঠি ধার্মিক। তখন আমাদের দেহভূমি হয় পবিত্র (রঁওজাপ্রাপ্ত) ও আমরা অবস্থান করি মানবী জান্নাতে।
রাধাকৃষ্ণ প্রতিটি মানবীয় অস্তিত্বে প্রভুত্ব কায়েমের কারিগর। অস্তি নিস্তির লীলায় অটলত্ব বা অমরত্ব কায়েমের কারিগর। রাধাকৃষ্ণের দ্বৈতবাদই আমাদেরকে মানুষ থেকে করে তোলে অতিমানুষ।
গুরু এবং ভক্তের মিলন মোহনাই মানবীয় পূর্ণত্বপ্রাপ্তির একমাত্র মাকাম। ভক্তমনে তাই কৃষ্ণ ভগবান। ঐশী ঐশ্বর্যের চূড়ান্ত রুপ।
রাধাকৃষ্ণের লীলাক্ষেত্ররূপ মানবীয় অজুদ-অস্তিত্বে ভগবানের নব নব উজ্জীবন সফল হউক। শুভ জন্মাষ্টমী।
লেখক – লাবিব মাহফুজ চিশতী
সম্পাদক – আপন খবর পত্রিকা
চেয়ারম্যান – আপন ফাউন্ডেশন