আপন ফাউন্ডেশন

লাবিব মাহফুজ চিশতী

কবিতা – অনন্ত শুভ্রতা

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী অন্ধকার যখন প্রবল হয়ে নেমে আসেআর ভেতরটা দগ্ধ হতে থাকে -হাহাকার নিজের ছায়াকেও হারিয়ে...

সংগীত – আমার বুকে শত ব্যাথারী ঢেউ

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী আমার বুকে শত ব্যাথারী ঢেউভাঙন জ্বালা অবিরত,পুড়িব আর কত আমি, জ্বলিবো আর কত। বড় আশা...

সংগীত – ঐ শোনো মোর প্রাণ বন্ধু

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী ঐ শোনো মোর প্রাণ বন্ধু বাজায় মোহন বাঁশরীআসসালাতু খাইরু মিনান নাউম ফুকারী। যারা মায়ামত্ত অচেতনে,...

সংগীত – কেন বা আমায় প্রেম শিখাইলে

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী কেন বা আমায় প্রেম শিখাইলে, নিঠুর দরদীয়াকোন কূলে লুকাইলে দয়াল - আমায় অকূলে ভাসাইয়া। বিরহ...

সংগীত – আমার এ ব্যাথা চিত্ত শান্ত করো

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী আমার এ ব্যাথা চিত্ত শান্ত করোএসো দয়াল হৃদ মাঝারে -তুমি না আসিলে, এ অকূলেকে...

সংগীত – নূর শহুদ আর এলেম অজুদ

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী নূর শহুদ আর এলেম অজুদ, সাবেত করো আশেকানআত্মময় অনন্ত শক্তি, মান আরাফায় নিদর্শন। দরিয়ার...

সংগীত – সন্ধানে বন্ধনও তারি

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী সন্ধানে বন্ধনও তারি, প্রাণ হইতে মহাপ্রাণআজব এক কুদরতি লীলা, দিতেছে প্রমাণ। আদি হতে অনন্তকাল,...

প্রবন্ধ – বৈষম্য প্রকটীকরণের ইতিবৃত্ত, ধর্মীয় আগ্রাসন

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী গত কয়েকদিনের অবস্থাদৃষ্টে বেশ কিছু কথা মাথায় ঘুরছিল। বলা হয়ে উঠে নাই। আমাদের ধর্মবোধ...

অনুকাব্য – সাত সেতারার নূর

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী 1.এ পথটি বয়ে চলে, হৃদয়ের অতলেতীক্ষ তীরের ফলা, ঘূর্ণাবর্ত,ছোট্ট সীমার অসীমে এক! পৌঁছাই অবশেষেযেথা...

সংগীত – তুমি সাজাইলে ত্রিভূবন

রচয়িতা - লাবিব মাহফুজ চিশতী তুমি সাজাইলে ত্রিভূবন, অনন্ত প্রেমের কারণযখন প্রকাশিতে আকিঞ্চন, হইল প্রাণে - কুন্তু কানজান মাখফিয়ান,...

সংগীত – নিরাকারে ডাকলি কারে

রচয়িতা - লাবিব মাহফুজ চিশতী নিরাকারে ডাকলি কারে, আল্লাহ বলে জীবন ভরদেখলিনা তার কেমন সুরত, নিলিনা খবর। ওরে কোরানেতে বলে...

সংগীত – আউয়াল আখের জাহের বাতেন

রচয়িতা - লাবিব মাহফুজ চিশতী আউয়াল আখের জাহের বাতেন, চার আকছামে দেখতে পাবিনাম আল্লাহ সুরতে রাছুল, দ্বীনেরও নবী -আমার...

সংগীত – আর কতকাল এ ঘোর মায়ায়

রচয়িতা - লাবিব মাহফুজ চিশতী আর কতকাল এ ঘোর মায়ায়, ঘুরবো হয়ে পেরেশানীআমার চিত্ত মন্দ অন্ধ নয়ন, বিফল হল...

সংগীত – কি সুখ পাবি নাম জপিলে

রচয়িতা - লাবিব মাহফুজ চিশতী কি সুখ পাবি নাম জপিলেনা দেখিলে রূপটি তার -সেরূপ খোদা এ রূপ ধরে, মানুষ...

প্রবন্ধ – সুফিবাদ কী ও কেন? সংজ্ঞা ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী প্রারম্ভিক আলোচনা - স্রষ্টাকে লাভ করবার শাশ্বত পথ - সুফিবাদ। আমরা শুধু মাটি পানি দ্বারা...

বাণী – সৃষ্টির প্রথম শব্দ

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী 1. আত্মা ঠিকই জানে যে আল্লাহ বেশি দূরে নন। তিনি রয়েছেন কেবল আমি...

বাণী – ঈশ্বরিকতা কি শুধুই ভোগের প্রতিশ্রুতি?

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী 1. শান্তি কি সত্যিই ঐশ্বরিক, নাকি মানবীয় ব্যথা থেকে পালাবার অমানবিক মেকানিজম? 2. ঈশ্বরিকতা কি...

প্রবন্ধ – ধর্মশূণ্য বাংলা প্রতিষ্ঠার এজেন্ডা

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী এ সময়ে দেশে কোন সুফি বা সত্যধার্মিক নিরাপদ নয়। সবাই সাবধানে থাকবেন। আর যারা বুদ্ধিমান,...

সংগীত – ইল্লাতে আছেন আল্লাহ

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী ইল্লাতে আছেন আল্লাহ, চিনলে তারে দেখা যায়লা ইলাহা ইল্লাল্লাতে, আশেক জনার মেরাজ হয়। কলেমা নয়...

সংগীত – আসমান জমিন খুঁজে খুঁজে

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী আসমান জমিন খুঁজে খুঁজে, কি পেয়েছো পাষাণ মনসিরাতে মিলিবে সুরত, বেলায়েতী নিদর্শন। লা ইলাহা অনন্ত...

সংগীত – তৌহিদেরী মোজহার নবী

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী তৌহিদেরী মোজহার নবী, মুহাম্মাদ রাসুলনবী গুল বাগিচার ফুল নবীগুল বাগিচার ফুল। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু...

সংগীত – আমার আরতো জায়গা নাই

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী আমার আরতো জায়গা নাইতুই বিনে কে এমন দরদচরণেতে দিবে ঠাঁই। ও দয়ালরেআরতো আমার নাই ভরসা,...

সংগীত – খোদের মাঝে দেখলে খোদা

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী খোদের মাঝে দেখলে খোদামেরাজ তারে কয়,খোদা আপন ঘরে রয়। আপন চেনার জানলে সাধনমিলবে তাতে অমূল্য...

সংগীত – ঐযে ভাঙন নদী ভাঙ্গিছে কূল

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী ঐযে ভাঙন নদী ভাঙ্গিছে কূল, কোনদিনে ঘটে দূর্দশাডুবছে বেলা সাঝের কূলে, ভাঙলো বলে কূলের...

সংগীত – খুঁজলে তারে যায়না পাওয়া

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী খুঁজলে তাঁরে যায় না পাওয়া, খোঁজাখুঁজি অকারণফুলে যেমন গন্ধ থাকে, মানুষে রয় নিরাঞ্জন। আলিফ লাম...

সংগীত – ‍নূরের আশে পাগল বেশে

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী নূরের আশে পাগল বেশে, পথে পথে ঘুরিরেসে ভেদ বুঝি কেমন করে। পুশিদাতে ছিল সে নূর,...

সংগীত – যমুনা পুলিনে ওগো

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী যমুনা পুলিনে ওগো মোহন বাঁশি কে বাজায়তারে দেখলে হবি পাগলীনি, ঘরে থাকা হবে দায়। হু...

সংগীত – মন দিয়াছো যারে রে মন

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী মন দিয়াছো যারে রে মন, প্রাণ দিয়াছো যারেসেই মন মানুষের সঙ্গে তুমি উঠিবে হাশরে। মনরে,...

সংগীত – চল যাই মাওলারি সন্ধানে

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী চল যাই মাওলারি সন্ধানেএশকে মাওলায় প্রভূ আমার, বসে আছে নিরজনে। অনন্ত রূপ জ্যোতিরই বাহারদেখলে সে...

সংগীত – গুরুকে জানলে মানুষ

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী গুরুকে জানলে মানুষ, সেজন বেঁহুশজ্ঞান অঞ্জন তার আন্ধা ভারি -গুরুকে পরম জেনে, ভক্তি ধ্যানেহও...

সংগীত – কেমনে বাঁচি না পেলে তারে

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী নিঠুর বন্ধুরে, কেমনে বাঁচি না পেলে তারেওরে আমার প্রেমো জ্বালায় অঙ্গ জ্বলেব্যাথার ব্যাথি...

সংগীত – কি অপরূপ মহিমা লয়ে

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী কি অপরূপ মহিমা লয়ে, ছিলে গঞ্জে লুকাইয়েহাইয়্যূন সিফাত গোপনের গোপন - আমার গুরুধনহল ডিম্ব...

সংগীত – চিনলে গুরু চিনবি খোদা

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী চিনলে গুরু চিনবি খোদা, পাবি তারে গুরুর দেশেযাও যদি তালাশে রে মন -যাও যদি...

সংগীত – ও তোর আমিত্ব ধন রেখে মনে

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী ও তোর আমিত্ব ধন রেখে মনে, যাসনে গুরুর দরবারেমনে গরল রেখে খুঁজলি সরল, অচেতনে...

সংগীত – কূল কলঙ্কের ভয় থাকিলে

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী কূল কলঙ্কের ভয় থাকিলে, সে পথে আর যাসনে তোরাকূল নাশিতে গুল বাগিচায়, ডাকছে দেখো...

সংগীত – নিগুমে নিরাঞ্জন দেখো

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী নিগুমে নিরাঞ্জন দেখো, গোপনের গোপনকোথায় তারে খুঁজে পাবি মন। জগতময় সে জগতপতি সর্বব্যাপ্ত নূরহাইয়্যুন জাতে...

সংগীত – অহর্নিশি মায়াডোরে

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী অহর্নিশি মায়াডোরে, বাঁধা পড়ে অভাজনবৃথা গেল সাধেরি জীবন। কত স্বপন সুধায় মত্ত হইয়া আসিলাম ভবেসাধিবো...

সংগীত – স্বরূপে চাহিয়া দেখো

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী স্বরূপে চাহিয়া দেখো, রূপেরই কিরণঅজুদে মজুদ মাওলা, নিগুম নিরাঞ্জন। গুপ্ত ধনাগারে ছিলে, বেমেছাল আর বেনজীরহুয়াল...

সংগীত – তোমার কলঙ্ক হার নিলাম দয়াল

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী তোমার কলঙ্ক হার নিলাম দয়ালআমার গলায় তুলে -যা খুশি তা করো দয়াল, ভাসাও চোখের...

সংগীত – আসবে কি মরণের কালে

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী আসবে কি মরণের কালেআমার প্রাণ থাকিতে আইলা নাএকি নিষ্ঠুর ছলনা। প্রেম অনলে ধুকে ধুকে...

সংগীত – আমার প্রেমানলে চিত্ত জ্বলে

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী আমার প্রেমানলে চিত্ত জ্বলে, সিক্ত নয়ন নিশিথেআমি কেমনে থাকি বন্ধু বিনে, শূণ্য জগতে। ওরে বসন্ত...

সংগীত – তোরা শুনবি নি লো বাঁশির ধ্বনি

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী তোরা শুনবি নিলো বাঁশির ধ্বনিবাজায় বাঁশি দিনরজনী -শ্যাম কালিয়া রাধা নাম ধরে। ও সেই বাঁশিতে...

সংগীত – পাল তোলা এক নাও ভেসে যায়

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী পাল তোলা এক নাও ভেসে যায়, ভাব দরিয়ার কূলেনাও ভাসে এশকেরী সলিলে। অপরূপ ‍রূপের সালতি,...

সংগীত – অবসান তোর হইল বেলা

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী অবসান তোর হইল বেলা, আর কতকাল করে হেলাভূলে রইলি বিষয়ও মায়ায়, বেলা চলে যায়। মানব...

সংগীত – আমি মায়াবাসী মায়াফাঁসী

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী আমি মায়াবাসী, মায়াফাঁসি, গলে আমার দিবানিশিমায়াশশী হৃদয়ও মাঝার - কেমনে হবো মায়ানদী পার। যতই আমি...

সংগীত – প্রেম সাধিতে গৌর হরি

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী প্রেম সাধিতে গৌর হরি, এলে নদীয়ায়। নবগঙ্গা প্রাণে হরি, নবদ্বারে বংশীধ্বারীপ্রেম বিলায়ে সহচরী, রাধাকৃষ্ণ...

সংগীত – দোযখে নাই ভয় কোনো আর

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী দোযখে নাই ভয় কোনো আর, আশা নাই তোর বেহেশতেরআমিযে দিওয়ানা হয়েছি আমার মুর্শিদের প্রেমের। গঞ্জজাতে...

সংগীত – প্রাণ গেলো মোর বিরহ অনলে

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী প্রাণ গেলো মোর বিরহ অনলেআমায় সুখের স্বপন দেখাইয়া ফেরঅকূলে ডুবালে। ওরে খালেক মালেক বিন্দু জালাল,...

সংগীত – কভূ যেন না ফুরায় মোর

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী কভূ যেন না ফুরায় মোর, ‍দুই নয়নের জলআমার হৃদয়ে ফুটায়ো প্রভু, ভক্তি শতদল। সর্বময় তোমার...

সংগীত – কলেমাতে পঞ্চ আলম

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী কলেমাতে পঞ্চ আলম প্রকাশ নিরন্তর হাহুত লাহুত জবরুত মলকুত নাছুতের খবর। তৈয়ব কলেমার পঞ্চভাগে পঞ্চ...

সংগীত – পাঞ্জাতনে নিগুঢ় খেলা

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী পাঞ্জাতনে নিগুঢ় খেলা, খেলে কলমাতেলা ইলাহা ইল্লা আল্লা হু এর সনেতে। পঞ্চভাগে আদি রাগে পাঞ্জাতনের...

সংগীত – স্বরূপ দেখিবার তরে

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী স্বরূপ দেখিবার তরে, মানুষ রূপে হয় জাহেরজানিতে সাধ পরমের খবর, আমার -জানিতে সাধ পরমের...

সংগীত – কলেমাতে খুঁজলে পাবি নিরাঞ্জন

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী কলেমাতে খুঁজলে পাবি নিরাঞ্জন - কলেমাতে খুঁজলে পাবি নিরাঞ্জন।আহাদ মুখফি কলেমাতে, পঞ্চ আলম নূরীতন। পঞ্চস্তরে...

সংগীত – মাশানি রূপেতে কোরান

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী মাশানি রূপেতে কোরান, শুন এবার বলি তার শাননূর কোরান হয় সুরতে আহসান, বাদী মননূর...

সংগীত – ব্রহ্মান্ড এক পাল্লায় দিলে

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী ব্রহ্মান্ড এক পাল্লায় দিলে, হয়না তার সমতুলত্রিভূবনের মূল বিসমিল্লাহ ত্রিভূবনের মূল। ওরে এরফানী এক দরজা...

সংগীত – কেমন করে গাইবো তোমার শান

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী কেমন করে গাইবো তোমার শান, নবী মহিয়ানকেমন করে গাইবো তোমার শান। পুশিদাতে গঞ্জজাতে, এলেম হেকমত...

সংগীত – মীম ভান্ডে ব্রহ্মান্ড মজুদ

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী মীম ভান্ডে ব্রহ্মান্ড মজুদ, কুন্তু কানজান মুখফিয়াননিগুঢ় কথা জানবি যদি পাগল মন। ওরে একেশ্বরে অন্ধকারে...

সংগীত – তুমি তালাশ করো কারে

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী তুমি তালাশ করো কারে রে মনআল্লা রাসুল উভয় মশগুল, এইনা মাটির ঘরে। লা ইলাহা ইল্লা...

সংগীত – পঞ্চ রংয়ের পাপড়ী মেলে

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী পঞ্চ রংয়ের পাপড়ী মেলে, ফুল ফুটিল মদীনায়তোরা দেখবি যদি আয়। প্রেম রত্নধন দয়াল নবী, দেখে...

সংগীত – আব হায়াত এর নদী

লাবিব মাহফুজ চিশতী আব হায়াতের নদী লয়ে, এলে সোনার মদিনায়আমার নবী মোস্তফায়। আউয়াল নূরে পুশিদাতে, ছিলেন নবী গঞ্জজাতেজহুর হইয়া এমকানেতে,...

বাণী – আশেকের আশেকী হাল

লেখক – লাবিব মাহফুজ চিশতী 1. ইলমে ইলাহীর অধিকারী ব্যক্তি ব্যতিত আল কোরানের রহস্যজ্ঞান উদ্ঘাটন করা অন্য কারো পক্ষে...

সংগীত – কলেমার খবর আমায়

লাবিব মাহফুজ চিশতী কলেমার খবর আমায়, জানাও দয়াল চাঁনকোনরূপে কলেমা সাবেত, জানাও তাহার ভেদ বিধান। ওরে কয়টি একিন কলেমাতে, জানাও...

সংগীত – জগতে মানুষ তত্ত্ব আদি সত্য

লাবিব মাহফুজ চিশতী জগতে মানুষ তত্ত্ব আদি সত্য মানুষ বিনে নাই সাধনইনছানের ভেদ আল্লা তায়ালাআল্লাহর ভেদ হইল ইনছান। দেখো লা...

সংগীত – ভাটির টান আসিল দয়ালরে

লাবিব মাহফুজ চিশতী ভাটির টান আসিল দয়ালরেআমার উজান গাঙ্গের কূলেকূলহারা এ জীবনতরী এখনভাসে আঁখিজলে। ওরে মাঝ দরিয়ায় ছিল আমারসাধের একখান...

সংগীত – বৃথা কি আর যায় নয়নের জল

লাবিব মাহফুজ চিশতী বৃথা কি আর যায় নয়নের জলআমার দয়ালরে,বৃথা কি আর যায় নয়নের জল -ওরে নিরবধী নয়ন জলেই...

সংগীত – মানবতন এই মসজিদ ঘরে

লাবিব মাহফুজ চিশতী মানবতন এই মসজিদ ঘরেনামাজ পড়ে পয়গম্বরেমুক্তাদি রয় কাতারে কাতার - বাদী মন আমারখুঁজলে পাবি তৌহিদের খবর। উলুহিয়াত...

সংগীত – মক্কা আর মদিনার খবর

লাবিব মাহফুজ চিশতী মক্কা আর মদিনার খবরজানাও দয়াল কৃপা করে, শানে নজুল ধরে নবীরশানে নজুল ধরে। নবী কোন আকছামে কোন...

সংগীত – মুহাম্মদ আহাম্মদ আহাদ

লাবিব মাহফুজ চিশতী মুহাম্মদ আহাম্মদ আহাদতিনজনার ভেদ একসনে, জানে আরেফ জনে রে মনজানে আরেফ জনে। দেখো মুহাম্মদে সুরত প্রকাশ হয়আসমানেতে...

সংগীত – জানগে খোদার মর্মবাণী

লাবিব মাহফুজ চিশতী জানগে খোদার মর্মবাণী, হেদায়েতের নিশানামানুষে ঠিকানা ও তার মানুষে ঠিকানা। সাত হরফে কোরান নাযিল হয়আলিফ লাম...

প্রবন্ধ – শুহাদায়ে কারবালা স্মরণে

আপন খবর ধর্ম, আধ্যাত্মিক, সুফি, সুফিবাদ, সুফিজম, দর্শন, সাহিত্য, মারেফত, তরিকত, ইসলাম ও বাংলায় নানা বিষয়ে লেখার প্লাটফর্ম। কারবালা

কারবালা স্লোগান ( প্রেক্ষিত : আশুরা ‍উদযাপন)

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী 1. রক্তে লেখা সত্যের নাম - হুসাইন (আ.)। 2. কারবালা - প্রেমের রক্তাক্ষরে লেখা...

বাণী – রয়ে যাবে শুধু প্রেম

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী 1. নির্জনে যখন কাঁদি, তখনই তিনি শোনেন সবচেয়ে স্পষ্ট। 2. আত্মার কান্না হল আল্লাহর...

বাণী – আত্মায় জমে ওঠা কান্না

আপন খবর ধর্ম, আধ্যাত্মিক, সুফি, সুফিবাদ, সুফিজম, দর্শন, সাহিত্য, মারেফত, তরিকত, ইসলাম ও বাংলায় নানা বিষয়ে লেখার প্লাটফর্ম। বাণী

বাণী – খোদায়ী রহস্যের নামাজ

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী 1. রুহের ভাষা অখন্ড নিরবতা, যে ভাষায় সে প্রতিক্ষন কথা বলে। আমি শুধু চুপ...

বাণী – এক ঝলক শারাব

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী 1. দুহাত তু্লে প্রভূর দরবারে অবিরাম প্রার্থনা না করে দুহাতে আত্মাটিকে তুলে দাও প্রভূর...

বাণী – মানুষ এক জীবন্ত আয়াত

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী 1. মানুষ হলো খোদার এমন এক জীবন্ত আয়াত, যার প্রতিটি দৃষ্টিতে ঝড়ে পড়ে এক...

বাণী – লা ইলাহার গোপন তাফসীর

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী 1. বাহ্যিক নিয়মে সীমাবদ্ধ থেকো না শুধু, এবার দৃষ্টি নিবদ্ধ করো হৃদয়ের দরোজায়।...

প্রবন্ধ – মাওলাইয়াত দিবসের শ্রদ্ধার্ঘ্য পত্র

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী আলহামুলিল্লাহ, আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিন ওয়া আলা আলিহী ওয়া সাল্লিম বেলায়েতের সম্রাট হযরত আলী...

প্রবন্ধ – ঈদে গাদীর স্বরণিকার সম্পাদকীয়

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী জীবনের অতল ঘূর্ণাবর্তে নিকষ অন্ধকার যখন হাতছানি দেয় মোহময় নফসানিয়াতের নাগপাশে, নিভে যেতে চায়...

প্রবন্ধ – ঈদে গাদীর ও মাওয়াইতের প্রেক্ষিত

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী ইয়া মাওলা আলী (আ.) বিদায় হজ্ব সম্পন্ন করে রসুলে কারীম (সা.) প্রায় সোয়া লক্ষ সাহাবী...

প্রবন্ধ – স্বরণিকা ও শ্রদ্ধার্ঘ পত্র (মাওলাইয়াত দিবস)

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী ইয়া মাওলা আলী (আ.) বিদায় হজ্ব সম্পন্ন করে রসুলে কারীম (সা.) প্রায় সোয়া লক্ষ সাহাবী...

কবিতা – রাত্রির আত্মলিখন

লাবিব মাহফুজ চিশতী ধীরে ধীরে নির্জনতার গভীরে প্রবেশ করে রাতআমিও হয়ে উঠি শব্দহীন।কেউ জানে না, অন্তরে জ্বলে এমন এক...

কবিতা – নূর মুহাম্মদ

লাবিব মাহফুজ চিশতী নূরুল আনাম, মুস্তাফা, অন্তরের নূরআদিতে, নির্জীব আঁধারে, সেধেছিলে সুর সুমধুর।প্রথম দীপ্তি তুমি, প্রদীপ্ত প্রদীপ, জগতে -বিদূরী...

কবিতা – নরকবাসী

লাবিব মাহফুজ চিশতী আমি নাহয় দোযখেই গেলাম! স্বর্গের এত সুখ, উদগ্র লালসা, প্রাচূর্য-উদ্ভিন্নযৌবনা তনয়ার দেহ-মিছিলেচিরবন্দী কামাতুর, ক্ষুধাতুর -আশ্চর্য অমানবিক অথবা...

অনুবাদ – শাশ্বত চিরবর্তমান

হযরত ওমর খৈয়াম (রহ.) অবলম্বনে -ভাবানুবাদ - লাবিব মাহফুজ চিশতী যে যাতনা সহি যাপি দিবস-যামীনরক তারি সম্মুখে এক স্ফুলিঙ্গসম...

অনুবাদ – দ্বৈত বিলুপ্তির দিব্যক্ষণে

মূল - হযরত খাজা ফরিদুদ্দিন আত্তার রহ.অনুবাদ প্রচেষ্টা - লাবিব মাহফুজ চিশতী প্রেম প্রত্যাশা করে অখন্ড নিরবতাঅন্তর যেথা আকুল...

প্রবন্ধ – সুফির পদস্খলনের হেতু

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী একটা গল্প শোনাই। বহুদিন আগের। একজন সুফির ব্যক্তিত্ব কেমন হতে পারে, তার কিছুটা ধারণা...

প্রবন্ধ – সুরে ভগবানের স্পর্শ

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী লালবাগের বিখ্যাত সংগীত সাধক ও তবলাবাদক ওস্তাদ কাদের মিঞাঁকে যোগীশ্বর শ্রী বরদাচরণ মজুমদার বললেন,...

অনুবাদ – যদি আল্লাহকে পেতে চাও

মূল - হযরত শাহ আব্দুল লতিফ ভিটাই রহ.অনুবাদ - লাবিব মাহফুজ চিশতী যদি তুমি আল্লাহকে খুঁজে পেতে চাওতাহলে সকল...

প্রবন্ধ – অখন্ড মানুষ তত্ত্ব

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী জগৎব্যাপী বিরাজিত অনন্ত রহস্য সাগরের মন্থিত মণি-মুক্তা স্বরূপ একজন ‘পবিত্র মানুষ।’ যিনি অখন্ড চেতনায়...

অনুবাদ – ভালোবাসার চল্লিশ নিয়ম 27&28

পর্ব ২৭ এবং পর্ব ২৮ একত্রেভাবানুবাদ – লাবিব মাহফুজ চিশতী পর্ব ২৭ শুভচিন্তার অনুশীলন আমাদের চেতনাকে উদ্দীপিত করে শুভকর্মের দিকে।...

প্রবন্ধ – সচল সারমাস্ত; শায়ের ই হাফত জাবান

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী সংক্ষিপ্ত তথ্য :নাম - আবদুল ওয়াহাব ফারকীপ্রচলিত নাম - সচল সারমাস্তপিতার নাম - মিয়া...

প্রবন্ধ – ইসমে জাত “আল্লাহু” নামের মাহাত্ম্য

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী স্বয়ং আল্লাহু’র মতোই, তাঁর ইসমে জাত “আল্লাহু” নামটিও অভূতপূর্ব ও অতুলনীয়। আল্লাহু নামের সবচেয়ে...

প্রবন্ধ – যে নামে ডাকিলে তাঁরে

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী শিখায়া দে তুই আমারে, কেমন করে তোরে ডাকি;কি নামে ডাকিলে তারে হৃদ আকাশে উদয়...

প্রিয় ০৫ টি লিরিক্স : সংগীত

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী বিভিন্ন সময়ে লেখা ০৫ টি অত্যন্ত প্রিয় গানের লিরিক্স একত্রে প্রকাশ করা হলো। ১. আজি...

প্রবন্ধ – মহাতাপস হযরত জুননুন মিশরী (রহ)

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী অনুচরবর্গসহ এক তাপস একবার অরণ্যে ভ্রমণ করছিলেন। ঘণ অরণ্যের মাঝে হঠাৎ তারা দেখতে পেলেন...

প্রবন্ধ – ক্ষমা করো হযরত

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী ক্ষমা করো হযরত!তোমার ওয়ারিশগণের পবিত্র রঁওজা সমূহ আমরা রক্ষা করতে পারিনি।এ গ্লানি সারাজিবন বয়ে...

প্রবন্ধ – জাহিলিয়াত পুনঃপ্রতিষ্ঠার এজেন্ডা – মাজার ভাঙচুর

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী তারা কেনো মাজার ভাঙ্গে জানেন? পেঁচা যেমন সূর্যালোক ভয় পায়, তারাও মাজারকে ভয় পায়।...

প্রবন্ধ – মাজার বিষয়ে প্রশ্ন ও উত্তর

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী প্রশ্নকর্তা - মাজারে কুকর্ম ও গাঁজা সেবন চলে। সমাজের উপর কুপ্রভাব পরা নির্মুল করতে...

প্রবন্ধ – কুচক্রী মহলের অপব্যাখ্যার জবাব – রুহ ও নফস

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে লিখছি। দীর্ঘদিন যাবত চলমান একটি বিতর্ক - কিছু দাম্ভিক বক্তা...

প্রবন্ধ – ফ্যাসিবাদি প্রবণতার মুখে সুফিবাদ

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী হ্যাঁ, বাঙালীর সংস্কৃতি মূলত গোলামীর সংস্কৃতি। বাঙালীর আপন কোনো সংস্কৃতি নাই, ধর্মদর্শন নাই। থাকতে...

প্রবন্ধ – মাজার ভাঙ্গা মূলত এজিদি ঐতিহ্য

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী অনেকেই দেখছি কথায় কথায় মাজারের সাথে ধর্ম-ব্যবসার কথা তুলে ধরছে। বেদাত শিরক সহ নানান...

প্রবন্ধ – আমরা মরিয়া আনন্দে থাকি

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী ১.সুফিদের জন্য সময় কখনোই অনুকূল নয়। জাগতিকতামুক্ত সুফিদেরকে চিরকালই জাগতিকতায় আচ্ছন্ন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর...

প্রবন্ধ – সার্বজনীন দ্বৈতবাদ – রাধাকৃষ্ণ

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী এইযে রাধাকৃষ্ণ, এইযে সার্বজনীন দৈত্ববাদ, এর ইন্টারনাল সত্যটাকে বোঝা দরকার। কৃষ্ণ বা বিষ্ণু সার্বজনীন ত্রয়ীশক্তির...

প্রবন্ধ – ওহাবীবাদের উত্থান – আগ্রাসন চলছে মাজারসমূহে

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী মাজার ভাঙ্গার ইতিহাস নতুন নয়! শুরু থেকেই দ্বীন ইসলামের ওপর পরিচালিত হয়ে আসছে এহেন...

প্রবন্ধ – আমার কৈফিয়ত ও প্রত্যাশা

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী বর্তমান রাজনৈতিক পট পরিবর্তন ও ঘটে যাওয়া সকল ঘটনার ব্যাপারে আমার অবস্থান নিয়ে অনেকেই...

প্রবন্ধ – অপরাধীর নামাজ – মুসলিম অর্থোডক্স

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী ভাই, যাই করেন না কেনো, নামাজটা পড়েন! ইদানিং বেশ কয়েকটি ঘটনায় ফুটে উঠেছে, চরমমাত্রার খারাপ...

