আপন ফাউন্ডেশন

নারী পুরুষ উভয়ের উছিলা বা বায়াত গ্রহণের দলিল

Date:

Share post:

লেখক – মাওলানা মোফাজ্জল হোসাইন চিশতী

আল্লাহ পাক অতি মহব্বত করে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠত্ব দিয়ে প্রতিনিধিত্বসহ উত্তম সিরাত সুরাতে ধরণীতে আমাদেরকে প্রেরণ করেছেন, উদ্দেশ্য সেই প্রেমময় অনন্ত অসীম সত্ত্বাকে চিনে জেনে প্রভুধ্যানে, তাঁরই প্রেমে যেনো মানব জাতিলীন বা ফানা বা একাকার হয়ে যায় । কিন্তু মানবকুল ভবে এসে জীবাত্মার গুণ খাছিয়তে আসৃত হয়ে আমিত্বের দেয়ালে আটকা পড়ে অসার সংসার মায়ায় আবদ্দ হইয়া করুনাময় আল্লাহকে ভুলে যায় । ষড়রিপুর তাড়নায় কিংকর্তব্যবিমুঢ় হয়ে মানুষ পাপী তাপী ও পতিত জীবনের বাসিন্দা হয়ে যায় ।

অর্থাৎ তাঁর দেহ রাজ্যে নফস ই আম্মারার নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব থাকায় সে অশুদ্ধ অপবিত্র থাকে । জীবাত্মার অধিকারী এহেন পতিত (অশুদ্ধ) মানব জাতিকে কুপথ হতে সু পথে আনায়নে তথা আমিত্বের বেড়াজাল হতে মুক্তি দিতে যুগে যুগে আল্লাহ পাক ইনছানুল কামিল নবী-রাসুল ও পীর মুর্শিদগণকে অবতীর্ণ করেছেন ও করেন। আল্লাহর খাস বান্দা ইনছানুল কামেল গণের (মাধ্যমে) নির্ধারিত পথ ও মতই হলো পতিত মানব জাতির মুক্তির একমাত্র বিধান । পরিশুদ্ধ আত্মা (নফস মত্মাইন্না) অধিকারী কামেল মুর্শিদগণের সোহবতে থেকে নিজ আত্মা কে পরিশুদ্ধ করতে আল্লাহ্পাক এরশাদ করেন ঃ হে ইমানদারগণ । তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সত্য বাদী (অলি আল্লাহ) গণের সঙ্গী হও (তওবা ১১৯) আয়াতে উল্লেখিত ‘সাদিক’ অর্থ হক্কানী কামেল মোরশেদ । (তাবলীগি কিতাব ফাজায়েলে আমল ১ম খন্ড ৪৬ পৃ.)

পবিত্র কোরানপাকে আল্লাহ বলেন । “ক্বাদ আফলাহা মান যাক্কাহা” অর্থাৎ যে নিজেকে পবিত্র বা পরিশুদ্ধ করবে সেই সফলকাম হবে (সুরা শামছ- ৯ আয়াত। ওয়াক্বাদ খাবামান দাশসাহা” অর্থাৎ এবং যে ব্যর্থ হয়েছে সে নিজেকে কুলষিত করেছে (সুরা শামস ১০ আয়াত)।

সুতরাং প্রমান হলো আত্মশুদ্ধিই সফলতার একমাত্র উপায় । ‘স্মর্তব্য’ যে, আত্মশুদ্ধি অর্জন করতে হলে প্রথমে আত্মা সম্পর্কে জ্ঞাত হতে হবে তথা আত্ম জ্ঞান অর্জন করতে হবে । কারন আত্মজ্ঞান হলেই আত্মশুদ্ধি হবে । আত্মশুদ্ধি হলে আত্ম চেতনা আসবে আর আত্ম চেতনা বা চৈতন্য হলে হবে আত্ম দর্শন তথা প্ৰভু দর্শন, দর্শনে আসবে প্রেম আর প্রেমেই হবে মিলন । বলা বাহুল্য মানব সৃষ্টির মুলে স্রষ্টার উদ্দেশ্য ইহাই । আর ধর্মের মুল উদ্দেশ্য আত্ম শুদ্ধির মাধ্যমে আত্ম জ্ঞান লাভ । উপরোক্ত স্তর বা মাকামে উপনিত হতে হলে সর্বাগ্রে কর্তব্য আত্মদর্শন বা আত্মসমর্পণ করা অর্থাৎ একজন পরিশুদ্ধ কামেল মোরশেদের হাতে (নারী পুরুষ) সকলের বায়াত গ্রহণ করা । আল্লাহ পাক এরশাদ করেন “ইন্নাল্লাযিনা ইউ বায়উনাকা ইন্নামা ইউ বায়উনাল্লাহা ইয়াদুল্লাহি ফাউকা আইদিহিম” অর্থাৎ নিশ্চই যারা আপনার (রাসুলের) হাতে হাত দিয়ে বায়াত গ্রহণ করেছে তারা নিশ্চই আল্লাহর হাতে বায়াত গ্রহণ করেছে, আল্লাহর হাত তাঁদের হাতের উপর । (সূরা- ফাত্তাহ-১০ আয়াত)

