ধর্মীয় সংগীত ০১
শাহ ফরহাদ চিশতী
কিছুই পালন হয়নি রাছুল, নবুয়ত তেইশ বছরে
মাওলা আলী ঘোষণায় রেছালাত, পূর্ণ হলো খুম গাদীরে।।
হজ্জ শেষে বেধে এহরাম, রাসুল রওনা হলো মদিনা ধাম
পথিমধ্যে আসে কালাম, জানায়ে দাও সকলের তরে।।
সঙ্গে ছাহাবা ছিলো সোয়ালক্ষ, বাহিরে তাদের মধুর সখ্য
সঙ্কিত রাছুল আত্মপক্ষ, কি যেন হয় ঘোষণার পরে।।
অভয় বাণী প্রাপ্ত হইয়া, গাদিরে খুমে থামলেন গিয়া
বানায় মঞ্চ উষ্ট্র দিয়া, প্রস্তুত নামাজ আদায় করে।।
মঞ্চে তুলে ধরেন আলীর হাত, পৌঁছাইয়া দিলেন রেসালাত
মান কুনতুম মাওলা আয়াত, ১৮ জিলহজ্জ, বৃহস্পতিবারে।।
দ্বীন সেদিন পূর্ণ হলো, মুমিনগণে মাওলা পেল
ফরহাদ তুমি আঁখি খোলো, দেখো সালাম উছিলা করে।।
ধর্মীয় সংগীত ০২
শাহ মোবারক হোসাইন ওয়ায়েসী
ডাকি দয়াল তোমারে
এ জীবনে দেখা দিও আমারে,
তোমার দয়াগুণে ত্বরাও আমায়
রেখো না কারাগারে।।
তোমার নাম স্বরণে হৃদে আসে ভাব
তুমি তো সকলি জানো কি আমার অভাব।
এবার ঘুচাও আমার সকল অভাব, রেখো না অন্ধকারে।।
প্রেমের বাণী নিয়ে এলেন খাজা বাবায়
কত শত পাপীর জীবন ধন্য হয়ে যায়।
মুর্শিদ তুমি আমার খাজা বাবা, ধন্য করো আমারে।।
এ জগতের মায়ায় তোমায় ভুলে রই
তুমি আমার নাইবা হলে যেনো আমি তোমার হই।
অধম মোবারক তাই কেঁদে বলে, ঠাঁই দিও চরণ পরে।।
ধর্মীয় সংগীত : দুটি আধ্যাত্মিক কালাম – Sufi Kalam

