লেখক – মাওলানা মোফাজ্জল হোসাইন চিশতী
দলিল : রাসুল (দঃ) বলেছেন তোমরা মু’মীনের অন্তর দৃষ্টিকে ভয় কর, কেননা তাঁরা নূর দ্বারা সব দেখতে পান । (জামে তিরমিজি ২য় জি ১৪৫ পৃ. তাফসীরে কবির ১ম খন্ড ১২৭ পৃ. তাফসীরে রুহুল বয়ান ১ম খন্ড ৩৯ পৃ. ২য় খন্ড ৪৫৫ পৃ., ৪র্থ খন্ড ৫৯০ পৃ. তাফসীরে তাবারী ১৪ তম খন্ড ৫০ পৃ. তাফসীরে রুহুল মায়ানী ১৪তম খন্ড ৪২৯ পৃ. তাফসীরে খাজেন ৩য় খন্ড ৬০ পৃ. ও তাফসীরে ইবনে কাছির ২য় খন্ড ৬৯২ পৃ.)
দলিল : অর্থাৎ, হযরত ইবনে উমর (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলে পাক (দঃ) বলেন : অবশ্যই আল্লাহ পাক সারাটা দুনিয়া আমার সামনে তুলে ধরেছেন, ফলে দুনিয়ার কোথায় কি হয় এবং কেয়ামত পর্যন্ত কি হবে সব কিছু আমার হাতের তালুর মত দেখি। (তারারানী তার কবীরে আলবানী কৃত ছিলছিলায়ে আহদিছ শরহে মাওয়াহেবুল্লা দুন্নিয়া হুলিয়াতুল আউলিয়া ৪র্থ খন্ড)। সুতরাং আল্লাহর হাবীব (দঃ) সারা দুনিয়ার নাজির বা প্রত্যক্ষদর্শী। কেয়ামত পর্যন্ত যা যা হবে সবই আল্লাহর হাবীব (দঃ) দেখতেছেন ও দেখতে থাকবেন ।
দলিল : অর্থাৎ, হযরত ছাওবান (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলে পাক (দঃ) বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ পাক সারা দুনিয়াকে আমার সামনে সংকুচিত করে দিয়েছেন, ফলে আমি পৃথিবীর পূর্ব প্রান্ত থেকে পশ্চিম প্রাপ্ত পর্যন্ত দেখতে পাই । (সহি মুসলিম, ইবনে মাজাহ ২৯২ পৃ. আবু দাউদ শরীফ ৪৮৪ পৃ. মেসকাত শরীফ ৫১২ পৃ. মুসনাদে আহমদ ২৭৮/৫, মেরকাত ১০ খন্ড ৪২৮ পৃ. তাফসীরে ইবনে কাছির ৩য় খন্ড ৩৬৯ পৃ.)
দলিল : অর্থাৎ, হযরত ইবনে উমর (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলে পাক (দঃ) বলেন : অবশ্যই আল্লাহ পাক সারাটা দুনিয়া আমার সামনে তুলে ধরেছেন, ফলে দুনিয়ার কোথায় কি হয় এবং কেয়ামত পর্যন্ত কি হবে সব কিছু আমার হাতের তালুর মত দেখি । (তারারানী তার কবীরে আলবানী কৃত ছিলছিলায়ে আহদিছ শরহে মাওয়াহেবুল্লা দুন্নিয়া হুলিয়াতুল আউলিয়া ৪র্থ খন্ড)। সুতরাং আল্লাহর হাবীব (দঃ) সারা দুনিয়ার নাজির বা প্রত্যক্ষদর্শী । কেয়ামত পর্যন্ত যা যা হবে সবই আল্লাহর হাবীব (দঃ) দেখতেছেন ও দেখতে থাকবেন ।
দলিল : অর্থাৎ, হযরত ছাওবান (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলে পাক (দঃ) বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ পাক সারা দুনিয়াকে আমার সামনে সংকুচিত করে দিয়েছেন, ফলে আমি পৃথিবীর পূর্ব প্রান্ত থেকে পশ্চিম প্রাপ্ত পর্যন্ত দেখতে পাই । (সহি মুসলিম, ইবনে মাজাহ ২৯২ পৃ. আবু দাউদ শরীফ ৪৮৪ পৃ. মেসকাত শরীফ ৫১২ পৃ. মুসনাদে আহমদ ২৭৮/৫, মেরকাত ১০ খন্ড ৪২৮ পৃ. তাফসীরে ইবনে কাছির ৩য় খন্ড ৩৬৯ পৃ.)