প্রবন্ধ – প্রেমানন্দে থাকাই স্বর্গে থাকা

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী জগতের প্রতি ঘটে, প্রতি মুহুর্তে, প্রতি অস্তিত্বে নিত্য সংঘটিত হচ্ছে প্রেমময় প্রভুর প্রেমলীলা। তিনি...

কাব্য অভিধান : বাংলা শব্দাবলির সংকলন

সংকলন - লাবিব মাহফুজ চিশতী অংশু- কিরণ, রশ্মি, প্রভা। অকচ- চুল নেই এমন। অকঞ্চুক- খোলস বা খোসা নেই এমন। অকন্টক- কন্টকহীন, নিষ্কন্টক,...

পবিত্র মিলাম মাহফিল ও কাসিদা সংকলন

সংকলন - লাবিব মাহফুজ চিশতী আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম • সুরা ফাতেহা• মাকানা মুহাম্মাদিন আবা আহাদিম মির...

সংগীত – আদমও সুরতে এবার

লাবিব মাহফুজ আদমও সুরতে এবার, সেজদা করো মননিরাকার সাঁই আদম রূপেআকার ধরে চেহেলতন। পাঁচ আটা চল্লিশের ঘরেপনেরো নুক্তা তার ভেতরেপাঁচে...

সংগীত – গুরু নামের মন্ত্রখানি

লাবিব মাহফুজ গুরু নামের মন্ত্রখানি, সদা জপ মনগুরু জুলমাতে নূর, নূর আলা নূরসেফাতে জাত প্রকাশন। গুরু হয় অনন্ত শক্তি, ভ্রমান্ড...

প্রবন্ধ – উরুজিয়াতের পঞ্চস্তর

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী আমরা এসেছি স্রষ্টার নিকট হতে, আবার আমরা স্রষ্টার নিকট-ই ফিরে যাবো। এই স্রষ্টার নিকট থেকে...

অনুবাদ – আব্দুল কাদির বেদিল এবং বুল্লে শাহ

অনুবাদ - লাবিব মাহফুজ চিশতী 1. ভালোবাসা আমায় গ্রাস করেছেহে প্রেমিক! মরার পূর্বেই মরে যাও।হে সাহসী! সত্যিকারের ধার্মিক হয়ে...

প্রবন্ধ – আমার লেখালেখি প্রসঙ্গে দুটি কথা

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী আমার কোনো লেখা কেউ চুরি করে নিয়ে নিবে, তার নিজের নামে প্রচার করবে, আমি...

প্রবন্ধ – তাজিমি সেজদা ও সংগীত

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী তাজিমি সেজদা হল সুফিবাদের মৌলিক শিক্ষা। মরমী দর্শনের মূল এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আচরণ এটি।...

বাণী – চিরকালীন বারো

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী 1. যারা অন্তবার্হ্যে আহলে বাইয়াতকে ধারণ করেন, তারাই কোরানের সংরক্ষণকারী। অন্যদের সাথে কোরানের নূন্যতম...

বাণী – প্রভু প্রেমিকের পদচিহ্ন

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী 1. অন্তরে জাগ্রত না হলে সর্বসমর্থ প্রভুও অসমর্থ, অন্তরে জাগ্রত হলে অসমর্থ মূর্তিও সর্বসমর্থ! 2....

বাণী – ঐশী প্রেমের অমর লোক

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী 1. এটাই দাজ্জালের বিশেষ কৌশল! সে নিজেই মানুষকে দাজ্জালের ব্যাপারে সতর্ক করবে! 2. যাত্রী তো...

বাণী – মরমী চৈতন্যদয়

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী 1. আমি আমার অন্ধত্বকে জানি। আপনি আপনার মহত্ত্বকে জানেন না। অজ্ঞ মহতের চেয়ে বিজ্ঞ...

সংগীত – কলেমা হল বৃক্ষ সম

লাবিব মাহফুজ কলেমা হল বৃক্ষ সম, আসমান জমিন জুড়ে রয়তাহকিক করে পড়লে কলেমা, সেজনা তার দেখা পায়। সে কলেমার, আসমানে...

সংগীত – আমায় জানাও তাহার নিগুম খবর

লাবিব মাহফুজ দরদীআমায় জানাও তাহার নিগুম খবরকোনখানে তার হয় বসতি। দরদীকোন ঘরে সে বসত করে, জানাও আমার কৃপা করেআমি মরিবো...

সংগীত – বিষমও পিরিতে আমার

লাবিব মাহফুজ বিষমও পিরিতে আমার অঙ্গ জড়জড়প্রাণে যে আর সহেনা, ও সখীরেপ্রাণে যে আর সহেনা। একি নিদারুনও জ্বালা সখি, তোর...

সংগীত – আসমান হতে নূরের কোরান

লাবিব মাহফুজ আসমান হতে নূরের কোরান, তন ভূবনে হয় প্রকাশনগুপ্ত কালাম ব্যক্ত এবার করে, পরোয়ারে। মুখফিয়ান পুশিদার গোলা, এশকেতে হয়...

সংগীত – শুধাই কারে নিগুঢ় কথা

লাবিব মাহফুজ শুধাই কারে নিগুঢ় কথা, নিগুম খবর কোনখানে, কোনখানেঘর আমার যায় যে ভেঙ্গে, গতাগতি না চিনে। উজান ভাটি চিনতাম...

সংগীত – প্রেম সাগরে ডুবে যেজন

লাবিব মাহফুজ প্রেম সাগরে ডুবে যেজন এস্কেতে হয়ে ফানাসেইতো ভবে মহাপ্রেমিক, আশেকে রাব্বানা। সে থাকে সদা গুরুধ্যানে, রূপ বেঁধে তার...

সংগীত – চিরকাল শ্রী চরণ আশে

লাবিব মাহফুজ চিরকাল শ্রী চরণ আশেতোমার পথে পথে রইবো বসেকৃপা করে অভাগারে, চরণ তলে দিও স্থানপাপী বলে না ফেলিও,...

সংগীত – কেনো ছল করে ভালোবাসো

লাবিব মাহফুজ কেনো ছল করে ভালোবাসোকেনো না এসেও, কাছে আসো। কেনো আকুল করে রাখো আমার এ প্রাণদূরে থেকে বারে বারে,কেনো...

সংগীত – আসিবে বলে তুমি

লাবিব মাহফুজ আসিবে বলে তুমি, কাননও ভরিয়া মোরফুটেছিল কত যে ফুল,বসন্ত সমীরণ, তুলেছিল গুঞ্জনসেধেছিল সুর বুলবুল। ফাগুনও ফুল্লবায়, বিরহ যামিনী...

অনুবাদ – খাজা ইয়াসভী ও কাদির বেদিলের শায়েরী

অনুবাদ - লাবিব মাহফুজ চিশতী ঐক্যের মদ খেয়ে আমি গ্লাসের ভেতর পড়ে গেলাম!সেখানে দেখলাম, এক অনন্ত শূণ্যতা ঘিরেপ্রদক্ষিণরত অসংখ্য...

প্রবন্ধ – জিবন অপচয়ের ‍দুঃসাহস

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী চাই পথের ধারের পান্থশালা, ভর পেয়ালা, শারাব -সাকীচাই না যেতে মন্দির মসজিদ, লোভের বুলি!...

প্রবন্ধ – একদম বারোয় বারোয় চব্বিশ! (1997-2021)

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী ভেতরে বাহিরে আভরণহীন সারমাদ কে শিরোচ্ছেদের দন্ড দেয়া হলো কারণ তিনি পড়তেন লা ইলাহা!...

অনুবাদ – হযরত আবুল হাসান খারকানির বাণী

অনুবাদ - লাবিব মাহফুজ চিশতী সর্বদা প্রার্থনার জায়নামাজ বহনকারী অথবা সূফীদের মতো প্যাঁচানো পোষাক পরিধানকারীগণই সুফি নন, মূলত সুফি...

অনুবাদ – হযরত আবুল হাসান আল খারকানি (র)

অনুবাদ - লাবিব মাহফুজ চিশতী তারা প্রশ্ন করলো,আল্লাহকে তুমি কোথায় দেখেছো?আমি উত্তর দিলাম -যেখানে আমি নিজেকে দেখতে পাইনি!- হযরত...

অনুবাদ – হযরত রাবেয়া বসরী আল আদাবিয়া (র)

অনুবাদ - লাবিব মাহফুজ চিশতী 1.এক সচেতন প্রহরী আমিঠায় দাঁড়িয়ে থাকি দরজায়!ভেতরে যে আছে, তাকে দিইনা বেড়োতেআর যে বাহিরে,...

প্রবন্ধ – মহাত্মা লালন স্বরণোৎসব – দুটি কথা

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী "লালন একাডেমির সভাপতি ও কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. এহেতেশাম রেজা জানান, পবিত্র মাহে রমজানের...

সংগীত – ওরে আমার দিনমণি যায় অস্তাচলে

লাবিব মাহফুজ ওরে আমার দিনমণি যায় অস্তাচলেঘনায় অন্ধকার,জাগে দিগ্বলয়ে বিদায় নিশাণহবে সাঙ্গ খেলাঘর। দুদিনের এই মোহপাশে, বন্দী হয়ে মনঅনিত্য মাঝে...

কবিতা – সত্ত্বার আহ্বান

লাবিব মাহফুজ কবে আসবে সেদিন -যেদিন তোমার মুখমন্ডলের জ্যোতির বিচ্ছুরণেচ্ছিন্ন হবে আমার সত্ত্বার শীর্ণ আবরণ!কবে আসবে সেদিন -যেদিন তোমার...

অনুবাদ – আত্তার – নিজামী – গালিব

অনুবাদ - লাবিব মাহফুজ চিশতী 1.ফেরেশতারাও ইশক অনুভব করেতবে তারা ইশকের যন্ত্রনা অনুভব করে না!মানুষই এটার একমাত্র যোগ্য !হযরত...

অনুবাদ – খৈয়াম – জামী – হাল্লাজ

অনুবাদ - লাবিব মাহফুজ চিশতী 1.আহা, পূর্ণচন্দ্র! আমার মহিমান্বিত আনন্দযে চাঁদ নিরন্তর বিলিয়ে যায় শাশ্বত প্রেমের জোৎস্নাধারা!সে চাঁদটি কভুও...

প্রবন্ধ – সুফির হাল ও মাকাম

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী সুফির হাল ও মাকাম; সাধনার অবিচ্ছেদ্য অংশ। হাল প্রভুর তরফ থেকে ভক্তের জন্য একটি...

অনুবাদ – নুরুদ্দিন আব্দুর রহমান জামী এর শায়েরী

অনুবাদ – লাবিব মাহফুজ চিশতী 1.জগতে মাটি পানির মিতালিতেপ্রস্ফুটিত ফুলের সৌন্দর্যেআত্মার গোপন অন্দরেকে আছে আর তুমি ছাড়া?তুমি বললে -...

প্রবন্ধ – হযরত খাজা মঈনু্দ্দিন চিশতী স্বরণে

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী বস্তুতত্ত্বের হাকিকত জ্ঞান ও সদা প্রবর্ধমান গুণজাগতিক ব্যাপ্তিকে সহজে প্রকাশ করার এক অসামান্য কৃতিত্ব...

প্রবন্ধ – থিসিয়াসের জাহাজ ও জিবনের দ্বৈত পারসেপশন

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী গ্রীক পুরানের আইগেউস ও আইথ্রার একমাত্র পুত্র বীর থিসিয়াস। যিনি মিনোটর নামের ভয়ংকর রাক্ষসকে...

প্রবন্ধ – প্রভুপথের আটটি সামান ও তিনটি মূলনীতি

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী হযরত খাজা হামিদুদ্দিন নাগোরী চিশতী (রহঃ) প্রদত্ত দেশনাবলী - হযরত খাজা হামিদুদ্দিন চিশতী নাগোরী (রহঃ)...

অনুবাদ – বাবা ফরিদ (রহঃ) এর ১০ টি কবিতা

অনুবাদ - লাবিব মাহফুজ চিশতী হজরত খাজা ফরিদুদ্দিন মাসুদ গঞ্জশকর (রহঃ) বা বাবা ফরিদ বা শেখ ফরিদ ১৩ শতকের...

প্রবন্ধ – অনাবিল আনন্দের মুক্তধারা (সুফি গল্প অবলম্বনে)

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী একজন দুঃখী মানুষ যে তার জিবন নিয়ে ছিল হতাশ এবং আত্মিক শক্তিমত্তা ও প্রেরণার...

প্রবন্ধ – যেমন করে এলাম ভবে! “তানাজ্জালাতে ছেত্তা”

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী অনন্ত-অসীম এ ভ্রমান্ড (the universe) সাজানোর আদি কার্যকারণ কি? এক কথায় উত্তর দিবো রূপের...

অনুবাদ – ১০ টি সুফি গল্প (মূল ফার্সি হতে অনুবাদ)

অনুবাদ ও সংকলন - লাবিব মাহফুজ চিশতী 1. সোহনী ও মাহীওয়াল নকশী কাঁথার মাঠে কবি জসিমউদ্দিন একটি রাখালী গান উল্লেখ...

প্রবন্ধ – আমরা প্রভু থেকে আলাদা নই

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী নফসের খাছিয়ত তথা বস্তুবাদের লাগামহীন মোহময়তাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে আপন অন্তররাজ্যে প্রভুর খাসমহল সাজানোর...

প্রবন্ধ – আল্লাহকে চেনা

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী মহান ওলী হযরত ওয়াসে (রহঃ) প্রায়ই বলতেন, "আমি সব জিনিসের মধ্যেই আল্লাহর নিদর্শন দেখি।"তাঁকে...

প্রবন্ধ – প্রভুপ্রাপ্তি-পথের এগারো সিঁড়ি

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী ঐশ্বরিক নিয়মসমূহ আমাদের শেখায় কি করে আমরা নশ্বর এ জগতের বাসিন্দা হয়েও অবিনশ্বর তথা...

প্রবন্ধ – এগারো হিজাবাত

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী তরিকত তথা সুফিবাদের মৌলিক ধারণাটি খুবই সহজ। স্রষ্টা আমাদের সৃজন করেছেন, লালন করছেন, আমাদের...

প্রবন্ধ – রাসুল লালন (আ)

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী মরু-হেরার রেসালাতকে তমাল হিজলের বাংলায় নিয়ে আসার অপরিমেয় কৃতিত্ব রসুল লালন (আ.) এর। বাংলার...

প্রবন্ধ – ওলী পরিচয়

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী ধর্মজগতে একজন মানুষ যখন গুরুমুখী আত্মসাধনার মাধ্যমে আত্মপরিচয় লাভ করে মাকামে মাহমুদায় স্থিত হন,...

প্রবন্ধ – রাসুল পাক (স.) এর বেলাদত মোবারক

হে নবী, পূর্ণিমার চাঁদ আমাদের কাছে এসেছে। তাঁর প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা। যতদিন আল্লাহকে ডাকার মতো একজনও অবশিষ্ট থাকবে, ততদিন তোমার জালওয়া

সংগীত – যারে ভেবে ভেবে দিন কাটে মোর

সংগীত - যারে ভেবে ভেবে দিন কাটে মোর, লুকায় সেজন কত দূরে, আর কি সেরূপ দেখবোনা সই, ওরে আমি আর কি সে রূপ দেখবোনা সই

সংগীত – দয়াল ‍গুরু গো

লাবিব মাহফুজ এর গান। দয়াল গুরু গো, শ্রীচরণে আমার এ মিনতী, হৃদয়ে দাও প্রেমও সুধা, প্রাণে দাও রূপেরও জ্যোতি। তরিকতের গান।

সংগীত – গুরু গঞ্জের ঘাটে যাইতে

লাবিব মাহফুজ এর গান। গুরুগঞ্জের ঘাটে যাইতে, মায়ানদী হবি পার - সুবাতাসে ভাসাও তরী, বলি পাগল মন আমার। তরিকতের গান।

সংগীত – স্বপনে কে এলে গো

লাবিব মাহফুজ এর সংগীত। স্বপনে কে এলে গো, জাগরণে দেখিনা, আমায় পাগল করে নিশির ঘোরে, বন্ধু কেনো রইল না। তরিকতের গান।

সংগীত – অসীমও আনন্দ তোমার

লাবিব মাহফুজ এর সংগীত। অসীমও আনন্দ তোমার, প্রকাশিছ তনে তনে, অসীমও ভূবনে প্রভু, অসীমও ভূবনে। তরিকতের গান। আপন খবর।

সংগীত – আমাকে খুঁজিতে আমি

লাবিব মাহফুজ এর সংগীত। আমাকে খুঁজিতে আমি, হলাম বড় পেরেশান, কে আমি আর কে তুমি, কে জানাবে তার সন্ধান! তরিকতের গান।

সংগীত – মানব তন মুসাল্লা করে

লাবিব মাহফুজ। মানব তন মুসাল্লা করে, নামাজ পড়ে খোদ খোদায়। মোহাম্মদী বরযখ পানে, সেজদা খোদার হয় আদায়। তরিকতের সংগীত।

সংগীত – চল যাই মদিনা শহরে

লাবিব মাহফুজ। চল যাই মদিনা শহরে, যথায় আমার দীনের নবী, হায়াতুনে বিরাজ করে। চল যাই মদিনা শহরে। লাবিব মাহফু্জ এর সংগীত।

সংগীত – অনন্তে হে সখা

অনন্তে হে সখা জাগিছো অকারণ, অসীমও আকাশে আকাশে - ক্ষুদ্র এ তনু - কি করে লভিব, নাথ! আসিবো কি করে সকাশে! লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মাওলা তুমি বড়ই কারিগর

লাবিব মাহফুজ। মাওলা তুমি বড়ই কারিগর। আলিফ নামক কলম লয়ে - লিখতেছো এই চরাচর! মাওলা তুমি বড়ই কারিগর। আপন খবর। সংগীত।

সংগীত – জানো মন নুক্তারি ভেদ

জানো মন নুক্তারি ভেদ নিত্য অভেদ, শক্তিবিন্দু জুল জালাল - পনেরোটি নুক্তা দিয়ে, সাজালে এ মহাকাল! সংগীত। আপন খবর।

সংগীত – আমায় কে যেনোরে মায়া ভরে

আমায় কে যেনোরে মায়া ভরে, ডাকে ইশারায়, আমার মোহ ঘুমে বদ্ধ আঁখি, না চিনিলাম তায়। আপন খবর, আধ্যাত্মিক লেখালেখির প্লাটফর্ম।

সংগীত – আফতাবে জাহান মঈনুল হক দ্বীন

আফতাবে জাহান, মঈনুল হক দ্বীন, সাহেবে আসরার তুমি খাজাজী আমার, কবুল করো মোরে, দরবারে তোমার। সংগীত। আপন খবর। তরিকত।

সংগীত – মন তুই ভাবের দেশে চল

লাবিব মাহফুজ। মন তুই ভাবের দেশে চল, সুভাবে সুরতিতে মন, থাকিস অরিবল। মন তুই ভাবের দেশে চল। সংগীত। আপন খবর। গান।

সংগীত – হা হে হু বাজায় বাঁশি

ও তার পঞ্চরূপের বাঁশিখানি, বাজে দেখো দিনরজনী, শুনলে সে বাঁশরী ধ্বনি, এশকে মজে ফানা হয়। আপন খবর। লাবিব মাহফুজ।

অনুবাদ – খসরু – আদিব – বাহু – হাফিজ

দীনহীনের ইদগাহ তো তোমারই আঙ্গিনায় প্রভু! আমি তো আমার পরমকে তোমার গলিতেই পাই! তোমার আঙ্গিনাতেই যে আমার কাবা, আমার কেবলা!

প্রবন্ধ – অনন্ত ঐক্যতা

চলমান এক নিরবচ্ছিন্ন সৃজনকর্মের মধ্য দিয়ে সে শক্তি স্বয়ং প্রবাহিত তথা প্রকাশিত ও বিকশিত হয়ে হয়ে চলেছেন অনন্ত রূপে, সকল ব্যাপ্ত করে।

প্রবন্ধ – রাসুল তত্ত্ব – প্রতিটি ধর্মজ্ঞানীই এক একজন রাসুল

মনে রাখবেন, প্রতিটি ধর্মজ্ঞানীই এক একজন রাসুল। সে যে দেশের, যে সম্প্রদায়েরই হোক না কেনো। রেসালাত প্রক্রিয়ায় খতম বা শেষ বলে কিছু নাই।

প্রবন্ধ – চিরকালীন অস্তিত্ব

তারা জানে ক্ষণিকের লাবিব কে, আমি জানি মহাকালের অস্তিত্বে অবস্থিত চিরকালের লাবিবকে। আপন খবর। লাবিব মাহফুজ। চিরকালীন অস্তিত্ব।

প্রবন্ধ – দ্বীনে মোহাম্মদী বা মানব ধর্ম ইসলাম

প্রকৃত দ্বীনে মোহাম্মদী তথা মানব ধর্ম ইসলাম যুগে যুগে পরিচালিত হয়েছে জ্ঞানীগণের দ্বারা। যারা নিঃস্বার্থ ভাবে মুক্তির পথ দেখিয়েছে।

প্রবন্ধ – বিশ্বাস – অবিশ্বাস – অন্ধবিশ্বাস

অনুমান কল্পনা বা অনুমান ভরসা, দুটোই আখেরে আপনাকে হতাশ করবে। প্রভুকে কখনো বিশ্বাস করতে হয় না, তাকে তো বরং জেনে নিতে হয়।

প্রবন্ধ – আমার পরিচয়

সত্যকে প্রকাশ করার যুগ সমুপস্থিত। যুগধর্মের এই শাশ্বত মিছিলে নিজেকে একজন ক্ষুদ্র সৈনিক হিসেবে শামিল করতে চাই।

অনুকাব্য – যেদিন শূণ্য বীণা বাজবে আবার

যেদিন শূণ্য বীণা বাজবে আবার, ভগ্ন দেউল সাজবে আবার, রাঙবে আবার নতুন উষা, নূতনাদিত্য নব প্রাণ - আমিও সেদিন নতুন স্রোতে, ভাসাবো মোর তরীখান!

প্রবন্ধ – ধর্ম ব্যবসা – এজিদি ধর্মের মূখ্য আকর্ষণ

খোদায়ী গুণাবলি অর্জনের সমস্ত পথ-প্রক্রিয়াকে ধর্ম বলে। যা অজ্ঞানীকে জ্ঞানীতে এবং জ্ঞানীকে মুক্ত মানুষে পরিণত করে।

প্রবন্ধ – কথিত আলেম শ্রেণী আসলে একটি ‍উদ্ভট সম্প্রদায়

আবারো বলছি, মোল্লাতন্ত্রকে ইসলাম ভাববেন না। ইসলাম চির প্রগতির ধর্ম। বিজ্ঞানের ধর্ম। বস্তুনিষ্ঠ উভয়জাগতিক শান্তির ধর্ম ইসলাম।

প্রবন্ধ – ভাগ্যবিড়ম্বিত একজন মহান কবি সাগির সিদ্দিকি

নাম তাঁর মুহাম্মদ আখতার। সাগির সিদ্দিকি নামেই পরিচিত। জন্ম গ্রহণ করেন 14 আগস্ট 1928 সালে। 1974 এর 19 জুলাই তাঁর নিথর দেহটি পাওয়া যায়

প্রবন্ধ – আমার মসজিদ

খুব চাই, প্রতিটি মসজিদ এর দেয়ালে দেয়ালে শোভা পাবে সক্রেটিস, প্লেটো, এরিস্টটল থেকে শুরু করে নজরুল, রুমী, লালনদের ছবি।

প্রবন্ধ – মহাপ্রভুর আগমনী

প্রভু! আধার সমাচ্ছন্ন আকাশ আমার! আগমনী তব চরণ-বিধৌত আব-হায়াতের অমৃত সিঞ্চনে আমার হৃদাকাশকে স্নাত করো। আপন খবর।

প্রবন্ধ – আর আমি মুক্তি চাই না

আর আমি মুক্তি চাই না! কি হতে মুক্ত হবো? আমি তো আমাকে সঁপে দিয়েছি তোমারই পদপ্রান্তে। আমি হয়েছি তোমার অথবা তুমি হয়েছ আমার।

প্রবন্ধ – শয়তান যদি জানতো!

কি বোকা শয়তান!গন্ধম নিজে না খেয়ে মানুষ কে খাওয়ালো! ইবলিস যদি জানতো গন্ধম টা আসলে কি, তাহলে সে নিজেই সেটা খেয়ে নিতো!

প্রবন্ধ – ছুটে চলো আপন হৃদয় তীর্থের পানে

ছুটে চলো আপন হৃদয় তীর্থের পানে! সকল তুচ্ছ করে, নিবিড় মানসিক একাগ্রতায় খুঁজে বের করো তোমার হৃদয় তীর্থের দ্বার!

প্রবন্ধ – জ্ঞান যেখানে নিরপেক্ষ

জ্ঞান যেখানে নিরপেক্ষ তথা জ্ঞানের মান যেখানে শূণ্য, সেখান থেকেই তো শুরু হয় অনন্ত মহাপ্রেমের জগতে নিরন্তর পথচলা।

প্রবন্ধ – আমরাতো চেয়েছিলাম সবাইকে প্রেম দিতে

আমরাতো চেয়েছিলাম সবাইকে প্রেম দিতে!এ উদ্দেশ্যেই তো এসেছিলেন মুহাম্মদ, কৃষ্ণ, রাম, বুদ্ধ, যীশু, কবীর, নানক সহ সকলেই।

প্রবন্ধ – ডায়োজিনিস দ্যা সিনিক – ক্ষ্যাপাটে দার্শনিক

ডায়োজিনিসের জীবনী সম্বন্ধে আমাদের বেশি কিছু জানা নেই। তবে তিনি জন্মেছিলেন সিনোপে, কৃষ্ণ সাগরের তীরে অবস্থিত শহরটিতে।

সংগীত – ওরে আমার অচিন দেশের

ওরে আমার অচিন দেশের অচিন বন্ধুরে, রবে আমায় আর কতদিন ভূলে, আমি একাকীনি কূলমান হারারে বন্ধু, আছি সংসারও জঞ্জালে!

সংগীত – অকৃতি অধমও আমি

অকৃতি অধমও আমি, পথের সামান নাই আমার, নিজগুণে কৃপা করে, ত্বরাইও অকুল পাথার। লাবিব মাহফুজ এর সংগীত। আপন খবর। সুফিবাদ।

সংগীত – হীন মোর নয়নখানি

হীন মোর নয়নখানি, সেরূপ কি আর হেরিবে, অনাদীরও আদী যিনি, পূর্ণময় বিভবে। লাবিব মাহফুজ এর সংগীত। সুফিবাদ। আপন খবর।

সংগীত – ও মন পাগলারে

ও মন পাগলরে, তুই সরল পথে চল! অন্তরে গরল লুকায়ে, কেনো মিছে করিস ছল! ও মন পাগলারে, তুই সরল পথে চল। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমার সবটুকু মন তোমায় দিয়া

আমার সবটুকু মন তোমায় দিয়া, ঠাঁই নিয়াছি চরণে, নাই আমার আর মনের বালাই, চাওয়া পাওয়া ভূবনে। লাবিব মাহফুজ এর সংগীত।

সংগীত – আয়গো তোরা আয়

আয়গো তোরা আয়, ঐ যে নূহের তরী ঘাটে বাঁধা, চড়বি যদি আয়। লাবিব মাহফুজ এর সংগীত। আপন খবর। সুফি লেখালেখির প্লাটফর্ম।

সংগীত – আমাতে রাখিলে তোমার

আমাতে রাখিলে তোমার পূর্ণ পরিচয়, আমি সেই আমারে হারাইয়া, খুঁজে ফিরি বিশ্বময়! লাবিব মাহফুজ এর সংগীত। আপন খবর।

সংগীত – এই মানব দেহ দেউল মাঝে

এই মানব দেহ দেউল মাঝে, আসন রয় বিশ্বপতির, মানুষ বিনে ধরা মাঝে, কে পাইলো আর তার খবর? লাবিব মাহফুজ এর সুফি সংগীত।

কবিতা – নয়ন স্রোত

রুধিও না মোর আঁখির ধারা, মুছিও না প্রিয় আর -আমার নয়ন স্রোতে সালতি বাহিয়া, আসিবে যে চিতচোর! আপন খবর। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমার মন যমুনা বইছে উজান

আমার মন যমুনা বইছে উজান, শুনে শ্যামের বাঁশরী, কুন ফায়াকুন সুর তুলে শ্যাম, বাজায় বাঁশি এতবারী। আপন খবর। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – অনাদীরও আদি তুমি

অনাদীরও আদি তুমি, রহিম রহমান, সাজাইলে জগত সংসার, দিয়া আপন শান। লাবিব মাহফুজ এর সংগীত। আপন খবর। সুফি সংগীত। গান।

কবিতা – অন্বেষা

ওগো, অনুভবে! প্রিয় মোর, কভূ নিকট! কভূ বহুদূর, আমার শরীর হতে! কি জানি কি মনে! কাননে কাননে - লাবিব মাহফুজ। আপন খবর।

সংগীত – যদি না আসো মোর সাধের স্বপন

যদি না আসো মোর সাধের স্বপন, যায়গো নিশিথ বিফলে, আমি সাজায়েছি রূপের বাসর, মাটির দেউল বনফুলে। লাবিব মাহফুজ। আপন খবর।

সংগীত – ওরে নয়ন দিয়া মোর নয়নে

ওরে নয়ন দিয়া মোর নয়নে, যে অনলে জ্বালাইলি, আর কোন দেশে আর যাইয়ারে বন্ধু, এ অনল ভূলি। লাবিব মাহফুজ। সংগীত। আপন খবর।

সংগীত – ঐ না নাসুত সাগর পাড়েরে

ঐ না নাসুত সাগর পাড়েরে, প্রেমের তরী ভেসে যায়, ঈমান ধনের কুঞ্জি লইয়া, তোরা কে যাবিরে আয়। লাবিব মাহফুজ। সংগীত।

সংগীত – আছে পঞ্চশক্তি একাকারে

আছে পঞ্চশক্তি একাকারে, মানব অজুদ ঘিরিয়া - খোদার হাস্তি হইলো পাক পাঞ্জাতন, দেখো সাবেত করিয়া। লাবিব মাহফুজ। সংগীত।

সংগীত – আছে পাঞ্জাতন পনেরো তনে

আছে পাঞ্জাতন পনেরো তনে, ভেদ জেনে নাও মুসলমান, তোমার অজুদ ধামে সাবেত করো, পঞ্চ শক্তিমান। আপন খবর। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – অবারিত জেনো সে প্রেম

অবারিত জেনো সে প্রেম, অনন্ত তার মাহাত্ম্য, সে প্রেম সুধায় হয়ে বিলীন, জাগাও স্বরূপ - স্ব-তত্ত্ব! আপন খবর। সংগীত। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – এযে অসীমও আনন্দ সখি

এযে অসীমও আনন্দ সখি, অনুভবি নিতি তায়, মোর চিদাকাশে সদা ভাসে, প্রেম স্বরূপে রূপময়! সংগীত। লাবিব মাহফুজ। তরিকত।

সংগীত – আমার ডাক শুনে তার

আমার ডাক শুনে তার ঘুম ভাঙ্গেনা, বৃথাই ডেকে হই আকুল - প্রাণবন্ধু মোর না আসিল - আমার, অন্ধকারেই কাটলো কাল! সংগীত।

কবিতা – মাটির মায়া

যদি চাও পূজা, দেউল সাজায়ে, অর্ঘ্য দানিব প্রতিক্ষণে -যদি চাও প্রেম, এ হৃদয় উজারি, বাঁধিব, সাধিব, রাঙা শ্রী চরণে!