প্রতীয়মান হলো, বায়াত গ্রহণ করার হুকুমটি আল্লাহর । আর সকল মুসলমান গণ অবগত আছেন যে অল্লাহর হুকুম ফরজ । গভীরভাবে বুঝতে হবে যে অন্তর পরিশুদ্ধ বা আত্মশুদ্ধি অর্জন করার জন্য অবশ্যই প্রয়োজন ইলমে তাসাউফ বা ইলমে লাদ্দুনা তথা আধ্যাত্মিক জ্ঞানার্জন । আর এই ইলম বা জ্ঞান কোন স্কুল, কলেজ, ভার্সিটি ও মাদ্রাসায় শিক্ষা দেওয়া হয়না বা শিক্ষা দেওয়া যায় না । ইহা বাহ্যিক পাঠ্য পুস্তক বহির্ভূত জ্ঞান । যে জ্ঞান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাঁর প্রিয় হাবিব হুজুরে পাক (সঃ) এর পবিত্র সিনা মোবারকে গচ্ছিত রেখেছিলেন (সুরা- আলাক) ।

পরবর্তিতে বেলায়েতের সম্রাট হযরত মওলা আলী (রাঃ) মাধ্যম দিয়ে পীর পরস্পরায় অদ্যাবধি তরীকতে সিল সিলায় চালু আছে এবং অনন্ত কাল চলমান থাকবে- স্বপক্ষে ইমাম মুজতাহিদ, মুফাচ্ছির ও মুহাদ্দিসগণ বলেন, দিলের ইসলাহ তথা আত্ম শুদ্ধি অর্জনের জন্য ইলমে তাসাউফ (বাতেনী) জ্ঞান লাভ করতে একজন কামিল মুর্শিদের নিকট বায়াত হওয়া ফরজ । (কিমিয়ায়ে সায়াদাত ও তাফসীরে মারেফুল কোরান, মকতুবাত শরীফ) অনুরূপ, তাফসীরে রুহুল বয়ান, রুহুল মায়ানী ও তাফসীরে কবীরে উল্লেখ আছে যে, মূলতঃ কামিল মুর্শিদ, মুরীদের অন্তর পরিশুদ্ধ করত : আল্লাহ পাকের খাস নৈকট্য লাভ করানোর এক বিশেষ উছিলা বা মাধ্যম ।

মহান আল্লাহ তা’য়ালা এরশাদ করেন : হে বিশ্বাসীগণ তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং তাঁর নৈকট্য লাভ করার জন্য উছিলা অন্বেষন (গ্রহণ) করো (সুরা- মায়েদা ৩৫ আঃ) এ আয়াত শরীফের ব্যাখ্যায় তাফসীরে রুহুল বয়ানে উল্লেখ আছে যে উছিলা ব্যতীত আল্লাহ্পাক এর নৈকট লাভ করা যায় না । আর উক্ত উছিলা হচ্ছেন তরীকতপন্থী কামিল মুর্শিদগণ । এ সম্পর্কে আল্লাহপাক বলেন- এবং যে ব্যক্তি আমার দিকে রুজু হয়েছে তোমরা তাঁর পথকে অনুসরণ করো (সুরা লুকমান ১৫ আয়াত) একমাত্র অলি আউলিয়াগণই (দুনিয়ার মোহত্যাগ করে) ‘দায়মুচ্ছালাতে’ সারাক্ষন হুজরী দিলে আল্লাহতে রুজু থাকেন অতএব বেলায়েত প্ৰাপ্ত অলি আল্লাহদের সঙ্গ লাভ অনুসরণ ও অনুকরণ করাই একান্ত কর্তব্য। আল্লাহপাক বিশ্বের মানব জাতিকে জানিয়ে দিলেন তোমরা বলো “সিরাতাল্লাজিনা আন আমতা আলাইহিম” অর্থাৎ – তাদের পথে পরিচালনা করো যাদের প্রতি তুমি অনুগ্রহ বা নিয়ামত দান করেছ (সুরা ফাতিহা-৬ আয়াত) এ আয়াত দ্বারাও আমরা প্রমাণ পেলাম ।