দলিল : অর্থাৎ নবীগণ দৈহিকভাবে মানবীয় গুণপ্রাপ্ত, বাতেনীভাবে ফেরেস্তাদের গুণ প্রাপ্ত । এ জন্যেই তাঁরা পৃথিবীর পূর্ব প্রান্ত থেকে পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত দেখতে পান । (তাফসীরে কবীর, শিফা শরীফ)
দলিল : হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন, নিশ্চয় রাসূলে (দঃ) বলেছেন, তোমরা কি মনে কর আমি শুধু কিবলার দিকে বা সামনের দিকেই দেখি ? আল্লাহর কসম! তোমাদের রুকু ও সেজদা আমার কাছে গোপন থাকেনা । আমি তোমাদেরকে পিছনেও দেখি যেমনিভাবে আমার সামনে দেখতে পাই । ( সহি বুখারী ১ম জি, ৫৯ পৃ. মেসকাত শরীফ সালাত অধ্যায় নাসাঈ শরীফ ১ম জি ৯৩ পৃ. মুসনাদে আহমদ ৯ম খন্ড ৩৩ পৃ. মাওয়াহেবুল্লা দুন্নিয়া ২য় খন্ড ২২৬ পৃ.)
দলিল : হযরত আনাছ (রাঃ) বর্ণনা করেন, নবী করিম (দঃ) বলতেন, তোমরা বরাবর হয়ে দাঁড়াও, বরাবর হয়ে দাঁড়াও, বরাবর হয়ে দাঁড়াও, যার হাতে আমার প্রাণ তার শপথ! আমি তোমাদেরকে পিছনদিকে দেখি যেমনি ভাবে আমার সামনে দেখতে পাই । (সুনানে নাসাঈ শরীফ ১ম জি. ৯৩ পৃ. মাওয়াহেবুল্লা দুন্নিয়া ২য় খন্ড ২২৭ পৃ.)
দলিল : হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন রাসূলে করিম (দঃ) যেমন ভাবে দিনের আলোতে দেখতেন, তেমন ভাবে রাতের গভীর অন্ধকারেও দেখতেন । (মাওয়াহেবুল্লা দুন্নিয়া ২য় খন্ড ২২৬ পৃ. মাদারেজুন্নবুয়াত)। যে নবী রাতের গভীর অন্ধকারেও দিনের আলোর মত দেখেন, সেই নবী অবশ্যই আমাদেরকে দূরবর্তী অঞ্চলেও দেখতে পান । অন্য এক হাদিসে উল্লেখ আছে ।
দলিল : হযরত আনাছ (রাঃ) বলেন, যায়েদ ইবনে হারেজা, জাফর ইবনে আবু তালিব ও আব্দুল্লাহ ইবনে রাওহার মৃত্যু সংবাদ যুদ্ধের ময়দান হতে আসার পূর্বেই রাসূল (দঃ) লোকদের জানিয়ে দিয়েছেন । রণক্ষেত্রের বিবরণ তিনি এভাবে দিয়েছেন, যায়েদ পতাকা হাতে নিয়েছেন, সে শহীদ হয়েছে । তারপর জাফর পতাকা হাতে নিয়েছে, সেও শহীদ হয়েছে । অতপর আব্দুল্লাহ ইবনে রাওহা পতাকা হাতে নিয়েছে সেও শহীদ হয়েছে । এই সময় রাসূল (দঃ) এর চক্ষুদ্বয় হতে অশ্রুধারা প্রবাহিত হয়েছিল । ইহার পর রাসূল (দঃ) বলেন- আল্লাহর তরবারী সমূহের এক তরবারি (খালেদ ইবনে ওয়ালিদ) ঝান্ডা হাতে তুলে নিয়েছে । অত:পর আল্লাহ তা’লা কাফেরদের উপর মুসলমানদের বিজয় দান করেছেন । (সহি বুখারী, মেসকাত শরীফ ৫৩৩ পৃ. মেরকাত শরহে মেসকত)
দলিল : হযরত ইবনে ওমর (রাঃ) হতে বর্ণিত, একদা উমর (রাঃ) একদল সৈন্য (নাহওয়ান্দ) অভিযানে পাঠিয়েছিলেন । ‘ছারিয়া’ নামক এ ব্যক্তিকে সেই দলের সেনাপতি করেছেন । ঐ সময় ওমর (রাঃ) মদিনায় জুময়ার খুতবা দিচ্ছিলেন । খুতবার মাঝে তিনি হঠাৎ চিৎকার করে বললেন: হে ছারিয়া! পাহাড়! পাহাড়! পাহাড়! (এই ডাক মদিনা হতে সিরিয়ার যুদ্ধের ময়দানে গিয়েছিল এবং সাহাবারা শুনেছিল) (মেসকাত শরীফ ৫৪৬ পৃ. মেরকাত শরহে মেসকাত ১১ তম খন্ড ৯৯ পৃ. আশিয়াতুল লুময়াত)
এই হাদিস দ্বারা প্রমাণ হয় হযরত উমর (রাঃ) মদিনা হতে নাহওয়ান্দের যুদ্ধের ময়দান পর্যন্ত দেখেছেন। আচ্ছা নবীর উম্মত যদি মদিনা থেকে এত দূর পর্যন্ত দেখতে পায় তাহলে আল্লাহর নবী (দঃ) কি দেখবেন না?
লেখক – মাওলানা মোফাজ্জল হোসাইন চিশতী