সংগীত – ঐযে নূহের তরী ভাসেরে

ঐযে নূহের তরী ভাসেরে, অকূলও সাগরে! ভক্তি ডুরি বেন্ধে প্রাণে, আয়কে যাবি ওপারে! আপন খবর। লাবিব মাহফুজ। সংগীত।

সংগীত – যমুনা পুলিনে

যমুনা পুলিনে, দেখো তমাল ছায়ে বসি - ঐ যে দূরে মধূর সুরে, বাজায় শ্যামে বাঁশি। সংগীত। লাবিব মাহফুজ। আপন খবর। গান।

অনুকাব্য – আমি ছুটিবো তোমা পানে

আমি ছুটিবো তোমা পানে, শত জন্মে, শত মরণে। যতই বাধুক মোরে ধরার মায়া, আমি টুটিবো নির্মোহে সব পাষান কায়া, শুধু ফিরিবো তোমার সন্ধানে

প্রবন্ধ – শাশ্বত অস্তিত্ব

আমাদের জীবন শাশ্বত অস্তিত্ব হতে আগত এক স্ফুলিঙ্গ মাত্র। যা ক্ষণকাল মিটিমিটি করে জ্বলে জ্বলে নিভে যাবে। এক কূল থেকে ঠাঁই নিবে

অনুবাদ – ভালোবাসার চল্লিশ নিয়ম 25&26

কুরআন এমন এক ঐশী গ্রন্থ যা অনুধাবিত হয় পাঠকের উপলব্ধির গভীরতার প্রেক্ষিতে। আমরা আমাদের চেতনার প্রগাঢ়তার দ্বারা

অনুবাদ – সন্ত কবিরের ১০ টি দোহা

আমি নয়ন দ্বারা জগত হেরী, না পাই ‘নয়ন’ হেরীতে, তেমনি জগতে যে জগত পতি, তারে যায়না ধরা জগতে। সন্ত কবিরের দোহা।

অনুবাদ – ভক্ত কবির দাসের কবিতা – মুক্তি

বন্ধু! জিবৎকালেই পরমের প্রত্যাশা করো, যতদিন দেহে আছে প্রাণ! জেনে নাও, বুঝে নাও মুক্তিকে ত্বরান্বিত করো, জিবনেই!

অনুবাদ – সন্ত কবিরের কবিতা – অন্বেষণ

হে অন্বেষী, কোন সুদূরে খুঁজে চলেছো আমায়? তোমার সঙ্গেই তো অবিরাম বসত আমার! সন্ত কবিরের কবিতা। আপন খবর। অনুবাদ।

অনুবাদ – সুফিবাদ এর ৫ টি মূলনীতি

সুফিবাদ হলো সকলের হৃদয় ও অনুভূতিকে মূল্য দেয়া। যদি কারো হৃদয়কে প্রশান্ত করতে না পারো, আঘাত কোরো না। কারণ, সুফিমতে, এটাই একমাত্র পাপ।

অনুবাদ – কবিতা – চিরন্তন ‘হু’

তব জ্যোতি হতে, আমাকে জ্যোতির্ময় করো বা না করো, বরং অবিরাম আমার জিকির হবে তুমিই সব, তুমিই হু..... অনুবাদ কবিতা।

প্রবন্ধ – যুগধর্ম

“আপন সত্ত্বায় সেই পরম সুন্দরকে যেদিন তুমি জাগিয়ে তুলতে পারবে, সেদিন তুমি ইনছান হবে।” আপন খবর। আধ্যাত্মিক প্রবন্ধ।

অনুবাদ – কবিতা – পথ প্রদর্শক

অতীন্দ্রিয়বাদী দার্শনিক, প্রেমমার্গের কবি, একাদশ শতাব্দীর ধ্রুপদী সুফি লেখকদের অন্যতম মহাত্মা হাকিম সানায়ী (র.) (১০৪৪ - ১১৫০)

অনুবাদ – ভালোবাসার চল্লিশ নিয়ম 23&24

যাপিত জীবনকে রাঙিয়ে তুলুন প্রেমের রঙে। জিবন স্বর্গে পরিণত হবে। অথবা জিবন কে বহন করে চলুন গাধার বোঝার মতো, প্রেমহীন -

প্রবন্ধ – হুসাইন (আ)

হুসাইন (আ.) এক শাশ্বত সত্ত্বা। হুসাইন (আ.) চিরঞ্জীব জগতে অধিষ্ঠিত এক জ্যোতির্ময় সত্ত্বা। মানবাত্মা তথা ইনছানি আত্মার অধিকারী

অনুবাদ – ভালোবাসার চল্লিশ নিয়ম 21&22

প্রেমিক তাঁর অন্তরের প্রেম মাহাত্ম্যের দ্বারা নির্মাণ করে নেয় তাঁর আপন জগতকে। তাঁর হৃদয়স্থিত প্রেম-প্রদীপের আলোয় আলোকিত থাকে তাঁর চারপাশ।

প্রবন্ধ – ইমাম হুসাইন (আ) এর সুমহান আত্মত্যাগ

বোকারা বুঝতে পারেনি ইমাম হুসাইন (আ.) পানি পিপাসায় অসহায়ের মতো মারা যাননি, বরং তিনি আসল ও নকলের ভাগটি পরিষ্কার করে দেখিয়ে গেছেন।

অনুকাব্য – বোধির দ্বারে দাড়াও প্রভু

বোধির দ্বারে দাড়াও প্রভু, বন্ধন আনো বাসনায়, তুমি বিনা অন্য যেনো, হৃদয়ে না হয় উদয়। অনুকবিতা। লাবিব মাহফুজ। আপন খবর।

অনুকাব্য – হে মোর সুরসাকী

হে মোর সুরসাকী, তব প্রেমও সুরে, উজল করিও, আমার উছল আঁখি। আসিও আমার হৃদয় পাতে, হৃদি পেয়ালায় প্রণয় সাথে - আপন খবর।

অনুকাব্য – হে মোর ভগবান

হে মোর ভগবান, তব প্রেমও রূপ শিখা জ্বালো মম প্রাণে, মোরে নিত্য পরশ করো দান। হে দয়াময়, মহীয়ান। লাবিব মাহফুজ। আপন খবর।

অনুকাব্য – ভেদী কংস কারার দ্বার

ভেদী কংস কারার দ্বার, এসো নব যুগাবতার – এসো অস্তিত্বে, বিপুল সংগ্রামে, হস্তে ধরি - জুলফিকার! লাবিব মাহফুজ।

অনুকাব্য – অঞ্জলী মোর না ফিরাইও

অঞ্জলী মোর না ফিরাইও আর, না ভাঙ্গিও মোর, সাধ-অধিবাস - অন্তিক অপাঙ্গে মোর রহিও অবিরল, অর্হ-প্রণয় সাথে, হৃদে অহর্নিশ!

অনুকাব্য – মাতাল করে দে আমারে

মাতাল করে দে আমারে, রূপের শারাব দিয়া, ঐ ডাগর আঁখির নেশার বাণে, বিধুক আমার হিয়া। অনুকবিতা - আপন খবর। লাবিব মাহফুজ।

অনুকাব্য – হে সাকী মোরে পিলাও শারাব

হে সাকী মোরে পিলাও শারাব, এসেছি আজ তব নিকুঞ্জ-বনে, ত্রিভঙ্গ রূপে তব এ দীল শাদাব, বিমোহিত হলাম ঐ নয়ন বানে। আপন খবর।

অনুকাব্য – এশকের অনল দিবানিশি জ্বলে

আমার মনের বনে শ্রী বৃন্দাবন, রাধার চরণ হৃদয় পুরে, কালের খেয়া প্রাণ যমুনায়, অনুরাগের সপ্তসুরে। লাবিব মাহফুজ।

অনুকাব্য – আনন্দ আজ সিক্ত প্রাণে

আনন্দ আজ সিক্ত প্রাণে, রিক্ত পথে ধুলায় মেশে, তবু জীবন দূর অনন্তে, কোন সে সুখে যাচ্ছে ভেসে। অনুকাব্য - লাবিব মাহফুজ।

অনুকাব্য – তুমিতো প্রেমিক প্রতিটি প্রাণের

তুমিতো প্রেমিক প্রতিটি প্রাণের, প্রতি জীবনের একান্ত আপন, তোমার তরে প্রতি অনু পরমানু, স্বেচ্ছায় ত্যাজিছে আপন বাঁধন।

অনুকাব্য – দেখবি যদি সে রূপ সুন্দর

দেখবি যদি সে রূপ সুন্দর, আয় না প্রেমিক দলে, সে মহিমা সদায় থাকে, প্রেমের ছায়া তলে। অনুকাব্য - আপন খবর। লাবিব মাহফুজ।

অনুকাব্য – সত্ত্বা জুড়ে প্রেম বিরাজে

নাইবা এলে ঘরে, হৃদয় বাসরে তুমি, জাগ্রত নিশিদিন, নাইবা পেলাম তোমার বাহুর অন্দরে, হৃদয় মন্দিরে তুমি আছো অন্তহীন।

অনুকাব্য – এক বাসাতে দুটি পাখি

এক বাসাতে দুটি পাখি, রহে কত মাখামাখি, এক হৃদয়ের তলে থাকি, কত জন্মের ব্যাবধান -কবে তারে পাবো সখি, বাঁচেনা যে প্রাণ।

অনুকাব্য – মন সাজিবে গো আজ

এতো প্রভু প্রেম, সারা নিশি জেগে, আঁখিজলে লেখা তার গান, এতো চিরজনমের পাওয়া, জনমে জনমে, অমৃত কুঞ্জে বেঁধে রাখা প্রাণ।

অনুকাব্য – মনের মানুষ বাঁধা মনে

মনের মানুষ বাঁধা মনে, অচ্যুত রূপ নিশিদিনে, রয় অনন্ত হৃদাসনে, স্বরূপ গুরুর রূপ নিহার। অনুকাব্য - লাবিব মাহফুজ। আপন খবর।

অনুকাব্য – আমিও জেগে থাকি

আমিও জেগে থাকি, অপলক চোখে আঁকি, নিরবতার শুণ্যতায় স্মরণ তোমার, প্রতি রাত জেগে পোহাই বিরহ বাসর। অনু কবিতা। লাবিব মাহফুজ।

অনুকাব্য – অন্তরতম হে অন্তরে বসি

অন্তরতম হে অন্তরে বসি, অনন্ত রুপ দাও দরশন, হেরিব সে রূপ বলে আকুল তিয়াসা, আকুন্ঠ মগনও মোর প্রাণ। অনুকাব্য।

অনুকাব্য – কোথা লুকালে হে নাথ

কোথা লুকালে হে নাথ, এ প্রাণ করে চুরি, কোন দুর’বনে আর খুঁজিবো তোমায়, হারানো মোর পরাণ ছাড়ি! আপন খবর। লাবিব মাহফুজ।

অনুকাব্য – আমার মনের বনে শ্রী বৃন্দাবন

আমার মনের বনে শ্রী বৃন্দাবন, রাধার চরন হৃদয় পুরে, কালের খেয়া প্রাণ যমুনায়, অনুরাগের সপ্তসুরে। আপন খবর। লাবিব মাহফুজ।

অনুকাব্য – আমার আমিত্বের কারাগার

হারানো হিয়া'টি জানে -আমার সকল নিবেদন প্রভু - তোমার শ্রীচরণে! আ্যধাত্মিক লেখালেখির প্লাটফর্ম। লাবিব মাহফুজ। আপন খবর।

অনুকাব্য – হৃদয় যদি আকুল হয়

হৃদয় যদি আকুল হয়, বাহির কি আর বাঁধে, সকল কাজই পূণ্য হেথা, যেথা পরাণ তারে সাধে। অনুকাব্য। লাবিব মাহফুজ। আপন খবর।

অনুকাব্য – নৈকট্যের অভিশাপ

নৈকট্যের অভিশাপে, আমি দূরত্ব ভিক্ষা করি, আর পদ্মা যমুনা নয়, এবার নর্মদা, গোদাবরী! অনুকাব্য। অভিশাপ। লাবিব মাহফুজ।

অনুকাব্য – বুকে বাজে ‍উজানবাঁশি

দিনশেষে ঘরে ফেরা ক্লান্ত পাখিটির মতো, অপরিচিত পৃথীবি থেকে ফিরে আসে প্রাণ! আপন খবর। অনুকাব্য। লাবিব মাহফুজ।

অনুকাব্য – কতটুকু ব্যাথা মোর

হাসিটু্কু জানে আমি কতটুকু ক্ষত, লুকায়ে রাখি এই বুকে অবিরত! কতটুকু ব্যাথা মোর, নিশুতিরাত জানে, হারাহিয়া জানে মোর, সমর্পণের মানে!

অনুকাব্য – এক প্রতীক্ষার অবসানে

যদি ভালোবেসে হই পাপী, কে বলে এ পাপ? এ পাপ মুলুকে, আমি সকলেরে যাবো ছাপি! অনুকাব্য - লাবিব মাহফুজ চিশতী। আপন খবর।

অনুকাব্য – তীব্র দুঃখের দহন

সুখবিলাসী জীবন আমি চাইনা কোনো দিন, দিও তীব্র দুঃখের দহন আমায়, ভেজা দুনয়ন! অনুকাব্য - লাবিব মাহফুজ চিশতী। আপন খবর।

অনুকাব্য – নয়ন যদি ঝড়ে গো

মনের বাঁধনে যারা বাঁধা পড়ে আছো, আত্মার মহিমা তারা দেখিবে কি করে? মনের বন্ধন থেকে আগে মুক্ত হও, তবেই আত্মজ্ঞান প্রকাশিবে, ভেতর বাহিরে।

অনুকাব্য – যে তুমি রয়েছো আপনায়

কে তুমি? প্রকাশিছ নিজেরে, ধরার সকল বিচিত্রতায়, কে তুমি, খুঁজো আপনারে, যে তুমি রয়েছো আপনায়। লাবিব মাহফুজ চিশতী।

অনুকাব্য – সামান্য এ জিবন তোমার

আপনও গতিতে চলো আপনও পথে, সংস্কার সকলের পারায়ে দ্রুত, আপন অন্তরে খুঁজো আপনার ধন, তবেই প্রকাশিবে তার স্বরূপ মাহাত্ম্য।

অনুকাব্য – পরম প্রভুর দুয়ারে যে প্রাণ

নির্মাণ করো তব জীবন প্রদীপ, আধারের হোক অবসান, তাকাও আপন স্বরুপ পানে, খুলিয়া ধ্যানের চেতন নয়ন। লাবিব মাহফুজ।

অনুকাব্য – শাশ্বত চল্লিশ

শাশ্বত চল্লিশ মোকামে, কোরান প্রাপ্তি হয় নবীর, আদি অন্তের নিখিল বাণী, নবী বাক্যে হয় প্রচার। অনুকাব্য - লাবিব মাহফুজ।

অনুকাব্য – কোরান কালাম রূপক বাণী

মরফিয়া ডোজড জাতির তরে, কি বলবো আর নতুন করে, মাতাল দলের পাতাল খানায়, মরুক ওরা জীবন ভরে। জাতি। লাবিব মাহফুজ।

অনুকাব্য – জাগ্রত করো অনন্ত প্রাণ

পবিত্র মোর পরম আত্মায়, মহামিলন যাঞ্চা মোর, তোমার চরণ পরশ সুধায়, মৃত প্রানের জীবন ভোর। অনুকাব্য মহা মিলন। লাবিব মাহফুজ।

অনুকাব্য – সদ্গুণের আশ্রিত যারা

সদ্গুনের আশ্রিত যারা, তার নাই চিন্তা পারাবার, অকূল তুফান নিমেষ সুধায়, তরঙ্গ ভেদী হবে পার। অনুকাব্য - লাবিব মাহফুজ।

অনুকাব্য – জ্ঞান মহিমা

জ্ঞান মহিমার বকুল গোলাপ, ছড়ায় সুবাস কাননে, ভ্রমরা সকল মত্ত তাতে, প্রাণ জুড়াতে তার ধ্যানে। অনুকাব্য - লাবিব মাহফুজ।

অনুকাব্য – যে পথে শাশ্বত কল্যাণ

ইয়া আলী মুশকিল কুশা, আরব ভূমির পূণ্য বর, তোমার চরণে পেল মরু সাহারা, নিত্য জ্ঞানের জলধর। অনুকাব্য কবিতা। লাবিব মাহফুজ।

বাণী – গুরুপ্রেম

সেটাই জ্ঞান, যা তোমার গুরুজ্ঞান জাগ্রত করে ও গুরুপ্রেম বৃদ্ধি করে। বাকী সকলই পরিত্যাজ্য। বাণী - আপন খবর। লাবিব মাহফুজ।

বাণী – মানব মহত্ত্ব

জামাদাত, নাবাদাত, হায়ানাতে জীবসকল খন্ডিত চেতনায় আবদ্ধ থাকে। সেখান থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত হয়ে মানবাত্মার পূর্ণ জগতে অখন্ডতায় স্থিত হওয়াই মানব ধর্ম।

বাণী – আপন ভূবন

নির্মাণ করো তোমার আপন ভূবন। নিজের জগৎকে নিজের মতো সাজাও। কিয়ামত তোমাকে স্পর্শ করতে পারবে না। বাণী। আপন খবর।

বাণী – মানব ধর্ম

বেহেশতী তারাই যারা নিত্য পরকাল প্রাপ্ত। পরকাল কে খন্ডিত চেতনায় দূরে সরিয়ে রাখলে মানব সত্ত্বায় পূর্ণতা অসম্ভব। মানব ধর্ম।

বাণী – বাঙ্ময় কোরান

সমস্ত পূতঃপবিত্র ব্যক্তিগণকে এক রূপে প্রত্যক্ষ করার মধ্যেই রয়েছে তাওহীদ বা একত্ব। যে একত্ব প্রবাহিত হয় এক প্রভুর এক রূপ বিকাশে।

বাণী – মানুষ রতন

আধার সমাকীর্ণ মুর্দার কাফেলা হতে যে অসীম সাহস ও শক্তিমত্তার সাথে উঠে আসে চিরঞ্জিব লা মউতের জগতে, সেই মানুষ রতন।

বাণী – বিশ্বরহস্য

মৌলবাদী তারাই যারা নিজেকে না চিনে, আপনত্বে বিরাজিত অনন্ত মহত্ত্বের খোঁজ না করে, অনুমানে আল্লাহ ধারনায় মত্ত।প্রেম।

বাণী – শাশ্বত চল্লিশ

রাসুল বাণী বুঝতে হয় রেসালাত জ্ঞানে। নবী বাণী বুঝতে হয় নবুয়ত জ্ঞানে। অলী বাণী বুঝতে হয় বেলায়েত জ্ঞানে। তা না হলে উৎপত্তি হয় মৌলবাদ।

বাণী – নিত্য গোলোক ধাম

নিজেকে চিনলে খোদা চেনা হয়, এ চির সত্যের তথা আপনত্বের রহস্য জ্ঞান লাভ না করলে খোদার দীদার সম্ভব নয়।  গোলোক ধাম।

বাণী – মহাজিবনের দ্বার

জিবনের হাকিকত তো এখানেই যে, এই জিবনেই নিহিত মহাজিবন। শুধু একটি দ্বারোৎঘাটনের প্রতীক্ষা মাত্র। বাণী - আপন খবর।

বাণী – স্বরূপ শক্তির উপলব্ধি

স্বরূপ শক্তির পূর্ণ উপলব্ধিই হলো জগতের সর্বশ্রেষ্ঠ জ্ঞান। যে জ্ঞান প্রতিটা মানুষকে অতিমানুষ করে তোলে। বাণী।

বাণী – কর্ম, জ্ঞান, ভক্তি

মানুষ মাত্রই প্রভুর বিভূতি প্রকাশের এক শ্রেষ্ঠতম আধার। যেখানে প্রতিনিয়ত প্রকাশিত হয় প্রভুর গুণরূপী সকল অলৌকিকত্ব।

বাণী – আত্মশক্তি

আমরাও অসীম। তাই আমরা অনন্তকে, অসীমকে বুকে ধরতে পারি। ব্যার্থ হই তখনি যখন ভুলে যাই যে- আমরা অসীম। বাণী - আপন খবর।

বাণী – হৃদয় তীর্থ

কোনো অলীক শক্তি বা কোনো পরাবাস্তব কেউ কখনোই আমার দেবতা নন। আমার দেবতা তিনিই যিনি নির্মিত হন আমার ভালোবাসার দ্বারা।

বাণী – অন্তরের অন্তরতমস্ত

তোমার সাধনা হোক তোমার সুন্দরের জন্য, তোমার অর্চনা হোক তোমার দেবত্বের জন্য। তোমার হৃদয়কে প্রস্ফুটিত করো তোমার জন্য।

বাণী – অনন্ত জিবনের স্বাদ

প্রাণের অনাবিল মুক্তধারা যখন প্রবাহিত হবে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে, তখনই জীবন হেসে উঠবে নব কিশলয়ের মতো অনন্ত জীবনের স্বাদ নিয়ে।

বাণী – চিরমুক্তির দ্বার

প্রবৃত্তি ও প্রবণতা সমুহকে চরম শুদ্ধতম একটা অবস্থানে দাঁড় করাতে পারলেই খুলে যায় চিরমুক্তির দ্বার। বাণী - আপন খবর।

বাণী – সত্যের স্বরূপ

সরল প্রাণে আকুল হয়ে কেঁদে কেঁদে দয়ালের কাছে দয়ালকেই প্রার্থনা করা, দয়ালকে লাভ করবার এইতো পথ! বাণী। আপন খবর।

বাণী – নফসানিয়াতের বন্ধন

যদি তুমি আবদ্ধ থাকো কামনার মধ্যে তবে তুমি বন্দী এবং নিশ্চিতই খুব খারাপ জায়গায় বন্দী। সেখান থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারলেই লাভ হবে মুক্তি।

বাণী – আত্মজয়

যদি তুমি আবদ্ধ থাকো কামনার মধ্যে তবে তুমি বন্দী এবং নিশ্চিতই খুব খারাপ জায়গায় বন্দী। সেখান থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারলেই লাভ হবে মুক্তি

বাণী – মহাজিবন

প্রভুর মানব কল্পিত রূপ হল নিরাকার বা বেমেছাল। আর প্রভুর প্রকৃত স্বরূপ হল প্রভু গুণে গুণান্বিত মানব রূপ। যা খন্ডিত জ্ঞান

অনুবাদ – ভালোবাসার চল্লিশ নিয়ম 19&20

স্রোতে মিশে যেও না। বরং নিজেই একটি প্রবাহে পরিণত হও। ডুবে যাও সে সমুদ্রে যে সমুদ্রটি প্রেমের। ভালোবাসার চল্লিশ নিয়ম।

প্রবন্ধ – আপন খবর; কৈফিয়ত

আপনাকে চেনা-জানা তথা আপন খবরের চর্চা চলমান থাকুন যুগ-যুগান্তরে। “আপন খবর” স্বমহিমায় চিরভাস্বর থাকুক সত্যানুসন্ধানীদের চেতনা-মানসে।

অনুবাদ – ভালোবাসার চল্লিশ নিয়ম 17&18

মানব অস্তিত্ব একটি পূর্ণতম অস্তিত্ব, যে অস্তিত্বের মধ্যে জগতের সকল উপাদান বিদ্যমান। সমগ্র মহাবিশ্ব একটি মানব অস্তিত্বের মধ্যে নিহিত।

প্রবন্ধ – দ্বীনে মোহাম্মদীর ফল্গুধারা

দ্বীনে মোহাম্মদীর শ্বাশত নূরের ফোঁয়াড়া আরবের কন্টক সমাকীর্ণ তপ্ত মরুপথে অঙ্কুরিত হয়েই তথাকার বৈরী পরিবেশে ক্ষণকালেই মুমূর্ষ হয়ে পরে।

অনুবাদ – ভালোবাসার চল্লিশ নিয়ম 15&16

ভালোবাসার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় প্রকৃত ধার্মিকের ধর্মজগত। প্রকৃত ধার্মিক যিনি, তিনি তাঁর সবটুকু দিয়ে ভালোবাসেন মানুষকে।

প্রবন্ধ – ফারসী কাব্যসাহিত্যে নূর মোহাম্মদ প্রসঙ্গ

দ্বীনে মোহাম্মদীর অনুসারীগণের মধ্যে এশকে মোহাম্মদীর যে ফল্গুধারা প্রবাহিত, তা সমধিক পরিণত ও প্রস্ফুটিত হয়েছে ইরানে।

প্রবন্ধ – ধর্মান্ধতা! ধর্মের নামে!

ধর্ম আত্মমুক্তির বিধান। ত্যাগের অনুশীলন তথা রিপুনিচয়ের বা প্রবৃত্তির বিরুদ্ধের কঠোর সংযম সাধনার মধ্য দিয়ে পরিশুদ্ধতার

অনুবাদ – ভালোবাসার চল্লিশ নিয়ম 13&14

অনুভব করতে শিখো মহান প্রভুর প্রভুত্বকে। তিনি তো সদা সর্বক্ষণ নিমগ্ন তোমার অভ্যন্তরীন ও বাহ্যিক কার্যাবলীর সাথে।

প্রবন্ধ – পথ পরিচয়

এ পথ পরমার্থ চেতনার পথ। জাগতিক মোহমুক্ত তথা কামনা বাসনা বিবর্জিত পথিক এ চিরন্তন পথ চলতে চলতে একসময় পৌঁছে যান তাঁর গন্তব্যে।

অনুবাদ – ভালোবাসার চল্লিশ নিয়ম 11&12

সন্ধানকারী হও প্রেমের। সে প্রেম তোমাকে সর্বান্তকরনে বদলে দেবে। প্রেমের মাহাত্ম্য এমনই যে, সে প্রেমিকের মধ্যে প্রেমাস্পদের জন্য

প্রবন্ধ – ইদ পূর্ণমিলনী

নিজেকে ফিরে পেলেই আসে সেই মহিমান্বিত রজনী - যখন নাযিল হয় ঐশী প্রেরণালোক। নিজেকে ফিরে পাওয়াই হলো ইদ পূণর্মিলনী।

অনুবাদ – ভালোবাসার চল্লিশ নিয়ম 9&10

প্রতিটি জন্মের জন্যই প্রয়োজন তীব্র থেকে তীব্রতর বেদনা। ধাত্রী ভালো করে জানে যে, ব্যাথা বিহীন সন্তান জন্ম হয় না।

প্রবন্ধ – মানবী জান্নাত

প্রভুগুণ তথা গুরুর গুণসমুহকে আপনত্বে ধারণ করে নিত্যময়তা প্রাপ্তির অনুশীলনে লাভ করা যেতে পারে পূর্ণতম প্রশান্তি বা মানবীয় জান্নাত।

অনুবাদ – ভালোবাসার চল্লিশ নিয়ম 7&8

বিশ্বাস কে আজীবনের জন্য চিরসঙ্গী করে নাও। যাই হোক না কেনো, প্রভু তো রয়েছেন। কেনো ভয় তোমার? বিদায় জানাও সমস্ত হতাশাকে।

অনুবাদ – ভালোবাসার চল্লিশ নিয়ম 5&6

প্রভু তো প্রতিনিয়ত কথা বলে। তোমাকে তার শাশ্বত প্রেমের অমরলোকে ডেকে চলে অবিরত। শুনতে পাওনা? কিভাবে শুনবে, হৃদয়ে যদি রয় এতো কোলাহল?

প্রবন্ধ – শাশ্বত মুক্তি পথ

আহাদ স্বরূপধারী মহাপ্রভু পঞ্চ উপাদান সমন্বিত মানবদেহ নৌকা নিয়ে মুক্তির বারতা হাতে ডেকে ফিরছেন পতিতদের। আপন খবর।

প্রবন্ধ – মানুষে নিহিত খোদা

সৃষ্টির এক অপার বিস্ময় এই মানুষ। জগতের সকল মৌল রহস্যের এক কেন্দ্রিভূত আধার এই মানুষ (ইনছান)। লাবিব মাহফুজ।

অনুবাদ – ভালোবাসার চল্লিশ নিয়ম 3&4

অনুরাগ দিয়ে বেঁধে রাখো নিজেকে। হ্যাঁ, বার বার ঠকে যাও। চূর্ণ বিচূর্ণ হোক হৃদয় । প্রেমকে ধারন করার জন্য ক্ষত বিক্ষত হৃদয়ই উপযুক্ত।

প্রবন্ধ – বাইয়াত! ধর্মে সমর্পণ

দ্বীনে মোহাম্মদীর শাশ্বত বিধান হলো বায়াত গ্রহণ করা তথা যুগের ওলী মুর্শিদের কাছে আত্মসমর্পণ করে তাঁর নির্দেশিত পথে চলা।

অনুবাদ – ভালোবাসার চল্লিশ নিয়ম 1&2

প্রভু দর্শন চাও? নিমার্ণ করো তোমার দৃষ্টি। তোমার প্রভু তো তুমি যা দেখো তারই প্রতিচ্ছবি! প্রভু কেমন সেটি মূখ্য বিষয় নয়

প্রবন্ধ – পরমপ্রাপ্তি

পরমপ্রাপ্তির বাসনা মানুষের সহজাত বৈশিষ্ট্য। সংবেদনশীল মানুষের হৃদয়ে তাই সর্বদাই অনুরণিত হয় প্রভুসত্ত্বার চিত্তগ্রাহী সুরধ্বনি।

প্রবন্ধ – এক অনিবার্য বিধান বাইয়াত

পীর কে আরবীতে বলা হয় মুর্শিদ যার অর্থ পথপ্রদর্শক। এদেরকেই উম্মতের শ্রেষ্ঠ দল বলা হচ্ছে সুরা আরাফের ১৮১ নং আয়াতে ।

অনুকাব্য – প্রণয়ে যেজন নত

আজো জাগে তৃষা, বিষ-বাণ, শোণিত ধারার পিছল পথে, বিষ-জরজর, যাতনা রথে, চলেছ - অমলিন! হাসনাইন। কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

অনুকাব্য – চোখের জলে গড়া সুন্দর

আমার চোখের জলে গড়া সুন্দর, দেবতা যে তুই! ধ্যানের কনক কানন উজল করা, প্রাণবন্ধু যে তুই! অনুকাব্য - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – একান্তে

কি করে লুকাবি আমায়? আমি তো ঐ চোখের কাজলে, নিয়ত সাঁতরে বেড়াই! কি করে লুকাবি আমায়? কবিতা - একান্তে। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – বসন্ত

আমার বসন্ত কে কেড়ে নিবে? আমি চৈত্রের খরতাপকে -বন্ধু করে নিবো! দহন কি শুধু আগুনে!তোমার নৈকট্যও যে - কতখানি পোড়ায়!

