নবী করিম (সা) এর বিশিষ্ট অনুচর হযরত আনাস (রা), হযরত আবু হুরায়রা (রা) সহ বহু ধর্মনিষ্ঠ ও পূণ্যাত্মা মানুষদের সংস্পর্শধন্য বিশিষ্ট অলী হযরত আবু হাশেম মাক্কী (র)। তাদের সংস্পর্শে প্রভাবিত হয়েছেন আবু হাশেম মাক্কী (র)।
ইরানের আজম নামক স্থানে জন্ম হযরত খাজা হাবীব আজমী (র) এর। বাস করতেন বসরা শহরে। সেখানে ছিল তাঁর সুদের ব্যবসা। পরবর্তীতে সুদ ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে হযরত খাজা হাসান বসরী (রা) এর নিকট মুরীদ হন হযরত খাজা হাবীব আজমী (র)।
বসরা শহর। সে শহরেই বাস করতেন এক নামকরা সুদ ব্যবসায়ী। ব্যবসায় তিনি সিদ্ধহস্ত। শহরজোড়া তাঁর প্রচুর খাতক। বিরাট কারবার। অত্যন্ত কঠোর চিত্তের ব্যবসায়ীটি সারাদিন বাড়ি বাড়ি ঘরে সুদ আদায় করেন।
মানুষতত্ত্বেই নিহিত প্রকৃত সত্য। মানুষ, মানুষ হয়ে উদ্ঘাটন করে সেই মহাসত্যের দ্বার। যাকে বলা হয় ‘ফাতিহাতুল কিতাব’। কামনা বাসনা বিবর্জিত মোহমুক্ত চরম নিরপেক্ষ একজন শুদ্ধ ও পবিত্র মানুষই হলো মহান আল্লাহর হাকিকত।
হযরত ওয়াসে (র) ছিলেন তাঁর যুগের বিখ্যাত সাধক ও ধর্মপ্রাণ অলী। কৃচ্ছসাধনার দ্বারা তিনি নিজেকে নিয়ে গিয়েছিলেন এক অনন্য উচ্চতায়। দারিদ্রতার কষাঘাতে জর্জরিত হয়েও তিনি সারাজীবন নিজেকে ব্যাপৃত রেখেছিলেন প্রভুর উপাসনায়।
দামেস্কের বিখ্যাত অলী মালেক ইবনে দীনার (র)। আল্লাহপ্রাপ্তির পথে যিনি ব্যায় করেছেন তাঁর সারাটি জীবন। তাঁর সমগ্র জীবনটিই অসংখ্য অলৌকিক কর্মকান্ডে ভরপুর। তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা নিয়ে আমাদের এখনকার আয়োজন।
পতিত মানব জাতিকে পথ প্রদর্শনের নিমিত্তে যুগে যুগে এ ধরাধামে আগমন করেছেন অসংখ্যা পূণ্যাত্মা। তাদেরই একজন হলেন হযরত মালেক ইবনে দীনার (র)। খাজা হাসান বসরী (রা) এর সমসাময়িক ছিলেন তিনি। অত্যন্ত উচ্চমানের সাধক ছিলেন তিনি।
যদি স্বয়ং আল্লাহ আপনার সঙ্গে থাকেন আর আপনার পূর্ণ আস্থা অটুট থাকে, তাহলে আর ভাবনা কিসের? আর এ কথায় যদি আপনার আস্থা না থাকে তাহলে অন্যের উপদেশে কোনো ফল হবে না।