এই ধ্বংসের অতলে নিমজ্জিত মানুষগুলোকেই প্রভু ডেকে ডেকে ফিরছেন শ্বাশত মুক্তির ধামে ফিরে আসার জন্য। নিত্য আনন্দের দেশে ফিরে আসার জন্য। প্রভু সমীপবর্তী হওয়ার জন্য।
“প্রভুজ্ঞান চিরনিত্য। তিনি স্বয়ং হাইয়্যুল কাইয়্যুম হয়ে চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী জগতে নিত্য আসীন। তাঁর পরিচয় জ্ঞানও তাঁর অস্তিত্বের মতো চিরনিত্য, শ্বাশত তথা চিরন্তন।”
হযরত ওয়াসে (র) ছিলেন তাঁর যুগের বিখ্যাত সাধক ও ধর্মপ্রাণ অলী। কৃচ্ছসাধনার দ্বারা তিনি নিজেকে নিয়ে গিয়েছিলেন এক অনন্য উচ্চতায়। দারিদ্রতার কষাঘাতে জর্জরিত হয়েও তিনি সারাজীবন নিজেকে ব্যাপৃত রেখেছিলেন প্রভুর উপাসনায়।
মহান ওলীদের বাণী মুবারক মানুষেদের কে সরল সঠিক পথের দেশনা দান করে। এই উপদেশগুলোর মধ্যে থাকে প্রভূ প্রেমের সন্ধান। মানুষ যদি মহান পূণ্যাত্মাদের এ বাণী সকল জীবনে প্রয়োগ করে তাহলে তারা খুব সহজেই পোঁছে যেতে পারবে মহান জাতপাকের অমর প্রেমের ঐশী লোকে।
কোরান বিশ্বাস করা ফরজ, আহলে বাইয়্যেতকে বিশ্বাস করাও ফরজ। কোরান বিশ্বাস করলো আহলে বাইয়্যেত বিশ্বাস করলো না, তারা কুফরী করলো। আমাদের অধিকাংশ আলেম সমাজ এই কুফরীতেই লিপ্ত আছে। ইহাই তাদের অন্ধত্বের পরিচয়, মূর্খতার পরিচয়।