আপন ফাউন্ডেশন

বাণী – আপন ভূবন

Date:

Share post:

লেখক – লাবিব মাহফুজ চিশতী

1. মানুষ যখন হায়ানাত স্বভাবের উর্দ্ধে আরোহণ করে ইনছানিয়াতের অধিকারী হয়, তখন সে মানুষটি স্বয়ং-ই মসজিদ কাবা বা পূজা মন্দির।

2. প্রভূতে সমর্পিত হওয়া মানেই পবিত্র আত্মার অধিকারী মানুষের চরণে নিজেকে সমর্পন করা।

3. তাহকীক সাপেক্ষে দেহপাঠই মানবাত্মার চিরমুক্তির দিশারী।

4. বস্তু-আত্মা ও গুণ সহযোগে ত্রিশ এর কাঠামোধারী দেহপাঠ হলেই ত্রিশ অক্ষরের কোরান পাঠ হবে।

5. জমিনস্থিত ছায়ারূপী এ মানব অজুদ দ্বারাই চিহ্নিত করতে হবে আসমান স্থিত অনন্ত কায়ারূপ। পেতে হবে সে সুক্ষ দেহের আসল পরিচয়।

6. সুক্ষরূপধারী সে অনন্ত স্ব-কার, যা অখন্ড কালে স্থিত, চরম নিরপেক্ষ, এবং সর্বময় পরিব্যপ্ত, যা এক অবিনাশী চেতনা, – ধ্বংসশীল জড়জগত তথা বস্তুজগতের মোহপাশ অতিক্রম করলেই তার সন্ধান মেলে।

7. রূপসমুহ ও স্বরূপের এই লিলাক্ষেত্রে মুর্শিদ রূপ নিরিখে চিনে নাও তোমার আপনত্বকে। সেখানেই খুঁজে পাবে অনন্ত মহত্ব।

8. বস্তুর অস্তিত্বহীন জড় আবরণ ভেদ করলেই প্রকাশিত হবে গুণের অপার লীলাময় আলোকিত জগৎ।

9. অসীম প্রজ্ঞার সহিত জগৎ সমুহের অখন্ডতা বজায় রাখাই চূড়ান্ত বিজয়।

10. অন্তহীন এ মহাসৃষ্টি উৎসারিত হচ্ছে মানব থেকে। সমস্ত সৃষ্টির আদী কারণ এই মানুষ।

লেখক – লাবিব মাহফুজ চিশতী

More Posts

সাবস্ক্রাইব করুন

Related articles