লেখক – লাবিব মাহফুজ চিশতী
অনেকেই দেখছি কথায় কথায় মাজারের সাথে ধর্ম-ব্যবসার কথা তুলে ধরছে। বেদাত শিরক সহ নানান কথা বলে বেড়াচ্ছে। এসবের দালিলিক আলাপে এখন যাচ্ছি না, সাধারণ দৃষ্টিতে বিষয়টা বোঝা দরকার –
৩০ মিনিট ওয়াজে কিচ্ছা শুনায়ে ৮০ হাজার টাকা হাদিয়া নামে নেয়াটা ধর্মব্যবসা না?
নামাজ পড়ায়ে টাকা নেয়াটা ধর্মব্যবসা না?
নানান ধর্মীয় মাহফিল থেকে বস্তায় করে টাকা নেয়া দেখেছি, সেসব ধর্মব্যবসা না?
দোষ কেবল মাজারে বেলায়? এখানে ভক্তগণ ৫/১০ টাকার মানত বা প্রণামী পেশ করে, সেটায় ধর্মব্যবসা হয়? প্রতিটা মাজারে কি বিপুল পরিমান মানবসেবার দায়িত্ব আন্জাম দেয়া হয় সেটা জানো? শিরক বিদাতের ধোঁয়া তুলে মাজার ভাঙতে আসো, আল্লাহকে না দেখে/চিনে সেজদা দেয়া কি শিরক নয়? তোমরা বেদাতি নও?
অনৈতিক কাজের কথা বলে মাজার ভাঙবা? মজসিদে ইয়াবা পাচার হয়নি? মাদ্রাসায় বলাৎকারের মতো জঘন্য ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে না? কালো টাকায় মসজিদ হয়নি? সেসব ভেঙ্গেছো?
বেদাতি হোক, শিরকের আস্তানা হোক বা ব্যাবসার স্থান হোক, একটা স্থাপনা ভেঙ্গে দেয়ার তুমি কে? কোন আইন তোমাকে এ অধিকার দিয়েছে?
মাজার ভাঙ্গার যে ঐতিহ্যকে তোমারা পালন করছো সেটার সূত্রপাত তো করেছিল অভিশপ্ত এজিদ। তাহলে তোমরা কারা?
সুফি সাধকগণ নির্জনে আত্ম-সাধনায় মগ্ন থাকেন। তাদের বিরক্ত কোরো না। তারা কথা বললে তোমাদের ঢেকে রাখা নজদী শিং প্রকাশ হয়ে পড়বে। সুতরাং সাবধান।
লাবিব মাহফুজ চিশতী
সম্পাদক – আপন খবর পত্রিকা
০৩|০৯|২০২৪