কবিতা – আলোক পানে

আবার উঠুক ডঙ্কা বেজে, আকাশ উঠুক আলোয় সেজে। দিগন্তের ঐ দীপ্ত মশাল, আনুক আবার নিত্য সকাল - কবিতা। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – অনন্ত সুর মূর্চ্ছনা

বয়ে চলে এ জগত! জিবন! এক অনাদী অদৃশ্য কে মূর্ত করার তাগিদ নিয়ে! কাল প্রবাহে! দূর্বার গতি নিয়ে এগিয়ে চলে এক অনন্ত স্থিরতা!

কবিতা – সবাই ভালো থাকে

সবাই ভালো থাকে! আমি শুধু বিষ-বাণে বিষাক্ত নীলকণ্ঠ, গলায় আটকে থাকা কবিতাগুলো নিয়ে, যাপন করি একটি একটি মৃত্যুরজনী!

কবিতা – অধরা

আমি কেমনে তারে ধরি! সে যে রূপ-অরূপের লীলা করে, লুকাইয়া নয়নপুরি! কেমনে তারে ধরি! কবিতা - অধরা। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – চেতনা

বিবস চেতনার পাহাড় ঠেলে, বিমূঢ় রাতকে করে তুলি, আরো দীর্ঘকায়! সেঁজুতি নিষিক্ত আঁধিয়ারা আমার - কবিতা - চেতনা। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – স্বর্গ

প্রেম-শারাবের ভৃঙ্গার মাথার নিয়ে, জাহান্নামের পথে আনমনে হেটে চলে কবি! প্রতি পদক্ষেপে সৃষ্টি করে এক একটি স্বর্গ!

কবিতা – সালাত

প্রিয়ার বাসরে কে যায় লইয়া, পড়শী জামাত-দলে, বোঝনি এখনো বেকুবের দল, সালাত কারে বলে! কবিতা - সালাত। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – অনাগত

ওরে নাম হারা তুই, নূতন রূপে, নূতন বেশে, ভূবন মাঝে, বারে বারে আসলি হেথা, আলোক শিশু, আলোক সাঁঝে! কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – দীর্ঘশ্বাস

উদ্ভট একটা জিবন, বয়ে চলেছি প্রতিনিয়ত! সাইমুম রাতের কাফেলার মতো - গন্তব্যহীন! আশা নাই, নাই প্রভাত আলোর সূদুর স্বপ্ন!

কবিতা – আমার কোরান

তোমরা কোরান পড়ো জ্ঞানে, আমি কোরান পড়ি - প্রথম প্রেমের উন্মত্ততায়, শিহরণে! কোরান। কবিতা - কোরান। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – প্রত্যাখ্যান

এ নিঃসীম শূণ্যতা - এ নিরব আর্ত-চিৎকার, না পৌঁছাক কারো কান অব্দি! উপলব্ধিগুলো! কবিতা - প্রত্যাখ্যান। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – প্রণয়ের খেলা

বড় দূর্বল, বড় চঞ্চল, বড়ই ভঙ্গুর আমার প্রাণ! সামান্য তেই হেরে যাই আমি, হয়ে যাই শক্তিহীন! কবিতা - প্রণয়। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – মাতালকাব্য

এক চুমুকের নেশা যে এ, হৃদয় বীণার ঝংকারে এ, শাশ্বত তিয়াস! মদিরা স্রোতে নিত্য চলে ভাব দরিয়ায় বাস। কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – তৃষ্ণা তোমার না যেন মিটে

তৃষ্ণা তোমার না যেন মিটে, এ চাওয়া জেগে থাক মহাকালে! রয়ে যাক মহাকালে! জেগে থাক মহাকালে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – অস্পৃশ্য

আমি তো পিছে পিছেই চলি, তোমার পদচিহ্ন ধরে! সুরের মৃদু গুঞ্জন, অস্পষ্ট অধরে! একটি চুম্বনতিলক! একটি সমর্পণ। লাবিব মাহফুজ

কবিতা – অধিকার

প্রেমে যদি প্রিয়, না থাকো আমার, শক্তিতে বাঁধিবো! সে বাঁধন যদি, ছিড়ে ফেলো কভূ, চরণে জড়ায়ে কাঁদিবো! কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – জয়োৎসব

হৃদয়ের বিস্তীর্ণ চারণভূমিতে তুই যথার্থই এক সফল রাখাল! নিজস্ব স্মৃতিসমূহের শাবক-ছানা, আর আদর-অনাদরের পাল নিয়ে, রাজত্ব করছিস - জীবনকাল!

কবিতা – মেরাজ

সর্বান্তকরণে চাই - মুহাম্মাদ হইতে! মেরাজ করতে! চাই -আমারো আসুক সেই সুবহে সাদিক! কবিতা - মেরাজ। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – অশ্রু আব হায়াত

দোষ দিওনা আমায়, যদি ঝরে যাই অকালে! শেফালী ফুলের মতো! একটি আলো ঝলমল দিন-দুপুর, যদি নাইবা আসে আর! কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – নরকবাস

নরকের দরজায় দরজায়, টাঙিয়ে দিবো আমি, এক একটি নিষ্ঠুর চাহনী তব - প্রতিটা পাপীর হৃদয়ে হৃদয়ে - কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – একত্ব

এতোটা পাষাণ তো নই আমি! এক, একক, অদ্বিতীয়, লা-শরীক, এসব তো আমি নই - ওগো মাবুদ! কবিতা - একত্ব। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – দোযখ থেকে বেহেশত

যখন, হাশরের কঠিনতম সময়ে, বিবর্ণ মুখমন্ডল সমূহ তটস্থ থাকবে ভয়ে! যখন - হিসাবের এক একটি মেরুতে দাড়িয়ে - কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – প্রভু সমীপে

অতি ক্ষুদ্র যে আমি! কি করে প্রভু - আমাতে ধরিবো তোমায়? সমুদ্রে শুধু উপলব্ধি মোর, অনন্ত ব্যাপিত যেজন, তারে ধরা নাহি যায়!

কবিতা – অপ্রাপ্তি

তোমায় নিয়ে লিখে যাই অবিরামভাবে! কাব্য-সংগীত -কত কি! ছন্দের ললিত শিখায় ম্লান হয়ে আসে চন্দ্রিমা! কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

রমুজে এশক – মুর্শিদ প্রেমের রহস্য : ১৭ হাদিস কাব্য

‘রমুজে এশক’ বা প্রেমের রহস্য - হলো মহান মুর্শিদ প্রেমের রহস্য যা বিরাজিত রাসুল (দ:) এর প্রতিটি কথাতেই। রাসুল (সা) বর্ণিত 17 টি হাদীস বা বাণী

সংগীত – দেখ মন তৌহিদেরি নূর

দেখ মন তৌহিদেরি নূর, নূরসে খোদা নহে জুদা, হইয়াছে জহুর! ওরে মন দেখ এবার তৌহিদেরি নূর। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – দীল দরিয়ার পাড়ে

দীল দরিয়ার পাড়ে, ওজু করে পড়গা নামাজ - স্বরূপ রূপের ঘরে! ওরে সালাত সুধায় মত্ত হয়ে থাইকো রূপ নিহারে! লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – গুরু সাধন বিনে কি আর

গুরু সাধন বিনে কি আর, সে ধন চেনা যায়, চিনলে আপন তীর্থভূমি, ওরে তীর্থঙ্করে দেয় পরিচয়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – তুমি স্বরূপ দয়াল

তুমি স্বরূপ দয়াল ধরি বিভূতি রূপ, আসিলে অরূপ হতে, আমারি কানন। আপনাতে হতে মত্ত, আপে নিরঞ্জন। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – যেদিন মহাকালের ডাক আসিবে

যেদিন মহাকালের ডাক আসিবে, অকূল কূলে ধরতে পারি - সেদিন তুমি সহায় হইয়া, ত্বরাইও মোর জীর্ণ তরী। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – রূপ সাধনা বিনে তারে

রূপ সাধনা বিনে তারে, কেবা ধরতে পারে, হৃদ কমলে এঁকে ছবি, ধরো তারে রূপ নিহারে। রূপ সাধনা বিনে তারে কে ধরিতে পারে।

সংগীত – আমার মাটির দেউল

আমার মাটির দেউল সাজাই বৃথা, ধূপধূনো আর উপাচারে! তুমিতো নূর, জ্যোতির ধারা - প্রভু, আসবে কি মোর মাটির ঘরে! লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – হৃদে লইয়া স্বকাম শর্ত

হৃদে লইয়া স্বকাম শর্ত, মিছে ডাকি গুরু বলে, গুরু কি আর হয় কান্ডারী, স্বভাব শুদ্ধ না হইলে! সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – অনন্ত অসীমও প্রভু

অনন্ত অসীম ও প্রভু, মহিমা গাই অনুক্ষণ, বিসমিল্লাহতে মঞ্চ গড়ে, বসলে তাতে নিরঞ্জন! অনন্ত অসীমও প্রভু। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – কেনো আমায় উদাসী বানাইলা

কেনো আমায় উদাসী বানাইলা, ও বন্ধুরে - কেনো আমায় উদাসী বানাইলা ও বন্ধু! আমারে উদাসী বানাইলা। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আজি এ কোন প্রেমের

আজি এ কোন প্রেমের ইন্দ্রবারি, মাতায় হিয়া সিন্ধুপানে - দ্রাক্ষা-রসে ডুবায় তনু -চ্ছিন্নবীণা, বাজলো হঠাৎ মোর গগণে!

সংগীত – আমি যে কন্টক কাব্য শাখে

আমি যে কন্টক কাব্য-শাখে! ফুল হতে চেয়ে হয়েছি বিবাদ - অবাধ স্বপ্ন মেখে চোখে! আমি কন্টক কাব্য শাখে। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমি বৃথাই ভ্রমি মক্কা কাশি

আমি বৃথাই ভ্রমি মক্কা কাশি, তীর্থ বৃন্দাবন! প্রভু আমার এশকে মাওলায়, রাজে সর্বক্ষণ! আমি বৃথাই ভ্রুমি তীর্থ বৃন্দাবন।

সংগীত – রূপের ফাঁদে অরূপ ধরে

রূপের ফাঁদে অরূপ ধরে, খেলছে খেলা আশেকজন। মানব রূপের সীমা মাঝে, অসীম প্রভুর হয় আগমন। লাবিব মাহফুজ এর সংগীত।

সংগীত – চাও যদি মন তারে

চাও যদি মন তারে, ঐ শ্রীচরণে নিয়ে শরণ - ধরো সেরূপ, রূপ নিহারে। তুমি চাও যদি মন তারে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ ।

সংগীত – তুমি থাকো ঐ সিন্ধু পাড়ে

তুমি থাকো ঐ সিন্ধুপাড়ে, সুদূর নীলিমায়, আমার আকাশ খেয়া পৌঁছবে কি, তোমার আঙ্গিনায়? সংগীত - লাবিব মাহফুজ। আকাশ খেয়া।

সংগীত – তোলো এবার পর্দা তোলো দেখি

তোলো এবার পর্দা তোলো দেখি! আমার আঁখির আগুন ঠিকরে পরে, জ্বলুক তোমার অঙ্গ সখি! সংগীত - লাবিব মাহফুজ। পর্দা তোলো সখি।

সংগীত – সুরস সুরতির খেলা

সুরস সুরতির খেলা, চলছে নিত্য স্বরূপসনে! ভাবের বৃন্দাবনে রে মন, রসের বৃন্দাবনে! রে মন রসের বৃন্দাবনে। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – কেনো মরলি ঘুরে জনম ভরে

কেনো মরলি ঘুরে জনম ভরে, কাম কামনার বিষয় জালে, চিনলে পুরুষ নারী, দেহ বাড়ি - খুলতো দিব্য আঁখি তোর কপালে! লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মানবীয় অজুদ মূলে

মানবীয় অজুদ মূলে, নারী পুরুষ করছে খেলা, আদমে তাঁর লীলা রে মন -আদমে তাঁর লীলা! মানব অজুদ এর খেলা। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আল্লাহর নূরে নূর তাজাল্লী

আল্লাহর নূরে নূর তাজাল্লী, মুহাম্মাদী নিশানা - নবী নূরে জগত গঠন করলেন রব্বানা। নূরে নূর তাজাল্লী - সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – এতো যে তৃষ্ণা আমার

এতো যে তৃষ্ণা আমার, তবু ওগো সুদূরিকা! দিগন্ত ওপারে তুমি লুকায়ে! ওগো, এতো যে তৃষ্ণা আমার। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – এই হলো দিন দিন

এই হলো দিন দিন প্রাপ্তি আমার, অসীম শূণ্যতা ঘেরা - চারিধার! এই হলো দিন দিন প্রাপ্তি আমার। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – কলঙ্ক হার লইয়া গলে

কলঙ্ক হার লইয়া গলে, পথে পথে ঘুরে মরিরে দয়াল। দয়াল কৃপাবশে, কবে এসে, উদ্ধারিবে এই আমারে! সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – ঐ যে বসন্তের কাননের পথে

ঐ যে বসন্তের কাননের পথে, মন তোর তরী তে তোল পাল। ওরে আধার ঘনায় দিবাকাশে, কাটাইসনে আর কাল! সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – অফুরাণ ঐশ্বর্য তোমার

অফুরান ঐশ্বর্য তোমার! চাহি না হে নাথ! দিও ততটুকুযতটুকু ধরে করপুটে মোর! হে প্রভু দিও অবিরাম করুণা তোমার । লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমার এ শত জনম অশ্রুজলে

আমার এই শত জনম অশ্রুজলে এমন করে না ভাসিতো। দয়াল কৃপাবশে আসলে তুমি আমার ভব যন্ত্রনা না রহিতো। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – জাগায়ো না তারে

জাগায়ো না তারে, জাগায়ো না হায়। লুটায়েছে যে জন, প্রেম বেদনায় - নীল শারাবে, বিরহ-বিভবে, মরিয়াছে স্মরিয়া যে প্রিয়ায় রাঙা পায়!

সংগীত – এ বেদনা কি করে সহি

রাখিগো যতনে যারে আঁখিরও কাজলে, ভেসে যায় কেনো সে, অশ্রু সলিলে! কেনো বাজাও নয়ন-বীণায়, বিরহ রাগীনি। বেদনা কেমনে সহি।

সংগীত – কেনো তাঁরে প্রভু বলে

কেনো তাঁরে প্রভু বলে মিছে ডাকাডাকি! আগে তাঁর হওগে দাসী! কেনো মিছে শুভঙ্করের ফাঁকি! সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আলিফ লাম মীম তিনেরি ভেদ

আলিফ লাম মীম তিনেরি ভেদ, জগত জোড়া রয় গোপন - করো তত্ত্ব নিরুপণ রে মন, করো তত্ত্ব নিরুপণ। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – নিঠুর কোকিল রে

নিঠুর কোকিল রে, আর কত তোর সইবো জ্বালাতন রে কোকিল! অসময়ে ডাকিস কোকিল, ঘরেতে আর রয়না মন! সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমি আধার রাতের যাত্রী

আমি আধার রাতের যাত্রী প্রভু, উষার আলো দিও। এ পথহারারে পথ-বানানোর, যোগ্য করে নিও! আমি আধার রাতের যাত্রী। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – এমন মধূরও সরস বরষায়

এমন মধুরও সরস বরষায়, জাগে চকিত-শিহরণ, মৃদুমন্দ-বায়, মাধবীলতায়! মধূরও সরস বরষা। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – বুঝবিরে শ্যাম আমার মতন

বুঝবিরে শ্যাম আমার মতন কাঁদবে যখন প্রাণ, ও তুই পথের ধুলায় লুটাইবি সোনার দেহখান। ও তোর সোনার দেহখান। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মা গো তোর ভালোবাসার কন্টকহার

মা গো তোর ভালোবাসার কন্টকহার, এমনি যেনো কন্ঠে আমার - জনম জনম দোলে গো! মা জনম জনম দোলে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমি জন্মাবধি অপরাধী

আমি জন্মাবধি অপরাধী, আমার অপরাধের সীমা নাই, এই পাপী দেহ লইয়া আমি, কেমনে রাঙা চরণ চাই! লাবিব মাহফুজ। সংগীত।

সংগীত – তৃষ্ণা কভূ না মিটিবে মোর

তৃষ্ণা কভূ না মিটিবে মোর, আমি মরুর বুকে বালির প্রাসাদ - সাগর" বহু দূর! ‍তৃষ্ণা না মিটিবে মোর। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – বিরহ বাসরে মোরে

বিরহ বাসরে মোরে বাঁধিয়া প্রিয়, এমনি করে ভালোবাসিও! যতনে যাতনা দিয়া হৃদয়ও কোনে, নিরিবিলি ব্যাথা হয়ে, বুকেতে রহিও।

সংগীত – অনন্ত কালও প্রিয় ফুরায়ে যাবে

অনন্ত কালও প্রিয় ফুরায়ে যাবে, আসিবে অলোকানন্দা, মরুতে আসিবে! প্রিয় অনন্ত কালও ফুরায়ে যাবে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – যবে হাতখানি তব

যবে হাতখানি তব হাতেতে জড়ায়ে ধরি, হৃদিব্যাপী বয়ে যায়, পরশ প্রশান্তির নর্মদা-গোদাবরী! হাত খানি যবে ধরি। সংগীত।

সংগীত – নদী তো বহতা নিতি

নদী তো বহতা নিতি যায় বয়ে যায়, জলরাশি সলিলে, বিলোলে হারায়! নদী তো বহতা নিতি যায় বয়ে যায়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – বেসুরো মোর সুর সেধে আজ

বেসুরো মোর সুর সেধে আজ, তানপুরাতে বাঁধবো এ প্রাণ! আমি যখন স্বপ্ন দেখি, রাত্রি লুকায় ঢাকি আঁখি। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – ও মাঝিরে

ও মাঝিরে, আমায় পার করিও অকূলও সাগরে। তুমি বিনা নাই আশা সংসারে। ও মাঝিরে। পার করিও অকূলও পাথারে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – সখি আমি যমুনাতে যাবো

সখি আমি যমুনাতে যাবো, ঐ কালো জলে ঝাপ দিয়া সই - প্রাণখানি ত্যাজিবো! সখি আমি যমুনাতে যাবো। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – চরণ ধুলি পড়লে তোমার

চরণ ধুলি পড়লে তোমার কাবা আমার কেবলা হবে, তুমি বিনে আরশে আজীম দোযখ সম, অসার ভবে!

সংগীত – আসবেনা তবু পথ পানে প্রাণ

আসবেনা, তবু পথ পানে প্রাণ, নিদারুণ, চেয়ে থাকি, প্রিয় সকরুণ - জ্বেলে আঁখিদ্বীপ, পথ পানে প্রাণ। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মনে কি পড়েনা প্রিয়া

মনে কি পড়েনা প্রিয়া, কত জনমের কত অভিসার, যুগল মিলন, আঁখি চাওয়া! মনে কি পড়েনা প্রিয়া। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আর আমারে ভুলাইও না

আর আমারে ভুলাইও না, আপন বলে, আঁচল তলে - আর আমারে বাঁধিও না মা গৃহকোণে, মায়ার ছলে! সংগীত - লাবিব মাহফুজ। মা।

সংগীত – তব করুণায় প্রিয় বাঁধিও আমারে

তব করুণায় প্রিয় বাঁধিও আমারে, মায়াময়, শ্রীচরণ মায়ারও সাগরে। প্রিয়, তব করুণায়, বাঁধিও আমারে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – পায়ে দলে হৃদয়ের বনবীথিকা

পায়ে দলে হৃদয়ের বনবীথিকা, এলে কে গো নির্দয়, অনামিকা! বৃন্তচ্যূত পুষ্প আমি, দলিত মালিকা। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – কেনো মোর নিরব কুঞ্জবনে

কেনো মোর নিরব কুঞ্জবনে, বাজালে চরণও মঞ্জীর, কেনো করে উদাসী হৃদয়, লুকালে পলকের সুদূর! সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – বলি নিমাই একটু দাড়া

বলি নিমাই একটু দাড়া, মায়েরে কি এমনি কাঁদায়, মায়ার বাধন ছিন্ন করে নিমাই, কোন খানে লুকায়! সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আনে ত্যাগের বিধান কুরবানি

আনে ত্যাগের বিধান কুরবানি, দূর করতে সব পশু প্রবৃত্তি, আত্মার গুণ হায়ানী। আনে ত্যাগের বিধান কুরবানি। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – জানো মন এস্কেরই বিধান

জানো মন এস্কেরই বিধান, মাওলা হু শক্তিতে স্বয়ংকারে, সদা রয় চেতন! জানো মন এস্কেরই বিধান। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমার গভীর প্রাণের সহচরী

আমার গভীর প্রাণের সহচরী, লুকায়ে আর খেলবে কত? এবার সামনে এসে দাঁড়াও আমার, সাঙ্গ হউক আঁধার যতো! লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমি শুনি সদা বাঁশরী ধ্বনি

আমি শুনি সদা বাঁশরী ধ্বনি মন যমুনার পাড়ে, ওরে ডাকে কানু দিনরজনী আমার নামটি ধরে! ওরে কানু ডাকে নামটি ধরে। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – কেনো রে বাদল ধারা

কেনো রে বাদল ধারা, মোরে করলি আপন হারা, কেনো তোর নৃত্তমদের মাতলামি আজ, আমায় ঘিরে বল্গাহারা! লাবিব মাহফুজ। সংগীত।

সংগীত – পাইতে যদি দীনবন্ধু

পাইতে যদি দীনবন্ধু, সাধ থাকে গো অন্তরে, মনো প্রাণ উাজার করে ভালোবাসো তারে। যদি সাধ থাকে অন্তরে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – তারে কি ডাকা যায়

সংগীত - তারে কি ডাকা যায়? যেজন সদা হৃদয়ে রহে নিভৃতে নিরালায়! হৃদয়ে তাহার হৃদয়ও রাখি, পরানে পরান করে মাখামাখি

সংগীত – ঐ রূপ অনলে দিবানিশি

ঐ রূপ অনলে দিবানিশি, হৃদয় আমার পুড়ে গো, সে রূপ নিরিখে সদায় আমার, নয়ন বারি ঝড়ে গো। সংগীত - লাবিব মাহফুজ। রূপ অনল।

সংগীত – দয়াল আমায় করো দয়া দান

দয়াল আমায় করো দয়া দান, হৃদকমলে আসিয়া আমার, জুড়াও তাপিত প্রাণ। দয়াল করো দয়াদান। সংগীত - লাবিব মাহফুজ। হৃদকমল।

সংগীত – হৃদয় পদ্মে হও স্থিত

হৃদয় পদ্মে হও স্থিত অটল রূপে ভগবান, আাঁখিনীড়ে বাঁধবো তোমায়, চিন্ময় রূপে নিরঞ্জন। সংগীত - লাবিব মাহফুজ। হৃদয়।

সংগীত – আমি চিনেছি চিনেছি দয়াল

আমি চিনেছি চিনেছি দয়াল, এই মানুষে রূপ তোমার। প্রকাশ সকল রূপ রস গন্ধে, মানুষ রূপে হও স্বাকার। ভক্তি সংগীত। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমি মজনু সম পাগল হবো

আমি মজনু সম পাগল হবো, হে নাথ তোমার তরে। মুনাফিক যে, চায় স্বর্গসুখ - ত্যাজিয়া তোমারে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমি চাই শুধু গো দয়াল তোমারে

আমি চাই শুধু গো দয়াল তোমারে। বিষয় মায়া মোহ ছাড়ি, অনিত্য ধরা পরিহারি, সদায় যেনো থাকি দয়াল - শ্রী চরণে পড়ে। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – ধরাতে অনন্ত রূপে প্রকাশিত

ধরাতে অনন্ত রূপে প্রকাশিছ তুমি, আমি অন্ধ বলে, দেখিনা তোমারে হে অন্তর্যামী। ধরা তে অনন্ত ‍রূপে প্রকাশিত তুমি।

সংগীত – চাতকের মতো প্রাণ কাঁদে গো

চাতকেরও মতো প্রাণ কাঁদে গো আমার, চকোর সম চেয়ে থাকি অনিবার। ঐ শ্রীরূপও সুধা, দাও নয়নে প্রভু, তব শ্রীচরণ রাখো

সংগীত – ভুলে কি যাবে মোরে

ভুলে কি যাবে মোরে? না জাগি যদি শরতও প্রাতে, এমনও রজনী গভীরে? ভুলে কি যাবে মোরে? সংগীত - লাবিব মাহফুজ। সংগীত।

সংগীত – ঐ পদবিন্দু সার করে গো

ঐ পদবিন্দু সার করে গো আছি নিশিদিন, শ্রীচরণে এ দাসেরে দিও গো স্থান। সংগীত - লাবিব মাহফুজ। শ্রীচরণে এ দাসেরে দিও গো স্থান।

সংগীত – সে এমন করে ডাকে আমায়

সে এমন করে ডাকে আমায় রইতে নারি ঘরে, সকল ফেলে ছুটে আসি প্রাণবন্ধুর বাসরে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ। প্রাণবন্ধু।সে এমন করে ডাকে আমায় রইতে নারি ঘরে, সকল ফেলে ছুটে আসি প্রাণবন্ধুর বাসরে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ। প্রাণবন্ধু।

সংগীত – মঙ্গলও দীপ জ্বালো নয়নে আমার

মঙ্গলও দীপ জ্বালো নয়নে আমার, হে প্রভু, অবিরাম, কৃপাতে তোমার। মঙ্গলও দীপ জ্বালো নয়নে আমার। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – কে বাজায় গো বাঁশী এমন

কে বাজায় গো বাঁশী এমন উদাসী সুরে, আমি হলাম আকুলীনি, মন বসে না ঘরে। কে বাজায় বাঁশী এমন উদাসী সুরে। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – রাতুলও চরণে তব ঠাঁই দিও মোরে

রাতুলও চরণে তব ঠাঁই দিও মোরে, হে পতিতপাবন, তব কৃপা সিন্ধু তীরে। চরণে ঠাঁই দিও মোরে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ। রাতুল চরণ।

কবিতা – পূনর্মিলন

এতো বন্ধনের বহ্নিবান! বাঁধিছে আমায় আষ্টেপৃষ্ঠে, নিদারুণ, পাষাণ! জগত! আলোতে - আধারে আমায় বেঁধেছে বাঁধনে, বিরহে - মায়ায়!

কবিতা – পূর্ণ অস্তিত্বের পানে

না আমি কখনো জন্মাই, না কখনো মৃত্যুবরণ করি! বরং আমি তো কেবল স্থিত হই প্রেমে! কবিতা - পূর্ণ অস্তিত্বের পানে।

কবিতা – ইদ

তবু ভালো থাকি - ঝরা বকুলের মালা হয়ে, একটিবার পরশ-সুখে ঠাঁই পাবো তব কন্ঠে! আশায় আকীর্ণ করে প্রাণ -সুখেই থাকি!

কবিতা – কোরান কাবা

হৃদয়ের দ্বার রুদ্ধ করে দিও না। পাঠ করো সে মহিমান্বিত কিতাব, জীবন্ত কিতাব। প্রতিটি মুহুর্তে। জীবনের প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে।

কবিতা – অস্তিত্বের অভিশাপ

সত্তার কসম! আমার চাইতে বেশি তোমায় কেউ ভালোবাসবে না! জিবন বৃক্ষের পাতায় পাতায়, তোমার কেউ খুঁজবে না। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – একজন থাকুক

তবু একজন থাকুক! না গাহিলেও শুনে নিবে যে, অশ্রুত মোর গান, হাসির আড়ালে ঠিকই খুঁজে নিবে, মস্ত অভিমান! কবিতা - কথা।

কবিতা – না কওয়া কতকিছু

কত কি কইতে মন চায় - কিছুই কওয়া হয় না! কত আকুলতা, কত স্বপ্ন কত অনুভূতি, কত ইচ্ছা!নিজেরই অজান্তে - বিলীন হয়ে যায় মহাকালে!

