আপন ফাউন্ডেশন

Tag: অনুকাব্য

অনুকাব্য – এক বাসাতে দুটি পাখি

এক বাসাতে দুটি পাখি, রহে কত মাখামাখি, এক হৃদয়ের তলে থাকি, কত জন্মের ব্যাবধান -কবে তারে পাবো সখি, বাঁচেনা যে প্রাণ।

অনুকাব্য – প্রণয়ে যেজন নত

আজো জাগে তৃষা, বিষ-বাণ, শোণিত ধারার পিছল পথে, বিষ-জরজর, যাতনা রথে, চলেছ - অমলিন! হাসনাইন। কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

অনুকাব্য – চোখের জলে গড়া সুন্দর

আমার চোখের জলে গড়া সুন্দর, দেবতা যে তুই! ধ্যানের কনক কানন উজল করা, প্রাণবন্ধু যে তুই! অনুকাব্য - লাবিব মাহফুজ।

অনুকাব্য – তোমারে পাই যদি

আপনার পানে ফিরে চাও মন, তব হৃদয়ের মানমন্দিরে, চিরকালের গ্রন্থ সেথা করে বিরাজন, পাঠ করো তারে, দিব্যনজরে। - লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – ধরাতে তুমি অনন্ত জ্যোতি

অনুকাব্য - হে মোর ভগবান, তব প্রেমও রূপ শিখা জ্বালো মম প্রাণে, মোরে নিত্য পরশ করো দান। হে দয়াময়, মহীয়ান। - লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – সে এক অপার আকাশ

চাই পথের ধারের পান্থশালা, ভর পেয়ালা, শারাব -সাকী! চাই না যেতে মন্দির মসজিদ, লোভের বুলি! প্রেমের ফাঁকি! - লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – বাঁধি আমি কোন মোহনায় ঘর

বাঁধি আমি কোন মোহনায় ঘর! কেনো জনম জনম আসি আমি, শত দুঃখ সুখে ভাসি – এইতো আমার পরম তীর্থ, আমি আমার পর! আমায় আমি খুঁজে ফিরি খুঁজি আমার ঘর।

অনুকাব্য – তুমি দেখা দিবে বলে

মাতাল করে দে আমারে, রূপের শারাব দিয়া, ঐ ডাগর আঁখির নেশার বাণে, বিধুক আমার হিয়া। লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – প্রাণের ঈশ্বরত্ব বোধ

প্রাণ এর ঈশ্বরত্ব বোধ জাগাইতে চাও? নিজেরে ত্যাজিয়া, মন সুভাবে মাতাও। চির নিত্য পরমাত্মা প্রাপ্ত হতে হলে, দয়াময়ের স্বভাব ধরো হৃদি অন্তঃস্থলে।

অনুকাব্য – গুরু পানে চলো পাগল মন

যুগল চরণ পাইবার আশে, যে বাধা রয় গুরুর দেশে, দয়াময় তার উদ্দেশ্যে, নাযিল করে প্রেমরতন, গুরু পানে চলো পাগল মন।

অনুকাব্য – প্রেমের খেলায় গেলাম হেরে

যদি ভালোবেসে থাকি, নাইবা কাছে এলে, ভালোবেসে গড়বো তোমায়, আমার পলে পলে। নাইবা তুমি এলে – লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – প্রাণ মহিমার অতল সাগর

প্রাণ মহিমার অতল সাগর, যে নাবিকে দেয় পাড়ি, পায় সে প্রাণের শাখায় শাখায়, শাশ্বত প্রেমের নিত্যবারি। - লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – মরিবার বড় সাধ জাগে

যার সত্ত্বা জুড়ে প্রেম বিরাজে, দৃষ্টি মাঝে প্রেমের স্রোত, জগত তাহার হয় বৃন্দাবন, ধরার ধূলায় বয় জান্নাত। - লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – এ জিবন নয়তো সুদূর

এতো প্রভু প্রেম, সারা নিশি জেগে, আঁখিজলে লেখা তার গান, এতো চিরজনমের পাওয়া, জনমে জনমে, অমৃত কুঞ্জে বেধে রাখা প্রাণ।

অনুকাব্য – বিচিত্র তব সৃষ্টি লীলা

দৃষ্টি পথে তব হে মহিয়ান, বিচিত্র তব সৃষ্টি লীলার মাঝে মেলিয়া নয়ন, অবাক বিস্ময়ে, মুগ্ধ চাহনী তব ফিরিছে মম দ্বারে, জানি অপলক নেত্রে তুমি

অনুকাব্য – সিক্ত যে আজ মরণ সুধায়

জীবন প্রাণের রুধির ধারায়, সিক্ত যে আজ মরণ সুধায়, তিলে তিলে গড়ে তোলা জীবন প্রাসাদ, ধুলায় লুটায়ে আজ - লভিতেছি নব স্বাদ।

অনুকাব্য – আমি চিনেছি আপনারে

চির বিচিত্রার অবসান আমি, চাইনা হেন ধামে, স্তব শুধু আমারে তুমি, রাখিও স্ব-সিদ্ধ প্রণামে।

অনুকাব্য – আমি মিলিব তোমা সনে

নামে যাহার এতো সুধা, না জানি তার রূপটি কেমন! সে সুর সাগরে ভেসে বেড়ায়, রূপ সাগরে আসবে কখন?

অনুকাব্য – সৃষ্টি স্বর্গের পথ

এ চাওয়া প্রভু তোমার তরে, হারাবো না আর কালের খেয়ায়, অনন্ত তোমার অখন্ড ধামে বাধিয়া রাখ ঐ চরণ মায়ায়।

অনুকাব্য – স্বর্গীয় সুখের বেদনা

স্বর্গীয় সুখের বেদনায়, নীলাভ বদন মোর রহে নিত্য বিষাদময়। যেজন করে সদা স্বর্গেরে সৃজন, আপনারই বক্ষে লুকায় তাহার জগতের সব বেদন!

অনুকাব্য – সাত সাহারার জল

প্রভূ - আমায় ফিরায়ে দাও প্রেম বেদনায়, সকল প্রাচুর্য পরিহারি –আমায় বাধিয়া রাখো যতনে যাতনায়, এনে বিরহ বিভাবরী…!

অনুকাব্য – সে পলকে আসে

প্রেমের মরূতে আমি ভীতু পরিযায়ী, সূদুর সলিল পানে নিরখিয়া আছি, আসুক সাইমুম, দিগন্ত ব্যাপী, হারাই আবারো, খুব কাছাকাছি!

অনুকাব্য – স্মৃতির মিনারে মুরতী তাহার

একটা সকাল কেনো আলোয় ভরাও, বাকী সকালগুলোকে করতে আধার। এক জীবনে কেনো দাও এত ভালোবাসা, বাকী জীবনগুলো করে প্রেমহীন পাথার।

অনুকাব্য – এতো ভালোবাসি যারে

পূবালী বাতাস আনে শ্যামের সুবাস প্রিয়, নীলাম্বরী মেঘে সাদা পাল তুলে,, দোলে বন বনান্ত শ্যামল শিহরণে, মোর প্রিয়ার পরশ জাগে, মন্দির তলে।