আল্লাহর নিয়ামত তথা অনুগ্রহ প্রাপ্ত ব্যক্তিদের উছিলা দিয়ে নিজের জীবন সঠিক পথে পরিচালনার প্রার্থনা সুরা ফাতিহার মধ্যে আল্লাহ্ অবতীর্ণ করেছেন । এর পরেও যারা উছিলা বলতে পীর মুর্শিদ না মেনে অন্য কিছু বুঝে বা বুঝতে চায় তাহলে তারা যে কোরান বুঝে না বা মানেনা এটাই প্রমাণিত হয়। তবে পীর মুর্শিদ মানাটাও তকদীর না মানাটাও তকদীর । আল্লাহ এরশাদ করেন : আল্লাহ পাক যাকে হেদায়েত দান করেন সেই মাত্র সঠিক রাস্তাপায় আর যাকে হেদায়েত দান করেন না সে কখনো মুর্শিদ রূপ অলী বা বন্ধু পায়না । (সুরা কাহাফ-১৭ আয়াত) ।

একটি বিষয় স্মরণ রাখতে হবে যে একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিনই সমস্ত ক্ষমতার মালিক কিন্ত তিনি উছিলা বিহীন কিছুই করেনা সুতরাং মুর্শিদ রূপ উছিলা বা বায়াত গ্রহণ ব্যতিরেকে সেই মহান আল্লাহ্ তায়ালার দ্বীদার লাভ কস্মিন কালেও সম্ভব নয় । পবিত্র কোরানে কলেমা, নামাজ, রোজা, হজ্ব, যাকাত আদায় করার বিষয়ে যেমন নারী পুরুষের জন্য ভিন্ন কোন নির্দেশ দেয়া হয়নি তেমনি কোরানে বায়াত বিষয়েও একই আয়াত দ্বারা নারী পুরুষের বায়াতের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তারপরও সুরা মুমতাহিনার ১২নং আয়াতে মেয়েদের কে বায়াত করার জন্য আল্লাহপাক হুকুম করেছেন। কতগুলো শর্তের মাধ্যমে যেমন, শিরক করবেনা, চুরি করবেনা অন্যের সন্তান গর্ভে ধারণ করে স্বামীর উপর মিথ্যা অপবাদ চাপিয়ে দেবে না এবং দয়াল নবীজির আদেশের অবমাননা করবে না । উক্ত শর্ত সাপেক্ষে মক্কা বিজয়ের দিন পুরুষদের বায়াতের বায়াতের পাশাপাশি চারশত সাতান্নজন মহিলাকেও হুজুর (সঃ) বায়াত করেছিলেন । (আয়াতের শানে নজুল দ্রঃ) তাফসীরে কানজুল ইমান ও খাজাইনুল ইরফান ৩য় খন্ড ৯৯৩ ও পৃ. ও খায়রুল মাজালিস ১১৮ পৃ. পড়ে দেখার অনুরোধ রইলো । সুতরাং নারী পুরুষ উভয়ের বায়াত গ্রহণ করা পবিত্র কোরান দ্বারা ফরজ প্রমাণিত হলো ।

হাদিস শরীফ ও কিতাবের দলিল :

দলিল-১ : নবীজি বলেন : জ্ঞানী (যাহির, বাতিন) ব্যক্তিরাই আমার (আল ওলামাউ ওয়ারেছাতুল আম্বিয়া) একমাত্র ওয়ারিস । (হাদিস)

দলিল-২ : হাদিসে কুদসীতে আল্লাহ বলেন, “উতিহিম আকলিওয়াহিকমি” অর্থাৎঃ আমি আমার অলিদেরকে আমার নিজ হতে জ্ঞান ও বিবেক দান করে থাকি । (মসনবী শরীফ ৪র্থ খন্ড ৫০ পৃ.)

দলিল- ৩ : “আশ শায়খুফি কাওমীহি কান নাবীউফি উম্মাতিহী” অর্থাৎ- নবী তাঁর উম্মতের জন্য যেমন মুর্শিদ তাঁর মুরীদের জন্যে তেমন (মকতুবাতে সদী ১ম খন্ড ১৯৬ পৃ.)

দলিল- ৪ : “মানলা শায়খালাহু ফিস শায়খিস শায়তান” অর্থাৎ যে ব্যক্তির শায়খ বা মুর্শিদ নাই তাঁর শায়খ হলো শয়তান । (বারফুতী শরীফের সুত্রে শানে হাবিবুর রহমান কিতাবের ২০০ পৃ.)