কবিতা – কভু ডাকেনি সে

কখনো সে আমায় ডাকেনি, আমি শুধু ডেকে গেছি, ফাগুনের দীর্ঘ নিস্তব্ধতায় - ঝি ঝি পোকার মত! কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – অয়োময়

কেনো আমারে বারে বারে, ফেলে একা, কালের বাসরে - প্রিয়, চলে যায়! কন্টকপুষ্প সায়র গোলাপ বিথীকার, বুলবুল - প্রণয়।

কবিতা – অচেনা মায়া

নাই যদি গো মিলিবে আমার, মনের মতন মন, তারি তরে গো এমন ও আকুল, করিলে কেনো প্রাণ? কবিতা - মায়া। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – একাকীত্ব

দ্রুতই আসবে সে দিন, আমি উড়ে যাবো আকাশে, একা! অজ্ঞতার বেলাভূমিতে পড়ে থাকবে কয়েকটি নাম না জানা পালক! কবিতা - একাকীত্ব।

কবিতা – অশ্রুধারা

এইতো! আমার এমনি আজব চাওয়া, ছয়শো কোটি বছর ধরে- শুধু কেঁদে যাওয়া! এইতো আমার এমনি আজব চাওয়া। কবিতা - অশ্রুধারা।

কবিতা – চিতচোর

যতনে আমায় যাতনে ভাসায়, এমন বান্ধব কে? মরমে আমায় নিয়ত মারে, এমন বান্ধব কে? কবিতা - চিতচোর। লাবিব মাহফুজ। কবিতা।

কবিতা – অবাক অপেক্ষা

কি অদ্ভূত জীবন আমার! আধেক তার সত্য, আধেক কল্পনায় - এক মহাকাল প্রেমে আধেক, বাকী আধেক! শুধু হাতটি ধরায়! লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – আরতি

এসো প্রভু হৃদি মাঝে, এসো বারবার, এসো নব যুগাবতার! জন্ম তব নিত্য মহাকাল ব্যাপি, মানস গগনে তব শ্রীচরণ ছাপি। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – দূরত্ব

আমার আছে শুকনো বালুচর - খেয়াতরী থাকুক তোমার ডাঙ্গায় জীবনভর! আমি ঘর-হারা পর আপন করে, স্রোতে বাধি ঘর! লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – সুরের মায়া

সুদূরিকা, আর বাজাইও না বাঁশেরও বাঁশরী বনে, আমি অভাগিনী! কেঁদে কেঁদে উঠি নিঝুমও নিশিথও শয়নে। লাবিব মাহফুজ। কবিতা।

কবিতা – মোহভঙ্গ

মোহ ঘুম মোর ভাঙিয়া সখা, বিরহ তটিনী তীরে দিওগো দেখা - ভাসাইও মোরে প্রিয় আঁখিবানে ভাসাইও! নাইবা এলে প্রিয়। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – এখানে লাবিব নেই

আমায় অনাদী কালের বন্ধুরা, ডেকে ডেকে যায় শতাব্দীর এপাড় থেকে ওপাড়ে! কখনো কানে কানে- কখনো কল্লোলিত নদীটির মতো। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – সমর্পন

হৃদয়ের প্রেমের দেবতা ঠিকই জানে, কত পবিত্র এ সমর্পণ ! কত আঁখিজলের পিচ্ছিল পথে প্রিয়, সদা করিতোমার আচমন! কবিতা।

কবিতা – আহা

একদম অসময়ে - যদি ধুলোজমা স্মৃতি-বিস্মৃতির আলো আঁধারি থেকে, হঠাৎ ডেকে উঠি! প্রিয় বলে! খানিক ফিরে তাকাইও! কবিতা - আহা !

কবিতা – সাঁঝের প্রার্থনা

আমার প্রণয় সাঁঝের প্রার্থনাতে, প্রাণ সাজালে তুমি - আবীর গুলাল ছড়ালে হিয়ায়, স্বর্গ হতে নামি! কবিতা - সাঁঝের প্রার্থনা।

কবিতা – ইচ্ছা

আমার প্রবল ইচ্ছা করে, অবিরাম বর্ষণ হয়ে - তোমার পা - দুখানি ভিজিয়ে দিতে! ইচ্ছে করে - এ ঝরঝর ধারায়। কবিতা - ইচ্ছা।

কবিতা – বন্ধন

যদি কভূ চলে আসতে না হতো, কেউ একজন জোর করে রেখে দিতো কঠিন বাহু বন্ধনে - যদি চিরকাল থেকে যাওয়া যেতো। কবিতা - বন্ধন।

কবিতা – সিয়াম

সৃষ্টির আদিম রজনীতে, মনে পড়ে - তোমার সাথে সাহরি -সুবহে সাদিক! কবিতা - সিয়াম। ইফতার। লাবিব মাহফুজ এর কবিতা - সিয়াম।

কবিতা – প্রেমহোত্রী

একটি যজ্ঞ করতে চাই - ছয়শো কোটি বছর ধরে! হৃদদেউলের ছোট্ট বারান্দাটিতে। অমাবস্যা তিথিতে অগ্নিযোগে! তীর্থ। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – আসবে বলে তুমি

তুমি আসবে বলে সাজাই আমার ধূসর বিকেল খানি, গোধূলীর ঐ লাল সোনা রং আকাশ হতে ছানি! কবিতা - আসবে বলে তুমি। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – মহাকাল

সময় আমায় আর ধরে রাখে না! আমি এখন মুহুর্তে চলে যেতে পারি, সময়ের যে কোনো প্রান্তে! কবিতা - মহাকাল। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – নিবেদন

এক জীবনের ভাগ্য আমার, দিলাম তোমার হাতে তুলে, চালাও তোমার নিঠুর কলম, জীবন মরণ বেদী মূলে! কবিতা - নিবেদন। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – অন্বেষণ

যেমন করিয়া খুঁজে চাতকিনী মেঘ, আকুলীনি চাঁদ চাহে নীরনিধি পানে, তেমনি আমিও ওগো সন্ধ্যাতারার মতো - কবিতা - অন্বেষণ ।

কবিতা – এপিটাফ

বুকটা বার বার অবরুদ্ধ হয়ে আসে, জাপটে ধরে একরাশ যন্ত্রনার অমানিশা - বিচ্ছেদের বিষবাস্প তুমুল ঝড় তুলে, বুকের ছোট্ট শহরটিতে!

কবিতা – সাধ

হৃদয়ের সাধ মোর হৃদয়খানি, তোমারে সঁপিবো আমি, তোমাতে মিশিয়া একান্তে দুজনা, রহিবো দিবাযামী! কবিতা - সাধ। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – ঝরা পাতার ঘাট

ঝরা পাতার ঘাটে আমার নৌকা খানি বাধা, ঋষভের-ই মন্দ্র তারে সুরখানি মোর সাধা! কবিতা - ঝরা পাতার ঘাট। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – অরূপের রূপ

যে রূপেই আসো মোর প্রিয়া। ঠিকই তোমারে, পরাণ আমার লইবে গো চিনিয়া! যে রূপেই আসো মোর প্রিয়া। কবিতা - রূপ। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – দৈব চাওয়া

অলৌকিক কিছু তো চাইনি, দৈব, আধিভৌতিক অথবা স্বর্গীয়! প্রয়োজন নেই পরাবাস্তব প্রাপ্তির। শুধু সর্বান্তকরণে চাই, বন্ধু, প্রিয় -

কবিতা – কিছু চাঁদ

একবার সারারাত তাকিয়ে ছিলাম পূর্ণিমার চাঁদের দিকে! দুপুর রোদে যেভাবে ধীরে ধীরে ম্রিয়মাণ হয়ে যায় ঘাসফুল - কবিতা - চাঁদ।

কবিতা – প্রতীক্ষা

কেউ আসুক। বুকের মরুভূমিটা চিনে নিক! সিন্ধ শাতিলের পাশেই, তপ্ত রুক্ষ সাহারার নির্মম হাতছানি দেখে নিক! কবিতা - প্রতীক্ষা।

কবিতা – যাতনা

কবিতা - কেউ বলুক - ভালোবাসি কোনো ভূমিকা, কারণ কিংবা ভণিতা ছাড়াই! শুধু বলুক, ভালোবাসি! আলোয় আলোয়, অন্ধকারে অন্ধকারে

কবিতা – ভালোবাসি

এক ঘনীভূত নৈঃশব্দ্যে আমি, বার বার চমকে উঠি। দু'কূল প্লাবিত কিছু ভাবনা, উড়ে যায় দিগন্তে। কবিতা - ভালোবাসি। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – দ্রাক্ষালতা

এক চুমুক রয়েই যাই! আমি দ্রাক্ষা নিষ্পেষিত শারাব রঙিন, আসো, তোমার শিরিণ ওষ্ঠের পেলব পরশে আবারো সিক্ত হই! কবিতা।

কবিতা – প্রভুর আচমণ

তোমার খুশবুতে প্রিয় আমি নিজেরে করেছি দামি, নিজের জন্য নয় প্রিয়তম, শুধু আসবে বলে তুমি! কবিতা - আচমণ। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মোর চিত্তের যত আবিলতা

মোর চিত্তের যত আবিলতা প্রভু দূর করো, দূর করো, নির্মলও করো, নিরাবিল করো মোরে দাও প্রেম দাও আরো। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – দয়ালের শ্রীচরণ নিরিখে বসে

দয়ালের শ্রীচরন নিরিখে বসে, ধ্যান নেত্রে, প্রেমাবেশে, অহর্নিশি স্বরণরসে, বিভোর হলে আত্মময় - দয়াল তখন প্রেমস্বরূপে, হৃদয়পদ্মে হয় উদয়।

সংগীত – তব চরণ পরশে সঞ্চারে মম

তব চরণ পরশে সঞ্চারে মম, অসার দেহে প্রাণ, তব স্বরণে মম হৃদয় কূলেতে হয়, ভক্তি নদী বহমান। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – এমনও ফাগুনও পূর্ণিমা

এমনও ফাগুনও পূর্ণিমা, এমনও বসন্তের হোলিখেলায়, দিশেহারা মন, তব রূপ লাগি, প্রণয় জোছনা তলে, রয়েছি জাগি। সংগীত।

সংগীত – তোরা বল আমারে শ্যামের কথা

তোরা বল আমারে শ্যামের কথা, প্রাণ জুড়াবো শুনে, আমায় নিয়ে চলগো শ্যাম যেথা রয়, মধূর বৃন্দাবনে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – যমুনা পুলিনে হে বংশীধারী

যমুনা পুলিনে হে বংশীধারী, বাজাও বাজাও শ্যাম তব মোহনও মুরারী। যতদূরেই থাকি আমি তব বাঁশি সুর। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমায় কোনো প্রশ্ন কোরোনা

আমায় কোনো প্রশ্ন কোরোনা, আমি যে তার প্রেমে দিওয়ানা। আমি বৃন্দাবনের পথের ধুলো পথে পড়ে রবো। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – এতটুকু ছোঁয়া পাবো বলে

এতটুকু ছোঁয়া পাবো বলে, রয়েছি ঠায় দাড়িয়ে তোমার,অনন্ত জ্যোতির তলে। এতোটুকু ছোঁয়া পাবো বলে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – নিত্য এ প্রাণে

জগতের চারিদিকে করুণা তব, ছড়ায়ে রয়েছে দেখি তোমারী বিভব। তোমারী নিত্য আলোকে, আলোকিত ত্রিলোকে, দেখাও মহিমা মোরে

সংগীত – দয়াময় আমার অন্তিম কালে

দয়াময়, আমার অন্তিম কালে, কর্ণমূলে, চরণ বীণা বাজাইও, তোমার প্রেম সাগরে, ভাব জোয়ারে, এ প্রাণ আমার ভাসাইও। সংগীত।

সংগীত – ফরিয়াদ আমার প্রভু

ফরিয়াদ আমার প্রভু তোমারও তরে, আমারে দাও দয়াল আরো, ভালোবাসিবারে। ফরিয়াদ আমার প্রভু। সংগীত - লাবিব মাহফুজ। গান।

সংগীত – প্রতিনিয়ত তুমি গেয়ে যাও গান

প্রতিনিয়ত তুমি গেয়ে যাও গান। জগতের প্রতি পলে, প্রতি সুরে, প্রতি তালে, জলে, স্থলে, মরমমূলে, বাজাও নিত্য তান।

সংগীত – প্রাণোনিধি গো

বৃন্দাবনের পথে পথে বাঁশরী বাজাইয়া, তুমি প্রেমাবেশে হৃদয় আমার নিও গো হরিয়া। আমায় মহাভাবে মাতাইয়া, আকূলও করিও।

সংগীত – আমি তো ভালো থাকি

আমি তো ভালো থাকি, জোছনার মতো, নদীর মতো, সুখে দুঃখে, করে মাখামাখি! বয়ে যায় দিনরাত কালের খাতায় বৃথা করি আঁকিবুকি।

সংগীত – আমিতো গড়েছি তীর্থ আমার

আমিতো গড়েছি তীর্থ আমার, হৃদয় কনক দেউলে, সাজায়েছি তব আরতীর ডালি, মরমও পিদিম জ্বেলে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ। তীর্থ।

সংগীত – হে প্রভু রাঙা তব যুগল চরণে

হে প্রভু রাঙা তব যুগলও চরণে, কৃপা করে দিও ঠাঁই এ অভাজনে। জানি ও পরণ পরশনের যোগ্য আমি নই। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – হে মোর সারথী

অধিষ্ঠিত হও এ হৃদি রথে, চালাও অভ্রান্ত প্রেমের দিগন্ত পথে, মোরে শোনাও পাঞ্চজন্য সুর শঙ্খধ্বনী। হে অচ্যুত বন্ধু আনো সন্ত বাণী।

কবিতা – অভিমান

আমি ভালোবেসে তাহারে ডাকি প্রিয়া বলে, তুমি বলো খোদা, ভগবান -অনুরাগে বলি তারে রানী, সখী, প্রেয়সী, অভিমান এ বলি শয়তান!

কবিতা – তৃষা

তৃষা আমার জানো কি প্রিয়া – কাঁদি নিরবধী মরু সাহারায়, তুমি ফুলের ভূবনে আছো নির্মলমোহে প্রেয়সী! ফিরে আসোগো হেথায়!

কবিতা – অভেদ মানব

পূজারী শয়তানের! যারা অভেদ মানব প্রেমের ধামে, তুলিলো দেয়াল বিভক্তির! নিত্য মাঝে বন্ধন আনি, জ্বালিলো মশাল অশান্তির

কবিতা – আমার রথ

হেসেছিলাম আমি, ফুটেছিল তাই, গোলাপ হাস্নাহেনা, আমার প্রাণের কান্না, সহিতে না পারি, বয়ে গেলো গঙ্গা যমুনা! কবিতা - রথ।

কবিতা – কালের মিছিল

নিয়ত বয়ে চলে কালের মিছিল, শ্রাবন ফুরায় আসে ফাগুনের নীল। জীবন নিত্য চলে বাহিয়া খেয়া, ধীরে ধীরে, মৃদু ছন্দে, কাটিয়া মায়া।

কবিতা – পূজা

আমার কি আছে আর, তোমারই তো সব, তোমারেই সঁপেছি তোমারই চরণে, আনিয়া পূনর্বার! কি আছে আর। কবিতা - পূজা। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – বাঁশির বিলাপ

মদের পিপা, সূরাপাত্র, শারাবখানায় শুণ্য ফের, নাই দ্রাক্ষালতা সাকীর হাতে, ফাঁকির বাধন, দীল কারার! কবিতা - বাঁশি র বিলাপ।

কবিতা – পূজাঞ্জলী

মোর মানস মন্দিরে আঁকিয়াছি প্রিয়তব রূপ, দিয়া মোর নয়ন তুলি, জগতের সব শ্রী, সব প্রেম মায়া প্রীতি, নিত্য আনিয়া দিবো চরণে অঞ্জলী!

কবিতা – পূর্ণ করো মোরে

হে প্রভু, বিতরো তব মহাপ্রেম মোরে, সকল ভয় ক্রোধ ঘৃণা অপসারি, দাও মোরে দাও তব মহাপ্রেম সুধা দাও ভক্তি নত শিরে, তব শ্রীকর উজাড়ী।

কবিতা – নতুন প্রভাত

ঐ শোনা যায় তূর্য নিনাদ, প্রভাতি রণের হুংকার ধ্বনি, আসিতেছে নবরূপে মহাকালে ঐ, পাঞ্চজণ্য শঙ্খখানি! কবিতা - নতুন প্রভাত।

কবিতা – রূপের আরতী

নীল সবুজের পসার টানিয়া ছাড়ায়েছো আপনারে, আপনার শ্রীখানি, যতন করিয়া মিলায়েছো দুরে, সূদুরে। কবিতা - রূপের আরতী।

কবিতা – প্রভাত প্রার্থনা

চাঁদের আলো যেমন লুকায়, দিনের পসার টানি, তেমনি কি গো হিয়ার কথা, লুকাও অভিমানি! কবিতা - প্রভাত প্রার্থনা। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – বেনামী

রিক্ত আমায় রাখবে কি আর, সিক্ত করে ভালোবেসে, আমায় শক্তকরে বাঁধবে কি আর, পোক্ত তব বাহুর পাশে! কবিতা - বেনামী।

কবিতা – লীলাসাথী

আজো জাগে প্রাণে সেই পুরাতন অভিসার, সেই আদি অনুভব, ‘পরশপ্রত্যাশা’ প্রাণের টান কাছে আসিবার! হৃদে জাগে ইচ্ছা ভালোবাসিবার! লীলা।

কবিতা – পরশ

আমার হৃদয় বীণার তারে তারে, মরমে, প্রাণের অন্দরে - তোমার একটু পরশেই ঝংকৃত হয়, কত ভালোবাসা, কত সুর! লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – বৃষ্টি

আজকের বৃষ্টিটা অন্যরকম! গভীর ব্যাথায় ব্যাথিত কারো - ডুকরে ডুকরে কেঁদে ওঠার মতো। কবিতা - বৃষ্টি। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – কবি

নাই বা হলাম কবি! নয়নে আমার ভাসে নিশিদিন অপরূপ তব ছবি! আমি নাইবা হলাম কবি। কবিতা - কবি। লাবিব মাহফুজ। কবিতা।

কবিতা – নিশিথের দীপ

আমি মেঘের সুরে গল্প বলি আধার রাতের কাছে! ভোর হবে না! তাই নিশিথে দীপ জ্বালি গো মিছে! কবিতা - দীপ। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – প্রতীক্ষা

ক্ষণকালের এ জন হারাইবে যবে, চিরকালের জন উঠিবে জাগি, আমিতো রয়েছি প্রতীক্ষায় তাহার, তারই প্রণয় পরশ লাগি। কবিতা।

কবিতা – ভয়

আর তো নাহি মোর ভয়। ধরিয়াছি তব শ্রীচরণ খানি - ডুবিবো না আর ভব দরিয়ায়। কবিতা - ভয়। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – অনন্ত আমি

আমি হিমালয় হতে চলেছি ফুকারি দখিনা সাগর পাড়ে, মানস সরোবরের মৌনী ঋষির ধ্যানমন্ত্র লয়ে শিরে। কবিতা - অনন্ত আমি।

কবিতা – দূরের সাথী

দূর নিশিথের সাথী হারা চাঁদ, দূর সাগরের পাড়ে, একাকী তুমি নিরালায় মোরে ডাকিছ বারে বারে! কবিতা - দূরের সাথী। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – চিরকালের প্রেম

তুমি নাই বা এলে, নিকটে আমার, থাকো দুরেই, দুর সুদুরে, তুমি না দিলে ধরা, নয়নে আমার, চোখের চাতক, থাকি সাগর পাড়ে। প্রেম।

কবিতা – নিশিথের দুরাশা

এমন করে প্রতিরাত জেগে থাকা। এমন করে কার যেনো প্রতিক্ষা করা, কোন দুরাগত প্রাণ কেঁদে যাবে আমার স্বপনে! আশা। কবিতা।

কবিতা – প্রকৃতির দান

নির্মলতার শিশির বিন্দু, ঝড়িছে প্রভাতের বুকে, মেঘের খেয়া আকাশে হাসিছে, সুখের দীপ্তালোকে। কবিতা - প্রকৃতি এর দান।

কবিতা – এখানেই পূর্ণ আমি

আমিতো স্রোতে ভেসে যেতে চাই নি! চেয়েছি নদী তীরে দাড়িয়ে স্রোতের চলে যাওয়া দেখতে। কবিতা - এখানেই পূর্ণ আমি। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – সর্বোতোপ্রায় বন্দীত্ব

অসহ্য, সর্বদিকে বিরাজিত এ বন্দীত্ব। উপরে আকাশ, নিচে মাটির এ পুরু দেয়াল -দৃষ্টির সিমানায় ঘেরা - কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – জোছনা

এ মধু জোছনা মৃদু সমীরের সরস ছোয়ায়, হারায় এ মন, হারানোর সুখে, অনিন্দ্য ধরার স্বপনও সুধায়। কবিতা - জোছনা। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – মহাকালের যাত্রা

আমি মহাকালে চলেছি মোর নিত্য পূর্ণতায়, অনন্তের এই অবিশ্রান্ত পথে, চলিয়াছি নিত্য স্বরূপ রথে, সৃষ্টি সকল লয়ে আপন সাথে

কবিতা – হৃদয়ের চাওয়া

প্রণিপাত মম পরম ও পানে, হৃদয়ে জাগো আমার নিত্য প্রভু, চিরমুক্তি বারতা আনো মোর তরে, জীবনে প্রকাশো মম বিধির বিভূ।

কবিতা – শাশ্বত সুন্দর তরে

অনন্তের যে অশ্রান্ত পথিক, এথায় এসেছে গো পথ ভূলে, দুরাকাশ হতে ধুমকেতু সম, আমার ভাগ্যরেখার কূলে। কবিতা। শাশ্বত সুন্দর।

কবিতা – কালার পিরীতি

পেঁখলু প্রিয় রূপ মধুময়, শ্যাম কালিয়া বরণে, মুই বিকাইলু হেন জীবন যৌবন, কানুরও পিরীতি চন্দনে। কবিতা - কালার পিরীতি।

কবিতা – অশ্রুপাথার

তৃষ্ণাতুরা প্রাণ বিহঙ্গ, কাঁদছে সুরের খেয়া পাড়ে, বিরহী আজ গান ধরেছে, নির্জনতার সিন্ধুতীরে। কবিতা - অশ্রুপাথার।

কবিতা – আগমনী গান

সে তো আসে হৃদাকাশে, নব রূপে রূপে, আপনারে বিলায় সে তো, রূপে, রসে, গন্ধ ধূপে। কবিতা - আগমনী গান। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – মরণ বাসনা

জীবনে যাহারা মুক্ত হয়েছে, কেমনে তাদেরে বাধিবে মরণ? মরণ তাদেরে আনিয়া দিবে, মুক্ত জীবনে যা ছিল স্বপন। মরণ বাসনা।

কবিতা – রুদ্রবীণা

কালের কুঞ্জিরে বাধিলাম আজিকে, নয়ন পুঞ্জে মোর, আমি হেরী অপলক মোর অশ্রু অতলে, উদাস চিত্ত-পুর। কবিতা রুদ্র। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – প্রভাত বন্দনা

আহা! নিকষ কালো মরণ পাথার, ত্যাজিয়া উঠেছি জেগে। প্রাণে নবনূর সিক্ত, নিত্য জ্যোতির সরস পরশ লেগে। কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – পূজাঞ্জলী

তোমার দুয়ারে দাড়ায়েছি প্রভু, অঞ্জলী দিতে মোর প্রাণ, ঝরা ফুল সম চরণে তোমার, জীবন আমার দিতে বলিদান। কবিতা - পূজা।

কবিতা – পূর্ণ চন্দ্র

হে প্রভু, তুমি পূর্ণ শশী, তব আলো মোরে দিও। আমার এ প্রাণ আলোকিত করে তোমাতে টানিয়া নিও। কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – জাগরণী

আমার এই মনে প্রাণে, জাগিল সে হৃদাসনে, মানবের মানসগগনে, নিত্য রূপ ধরে - মহাপ্রভু জাগিল রে প্রেম পারাবারে। জাগরণী।

কবিতা – বাঁশরীর সুর

আজি যমুনার পাড়ে গো কার বাঁশি বাজে, পঞ্চমী সুরে কে ডাকিছে আমারে গো - রাখালিয়া সাজে! কবিতা - সুর। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – প্রাণানন্দ

তব নয়নের তারা হৃদয়ে আমার, জ্বলিবে প্রিয় জ্বলিবে গো! চকিত মোর চকোরও প্রাণে, তৃষিত নয়ন, মোর বেণু বনে। কবিতা - প্রাণানন্দ।

কবিতা – প্রভাত আযান

ওরা আমায় ডাকে, সমস্বরে, চিৎকার করে" ঘুমের চাইতে নামাজ উত্তম" বলে - মাঝ নিশিথের এক চুমুক শারাবের মত্ততায়, আমি ভুলে যাই জেগে থাকার কথা!

কবিতা – সাধ

অবিরাম প্রিয় তব পথপ্রান্তে, দন্ডায়মান আমি! অনুরাগে হিয়া বেধে, চাতকিনী নাথ, দিবাযামী! প্রাননাথ - সজল চিত্তভূমি!

কবিতা – অপেক্ষা

যখন কেউ আমায় জিজ্ঞেস করে, জীবনে সবচাইতে বেশি কি করেছো তুমি? আমি সঙ্গে সঙ্গে জবাব দিবো -অপেক্ষা করেছি! লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – অনাদী কালের আমি

তারাই বোকা, যারা আমায় চূর্ণ বিচূর্ণ করে, নির্মম পায়ে দলে, মিশিয়ে দিতে চায় মাটিতে! তারা জানে না, আমি সেখানেই ছিলাম!

কবিতা – পাপ

যদি ধনুক থেকে বেড়িয়ে যাওয়া তীরের মতো, আমি বেড়িয়ে যাই তোমাদের সকল ধর্ম থেকে, পাপ হবে কি? লাবিব মাহফুজ এর কবিতা।

কবিতা – অনন্তের পথে

আমার অনন্তে আমি, জগতের পথে পথে আনমনে ভ্রমি, চলেছিলাম অন্তহীনে, দিক ভুলে মোর হিয়া খানি হায় - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – অপরাধ

লাবিব এর শত পাপ ক্ষম দীননাথ, মোর মুনাজাত শুধু তব দয়া তরে, নাই যদি করো ক্ষমা আজ আমায়, তুমি এত দয়াবান, হলে কি প্রকারে?

কবিতা – মূর্খতা

এ কেমন মুর্খতা, নিজের ব্যার্থতারে, কপাল, ভাগ্য, বলে দুষি - এ কেমন অবিচার, নিজ শক্তিরে করি পরিহার, আপনত্বে ভীরুতা পুষি!

কবিতা – প্রণয়

মম প্রার্থনা প্রভু, তোমারে, চাই আরো বেশি করে, ভালোবাসিবারে! মম প্রার্থনা প্রভু, তোমারে, চাই আরো বেশি করে, ভালোবাসিবারে!

কবিতা – রূপ

তব রূপ লাগি, আঁখিদ্বয় মোর, রজনী পোহায় শত -তব তরে মোর, জেগে থাকে প্রাণ, নিরবধি, অবিরত! কবিতা রূপ। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – তোমাময়

প্রভু তোমাময় হইবো বলে - আমার এ ক্ষুদ্র অস্তিত্ব আমি ত্যাজিয়াছি অবহেলে। প্রভু। কবিতা - তোমাময়। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – ভিখারী

চাহি শুধু তোমারে, মোর প্রেমোডোরে, সকল হারা করে, আমারে, তোমার করে নাও -তব প্রেমো সুধা বানে প্রভু, আমারে ভাসাও। ভিখারী।

কবিতা – দূরত্ব

দুরে কি রহিতে পারি! পরান যে আমার বাঁধিয়াছি ওগো, শ্রীচরণে তোমারী! দূরে কি রহিতে পারি? কবিতা - দূরত্ব। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – জগতের প্রণয়িনী

প্রণয়িনী হে জগতের প্রণয়িনী, প্রণয়ডোরে বাধিলে আমার, তৃষিত হৃদয়খানি। জগতের সকল সুখ দুঃখ হতে, ফিরায়ে আমারে তোমার পানেতে, তোমার চরণে

কবিতা – শারাব

শারাব পিয়াও প্রিয় মোরে শারাব মধুর, প্রণয় লীলা আনো প্রাণেতে আমার, মোর হৃদি মুসাল্লায় রাখো ও রাঙা চরণ, দরশন দানে করো রওশন অন্তর

কবিতা – অস্তিত্বের গল্প

উর্ধ্বধামের সপ্তর্ষিমণ্ডল পেরিয়ে, আরো উর্ধ্বে, উঁচু আকাশের প্রেমমন্দির - যেথা সর্বক্ষণ অপ্সরী দের আনাগোনা! সেথা জন্ম আমার। গল্প।

কবিতা – সে

সে বিহনে থাকতে নারি, যে মোর হৃদয়েরও ধন - আমি সপ্তসুরে, প্রাণ শিখরে, চাই তাহার আলিঙ্গন। কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – আমিত্বের কারাগার

আমি ত্যাজিবো আমার ক্ষুদ্রতা সকল, খুলিবো প্রাণের মুক্তির দ্বার, আমি নাশিব সংশয়, ভাঙিব সদর্পে, আমিত্বের কারাগার।

কবিতা – শ্যাম

মম সম্মুখে দাড়াও এসে, ত্রিভঙ্গে হে শ্যাম, তব অধরে মুরলী প্রিয়, বাজাও অবিরাম। প্রিয় বাজাও অবিরাম। কবিতা শ্যাম।

কবিতা – অনুভব

সুখের বাসরে আমি চাইনা তোমায়, তোমারে চাই মোর অশ্রু আঁখীনীড়ে, হাসি দিয়ে তোমায় বাধিবো না কভূ, কাঁদিবো লুটায়ে তব পথের ধারে।

কবিতা – পূজা

আমিতো তোমার পূজা করি, হে মুর্শিদ, হে দয়াময় - "ভালোবাসি খুব" তাই নেই এতে লাজ, নেই সংশয়। কবিতা পূজা। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – সাজ

তোমারে সাজাবো আমার মনের মতো, আমার আঁখির রঙে রাঙিয়ে প্রভু - তোমারে গড়িব অতি যতনও করে, আমার হৃদয়পদ্মে জ্বেলে তব, মহিমা বিভূ।

কবিতা – কাব্য

আমি কি কবিতা লিখি? নাকি আমার কবিতা লিখে চলে তোমাকে? আমি জানি - আসলে এসব কবিতা নয়, গান নয়, গল্প নয়; বরং এসব তো কবিতার হাতে

কবিতা – যাত্রা

হে প্রভূ -অবিরাম মোর এ পথযাত্রায়, আমি খুজে ফিরি নিরবধী, তব চরণাশ্রয়, তোমার করুণাদীপ - যার আলোক শিখা মোর দেহমন ভালে।

কবিতা – ঘাসফুল

আমি তো দিব্যি হেটে চলি, পথের ধারে ধারে, দুচোখ ভরে ঘাসফুলের নিভে যাওয়া দেখবো বলে। কবিতা - ঘাসফুল। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – ত্যাগ

জাগো হোসাঈন সেনা জাগো, ফোরাতের কূলে, শিরেতে আমামা, খঞ্জর খুন রাঙ্গা -কন্ঠে ত্যাগের স্লোগানে, দু বাহু তুলে! জাগো হোসাঈন সেনা।

কবিতা – কারবালা

আশুরা, মুহাররম, কারবালা, ফোরাতের কূলে হায়, ক্রন্দন, খুনজ্বালা! হায় ইমাম, হায় হুসাইন, নবীর কলিজা হায়। জগৎ জননী।

কবিতা – তোমা পানে প্রাণ

আমিতো চেয়ে আছি, আপনার পানে, অনিমেষ দৃষ্টিতে, আকুল আহ্বানে। অনন্তের পথে, দৃঢ় প্রত্যয়ও সাথে - পাইতে তোমারে, নয়নও পাতে। কবিতা।

কবিতা – আলোক পানে

নিয়ত চরণে তব নিরত এ প্রাণ, হে প্রভু, হে খোদা, আল্লাহ, ভগবান। নিয়ত চরণে তব নিরত এ প্রাণ। কবিতা - ভগবান। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – মহাকাল সন্দর্শন

মহাকালের বুকে মোর এ মহাজীবন, কেনো বারে বারে পিছু ফিরে চাওয়া - অতীত! সে তো প্রতিনিয়ত গড়িছে আমারে, আগামীর তরে অতি যতন করিয়া।

কবিতা – বরষা

এ অবিরাম বরষা! এমনও বাদলও ধারা! বৃষ্টির ছন্দে, আনন্দে এ মন, হইল আপন হারা। এ অবিরাম বরষা। কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – বৃষ্টি

চপল প্রাণের মোর ব্যাকুল ধারা, নীল গগনের কোলে ছিল লুকায়িত, আজ কার যেনো পরশনে, খুলেছে দুয়ার, ঝড়িছে ফোটায় ফোটায়, বরষায়, অবিরত।

কবিতা – রথ

প্রেমের পরশে প্রথম যেদিন, জেগেছিল মোর প্রাণ, সেদিন হতে শুরু এ পথচলা, খুলেছিল সেদিনই বদ্ধ নয়ন। কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – অক্ষমের আহাজারি

আমারি সীমার মাঝে নিত্য খুঁজি আমি, তোমার অনন্ত অপার মুরতী প্রিয়, হে অন্তর্যামী। আমার মাঝে নিত্য খুঁজি আমি। কবিতা।

কবিতা – আগমন

জীবন প্রভাতে, আসিলে সখা, আধারও বিদারী প্রিয় মরমে আমার - এই দেউলে তোমার পূজার ডালি, স্বরন রথে প্রভু সাজাব আবার।

কবিতা – আমার অভ্যন্তর

আমার অভ্যন্তরে যে সুরম্য প্রশান্তিময় উদ্যান, যার সুঘ্রান ছড়িয়ে পড়ছে সপ্ত আকাশ, সপ্ত পাতালে - জগতের সকল প্রাণ, এ কাওসার

কবিতা – রহস্য

তোমার আসরার প্রভু সৃজনে এ প্রাণে, লুকায়ে অতি গোপনে খেলিছ এ খেলা - জানিতাম যদি সে অনন্ত লীলা প্রভু, তোমাতেই রহিতাম মগনও উতলা।

কবিতা – সমর্পণ

আমি ফিরে ফিরে আসি ঐ চরণ আলোয়, পতঙ্গ সম পুড়াতে নিজেরে অনস্তিত্বের মত্ততায়! ফিরে ফিরে আসি ঐ চরণ আলোয়। কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – মরণ

আজ বিচূর্নিত মোর আপনত্ব, আমার সকল অভিপ্রায়, আজ নির্লিপ্ত মোর ইচ্ছা সকল। ধরার প্রতি ধুলি কণায়! কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – নির্মাণ

স্বরন পাড়ের এ কাননে, জাগে আশার কনক দেউল। নিরাভরন এ হৃদয় স্রোতে, অচ্যুত প্রাণ হয় ব্যাকুল। কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – বিন্দু প্রণয়

ধরনীর প্রতি পাতায় পাতায়, লেখা ছিল যে নাম, যে জীবন অধ্যায়! কালের সকল বিন্দু বিন্দু দান - লিখেছিল মহাকাব্য বিধির খাতায়!

