তরিকতের গান ০১.
রচনায় – জসীম উদ্দিন আল চিশতী নিজামী
গুরু ধরে জানো তাঁহার পরিচয়
ওরে, চিনা জানা না হইলে, হায়ান থাকবিরে নিশ্চয়।
মনরে, উপরে কেনো তাকাও বৃথা, যেথায় শূণ্য শুধুই ফাঁকা
চন্দ্র, সূর্য আর তারকা, দেখবে শুধু আসমানে।
তোমার নিজের ভিতর আছে ঢাকা, দেখোরে কোরানে লেখা
সন্ধান করলে পাবে দেখা, সুক্ষ্ম জ্ঞান হলে উদয়।
যে চিনেছে আপনারে, সে চিনেছে পরোয়ারে
মন তাঁহার টিকেনা ঘরে, কি যেন সে বলতে চায়।
সদায় সে থাকে নিহারে, আপন মাঝে সফর করে
আত্মায় আত্মায় যোগ মিলনে, প্রেম জোশেতে মেতে রয়।
যদি, হতে চাও খোদার পিয়ারা, হওনা আগে জ্যান্তে মরা
তবেই যাবে তারে ধরা, খাহেশ থাকলে নাই উপায়।
গলে বেঁধে প্রেমো ডুরি, গুরুর দয়ার হও ভিখারী
গুরু যে দয়ার ভান্ডারী, দেখে মোল্লা জসিম কয়।
তরিকতের গান ০২.
রচনায় – কাঙাল আব্দুর রহমান চিশতী
মানুষ খুঁজলে মানুষ পাবি, নিত্যজ্ঞান হবে উদয়
মানুষ ভজে দেখো তাতে, বিরাজিছে দীন দয়াময়।
এই মানুষেরই হৃদকমলে, বিরাজ করে সাঁই আমার
সেই মানুষের ভজলে চরণ, পাবি তাঁরে হৃদ মাঝার।
প্রভূর ভজনালয় হয় এ মানুষ, তাঁরে ভজো রে মন সর্বদায়।
এই মানুষ মোহনায় খোদা, প্রকাশ করে আপন ধন
সে হয় খোদার প্রিয় বান্দা, যে হয় সরল সমর্পণ।
ভক্তি মনে ডাকলে তাঁরে, সে গুরুরুপে জাহের হয়।
না ভজিয়া মানুষ রতন, করে খোদার সন্ধান যে জনা
সে হয় মূর্খ, পায়না কভূ, পরম প্রভূর নমুনা।
তাই কাঙালে সকল ছাড়িয়া, দয়াল পদে রত রয়।
তরিকতের গান : দুইটি আধ্যাত্মিক মারফতি গান