দলিল-৫: হযরত কায়েস (রাঃ) হতে বর্ণিত হুজুর (সঃ) বলেছেন যে ব্যক্তি বায়াত গ্রহণ না করে মৃত্যু বরণ করলো সে যেন জাহেলিয়াতের সাথে মৃত্যু বরণ করলো (বুখারী ২য় খন্ড) ঐ হাদিসটি বুখারীর ৫ম খন্ডের ১২৮ পৃষ্ঠায় মুসলিম শরীফ, মিশরী, ১৮৫১ নং হাদিস এবং মিশকাত শরীফের ৭ম খন্ডের ৪৩৭৮ নং হাদিসেও বর্ণিত আছে । বর্ণনাকারী হযরত আবদুল্লাহ বিন ওমর ।

দলিল- ৬ : বায়াত ভঙ্গকারী অপবিত্র যার পরিনাম হলো জাহান্নাম (বুখারী শরীফ ৬ষ্ঠ খন্ড- ৬৭০৩ নং হাদিস)। (সুরা ফাত্তার ১০ আয়াতের শেষ অংশ বায়াত ভঙ্গ এর পরিনাম সম্পর্কে)

দলিল- ৭ : যে ব্যক্তি মুর্শিদের উছিলা ব্যতীত সুলুকের পথে পা বাড়াইল সে শয়তানের চক্রান্তে পথভ্রষ্ট ও অন্ধকুপে পতিত হলো (মসনবী মাওলানা রুমী ৪র্থ খন্ড ৪ পৃ.)

দলিল-৮ : খালেছ অন্তরে একদিন পীরের খেদমত করা হাজার বৎসর নফল ইবাদতের চেয়েও অধিক উত্তম (ইসরারুল আউলিয়া ৫৫ পৃ.) দলিল-৯ : ইমাম আযম আবু হানিফা (রঃ) বলেন, যদি আমি ইমাম জাফর সাদেকের নিকট বায়াত না হতাম তবে আমি নোমান ধ্বংশ হয়ে যেতাম (হানাফি মাযহাবের ইমাম) ।

এধরণের হাজারো প্রমাণ রয়েছে হক্কানী আলেম ও আউলিয়াদের পক্ষ হতে, যা তুলে ধরলে লেখাটি অনেক বড় হয়ে যাবে । মূল কথা হলো বায়াত হয়ে পীরের খেদমত করে ইলমে তাসাউফ বা আধ্যাত্মিক জ্ঞান অর্জন না করা পর্যন্ত কেহ নিজ আত্মা পরিশুদ্ধ করতে পারবে না । কেননা এ ব্যাপারে সকলেই একমত যে ইলমে তাসাউফ অর্জন করার মাধ্যমে অন্তর পরিশুদ্ধ করতঃ বেলায়েতে আমুল খাস হাসিল করা ফরজ। এ ফরজ ততক্ষন পর্যন্ত আদায় করা সম্ভব হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত একজন কামেল মুর্শিদের নিকট বায়াত না হবে । যে কাজ বা আমল ব্যতীত ফরজ সমুহ আদায় হয় না বা পূর্ণ হয় না সে ফরজ পূর্ণ করার জন্য ঐ কাজ বা আমল করাও ফরজ। (তাফসীরে মাযহারী ও দুররুল মুখতার)

আল্লাহ তা’য়ালা বলেন, “ইল্লামান আতাল্লাহা বিক্কলবিন ছালিম” অর্থাৎ- পরিশুদ্ধ অন্তর ব্যতীত কেহই আল্লাহর নিকটে যেতে পারবে না (সুরা শুরা-৮৯ আয়াত)

অতএব- আত্মশুদ্ধির জন্য বায়াত গ্রহণ অবশ্যই বাধ্যতামূলক ।

বায়াত গ্রহণ প্রসঙ্গে আরো কিছু দলিল তুলে দিলাম –

(১) সুরা ফাতিহা ৬ আয়াত
(২) সুরা নিসা ৫৯ আয়াত
(৩) সুরা মায়েদা ৩৫ আয়াত
(৪) সুরা ফাত্তাহ্ ১০ ও ১৮ আয়াত
(৫) সুরা তওবা ১১৯ আয়াত
(৬) সুরা বনিইসরাইল ৭১ আয়াত
(৭) সুরা লুকমান ১৫ আয়াত
(৮) সুরা কাহাফ ১৭ আয়াত
(৯) সুরা মুমতাহিনা ১২ আয়াত
(১০) বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ১০৩ পৃ.
(১১) বুখারী শরীফ ৩য় খন্ড ১২৪/২৫ পৃ.
(১২) বুখারী ৪র্থ খন্ড ১৫২ পৃ.
(১৩) মুসলীম শরীফ ২য় খন্ড ১৩১ পৃ.
(১৪) বুখারী ৫ম খন্ড ১২৮ পৃ.
(১৫) বুখারী শরীফ ৬ষ্ঠ খন্ড হাদিস নং ৬৭০৩
(১৬) মিশকাত শরীফ ৭ম খন্ড হাদিস নং ৪৩৭৮

আশা করি আমরা কোরআন হাদিসের সহি দলিল সমূহ দ্বারা প্রমাণ পেলাম বায়াত বা উছিলা গ্রহণ করা ফরজ মতান্তরে ওয়াজিব ।

লেখক – মাওলানা মোফাজ্জল হোসাইন চিশতী

More Posts

সাবস্ক্রাইব করুন

Related articles