কবিতা – বন্ধন

অনন্তে হারাতে দিলে বাসনা হৃদয়ে, অসীমতার বন্ধনে বাধা কেনো ডানা? শূণ্যেরে করিতে পূর্ণ এ পথ চলায়, তোমার কিসের ভয়! এ যে মোর উলঙ্গ কামনা!

সংগীত – বড় অযতনে ডুবছে আমার

বড় অযতনে ডুবছে আমার সাধের দেহ তরী, তবু তুমি না আসিলে, হে ভব কান্ডারী। তবু না আসিলে তুমি। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – অঙ্গেতে রাখিয়া অঙ্গ

অঙ্গেতে রাখিয়া অঙ্গ, জাগাইলে প্রেম তরঙ্গ, মানুষে হইলে অনঙ্গ, দীন দয়াময়। মানব অজুদ ভান্ডেতে তার, নিত্য প্রকাশ হয়।

সংগীত – যেজন আমার মনের মানুষ

যেজন আমার প্রাণের মানুষ, আমি থাকবো সদায় তার সনে, আমি চাইনা আল্লার ওলী হতে, সদায় রবো মানুষ ধ্যানে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমি চাই নিমেষ কালের প্রাণ

আমি চাই নিমেষ কালের প্রাণ। এক মুহুর্তের পলক পরিচয়হঠাৎ বন্ধন। আমি গাইতে চাই নিমেষ কালের গান। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – ভালোবাসিবো তোমায় জন্ম জন্মান্তরে

ভালোবাসিবো তোমায়, জন্ম জন্মান্তরে, শান্তি মুক্তি প্রভু, না চাই আমি কভূ, শুধু তুমি রহিও মোর, হৃদয় অন্দরে। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – যারে পাওয়া যায় আপনায়

যারে পাওয়া যায় আপনায়, তার তরে কেন বাইরে মতি? শুদ্ধ চিত্তে সাধন করো, আপনাতে পরম প্রকৃতি। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – রেখে এ দেহ ভান্ডে ব্রহ্মান্ড খানা

রেখে এ দেহ ভান্ডে ব্রহ্মান্ড খানা, কি খুঁজতে যাও বাহির পানে, সানুরিহিম আয়াতিনা, প্রমাণ দিলা কোরানে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – ভবে শুদ্ধ যেজন তাঁর চরণে

ভবে শুদ্ধ যেজন তাঁর চরণে, নিত্য বহে শ্রী বৃন্দাবন, ঐ চরণের সাধন করিয়া, মুক্ত দেশে যাওরে মন। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমি শুনি তার চরণের ধ্বনি

আমি শুনি তার চরণের ধ্বনি, আমার মনের বৃন্দাবনে, সে যে ডাকে আমায় দিবানিশি, সজলও নয়নে। গান সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – তোমায় দু চোখ ভরে দেখবো নাগো আর

তোমায় দু চোখ ভরে দেখবো না গো আর। এতো ক্ষণকালের মোহ প্রিয় - এ চোখ থাকবে পড়ে কবরে আমার। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – বাতেনেতে ছিল আমার পরোয়ার

বাতেনেতে ছিল আমার পরোয়ার, তথা হইতে জাহের পানে, দ্বি শক্তিতে হয় প্রচার। বাতেনেতে ছিল আমার পরোয়ার। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আদি নূরে বিন্দু সৃজন

আদি নূরে বিন্দু সৃজন, বিন্দুতে হয় কূল কায়েনাত, বিন্দুর টানে সিন্ধু প্রকাশ, নুক্তাতে হয় সব মাখলুকাত। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – ছিল অখন্ড নূর নিরাকারে

ছিল অখন্ড নূর নিরাকারে, তথা হইতে পঞ্চকারে, প্রপঞ্চময় রূপ নিহারে হল রূপায়ন, পঞ্চতত্ত্ব মিশে হর এস্কের উদয়ন। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – দয়াল লীলা করে হাইয়্যূন দমে

দয়াল লীলা করে হাইয়্যুন দমে, তিন দ্বারেতে নবী রয় - আমি মূর্খ অতি সে রতিতে, না হল মোর জ্ঞান উদয়। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু হরদমে করো স্বরণ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু হরদমে কর স্বরণ, কলেমা ব্রহ্মান্ড জোড়া রেখ ঈমান ও একীন। কলেমা ব্রহ্মান্ড জোড়া রেখ ঈমান ও একীন।

সংগীত – অখন্ড মূল পরোয়ারে

অখন্ড মূল পরোয়ারে, নূরের বেসাতী গড়ে, ঝংকারেতে তৈয়ার করে ব্রহ্মান্ড খানা - অনন্ত এশকের দরিয়ায় ভাসলেন রাব্বানা।

সংগীত – বস্তুতত্ত্ব আশ্রয় করে

বস্তুতত্ত্ব আশ্রয় করে, গুণের প্রকাশ মানুষে, গুণমনি পরোয়ারে, মানুষেতে রয় মিশে। সে মানুষেতে রয় মিশে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – কালেমার ভেদ জানোরে মন

কালেমার ভেদ জানরে মন, দুই জনাতে এক হইল সৃষ্টিরও কারণ। ওরে কালেমার ভেদ জানো রে মন। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – নূর মোহাম্মদ সাল্লেয়ালা

নূর মোহাম্মদ সাল্লেয়ালা নবী আমার সর্বময়, আউয়াল আখের জাহের বাতেন, চার আকছামে সেইতো রয়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – ত্বরা করে চল রে ওমন

ত্বরা করে চলরে ওমন আজমীরেতে চল, সেথা নিত্য বেশে ফুটে আছে গুলবাঁগিচার ফুল। ও মন আজমির এ চল। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – খাজা মোর সুলতানুল আউলিয়া

খাজা মোর সুলতানুল আউলিয়া, খাজা সুলতানুল আউলিয়া। তুমি পতিতেরে কর তারণ চরণ ধুলি দিয়া। খাজা। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – খাজা তুহি তো হিন্দেরও অলী

খাজা তুহিতো হিন্দেরও ওলী, কুতুবুল আরেফিন। সুলতানুল আউলিয়া খাজা মঈনুদ্দিন হাছান। খাজা ওলী। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – এই মানুষ হয় শ্রী কৃষ্ণের বাঁশি

এই মানুষ হয় শ্রীকৃষ্ণের বাঁশি, মন প্রেয়সী গোপীজন। সুরে সুরে ডেকে ফিরে নিত্য বৃন্দাবন। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আর যেনো কেউ না লয় কৃষ্ণ নাম

আর যেনো কেউ না লয় কৃষ্ণনাম, সখিরে, ঐ নামে আছে দু:খের অনল, কলঙ্ক ভয় অবিরাম। আর যেনো কেউ না লয় কৃষ্ণ নাম। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – তুমি অনাদীর আদি চির নিত্য নিধি

তুমি অনাদীর আদি, চির নিত্য নিধি, রূপ গুন শক্তি নিয়ে রহ চিরন্তন - সকল নাম যে তোমারই নাম, তুমি নামহীন। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আল্লা নাযিল হলো এই মানুষে

আল্লা নাযিল হলো এই মানুষে, পঞ্চতত্বে মিশে, সে বিশ্বরূপে রূপ মিশাইয়া, আছে মানুষ বেশে, মানুষ বেশে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – গাই পাঞ্জাতনের গান

গাই পাঞ্জাতনের গান, জগতকে করে উজালা, বিলাইলো ঈমান। গাই পাঞ্জাতনের গান, গাই পাঞ্জাতনের গান। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমি আকুল হয়ে চেয়ে আছি

আমি আকুল হয়ে চেয়ে আছি গো দয়াল, অকূলের কূল শ্যামরায় - দয়া করে ঘুচাও আমার, প্রেম বিরহের দায়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমার শূণ্য মন্দির রইল পড়ে

আমার শুন্য মন্দির রইল পড়ে, আইলো মাগো দয়াল চাঁন। পথের পানে চেয়ে দয়াল, কাটে আকুল দিনমান। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – সাঁঝের প্রদীপ জ্বালাও দেহে

সাঁঝের প্রদীপ জ্বালাও দেহে দয়াল গুরুধন। উজল করো আত্মা আমার আধার করো দূরীপন। ওহে গুরুধন। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – গুরু চরণ সাধো পাগল মন

গুরু চরণ সাধো পাগল মন, ঐ চরণ বীণা ত্রিভূবনে, মানব জনম অকারণ, অকারণ। গুরু চরণ সাধো পাগল মন। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – একি রূপের খেলা প্রভু

একি রূপের খেলা প্রভু, খেলিতেছে রূপ মহাজন, আমার স্বরূপ মাঝে রূপের বাজার, আছো চিন্ময় রূপে নিরঞ্জন। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমায় ফিরাইয়া নাও তোমার দ্বারে

আমায় ফিরাইয়া নাও তোমার দ্বারে, এ সংসার জঞ্জাল হতে প্রভু - তুলে নিও মুক্ত করে। ফিরাইয়া নাও তোমার দ্বারে। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – ঐ রূপ হেরিয়া হইলাম আকুল

ঐ রূপ হেরিয়া হইলাম আকুল রে বন্ধু, নিঠুর বন্ধু শ্যামরায়, এবার তুমি যদি না হও আমার, প্রাণে বাচাঁ দায়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – হৃদয় হতে উঠো জেগে

হৃদয় হতে উঠো জেগে, আর কতকাল রইবে ঘুমে, আঁখি মুদি আধার ভাগে। এবার ‍উঠ হৃদয় হতে উঠো জেগে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমি যে এক পথের পথিক

আমি যে এক পথের পথিক, গন্তব্য মোর আর কতদূর, আমার এই ইহ জীবন কাটলো হেলায়, কবে পাবো দেখা প্রাণবন্ধুর। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – যারে দেখবো বলে হইলাম আকুল

যারে দেখবো বলে হইলাম আকুল, ফেললাম এতো নয়ন জল -সে নয়ন যদি মেলতাম একবার, দেখতাম হৃদয়ে তার লীলার ছল। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমি শুধু তোমায় চাই

আমি শুধু তোমায় চাই, শুধু তোমায় চাই। ঐ রূপ সুধা নয়নে ধরে, হবো পাগলীনি রাই। আমি শুধু তোমায় চাই। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – যা পাখি যা উড়ে যা মোর

যা পাখি যা উড়ে যা মোর, দয়াল যেথা রয়, তার চরণে পৌছাইয়া দে মোর, পূজা ভক্তিময়। যা পাখি যা উড়ে যা মোর। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমি তোমার দর্পন এ সংসারে

আমি তোমার দর্পন এ সংসারে, আমার মাঝে এবার তুমি, দেখো আপনারে। আমি তোমার দর্পন এ সংসারে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – দয়াময় প্রেম দাও আমারে

আমারে বানাইয়া প্রেমিক তোমার, সকল হারা করো ধরার, যেনো সদায় থাকি ঐ চরণে, দিনরজনী পরে। প্রেম দাও আমারে। দয়াময়।

সংগীত – আমার মন তো বোঝে না

আমার মন তো বোঝে না, স্বরুপ ধামে নিত্য লীলায়, মন তো মজে না। ওরে আমার মন তো বোঝে না, মন বোঝে না। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – এমনি আশেকের ধারা

এমনি আশেকের ধারা, রহে দিবানিশি রূপ নিহারে, আকুলীনি চাঁদ চকোরা। এমনি আশেকের ধারা। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – যাবি যদি মন যমুনা পুলিনে

যাবি যদি মন যমুনা পুলিনে, বিষয় মায়া মোহ ছাড়ী, আশ্রয় নাও তার শ্রী চরণে। যমুনা র পাড়ে দয়াল । সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – চাইনা তোমার বেহেশত মাওলা

চাইনা তোমার বেহেশত মাওলা, চাই শুধু তোমারে দয়ালচাই শুধু তোমারে। দয়াল চাই শুধু তোমারে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – শোনো আজ নিরবতার গান

শোনো আজ নিরবতার গান, যে গান গেয়ে চলে, হৃদয় অবিরাম। যে গান গেয়ে চলে হৃদয় অবিরাম। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমার বাঁশরীতে তব সুরটুকু দিয়া

আমার বাঁশরীতে তব সুরটুকু দিয়া, যতনে বাজাইও হে নিখিলের প্রিয়া। আমার বাঁশরীতে দিয়া তব সুর। লাবিব মাহফুজ। সংগীত।

সংগীত – প্রেম সাগরে ডুবলে এবার

প্রেম সাগরে ডুবলে এবার, মানুষ রতন দেয় ধরা, অপ্রেমিকের জীবন গেলেও, না পায় খোদার ইশারা। প্রেম সাগর। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মোরে দাও আবহায়াত

মোরে দাও আবহায়াত, যেন রহি দিনরাত, তোমার প্রেমও ভাবে ডুবে, দয়াল তুমি বিনা অন্য কিছু, না চাই আমি ভবে। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মানুষ রতন করলে যতন

মানুষ রতন করলে যতন, তবেই মিলে নিরঞ্জন। ভক্তি ভরে সাধো তারে মন। ওরে, ভক্তি ভরে সাধো তারে মন। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – রাখ তোমার চরণ ও পরে দয়াল দরদীয়া

রাখ তোমার চরণ পরে, দয়াল দরদীয়া। দিয়া মোর তনু মন প্রাণ, চাই ঐ চরণে শরণ, চাই মরমে আসীন হও, ওগো মরমীয়া। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – খোদারে পাইতে হলে

খোদারে পাইতে হলে, মানুষ চরণ কর সার, মানুষেতেই বিরাজিছে, পরম প্রভু নিরন্তর। খোদা রে পাইতে হলে মানুষ চরণ করো সার।

সংগীত – দয়াল গুরু গো দাও সুমতি অন্তরে

দয়াল গুরু গো, দাও সুমতি অন্তরে, সদা যেনো স্বরণ তোমার, রহে হৃদয় মন্দিরে। দয়াল গুরু গো। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – প্রেম সাগরে ডুবে যেজন

প্রেম সাগরে ডুবে যেজন, আসমান হতে আহার পায়, সে উর্ধ্বমুখী, চিত্তসুখী, প্রেমানন্দে মগ্ন রয়। প্রেম আনন্দে মগ্ন রয়।

সংগীত – পরমাত্মা যোগে যেজন

পরমাত্মা যোগে যেজন, এ ধরাতে করেন বাস, তার মানবও সুরতে খোদা, নিত্যকালে হয় প্রকাশ। সংগীত - লাবিব মাহফুজ। পরমাত্মা।

সংগীত – খোদেতে বিরাজে খোদা

খোদেতে বিরাজ খোদা, চিন তারে আত্মজ্ঞানে - ব্রহ্মশক্তি স্বরূপ সনে, উদয় হয় মানব কাননে। খোদেতে বিরাজে খোদা। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – তোমা তরে যাবো আমি চিরকাল কাঁদিয়া

তোমা তরে যাবো আমি চিরকাল কাঁদিয়া, তোমা পানে চেয়ে চেয়ে, তোমারেই ভালোবাসিয়া। আঁখির সলিলে মোর তৃষাতুর চিরকাল যাবো

সংগীত – আঁখিবানে দিশাহারা হলাও দিওয়ানা

আঁখিবানে দিশাহারা হলাম দিওয়ানা, প্রবোধহীন এ মনের বেদন, বাঁধন মানেনা। ঐ আঁখিরও বিষের জ্বালা। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমার দেহের মন মন্দিরে

আমার দেহের মন মন্দিরে, তোমার পূজার অধিষ্ঠান, আরতীর ফুলে জলে, তোমার রূপ বর্তমান। সংগীত - দেহের মন মন্দিরে। - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – নির্জনে এ প্রাণে আসিলে যখন

নির্জনে এ প্রাণে আসিলে যখন, বসিলে হৃদয়ের ধ্যান চূড়া মাঝে, ধ্যানের মন্দিরে ঐ চরণ অটল, সদায় মধূর তানে নূপুর বাজে।

সংগীত – আমার দীলের সিংহাসনে

আমার দীলের সিংহাসনে, তোমার চরণ রাখিব, পূজিবো ঐ শ্রীচরণ গো, তোমারই সুর সাধিবো। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – বন্দির মন্দিরে দেবতা তুমি

বন্দির মন্দিরে দেবতা তুমি, জাগিয়া জাগাও এ প্রাণ আমার, ভাসিয়া ভাসাও মোরে উছল যমুনায়, জাগো তুমি, জাগিবো আমি।

সংগীত – এসে প্রভু হৃদ মাঝারে

এসে প্রভু হৃদ মাঝারে লুকালে আবার, আঁখিনীড়ে বারিস্রোতে খুঁজবো কত আর। পরান ও মেলিয়া ধরে, ও রাঙা চরণ ও পরে। সংগীত।

সংগীত – কত আর আঁখিবারি রাখা যায় চাপিয়া

কত আর আঁখিবারি রাখা যায় চাপিয়া, ফেলে মোরে এ দূরবনে, লুকলে গো প্রিয়া। কত আর আঁখিবারি। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – বাঁধো তারে দৃষ্টিতে একান্ত সংগীতে

বাধো তারে দৃষ্টিতে, একান্ত সংগীতে, সৃষ্টির প্রতি পলে পলে, অনুধ্যানে, আবরণে, হৃদয় মূলে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আসে যে গো নিশি মাঝে

আসে যে গো নিশি মাঝে, সুরের ই সুধায়, হারায় কেন ভোর বেলা সে, লুকানো হিয়ায়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – অখন্ড সে গোলোক ধামে

অখন্ড সে গোলোক ধামে, নিত্য প্রেম হয় প্রতিষ্ঠিত, যেথায় নিরবধী অখন্ড কাল, একক প্রেমে হয় এক স্থিত। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – নিধি তব বিভু মোরে

নিধি তব বিভু মোরে করে দান, অফুরান - তব প্রেমের দীপ্তালোকে করিব গাহন।সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – সকল রূপের আধার প্রভু

সকল রূপের আধার প্রভু, গুণের প্রকাশ এ ধরায়, তোমার মাঝেই বিশ্বলীলা, তোমার তরেই সর্বময়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মায়া নদী বাইতে এতো

মায়া নদী বাইতে এতো সাধ কেনো মন তোর, কেনো মায়া ঘোরে থাকবি পড়ে সারা জীবন ভর। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – নিগুঢ় প্রেমের আচার কেমন

নিগুঢ় প্রেমের আচার কেমন, শিখাও মোরে দয়াল হরি। নূর কে বিভাজন করে, কোন রূপে হও অবতারি। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – সাধ্য যে জন সাধতে তারে

সাধ্য যে জন সাধতে তারে, সাধ হয় আমার অন্তরে, কৃপা করে দয়াল আমায়, লও কবুল করে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – রাসুল আছে জগৎ জোড়া

রাসুল আছে জগত জোড়া, নূর মোহাম্মদ দীপ্তকারে, চিনে নিও তারে রে মন, চিনে নিও তারে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মুহাম্মদী নূরের আলোয়

মুহাম্মদী নুরের আলোয় আত্মা যখন হয় উজ্জল, সেই আত্মার করিলে দর্শন তখন মেরাজ হয় কবুল। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – চাও যদি মন তারে

চাও যদি মন তারে, আগে চিন আপনারে, ও তোমার আপনত্বেই সে রূপ নিত্য বিরাজও করে। তুমি চাও যদি মন তারে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – তুমি সন্ধান করো কার

তুমি সন্ধান করো কার, অহেদ দর কাছারাত তুমিই, মাখজানে আসরার। তুমি সন্ধান করো কার। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – চাও যদি মন চিনতে তারে

চাও যদি মন চিনতে তারে আগে চিন নিজেরে, তোমার আপনাতে সেজন নিত্য বিরাজও করে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – ও তার কি অপরূপ রূপের শোভা

ও তার কি অপরূপ রূপের শোভা দেখে নয়ন না জুড়ায়। আমি দিবানিশি চাইগো দয়াল, হেরিতে রূপ জ্যোতির্ময়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মধুমাখা শ্রীরূপ খানি

ঐ মধুমাখা শ্রীরূপ খানি যেন দিনরজনী রয় ধ্যানে, এই অভাজনে নিজগুণে শ্রীরূপ দিও মোর নয়নে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – দয়াল দয়া করে অভাগারে

দয়াল দয়া করে অভাগারে, দিও শ্রী রূপ দরশন, আমি সদায় থাকি চাতক আঁখি, রূপ নিহারে ব্যাকুল মন। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – নিরিখ রেখে নয়ন কোনে

নিরিখ রেখে নয়ন কোনে, রূপ নিহারে চলো মন, ঐ শ্রী চরণে পরান বেন্ধে, দেহ করো বৃন্দাবন। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমার অন্তিম কালে কর্ণমূলে

আমার অন্তিম কালে কর্ণমূলে, চরণ বীণা বাজাইও, তোমার প্রেম সাগরে ভাব জোয়ারে, এ প্রাণ আমার ভাসাইও। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমায় কোনো প্রশ্ন কোরো না

আমি যে প্রাণ বন্ধুর পথের ধুলো, পথে পড়ে রবো, আমি জনম জনম প্রতিক্ষিয়া তার, চরণে জড়াবো। আমি এ ছাড়া আর ভব মাঝে, কিছুই জানিনা।

সংগীত – চির জনমের প্রতীক্ষা গো প্রিয়

চির জনমের প্রতীক্ষা গো প্রিয়, কখন বাজিবে গো সুর, তোমার পরশ কবে জাগিবে প্রাণে, হইব তোমাময় - আনন্দে বেদনা বিধূর।

সংগীত – রূপ যেনো তার নয়নে মোর

রূপ যেনো তার নয়নে মোর, সদায় আকাঁ রয়, আমি নিরবধি হেরী যেনো, শ্রী রূপ সর্বময়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – চির জনমের সাথী গো আমার

চির জনমের সাথী গো আমার, যুগে যুগে থাকো পাশে, হারিয়ে যেওনা কভূ গো প্রিয়, যদিও না মরণ আসে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমি প্রাণের সকল ব্যাথা ভূলে

আমি প্রাণের সকল ব্যাথা ভূলে, এসেছি মা তোমার কোলে, তোমার চরণ ছায়ার পরশ মায়ায়, বেঁধে রাখো ঐ আঁচলে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আঘাত যতই দিবি মোরে

আঘাত যতই দিবি মোরে, ততই তোরে চাইবে প্রাণ, তোর অবহেলার বিষের বেদন, বাজায় মনে প্রলয় তান। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – ভুলতে তোর ঐ নয়ন বেদন

ভুলতে তোর ঐ নয়ন বেদন, সুরের মোহে হই আকুল, সুর সে সুধার ইন্দ্রজালে, নয়ন বানেই বদ্ধমূল। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আজ মনের বনে আকুল তানে

আজ মনের বনে আকুল তানে, ডাকছে ব্যাকূল পাপিয়া, সে সুর সোহাগে মনে জাগে, চপল আঁখির মোর প্রিয়া। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মুরলীর ধ্বনি শুনি যমুনারও পাড়ে

মুরলীর ধ্বনি শুনি যমুনারও পাড়ে, আকুল ও সুরে সখা যে আমায়, ডাকিছে বারে বারে – গহন ও প্রেমে, বিজনও বনে। সংগীত।

সংগীত – রাখিয়া তাহারে অন্তরও মাঝারে

রাখিয়া তাহারে অন্তরও মাঝারে, বনে বনে কেন খুঁজে ফিরি, হৃদয়ের ধন বাহিরে ফেলিয়া, পরকে খুঁজিয়া আপন করি। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – সাধনও আরতী পরে মোর মানস

সাধনও আরতী পরে মোর মানসও মুরতী, করিয়াছি খাড়া মোর প্রিয় স্বরূপে, ধিয়ানে সে অপরূপ, প্রশান্ত রূপে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – গৃহছাড়া মোর এ উদাস হৃদয়ে

গৃহছাড়া মোর এ উদাস হৃদয়ে, বারে বারে কে যেন কহিছে ডাকি, আসিতেছে সজলও বরষা পোহায়ে, প্রিয়তম মোর, ভেজা পথে পদচিহ্ন রাখি।

সংগীত – কেনো যে তোর তরে মেলিয়া নয়ন

কেন যে তোর তরে, মেলিয়া নয়ন, দেখিলাম অপলক ঐ মায়া রূপ, ও রূপও হেরী মোর জিবনও প্রভাত, নব রবি রাঙা ছবি হলো নয়নের ধূপ।

সংগীত – আপন ভোলা প্রাণের টানে

আপন ভোলা প্রাণের টানে, প্রেম তরঙ্গে ভাসবি যখন, তখন তোর ঐ প্রাণ মহিমা, উঠবে জেগে দীপ্তিমান। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আয় মা শ্যামা জীর্ণ ঘরে

আয় মা শ্যামা এ জীর্ণ ঘরে, তব প্রলয় নাচন, জাগবে বোধন, পরম চেতন, এ সংসারে। আয় মা শ্যামা জীর্ণ ঘরে। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – সুখ যদি পাও দুঃখ দিয়া

সুখ যদি পাও দুঃখ দিয়া, আরো দুঃখ দাও, চাইবো না আর সুখ যে পেতে, অঝোড়ে কাঁদাও। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – যার জন্য মোর কান্দে পরাণ

যার জন্য মোর কান্দে পরাণ, সে যে কত দূরে, সে যে এমন করে ব্যাথা দিবে, ভাবিনি অন্তরে। আমি ভাবিনি অন্তরে। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – প্রাণেরও প্রণতি জানাতে প্রাণপতি

প্রাণের ও প্রণতি, জানাতে প্রাণপতি, ও রাঙা চরণে পুষ্প ছিটাই, মোর কনক ও কাননে তোমার বাসর সাজাই। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আজি মহানন্দে আমি ভাসি

আজি মহানন্দে আমি ভাসি, মহা নির্বাণ তন্ত্র সুধায়, হরষে আমার বিষাদ ধুলি, আনন্দ অশ্রু চরণে লুটায়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – উঠ জেগে উঠ হে রুদ্র প্রাণ

উঠ জেগে উঠ হে রুদ্র প্রাণ, অনাসৃষ্টির করতে বিধান, কন্ঠে লয়ে ভৈরবী সুর, ধরার ধূলায় গাইতে গান – কালের মহামিলন তীরে

সংগীত – মোর পরাণে বাধিলি যখন

মোর পরাণে বাধিলি যখন, তোর ঐ রাঙা প্রাণ – তোর নয়নে আমার জিবন তারা, হইলো দীপ্তিমান। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – হে অন্তহীন প্রাণ

হে অন্তহীন প্রাণ, আপনার আপনায় তুমি রহিও মগন। অনাদী চেতনার ধামে, অনন্ত অসীমের প্রেমে, প্রেমময়ের রূপ দর্শনে, ভরিও নয়ন।

সংগীত – মোহন বাঁশি বাজেরে যমুনারও তীরে

মোহন বাঁশি বাজেরে, যমুনারও তীরে। হৃদয় আমার হয় উচাটন, সে বাঁশরীর সুরে। ওরে মোহন বাঁশি বাজেরে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – যে ছবি মোর দীলে আছে

যে ছবি মোর দীলে আছে, সযতনে হৃদ মন্দিরে - তারি পানে থাকলে চেয়ে, হজ্জ হবে বাইতুল মামুরে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – তব চরণ ভিখারী হয়ে অনিবারী

তব চরণও ভিখারী, হয়ে অনিবারী, তব চরণও সুধায় আছি হয়ে মশগুল, ও রাঙা চরণও আমার, অকূলের ও কূল। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – রূপময় তোমারী রূপে

রূপময় তোমারী রূপে, সাজাইয়াছো রূপের বাড়ি, রূপ সাগরে ডুব দিতে মন, ধরো চরণ তাড়াতাড়ি। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – গভীরও নিশিথও মাঝে

গভীরও নিশিথ মাঝে নয়নও মেলে, খুঁজি গো তোমারে প্রভূ, খুঁজি গো নিরলে। আমি খুঁজি গো তোমারে প্রভু, খুুঁজি গো নিরলে।

সংগীত – খুঁজলে তারে পাবো কোথায়

খুঁজলে তারে পাবো কোথায়, সে রয়না কভূ দূরে, আছে সেতো বর্তমানে, তোর অন্তরে বসত করে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – ভালোবেসে নয়নবীণায়

ভালোবেসে নয়নবীণায় ভরালে মোর হৃদয় খানি, আপন হারা করলে মোরে, সুর ছন্দ সুধা আনি। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – নয়ন জলে ভাসি বন্ধু

নয়ন জলে ভাসি বন্ধু, তোরে না দেখিয়া রে, পরাণ আমার কেমনে রাখি ঘরে। বন্ধুরে, পরাণ আমার কেমনে রাখি ঘরে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমার হৃদয় বনে বাঁজে বাঁশি

আমার হৃদয় বনে বাঁজে বাঁশি, আমার নাম ধরিয়া ডাকে, ঐ দেখ মধূর সুরে শ্যামের বাঁশি, বাজে তমাল শাঁখে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমারে করিয়াছো তোমার অধীন

আমারে করিয়াছো তোমার অধীন, হে মহিমাময়, হে মহীয়ান। তব চরণ সুধা বিলায়ে আমায়, করেছো মৃত্যুহীন। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – মানব মহান

খোদার বাণীরে যে প্রকাশে সেই তো মানব, যার হৃদয়ে প্রকাশে সদায় খোদায়ী বিভাব। কবিতা - মানব মহান। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – মহাযাত্রা

আমি মহাকালে চলিয়াছি অনন্তের পানে, আপনাতে, নিরবধি, মানস গগনে। কবিতা - মহাযাত্রা। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – ভগবানের খোঁজ

খুঁজিতেছো তুমি ঈশ্বরে কে গো, এ বিশ্ব ভূবনে, প্রতি অনু পরমানু, দৃশ্যে, অদৃশ্যে, আসমান জমিনে? পাইয়াছো কি তারে? খুঁজে রাত্রদিন

কবিতা – অবতার

হে যুগস্রষ্টা, তুমি মনোনীত বিধাতার, হে ত্রিকাল-দ্রষ্টা! তুমি প্রেরিত অবতার। হে মহান তুমি কান্ডারী এ ভব সংসারে ।

কবিতা – ফেরা

আসছি আবার ফিরে, জলতরঙ্গে তুলিতে নাচন বনমালীর সুরে সুরে, আসছি আবার ফিরে। কবিতা - ফেরা। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – বিদায়

যারে ভালোবেসেছিলাম, যারে এ প্রাণে চেয়েছিলাম, কোন পরাণে যাবো তারে ভূলে? রেখে যাবো তারে এ আধার গোকুলে! কবিতা।

কবিতা – প্রত্যাবর্তন

ফিরে যাওয়ার তিয়াস জাগে বন্দী হিয়ার মাঝে, আজ মনে হয় কত জনম মোর বাঁধা এ আধার সাঝে। লাবিব মাহফুজ। কবিতা। প্রত্যাবর্তন।

কবিতা – পরমপ্রাপ্তি

এক অনন্ত সুখের উন্মত্ততায়, আপনারে ত্যাজিছি আপনায়, ভুলিয়া গিয়াছি মোর আপনত্ব আজ, ধরায় যে ছিল ধরে আমার মতো সাজ।

কবিতা – নিত্যপ্রাপ্ত পরম

আমি দেখেছি এমন একটি উদ্যান, চিরসবুজ, পারিজাত মন্দারের সারি, আমি দেখেছি ধীর প্রবাহিনী অলোকনন্দা, যা অবস্থিত হৃদয়ের নিভৃত গহীনে!

