এই ধ্বংসের অতলে নিমজ্জিত মানুষগুলোকেই প্রভু ডেকে ডেকে ফিরছেন শ্বাশত মুক্তির ধামে ফিরে আসার জন্য। নিত্য আনন্দের দেশে ফিরে আসার জন্য। প্রভু সমীপবর্তী হওয়ার জন্য।
“প্রভুজ্ঞান চিরনিত্য। তিনি স্বয়ং হাইয়্যুল কাইয়্যুম হয়ে চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী জগতে নিত্য আসীন। তাঁর পরিচয় জ্ঞানও তাঁর অস্তিত্বের মতো চিরনিত্য, শ্বাশত তথা চিরন্তন।”
মানুষের জীবন নির্দেশনাই ধর্ম। মানুষের শুদ্ধতার জন্য জ্ঞানীগণ প্রবর্তন করেছেন ধর্ম ও ধর্মবিশ্বাস। জগতে এমন মানুষও প্রচুর, যারা কোনো ধর্মবিধান পালন করে না।
আধ্যাত্মিক লেখালেখির প্লাটফর্ম আপন খবর এ নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে ধর্ম ও আধ্যাত্মিকতা বিষয়ক বিভিন্ন আর্টিকেল। তারই ধারাবাহিকতায় এবারে পাঠকদের জন্য থাকছে ধর্ম কি ও ধর্মের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোকপাত।
মাঝে মাঝে পৃথীবিতে আবির্ভূত হয়েছেন এমন কিছু শক্তিমান সত্ত্বা, যারা জগত কে শিখিয়েছেন প্রভুপ্রেম। ‘আপনি আচরি ধর্ম’ তারা সকলকে দিয়েছেন শিক্ষা। প্রভুপ্রেমের মশাল প্রজ্জলিত করেছেন দ্বিগ্বিদিক। তেমনি একজন প্রভুপ্রেমিক তাপসী রাবেয়া বসরী (র)।
মহান আউলিয়া উৎবা বিন গোলাম (র)। তিনি ছিলেন কঠোর তপস্বী এবং সাধনায় সিদ্ধ একজন মুক্তপুরুষ। যার নির্মল হৃদয়টি ছিল আল্লাহপ্রেমে ভরপুর। সাধনার পথে আসার পেছনে রয়েছে তাঁর চমকপ্রদ একটি ঘটনা।
নবী করিম (সা) এর বিশিষ্ট অনুচর হযরত আনাস (রা), হযরত আবু হুরায়রা (রা) সহ বহু ধর্মনিষ্ঠ ও পূণ্যাত্মা মানুষদের সংস্পর্শধন্য বিশিষ্ট অলী হযরত আবু হাশেম মাক্কী (র)। তাদের সংস্পর্শে প্রভাবিত হয়েছেন আবু হাশেম মাক্কী (র)।
ইরানের আজম নামক স্থানে জন্ম হযরত খাজা হাবীব আজমী (র) এর। বাস করতেন বসরা শহরে। সেখানে ছিল তাঁর সুদের ব্যবসা। পরবর্তীতে সুদ ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে হযরত খাজা হাসান বসরী (রা) এর নিকট মুরীদ হন হযরত খাজা হাবীব আজমী (র)।
মানুষতত্ত্বেই নিহিত প্রকৃত সত্য। মানুষ, মানুষ হয়ে উদ্ঘাটন করে সেই মহাসত্যের দ্বার। যাকে বলা হয় ‘ফাতিহাতুল কিতাব’। কামনা বাসনা বিবর্জিত মোহমুক্ত চরম নিরপেক্ষ একজন শুদ্ধ ও পবিত্র মানুষই হলো মহান আল্লাহর হাকিকত।
দামেস্কের বিখ্যাত অলী মালেক ইবনে দীনার (র)। আল্লাহপ্রাপ্তির পথে যিনি ব্যায় করেছেন তাঁর সারাটি জীবন। তাঁর সমগ্র জীবনটিই অসংখ্য অলৌকিক কর্মকান্ডে ভরপুর। তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা নিয়ে আমাদের এখনকার আয়োজন।
পতিত মানব জাতিকে পথ প্রদর্শনের নিমিত্তে যুগে যুগে এ ধরাধামে আগমন করেছেন অসংখ্যা পূণ্যাত্মা। তাদেরই একজন হলেন হযরত মালেক ইবনে দীনার (র)। খাজা হাসান বসরী (রা) এর সমসাময়িক ছিলেন তিনি। অত্যন্ত উচ্চমানের সাধক ছিলেন তিনি।