কবিতা – তীর্থ

নিখিলের যত রূপ যত জ্যোতি ধারা, তোমারে দিয়াছে প্রভু কানায় কানায়। আপন সৌন্দর্য্য তুমি ফেলিয়া মলিন, ঘুরিতেছো মিছামিছি পথে পথে হায়।

কবিতা – জিবন পথ

মোর হৃদয় পেছন পানে, কার লাগি যেনো হায়, মন উদাস করা কার বাঁশির সুরে, বারে বারে ফিরে চায়। আমিতো খুঁজে না পাই তারে

কবিতা – চিরকালের আমি

আমি তো এমনি রবো নিত্য মহাকালে, শাশ্বত চিরন্তন জগতের ভালে! কালের খেয়ায় ভাসিব, অনন্তে অন্তহীন! অপরিবর্তনীয়, চিরকালের আদী মুক্ত প্রাণ।

কবিতা – আহ্বান

তবু তো পারবো না থাকতে, বেশিদিন, এ কাননে, এ সুধারং মাখতে! দেহের প্রতি অঙ্গে -তোমার বাঁশরীর সুর বাঁধতে। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – গোপন বারতা

আমি শুনেছি প্রাণের প্রতিটি অশ্রুত সংগীত, যা নীরবে বেজে চলেছে, জীবনের গতিপথে। আমি দেখেছি প্রাণের সকল অদৃশ্য অনুভব

কবিতা – কবির সংসার

ধরার প্রতি অণুতে অণুতে, ছড়ায়ে দিয়েছি প্রাণ মোর, ধরার স্রোতে! আমার প্রাণ শিখা, উন্মত্ত তালে ঘুরিছে দিগ্বিদিক।

কবিতা – আনন্দ

অনন্ত রূপে যখন ছিলাম অখন্ডতায়, নিত্যানন্দে নিত্যরূপে দিব্য জ্যোতির মাঝে - পূর্ণতায় অপূর্ণ সকল শ্বাসরুদ্ধ হয়ে গুমরে গুমরে কাঁদতে ছিল!

কবিতা – আগমণ

হৃদয় দুয়ার খুলিল হঠাৎ তোমার পরশ পেয়ে। আজ টুটিল বাঁধন, মেলিলাম নয়ন - আসিলাম ফিরে ফিরে তোমারী কানন, তোমার সুরের, হৃদ বাসরের, ইন্দ্রধনু বেয়ে।

কবিতা – অনন্ত প্রাণ

জগতের যত কিছু যত আছে প্রাণ, আমার প্রাণের মাঝে সব বহমান। শাশ্বত, অনন্ত সে চিরকালে রত, সে অভিন্ন, একক, শুদ্ধ প্রাণে প্রকটিত।

কবিতা – জয় তোমারই হোক

তোমারে জানিবার উদগ্র বাসনা মোর, আমাতে ধরিবো তোমারে, তোমারে পাইবো আমার সীমা মাঝে, আমার অনন্ত বাসরে। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – একা

কেউ নেই ধারেকাছে, শুধু আমি আর আমার হৃদয়! হৃদয় অবিরাম দিয়ে যাচ্ছে তার বার্তাগুলো। নিঃশব্দে শুনে যাচ্ছি আমি!

কবিতা – মানব মোহনা

তোমারে প্রকাশিতে আমার সৃজন, আমার আঁধারে তাই তোমার ভূবন। চার আকসামে নূর তোমারি, তোমারি রূপ বর্তমান। লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – স্বরূপ

ভেতরেতে দেখি তোমায় তাই, বাহিরেও বারে বারে আঁকি, নিশিদিন এ প্রাণে প্রকাশিত তুমি, প্রাণের বাহিরেও তাই তোমাকেই রাখি।

কবিতা – প্রভু! এবার মানুষ হও

ভালোবাসি তারে, যারে ধরা যায়, রয় এ ধরায়, মাটির কারায় - ক্ষণকাল যে বিরহ মিলনে, দেহ মন প্রাণে মিশিয়া রবে! যে সকলের

কবিতা – আপনার আপন

আপনারে পাইতে যবে আপনার করে, আসিলাম ছুটিয়া তব বাহু ডোরে, তোমার অনন্ত পূর্ণতায়, মোর শুণ্য সকল করিতে বিলীন তোমার চরণও ছায়।

কবিতা – বন্ধু

সবি হেথা শত্রু যে মোর, প্রণয় চিত্ত - চায়না কেহ – তপস্যা শুধু বাঁধিতে এ প্রাণ। রুদ্ধ কুটির কবর মাঝে, অন্তহীন সে অনলে

কবিতা – প্রতীক্ষা

প্রতিক্ষার এ দীর্ঘ লগন কবে ফুরাবে? টেনে বয়ে চলা এ জীবন কবে মুক্তি দিবে আমায়? আমিতো বারবার ফিরে পেতে চাই সে দিনগুলোকে

কবিতা – প্রেম প্রতিমা

মোর অবুঝ হৃদয়ের ধ্যান মন্দিরে, বসন্ত পল্লবে মুখরিত শাঁখে, উন্মাদ অন্তরে, তুমি দেবী! নহ দশভূজা সম কপট করুণাময়ী!

কবিতা – আশাবাণী

খুলেছে আজ দক্ষিণা দুয়ার, ছিল যেথা লু হাওয়া সাইমুম ঝড়, হতাশার নরকাগ্নি, অসহায় মৃত্যুর প্রহর! কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – বোধনবীণা

হে সত্য, নিত্য, মুক্ত জ্বালাময়। তব আঘাতে আজ জাগিবে মরা, কাটিবে সংশয়! দয়াময় তব নাম ত্যাজি আজ, হও পাষান, নাও আঘাতের সাজ

কবিতা – বিষের পেয়ালা

বন্ধনে তোর অনন্ত বেদন, দর্শনে তোর বিষবারি জ্বালাতন, ঐ চাহনী তোর অনল কৃপাণ, সর্বময় ঐ অশনী জ্বালা – লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – আলো অভিসার

সমাগত সে মহেন্দ্রক্ষণ। যবে আসিবে আলোক, ফুটিবে প্রাণ - স্বর্গের থরে থরে সাজানো ভালোবাসা, বৃষ্টি হয়ে ঝড়বে, মানব বসন্তে অনুক্ষণ।

কবিতা – ক্ষুধা

অনন্ত কালের ক্ষুধা লয়ে বুকে, আসিয়াছি আমি অনন্ত জগত হতে, মহাপ্রাণ এক অবিনাশী সে, আমার চেতনায়, যা আজো বাজে ধুকে ধুকে।

কবিতা – তিয়াসা

সাদা মেঘের ভেলায় চড়ে, ভাসে যে দূর অনন্তে – সূদুরের ঐ রিক্ত কালো, ফেলবে কি দাগ নয়ন পাতে? কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – ভালোবাসার আদিম দেবতা

অন্তহীন এক অনাচার রূপে, অবয়বহীন শুণ্যতার নিষ্ঠুর উৎসবে, আদিগন্ত সে বিপুলতায়, নিষ্ঠুরতম প্রাণ, আছিন্ন অন্তরীণ -

কবিতা – অশ্রুধারা

ভালোবাসার যে বীণা সুর, বাজছে যে তোর ও বুক পরে, অভিমানী পাষাণ হয়ে, মুখ ঢেকেছিস অন্ধকার। কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – ভালোবাসি

বুঝেছি আজ, কেন যে তোরে, এত যে ভালোবাসি, ও প্রাণের পরশনে, কি আশা জাগে মনে, কি তৃষা বেঁধে নয়নে, ছুটে ছুটে আসি!

কবিতা – চরণ ছোঁয়া

আমার প্রাণের আকুল তিয়াসা, তোমার চরণে হোক আকুলিত প্রাণ - আপনও মহত্ত্বে সদা পরম আমিত্বে, অন্তঃহৃদে বিরাজ করুক, ঐ রাঙা চরণ।

কবিতা – নিত্যভূবন

আমার আপন প্রাণের আপন মহিমা, জিবন সিন্ধু মন্থনে প্রাপ্ত মহত্তর সীমা, বাজিছে মনের কনক দেউলে, ভাসিছে নয়ন তারায়

কবিতা – পূর্বরাগ

প্রভু তুমি কি আজো শিশুর মতো, নিয়তির খেলা খেলো, আজো কি তোমার চরণে বাধা, নূপুর নয়নে মেলো? কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – রূপের খোঁজে

রামধনুর সাত রঙ মেখে চোখে, আবার যেদিন খুঁজিবো তোমাকে, মোর নয়ন দিশা বারবার যেনো, আঁখিবে ঐ রূপ পলকে পলকে। কবিতা।

কবিতা – আমাতে তুমি

আমারি চেতনার ধামে, আমারি প্রাণে, বসত করিছ তুমি অতি নির্জনে। আমারি হৃদয় তটে, আমার হিয়া তলে, অনুতে অনুতে তোমার পদচিহ্ন জ্বলে।

কবিতা – আপন হারা প্রাণ

যে সুখ সুধা প্রতি অঙ্গে আমার, আনে শিহরণ দোলা, যে স্বপন করে পরাণ আমার, মহিমাময়, উজ্জলা! কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – আধার বন্দনা

আধারের সিংহাসনে, আসীন হলাম এক আধার লগনে, অনন্ত পূর্নতার মাহেন্দ্র ক্ষণে! কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – অন্ধকার

আদিম অন্ধকারে, দুরাশার এক অতৃপ্ত, নির্লিপ্ত পাথারে, ফেলেছিলাম আমার ইন্দ্রজাল - ধরিতে আমারে। কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – অনন্ত আমি

আমার পুষ্প শয্যা যখন, খুলিল দুয়ার, চাহিল নয়ন। অখন্ড সে ঘর, প্রেম নিশি ভোর, উজল চরাচর, আমাতে গাহন। কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – নবযুগ বাণী

আর কত কাঁদিবে, জাগি ভর নিশুতি রাতি, আর কত বাজাবে বাঁশি, চাহি প্রভাত ভাতি! ধ্বংসের পথে চির ধাবমান, মৃত্যুকূপের অন্ধ আহ্বান

কবিতা – অভিলাষ

এই কি তব ছিল অভিলাষ, শুনিতে প্রাণের এ ক্রন্দনও রোল, অসহায় চিৎকার, অশ্রু কল্লোল, বুক ফাটা দীর্ঘশ্বাস! কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – স্মৃতি

ভালো যখন বাসবে না কেউ, নয়ন পানে চেয়ে, ও মুখ চেয়ে হাসবে না কেউ, দেখবেনা লুকিয়ে! কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – চরণ আলোয়

জিবন আমার যখন মেলিলাম আলোয়, নিরবধী নিরখিতে আমার আপনায় - তোমার বিশ্বলোকে, অন্তহীন অঙ্কুরে। কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – শানে মুর্শিদ

গঞ্জ হতে ভক্ত উদ্ধারে, তুমি আসিলে এই ধরার পরে, এশকে মাওলার ও দরবারে, দীন কাঙাল ভক্তদের তরে। কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – শ্রদ্ধাঞ্জলী

হে মাওলা, হে কবি, হে সুন্দর! ধরণীর অমৃত সন্তান, সত্যের নিশাণ বরদার। হে ঋষি, তাপস প্রবর! কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – ভালোবাসি

তোরে বড় ভালোবাসি। তোরি কাছে তাই ফিরে ফিরে আসি। রাখিতে তোরে হৃদয় পিঞ্জরে, থাকিতে তোর বাহুর অন্দরে, সর্বদায়, অহর্নিশী।

কবিতা – নয়ন দিশা

হৃদয়ের যত আকুলতা আজ, তোর তরে চায় মেলিতে ডানা, তোর নয়নও পানে ঐ ব্যাকুল চাওয়ায়, মরম স্রোতে ভাসে হৃদয় বাসনা। কবিতা।

কবিতা – বিষাদিত কারবালা

আজ ফোরাতের স্রোত সম আঁখিধার বয়ে যায়। মহররম, কারবালা, শহীদানের স্মৃতি হায়। জাগিল এ প্রাণে, আধার ভূবনে, আলোক দীপ্তি লয়ে

কবিতা – মাতমে কারবালা

শত আঁখিধারা, শত হৃদিঝড়, তুফান তুলিছে প্রাণে, উঠিছে ভেদী ক্রন্দনও রোল, আসমান জমিনে।নিখিল ধরা শোকার্ত ব্যাকুল আজ মরু সাহারার

কবিতা – মহররমের কাসিদা

কাঁদে আসমান কাঁদে জমিন, মরু সাহারায়, ইমাম হোসেন খুনে লালে শহীদ এ ধরায়। কাঁদে মরু ফোরাত কাঁদে কাঁদে ত্রিভূবন -

কবিতা – মুক্তিগীতি

মুক্তিগীতিহে মানব, যারা রয়েছো আজো, পশুর দলে অবিরত, সংশয় ভেদী উর্দ্ধে আসো, সারাও তোমার প্রাণের ক্ষত। বিজাতীয় হিংসা নিন্দায়

কবিতা – মৃত্যুসুধা

আজ মৃত্যুরে লইয়াছি বরণ করে, জিবনের করিতে উদ্বোধন, আজ মৃত্যু সুধারে পরাণে মেখে, চিরঞ্জীব রূপে জাগিবে জাহান। কবিতা।

কবিতা – বাঁশির বেদন

যে বিরহে কাঁদে বাঁশি পাজরভাঙ্গা সুরে, সুর শুনিয়া জ্বলে আগুন বিরহীর অন্তরে। সে বিরহে মজনু কাঁদে লুটায়ে মরু সাহারায়

সংগীত – গহীন নদীর স্রোতে আজ

গহীন নদী র স্রোতে আজ ময়ুরপঙ্খী নায়, পেখম বৈঠা হাতে তুলে মন ওপারে হারায়। এ কূলে বিরহী কাঁদে, বাঁধা যে প্রাণ বিরহ ফাঁদে।

সংগীত – এ পাড়ে কোন সুখের আশায়

এ পাড়ে কোন সুখের আশায়, ওপাড় পানে এ আঁখিদ্বয়, নিরবধী থাকে যে চাহিয়া - কোন ময়ূরপঙ্খী পাড়ী জমায়, হৃদয় বনের রূপ কাঠের নায়

সংগীত – অশ্রু অঞ্জলী মোর এপাড় হতে

অশ্রু অঞ্জলী মোর এপার হতে, এ দুর প্রবাহ ভেদী যায় বহুদুর -যেথায় আমায় ডাকিছে বসে, পূজার দেবতা মোর। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – সাজাবো তোমায় আমার নয়নও সূধায়

সাজাব তোমায় আমার নয়ন সুধায়, মুরারী মোহনও রুপে হৃদয়ও আয়নায়। গড়িয়া লইবো ও রূপ শ্রীরূপ করে, শ্যামের ও বিরহী সেজে চরণও ধরে।

সংগীত – নিশিথ রাতের তারায় তারায়

নিশিথ রাতের তারায় তারায়, হেরী অপলক মুরতি তোমার। বিহগের কুঞ্জরে এই হৃদয় মন্দিরে, দিবানিশি গাহিতেছে স্তব ঝংকার।

সংগীত – তোমারে ধরিতে চায় এ প্রাণ আমার

তোমারে ধরিতে চায় এ প্রাণ আমার, বাঁধিতে চায় এ হৃদয় মাঝার। অপরূপও তব রূপ হেরিব নয়নে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মায়াময় হে মহান তব চরণ আলোয়

মায়াময় হে মহান তব চরণ আলোয়, জগৎ মায়া ভুলায়ে বিলালে প্রণয়। ঐ চরণ মায়য় প্রাণ পেল আপনারে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – এক আধার আজি ডাকিল আমায়

এক আধার আজি ডাকিল আমায়, আর আধারের বন্দনায়, আধারের মাঝে মোর জীবন প্রদীপ, লুকালো, অনন্ত বেদনায়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমি আজ আধারের গান গাই

আমি আজ আধারের গান গাই, আধার ভূবনে মোর, উন্মাদ সুরাসুর, অতৃপ্ত বাসনায় চায় অসীমতার ঠাঁই। আমি আধারের গান গাই।

সংগীত – সর্বহারা দীন ভিখারী পারের কড়ি

সর্বহারা দীন ভিখারী পারের কড়ি নাই সঙ্গে, নিজগুণে দীনহীনে কৃপাবারি দাও অঙ্গে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – কেন কাঁদে প্রাণ

কেন কাঁদে প্রাণ, হৃদয় যাচে এ বুকে, ও বাহুর বাধন, ঐ চপল নয়ন পানে, আনিতে বন্ধন সদা কাঁদে প্রাণ। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – শ্রী গুরু মহান তোমারী শরণ

শ্রীগুরু মহান, তোমারী শরণ থাকিতে জিবন, দাও এ প্রাণে, অনন্ত মহান হে পতিতও পাবন করুণা চরণ, বিলাও ধ্যানে। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – প্রসারিয়া প্রাণ, ওহে ভগবান

প্রসারিয়া প্রাণ, ওহে ভগবান, প্রাণময় অপরূপে তোমর স্বরণ, সুধার ও মুকুরে, সুরের ঝংকারে, প্রেমের মাধূরী গীতে, তব আচমণ।

সংগীত – ব্যাথা দেয়ার শক্তি যে মোর নাই

ব্যাথা দেয়ার শক্তি যে মোর নাই, তাইতো ভবের এ পথচলায়, ব্যাথার দাতারে খুঁজিয়া বেড়াই। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – কেন যে প্রাণে বাজে তব সুর

কেন যে প্রাণে বাজে তব সুর কি সুধা মনে ফুটে যে মধূর, তোমার পদছায়, কেন এ প্রাণ লুটায় নয়নও আভায়, জাগে রাগে সুর।

সংগীত – ওগো অভিমানী তব সুরে সুরে

ওগো অভিমানী তব সুরে সুরে, গাইছি অকাতরে, তোমারী যে গান, তোমারই যে প্রাণ, লয়ে এ দেহে, অনন্ত প্রবাহে চলিছে জিবন।

সংগীত – ব্যাথা দিয়ে পরাণে

ব্যাথা দিয়ে পরাণে, প্রাণ বন্ধুগো কার সনে, একা একা রয়েছো আনন্দে, বন্ধুরে - আমি একা জ্বলি নিরানন্দে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মধূরও ওই রূপ সুন্দর

মধূরও ওই রূপ সুন্দর, হৃদয়ে জাগে মনোহর, মায়া জাগালো নয়নে - বন্ধুরে, কেমনে ভুলিব ও রূপ জিবনে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মরণও বীণা মোর তোমারী সুরে সুরে

মরণও বীণা মোর তোমারী সুরে সুরে, বাজিবে নিরবধী আকুল ধারার, তোমারী চরণে শরণ, লইতে ত্বরায়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মোর এ নিবেদন তোরি তরে শুধু

মোর এ নিবেদন, তোরি তরে শুধু, চরণ পরেতে তোরি, নোয়াইতে শির, তোরি আশিষ ধারায় প্রাণ, করিতে সুন্দর। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – নিধুবনের নিধি তুমি

নিধুবনের নিধি তুমি, বাঁশরী সুর বাজাও প্রাণে, যমুনা পুলিনের তব জলকেলী, ছিটাও অবিরল, এই বদনে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মোর হৃদয় বনের শ্যাম কাননে

মোর হৃদয় বনের শ্যাম কাননে, ফুটছে রাঙা জবাদল, মুঞ্জুরিছে অসীম আলোক, নিত্য প্রেমের শতদল। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মুরলী ধারী হে যমুনা চারী

মুরলী ধারী হে যমুনা চারী, আমারি হৃদয় বনে, করোগো বিহার, শরবাণে বিদ্ধ করো, নয়ন আমার। হে প্রভু। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আজ প্রভু পড়েছ ধরা

আজ প্রভু পড়েছ ধরা, লুকাবে আর কোন দূর বনে, কোন কাননে আমায় ছাড়া! আজ প্রভু পড়েছ ধরা। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – অটল রূপে বসো প্রভু

অটল রূপে বসো প্রভু, এ অভাগার আঁখির কোনে, দেখবো তোমার ও রূপ সুন্দর, এ পরাণের সিংহাসনে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – বল প্রভু ও রূপ তোমার

বল প্রভু ও রূপ তোমার, আর কত মায়া জানে, দেখেছি যবে ও রূপ সুন্দর, আর কিছু না হেরী নয়নে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – অন্তরে বসে হে অন্তর্যামী

অন্তরে বসে হে অন্তর্যামী, আপনার খেলায় মত্ত প্রভু তুমি, বাহিরের রূপে রসে তোমারী বিকাশ, অন্তরে আছো হয়ে অন্তর-স্বামী।

সংগীত – পূজাঞ্জলী সঁপিলাম ও রাঙা চরণে

পূজাঞ্জলী সঁপিলাম ও রাঙা চরণে, আজ যমুনার ধারা সম, নয়ন বারি হতে, মুুখরিত প্রাণ তব, বন্দনায়, ক্রন্দনে - ও রাঙা চরণে।

সংগীত – আজ অবিরাম এ মরণ খেলায়

আজ অবিরাম এ মরণ খেলায়, জিবন প্রভাত কোনখানে লুকায়, কোন সুদূরে বিজনে একাকী, ফাঁকি দিয়ে মোরে অনন্তে হারায়। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – নির্জনে যত প্রিয় ভাবি তোমারে

নির্জনে যত প্রিয় ভাবি তোমারে, ততই উজালা করো এ প্রাণ আমার, ততই বাড়ে তৃষা, প্রাণের হাহাকার। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – সুরের ভূবনে প্রিয় আসিও প্রাণে

সুরের ভূবনে প্রিয় আসিও প্রাণে, সুরের ছন্দ হয়ে হৃদয় কাননে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আজ আঁখিজল কোন বেদনায়

আজ আঁখিজল কোন বেদনায় ঝড়ঝড় অবিরাম ঝড়ছে, শুণ্য এ বুকে কোন অজানা সুখে স্মৃতি তার, বারে বার, শুধু মনে পড়ছে। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – স্বরণ পাড়ের সুদূর বনেই

স্বরণ পাড়ের সুদূর বনেই থাকো ‍তুমি প্রিয়, প্রেম নিয়ে নাই এলে বুকে ব্যাথা দিয়েই যেও। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – প্রকাশ সকল ভেদ রমুজাত

প্রকাশ সকল ভেদ রমুজাত, বর্তমানের ইশারায়, কোন তত্ত্বে আগমন হেথায়, প্রত্যাগমন কি রূপে হয়? সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মনের ঘোরে না হারাই যেনো

মনের ঘোরে না হারাই যেনো, পরম গুরু সাঁই আমার, স্বয়ং স্বরূপ চেতন সদ-ভাব, গুরু রূপে হয় স্বাকার। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – ব্রহ্মান্ডে গুরু মুরতী

ব্রমান্ডে গুরু মুরতী, জগৎ আলো করে রয়, চিনে শুনে গুরু পানে, চলোরে মন ত্বরায়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – নিরুদ্দেশে ডাকে আমায়

নিরুদ্দেশে ডাকে আমায় সে বিরহী সুরে সুরে, আগত ঐ অলোকনন্দায় পূজাঞ্জলী নিতি ঝড়ে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – হৃদয়ের বাসনা প্রভু

হৃদয়ের বাসনা প্রভু, রাখ তোমার শ্রী চরণে, ঐ চরণ শরণ সাধন নিধি, থাকে যেন হৃদাসনে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – চিনে নে মন কোথা সে ধন

চিনে নে মন কোথা সে ধন, কোন রূপেতে বিরাজ করে, হৃদে রেখে গুরু চরণ, ধরো তারে রূপ নিহারে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – চিনে নাও আজ কাবা তোমার

চিনে নাও আজ কাবা তোমার, ভ্রান্তি নাশন হোক দিলের, আদম কাবা না চিনিলে, জিবন যাবে বিফলে তোর। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আজ ‍হৃদয়ে জাগে বৃন্দাবন

আজ হৃদয়ে জাগে বৃন্দাবন হৃদ যমুনা উজান বায়, ওই যমুনারি কালো স্রোতে আঁখিধারা বান জাগায়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমি দয়াল বলে দিবানিশি

আমি দয়াল বলে দিবানিশি ভাসি নয়ন জলে, আমায় দয়া করে পার করিও পারঘাটার অকূলে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমি কেমন করে পাবো তারে

আমি কেমন করে পাবো তারে, বলো সখি আজ আমায়। তারে না পেলে গো হৃদ মাঝারে, প্রাণে আমার বাঁচা দায়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আর কত মোর নয়নবারি

আর কত মোর নয়ন বারি ঝড়বে নিশিদিনে, আমায় কবে দয়াল কৃপা করে ঠাঁই দিবে চরণে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – চাতকের মতো প্রাণ কাঁদেগো আমার

চাতকেরও মতো প্রাণ কাঁদেগো আমার, চকোর সম চেয়ে থাকি অনিবার - ঐ শ্রীরূপও সুধা, দাও নয়নে প্রভু, তব শ্রী চরণ রাখো মোর পরাণ ও মাঝার।

সংগীত – যে রহে মোর সকল ব্যাপী

যে রহে মোর সকল ব্যাপী, কি করে তাহারে ভুলি। আমার দেহ-মন-প্রাণে, যে রহে সর্বক্ষণে রহে আধারে প্রদীপ জ্বালি। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – ব্রজপতি গো

ব্রজপতি গো আমারে করিও তব দাসী। আমি আকূলীনি রাধা ওগো হই তব প্রত্যাশী। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – তব পদছায় মোর মরম নিয়ত লুটায়

প্রভু তব পদছায়, মোর মরম নিয়ত লুটায় তব স্বরণ বৃন্দাবনে, আমি ফিরে ফিরে আসি, তোমার করুণা রাশি পাইতে অহর্নিশি, আপন প্রাণে।

সংগীত – ভূলে কি যাবে মোরে

ভুলে কি যাবে মোরে, না জাগি যদি শরতও প্রাতে -এমনও রজনী গভীরে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – বাঁশি বাজে বৃন্দাবনে

বাঁশি বাজে বৃন্দাবনে, বাজে যমুনা পুলিনে, শ্যাম বাঁশির সুরে মন হরে নেয়, বাঁচিনা পরাণে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – সুখের মরণ মরেছি আমি

সুখের মরণ মরেছি আমি তোমার চরণ তলে, তুমি শুধু মুখ তুলে চাও, বলুক যে যা বলে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – দয়াল পতিতও পাবন

দয়াল পতিতও পাবন করো পাপীরও তারন, নূরময় ঐ রূপ দর্শনে, জুড়াও মোর নয়ন। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – তব জ্যোতি সমুদ্রে দয়াল

তব জ্যোতি সমুদ্রে দয়াল ডুবাও প্রাণ আমার। রেখ তব নূরে ঘিরে আমার চারিধার দয়াল আমার চারিধার। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমার চোখ জুড়ে যার মেঘ ভাসে

আমার চোখ জুড়ে যার মেঘ ভাসে, আমার প্রাণ জুড়ে যার প্রাণ হাসে, আমি নিরুদ্দেশে তার তরে গো, ফিরে ফিরে যাই - আমি যারে ভালোবাসি তার গান গাই।

সংগীত – মম নয়ন প্রদীপ জ্বেলে

মম নয়ন প্রদীপ জ্বেলে, তোমার শ্রীরূপ আমি হেরী অনিবার -হে সুন্দর ও রূপধারী অন্তরও গহনও চারী, নিবাড়িও তৃষা হে মোর প্রিয়, ভরিও রূপে আঁখিনীড়।

সংগীত – আমায় শিখাইয়া দাও প্রেমের করণ

আমায় শিখাইয়া দাও প্রেমের করণ, আদি কারণ এ জগতের, যা সুপ্ত ছিল অনাদী ধামে, যাতে প্রকাশিল রূপ অনন্তের। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মঙ্গলও দীপ জ্বালো নয়নে আমার

মঙ্গলও দীপ জ্বালো নয়নে আমার, হে প্রভু অবিরাম কৃপাতে তোমার। যেনো অন্ধকারে কভূ না হারাই দিশা, যেনো তোমারে সদাই খুঁজে পাই সহসা -

সংগীত – আমি মাতাল তোমার সুরের সুধায়

আমি মাতাল তোমার সুরের সুধায়, হে সাকী আরো শারাব ঢালো, আনো দ্রাক্ষারসে আনো পেয়ালা ভরে, জ্বালো হরদম আরো প্রদীপ জ্বালো।

সংগীত – হে নন্দদুলাল হে ব্রজের রাখাল

হে নন্দ দুলাল হে ব্রজের রাখাল, মোর হৃদয় বৃন্দাবনে বাজাও বাঁশরী। আমি আকুলীনি রাধা সম শুধু কেঁদে মরি। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমার শ্যাম সুন্দর প্রাণ গোবিন্দ

আমার শ্যাম সুন্দর প্রাণ গোবিন্দ। পীতধরা, মোহন চূড়ায় ত্রিভঙ্গে নাচে ব্রজানন্দ। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আমার জিবন মরণ মাঝে

আমার জিবন মরণ মাঝে আমার সকাল দুপুর সাঝে, নিরবধী যেনো হে প্রভু তোমার মধু মাখা নাম খানি হৃদয়ে বিরাজে। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আকাশ আজি গান ধরেছে

আকাশ আজি গান ধরেছে, রিমিঝিমি সুরে গো রিমিঝিমি সুরে, মেঘের খেয়ায় মাঝি হয়ে সুদূর দিগন্তরে গো সুদুর দিগন্তরে।

সংগীত – আমি দিবানিশি ডাকি তোরে

আমি দিবানিশি ডাকি তোরে, এসো দয়াল আামার ঘরে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আকাশের দ্বার খুলিয়াছে আজ

আকাশের দ্বার খুলিয়াছে আজ, রুধিবে কি গো আর, অঝোরে ঝড়িছে আশীষধারা, মোর তরে অনিবার। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – একলা এসে ক্ষণিক প্রিয়

একলা এসে ক্ষনিক প্রিয় বসো কূলের ধারে, আমার ভাঙন নদীর তীরে প্রিয় ভাঙন নদীর তীরে। নদী। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মোর চিত্ত করো নিত্য দয়াময় হে

মোর চিত্ত কর নিত্য দয়াময় হে দাও নির্ভয় প্রাণে শক্তি, প্রাণ প্রাণেশ হে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – প্রতিদিন আমার পরাণ কাঁদেগো

প্রতিদিন আমার পরাণ কাঁদেগো প্রতি নিশিথের শেষে, হাহাকার করে উঠে মোর বুকগো শূণ্যতারই ত্রাসে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – কত নির্ঘুম রজনী পোহায়

কত নির্ঘুম রজনী পোহায়, তোমার চরণ বন্দনায়, আমি আঁখির সলিলে রচি গান প্রভু, তোমার স্বরণে বেদনায়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আপন ভূলে প্রাণের মূলে

আপন ভুলে প্রাণের মূলে, তারে বাধতে যেজন পারে, সেই তো পায় ঐ শ্রীচরণ, ভাব দরিয়ার তীরে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – জাত সিফাতের সম্মিলনে

জাত সিফাত এর সম্মিলনে, মানুষ হয় ধরায় প্রকাশ। কুল্লু জাতে, এই মানুষে, পরম প্রভূ হয় উদ্ভাস। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – সে না এলে মোর মন মন্দিরে

সে না এলে মোর মন মন্দিরে, কেমনে বাঁচে আমার চাতক প্রাণ। বলো কবে আসবে বন্ধু, মন হারিনী কাঁলাচান। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – এথায় সব তারাদের মিলন মেলা

এথায় সব তারা দের মিলনমেলা, কালের কক্ষপথে, এসেছি সবাই গড়িতে নবলোক, সৃষ্টির মহারথে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – প্রভু সত্য মিথ্যার বাঁধন নাহি চাই

প্রভু সত্য মিথ্যার বাধন নাহি চাই। আমি ভালো মন্দের উর্ধ্বে যেনো, নিজেরে হারাই। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – প্রিয় মোর কাব্যতীর্থে

প্রিয় মোর কাব্যতীর্থে, কবিতার রূপ ধরে, সৌন্দর্য্য তব বিকশিত করো, কবিতায়, অন্তরে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – দয়ালের শ্রীচরণ নিরিখে বসে

দয়ালের শ্রী চরণ নিরিখে বসে, ধ্যান নেত্রে প্রেমাবেশে - অহর্নিশি স্মরণ রসে, বিভোর হলে আত্মময়। দয়াল তখন প্রেমস্বরূপে, হৃদয় পদ্মে হয় উদয়।

সংগীত – তোমারী সুরে আমি গেয়ে যাই গান

তোমারী সুরে আমি গেয়ে যাই গান, আমার সকল রূপে-গুণে প্রভু - তুমিই মূর্তমান। তুমিইতো ধরার প্রভু সকল প্রকাশ। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – এই মানুষের চরণ তলে

এই মানুষের চরণ তলে, পাবি মধুর বৃন্দাবন। মানুষ তত্ত্ব করো অন্বেষণ। দয়াল প্রেমময়ও রূপ ধরিয়া, মানুষেতে রয় জাগিয়া। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – ধ্যানের দেবতা যেজন

ধ্যানের দেবতা যেজন, হৃদয়ে তোর বাস করে, পথে পথে সারাজিবন, খুঁজলে কি আর পাবি তারে? সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – অনাদী অনন্ত প্রভু মহিমা অপার

অনাদী অনন্ত প্রভু মহিমা অপার, মানুষে মিলাইলে প্রভু প্রেমেরও বাজার। মানুষ মোহনায় এসে, অসীম প্রভু সীমায় প্রকাশে। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – দয়ালের শ্রীচরণে লইলে শরণ

দয়ালের শ্রী চরণে লইলে শরণ, শান্তি পাবি, মুক্তি পাবি, ওরে আমার মন। দয়াল তো অনন্ত সাগর, সে দরিয়ার নাইরে কিনার। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – মুহাম্মদ কে না চিনিলে

মুহাম্মদ কে না চিনিলে, ইসলাম মানা হবে না, চিনে নাও সে শাশ্বত রূপ, মুহাম্মদী নিশানা। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – নিতি ফিরে আসি তব চরণে

নিতি ফিরে আসি তব চরণ এ । অনাদী তব আলোক ধামে প্রতিক্ষণে, জিবনে, প্রতি-মরণে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মনরে বারে বারে বলি আমি

মনরে বারে বারে বলি আমি, দয়াল নামটি ছেড়োনা, সে নাম বিনে জগতে আর, মুক্তির উপায় রবে না। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – ষড়িরিপু দশ ইন্দ্রিয়

ষড় রিপু দশ ইন্দিয়ে ভিতর বাহির বাধা রয়, একাদশের দুয়ার খুলে, জাগাও শ্রী রূপ সর্বময়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – দয়াল পূর্ণ শক্তিমান

দয়াল পূর্ণ শক্তিমান, করেন ভক্তেরও রক্ষণ, ঐ চরণ আশ্রয়ে ধন্য, করো এ জিবন। গুরুরূপ আশ্রয়ে রয় বাঁধা যার অন্তর।

সংগীত – মায়াময়ের তরে আনো মায়ার বাঁধন

মায়াময়ের তরে আনো মায়ার বাধন, শ্রী চরণ পানে যেন, থাকে সদা ধ্যান। প্রেমময় দয়ালেরে বাধিও প্রেমে, অনন্ত কালের তরে আপনও ধামে।

সংগীত – যদি পাইতে চাও প্রেমময়

যদি পাইতে চাও প্রেমময়, অনিত্য ত্যাজিয়া আজি চলো নিত্যতায়। ইন্দ্রিয় ছলানায়, কামেরও তাড়নায়, বাঁধা পড়ে আছো জগৎ মোহে।

সংগীত – মুক্তির মূলমন্ত্র দয়াল শরণ

মুক্তির মুলমন্ত্র দয়াল শরন, শ্রী চরণ বিনে নাই পাড়ের কারণ। অন্তর রাজ্যে বসে মায়া বিরহীনি, ধুঁকে ধুঁকে জ্বালে সদা অনল দাহিনী।

সংগীত – তারে পাবি যদি মন

তারে পাবি যদি মন, মনের গভীরে বাধো রাঙা শ্রী চরণ। একই মনের দুটি দিক ভালো আর মন্দে, বাঁধে তোমায় জগৎ মোহে সুখ নিরানন্দে।

সংগীত – শান্তির অমৃত ও রাতুল চরণে

শান্তির অমৃত ও রাতুল চরণে, আশ্রয় লাভে ধন্য করো এ জিবন। ভব সাগরের অনল ভেদী উঠে আসো মন। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমার শ্রান্ত দেহ লুটিয়ে দিবো

আমার শ্রান্ত দেহ লুটিয়ে দিব, তোমার চরণ তলে, দিবস শেষে নিশার মাঝে, রূপ দেয়ালী জ্বেলে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – বীণানন্দিত মোহিত এ ধরণী

বীণা নন্দিত, মোহিত এ ধরণী, সুর সোহাগে আজ বাধা এ রজনী, সুর মোরে শুনাইল প্রাণের কথা, বাহিরে আনিল টানি হৃদয় বারতা

সংগীত – আমি প্রতিনিয়ত ভালোবাসি গো তোমারে

আমি প্রতিনিয়ত ভালো বাসি গো তোমারে। আমি প্রতি দিন গান লিখি, তোমারী সুরে। তোমার নুপুরেরও ছন্দে, নাচি প্রাণানন্দে, ফিরে ফিরে আসি তব স্বরণ বাসরে।

সংগীত – এ কাব্যতীর্থে স্বাগত সকলেরে

এ কাব্যতীর্থে, স্বাগত সকলেরে প্রাণের ভাষায় কথা কহিবারে -নিখিলের আদি প্রাণের দেউলে জ্বালিতে আরতীর ধূপশিখারে।

সংগীত – নিয়ত চরণে তব নিরত এ প্রাণ

নিয়ত চরণে তব নিরত এ প্রাণ, হে প্রভু, হে খোদা, আল্লাহ ভগবান। তব শ্রী চরণও সেবা করি প্রতিক্ষণ, এ তনু-মন-প্রাণ, করে সমর্পণ।

সংগীত – তব দাস হয়ে প্রভু

তব দাস হয়ে প্রভূ, রহিব নিতি আমি, তোমারই রাঙা শ্রী চরণে - আলোতে কি আধারে, নিকটে কি দূরে, সদাই রহিব প্রভু তোমারই ধ্যানে।

সংগীত – অন্তরে দিবানিশি পূজিবো তোমায়

অন্তরে দিবানিশি পূজিবো তোমারে, সঙ্গোপনে মোর হিয়ারও বাসরে। রজনীর চাঁদরে ঢেকে মোর পরিচয়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – জিবন প্রভাতে আসিলে সখা

জিবন প্রভাতে, আসিলে সখা, আধারের বিদারী প্রিয় মরমে আমার, এই দেউলে তোমার পূজার ডালি, স্বরণ রথে প্রভু সাজাবো আবার।

সংগীত – আজ স্বরণ পাড়ের এ কাননে

আজ স্বরণ পাড়ের এ কাননে, জাগে আমার কনক দেউল। নিরাভরন এ হৃদয় স্রোতে, অচ্যুত প্রাণ হয় ব্যাকুল । সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – কেনো দেখা দাও হে প্রাণনাথ

কেন দেখা দাও হে প্রাণনাথ, কেন দেখা দাও না, কেন রহ প্রাণে দিবানিশি সদা, আবার কেন রও না। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – জীবন্ত সরোবর মোহাম্মদী নূর নহর

জিবন্ত সরোবর মোহাম্মদী নূর নহর, সম্মুখে প্রবাহিত রয় নিশিদিন। এ কাওসার পেয়ে সদা, পিপাসা না মিটিলে, কোন জন্মে আর তোমার ফিরিবে সুদিন?

সংগীত – রাধা সম মোর আকুলও পরাণ

রাধা সম মোর আকুলও পরাণ, নিরবধী চাহে ঐ চরণও শরণ। তব কৃপা বারি মোরে করিও দান। সংগীত -লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আমি কি পারি তোমায় ভালোবাসিতে

আমি কি পারি তোমায় ভালোবাসিতে -দয়াল অসীম তব ঐ রূপ তোমার, ধরিতে আঁখিতে। মোর পাপী হিয়া। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – কোন ফাঁদে ফেলিলে মোরে

কোন ফাঁদে ফেলিলে মোরে হয়ে বেদরদী, আনিলে কোন মরন বিধুর স্বরণ সুতার নদী। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – হবি যদি সহজ মানুষ

হবি যদি সহজ মানুষ, গুরু পদে থাকগে পড়ে -গুরুর চরণ ধরে রে মন, গুরুর চরণ ধরে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – ভজবি যদি গুরুচরণ

ভজবি যদি গুরু চরণ, গুরু গঞ্জে করো গমন। নিত্যধামে পরম গুরু, সদায় করে বিরাজন। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – ভবে আশেক যেজন হয়

ভবে আশেক যেজন হয়, তার নামাজ রোজায় নাই ভেদাভেদ, শুধু মাশুক রূপ তার হয় আশ্রয়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – গুরুরূপে দিয়ে আঁখি

গুরুরূপে দিয়ে আঁখি থাকে যেজন নিরালায়, চক্ষু তাহার হয় সুশীতল, মেরাজ হয় তার দীল কাবায়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মাশুকেরই রূপ নিহারে আশেক

মাশুকেরই রূপ নিহারে, আশেক সদায় রয় মশগুল। সালাতুল মেরাজ কয় তারে, আঁখিদ্বয় করতে শীতল। সালাত। লাবিব মাহফুজ। সংগীত।

সংগীত – রাসুল তব তাবেদারে

রাসুল তব তাবেদারে এতায়াতে রাখো মোরে, বাইতুল্লাহর ঐ ফুল বাসরে দয়া করে দাও চরণ - খোদা তুমি রাসুল তুমি মুর্শিদ রূপে নিরঞ্জন। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – দয়াল যদি তোমার মনে লয়

দয়াল যদি তোমার মনে লয়, আমায় একা করে এ সংসারে ঐ শ্রী চরণে দাও আশ্রয়। দয়াল যদি যোগ্য মনে করো মোরে, বাধিয়া লও । লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আঁখি কোনে বাঁধো তারে

আঁখি কোনে বাধো তারে, শ্রী রূপ রাখো হরদমে। দয়াময়ের কৃপাবারি, বইবে তোমার মরমে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – মুহুর্তের বিস্বরণ মোরে কাঁদায়

মুহুর্তের বিস্বরন মোরে কাদায় জন্মান্তর। এ জিবনের সহায় প্রভু, স্বরণও তোমার। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – প্রেমের বাঁধনে মোরে

প্রেমেরও বাধনে মোরে বাধিলে গো প্রেমময়। অনন্ত মায়ারও ধামে, প্রেমরূপে হয়ে উদয়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আজি নিশিথ ও আধারে

আজি নিশিথও আধারে, প্রাণ বন্ধু আমারে, ডেকে ডেকে বলে জেগে আয়, কালের ধারায়। কাল ঘুমে তোর জিবন বয়ে যায়। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – পরবাসের এ বিরহ

পরবাসের এ বিরহ সইবো কত প্রাণে, ডাকি তোরে একা একা আমি নিশিদিনে। কুল হারাইয়া ঘর ছাড়িয়া তোর চরণের তলে - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – বিনা তারের খবর করে

বিনা তারের খবর করে, গুরুরূপে নিরিখ ধর। রূপ সাগরে ডুব দিয়া মন, দায়েমী রে কায়েম কর। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – আজ মরণের বাদ্য বাজে

আজ মরনের বাদ্য বাজে, মোর মরম ও বীনায়, মৃত্যুর অমৃত সুধা মোহ আজ, জাগিতেছে ব্যাকুল নয়নও তারায়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – দয়াল তোমায় পাইবার আশে

দয়াল তোমায় পাইবার আশে, জিবন যৌবন সব ত্যাজিলাম, হারাইলাম কূল ভালোবেসে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – হে প্রাণনাথ দয়াল আমার

হে প্রাণনাথ দয়াল আমার, শ্রী চরণের কাঙাল আমি, এ প্রাণ দাসী শুধুই তোমার। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – ঐ রূপের পাগল হইলাম আমি

ঐ রূপের পাগল হইলাম আমি, যে রূপ নিশিথে হেরিলাম - দয়াল তোর ঐ শ্যামরূপে মোর, জিবন সঁপিলাম। সংগীত - লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – শ্রী চরণও বিনে

শ্রী চরণও বিনে গতি নাই ভূবনে চরণ ছায়া হয়ে প্রভূ, তোমার পেতে চাই। চরণ ছাড়া কোরোনা হে সাঁই। দয়াল গো আমার -চরণ রাধা

সংগীত – শ্যামের আরতী সাঁঝে

শ্যামের আরতী মাঝে হয়ে প্রজাপতি রাই, দিশাহারা মন, কৃষ্ণ অনুরাগে, চঞ্চল আঁখিদীপে, শ্রীরূপ জাগে, আকুলিনী আমি ওগো ছুটিয়া বেড়াই।

কবিতা – হৃদয়ের আকুতি

বক্ষে তোমারে ধরিতে প্রভু হেথায় আসিলাম ছুটে, চিরকালের মোর এ যাত্রা পথে অনন্তের পথে ঘাটে। কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – প্রভাত প্রার্থনা

এ নির্মল প্রভাতও বেলায়, চাহি তব দ্বারে, হে দয়াময় - কর কর দান মোরে ক্লান্তিহীন প্রাণ, বিরাট, বিশাল, বিপুল হৃদয়।

কবিতা – শানে দয়াল মুর্শিদ

নিকুঞ্জ কাননে আজি হেরিলাম প্রিয়ারে, জামালিয়াতে দারাইন, রওশন জামিরে। মাদারেজ তার, খোদায়ী আসরার, হেরী সে অপরূপ, এ দীল

কবিতা – কিটসের অতৃপ্ত আত্মা

প্রদীপ হাতে ফ্যানি ব্রাউন, কবির মৃত্যুশয্যার পাশে, দু চোখে জ্বাজ্জল্যমান ধ্রুবতারা, অন্তিম আকুতি নিঃশ্বাসে। কবিতা।

কবিতা – হার

জ্বালিয়েছিল যে প্রদীপ, মরমে আমার, আলোর দীপ্ত শিখা, জানিনা গো সে দীপ আজ, নিভিল কেনো, কেনো মুছিল নিয়তির লেখা।

কবিতা – ঘুমঘোরে

কে এলে গো ঘুম ঘোরে, আঁখির তারায় রূপ নিহারে, জল ছলছল, করুণ সজল, কি নিদারুণ প্রভাত ভোরে। কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – ডেকে ফিরি যারে

প্রতি রাত এমনি করে, জেগে থাকে যেন প্রাণ, প্রতি প্রহর এমনি আশায়, কেঁদে কেঁদে ফিরে যেন মন। কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – আমার ঘর

আমার তো নেই ঘর, আছে পদ্মার ধূঁ ধূঁ বালুচর। জগৎ আমার, তটিনী পাথার, পায়ে হাটা পথ, বট অশ্বথ তলার - গোধূলী সোনালীকায়, রক্তিম হৃদয় ছায়

কবিতা – জন্মান্তরের পরিচয়

আমি শুনি শুধু যার বেণুকার সুর, গহন দূরের বনে, ডাগর আঁখি মোরে, ডাকে বারে বারে, গভীর তন্দ্রা স্বপনে। কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – স্বপ্ন

অতন্দ্র রজনীগন্ধা জেগে থাকে প্রতিরাত জোছনার প্রতীক্ষায় - ঘুমহারা বিবস মদির নয়নে দীর্ঘ স্বপনে হৃদয়ে জলরঙ ছবি এঁকে যায়।

কবিতা – মাতলামি

পেছন পানে চাওয়া তোমার সরস হিয়ার গভীর ছায়া, উপচে পড়ে হাওয়ার পরে দূর কামিনীর সলাজ মায়া। কবিতা - লাবিব মাহফুজ।

কবিতা – আহ্বান

আমি ডাকি তবু সকলেরে - যে পথে রয় অনন্ত কল্যাণ, আশীষধারা নিরবধী রয় বহমান! এ পথে আসো পথিক ত্যাজি ভ্রান্তি, ত্যাজি কূলমান।

কবিতা – বিদায়

বিদায়ের মালা হতে সুতার বাধন, খুলে দেখি প্রতি ফুলে, বিদায় লগন। যে বিদায় মোরে কাঁদায় নিয়ত, ভাষায় অশ্রুনীড়ে, মালা হয়ে সেই, গলেতে আমার

কবিতা – হৃদয়ের বন্ধন

বিরহের আলিঙ্গনে, পেয়েছি তোমারে, হৃদয়ের গভীরে, নিভৃত নির্জনে। প্রেমময় সুরবনে, ছিলাম দুজনা, ডানা মেলা মুক্ত পাখির মতো, ছিল কত সুর, হৃদয়

কবিতা – নিরবতার স্তবগান

নিশ্চুপ চঞ্চল আঁখির কোণে, এত প্রেম কি করে লুকিয়ে থাকে? প্রজাপতির পাখার মতো, নির্মল বাতাসের প্রতিটি ছোঁয়ায়, নিশ্চুপতায়! শুভ্র মেধের মতো নিরবতা

কবিতা – ব্যাথার বাধন

যে বাধনে বাধা পরে প্রাণ, হৃদয় মাঝে মোর এ বাধন কি অবাঞ্ছিত? বারে বারে মোর সমস্ত অনুভবে, আমার ইন্দ্রিয়াদীর সুক্ষ কম্পন -

কবিতা – অতৃপ্ত চাওয়া

প্রেমময়, এতো প্রেম কেনো দিলে মোরে। জীর্ণ শীর্ণ মোর ছেড়া কাগজের মতোই অন্তর -কি করে রাখবো ধরে? এ যে প্রেম এত যে ভালোবাসা!

কবিতা – প্রাপ্তি

কেন বিধি আমারে, বারে বারেকোন বাসনায়, ফিরাইলে, পাষাণের দুয়ারে? নির্জিব অক্ষম, ধরার ধুলায় করিলে এ হৃদয় কোন ছলনায়

কবিতা – মুক্তি

তোমার মুক্তি! সেতো আমার জীবনের বিনিময়ে! অদৃশ্য, অস্পৃশ্য যে বাধনে বাধা তোমার সর্বময় - মুক্তি! সে তো হতে পারে না ছলনামাত্র - এ হৃদয়ে

কবিতা – কবর

অবহেলে সে ধন বিসর্জিতে, আজো পারিনি আমি, কবরের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে নিশিদিন। হৃদয়ের গহীন হতে উৎসারিত আবছা আলোয় -

কবিতা – প্রাণের বাঁধন

প্রাণের এ বাধন, পারবিকি এড়াতে পারবিকি কখনো, অবহেলে মোরে ভূলে যেতে? তোর প্রতিটি ভঙ্গিমায়, প্রতিটি শ্বাস-প্রশ্বাসের নিরব দান।

কবিতা – প্রতীক্ষার অবসান

অস্পষ্ট সে প্রতীক্ষা, কল্পিত সুন্দর, স্বাধীনতার জন্য। চাইনা আমি! হোক চির অনন্য সে মহিমা! যা প্রতীক্ষার বেড়াজালে বন্দী!

কবিতা – জ্যোতির চ্ছটা

অন্ধকারে নয়, নয় কল্পনার সুউচ্চ অসম্ভব কোনো পরিচয়! এতো ধ্রুব সত্য! যা দেখেছি আমি আমার প্রতিটি শ্বাস-প্রশ্বাসে! কবিতা।

কবিতা – প্রায়শ্চিত্ত

প্রেম যদি হয়ে থাকে এমনই -অশ্রুজলে লিখা একটি কবিত মাত্র! তবে সে প্রেমকে চ্ছিন্ন কাগজের মতোই ছুড়ে ফেলতে চাই ডাস্টবিনে!

কবিতা – অজানা সুখ

হঠাৎ দেখার মাঝে, যদি থেকে থাকে এত দগ্ধ দীর্ঘশ্বাস, তাও আলাপহীন, হয়নি চোখে চোখে আলিঙ্গন! তোমার আঙ্গুলে মেহেদী পাতার রং, দেখেছি দূর থেকে -

কবিতা – বঞ্চিত প্রেম

এইযে প্রেম! হৃদয়ের গহীন হতে উৎসারিত, চির সত্য! তবুও যে অবুঝ প্রাণ! কেন করে ছলনার খেলা, করে সারাক্ষণ নিশ্চুপ ক্রন্দন!

কবিতা – ফানাফিল্লাহ

হে মূঢ়, হে অজ্ঞান, জন্ম-অন্ধ! অতি নির্বাসিত অভাজন! ছাড়ায়ে রাখিছ আপন স্বত্ত্বা, ত্রিজগৎ হতে, ভুলিয়া আপন পরিচয় তোমার, চড়িয়াছো কু-রথে!

কবিতা – শ্যামার্ত প্রাণ

অনন্ত কোটি ব্রহ্মান্ড সকল, সৃষ্টি আদি, শুণ্য-জল-স্থল, সর্বতটে, সর্ব ঘটে -প্রকাশিছ হে রঘুপতিরূপধারিন - হে অনন্ত প্রাণ।

কবিতা – দর্শনে স্বরণ

করুণা দুয়ারে তব, হেরি দাড়ায়ে তব দয়া বৈভব, বিভূতি তোমার দয়ার গুণে, রহিছে বিশ্বমাঝে, উড়ায়ে তব করুণা কেতন, প্রকাশিছ প্রেম লীলা সকাল দুপুর সাঝে।

কবিতা – লুকায়িত ব্যাথা

আজি অবিরাম বর্ষনে মোর আকুল পরাণ, আর্দ্র জানালা পানে খুলিয়া ব্যাকুল নয়ন - স্নানরত প্রকৃতির মতই সহসা, ভিজিল আবেশে মন, প্রাণেরই বরষা।

কবিতা – প্রভাতের ডাক

তিমির রাত্রি পোহাইছে সবে, কালঘুম আঁখি ছাড়ি সরিয়াছে যবে, নয়ন মেলিয়া চাহিয়াছে কবি, নব রঙে রাঙা জগৎও ব্যাপিয়া, শ্রুভ্র দিবাকর

কবিতা – প্রাণের গান

মুক্তকন্ঠে গাইবো আমি আমারী প্রাণের গান। মুক্তকন্ঠে বলবো আজ, আমি চির উন্নত মহীয়ান। নূতন প্রাণ স্পন্দন মম বক্ষে, ত্যাজিয়ে অমূর্ত নিত্যহীনতা

কবিতা – হৃদ বাসনা

দেখিতে চাহি সে ধাম, যেথা রয়েছে মোর প্রভু দয়াময়ের ‍সুমহান আরশে আজীম। যেথা রয়েছে জাত ইজ্জাতের নুরময় মোকাম - দেখিতে চাহি সে ধাম।

কবিতা – অমৃতের পথে

প্রেম পিয়াসী আকুল হৃদয়, তব নাম গাহে দিবস শর্বরী! তব নামও সুরে, প্রেমও ডোরে বান্ধিয়া এ প্রাণ, ঢালিব তব পদতলে, হৃদয় অর্ঘ্য উৎসারি।

কবিতা – পরোপকার

আজ বিকেলে হঠাৎ বাগানে চোখে পড়লো একটি ফুল। মৃদু হাওয়ায় ফুলটি দুলছিল -বাগানে ঢুকে মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম ফুলটির দিকে।

কবিতা – প্রতিক্ষিত লগন

যদি কোন দিন, আসে শত প্রতিক্ষিত সে ক্ষণ, গোধূলীর সুবর্ণচ্ছটায়, আবির রাঙা রক্তিম আভায় -বেদনা বিধূর ভাটিয়ালি সুর

কবিতা – স্ব-কীর্ত্তন

আজকে আমি বন্ধনহীন, খুঁজে পেয়েছি আজকে আমি আমারি সকল ধন। রক্তিম উষা আভার মতো, অযত্নে যার পূনরাবৃত্তি প্রতিনিয়ত -

কবিতা – নিত্যমুরতী

আজি গোধূলী লগনে, আনমনে চঞ্চলা নয়নে, শ্রান্ত পা দুখানি মেলে -বসেছিলাম কৃষ্ণচূড়ার তলে। কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – বিমূর্ত প্রেম

ফাগুনে আজি ক্লান্ত দেহে, উদভ্রান্ত মনে, কোন পিপাসায়? জোনাক জ্বলানো বাসরে আজি, আফ্রিদিতি! সেকি বিহঙ্গ সাজি। কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – স্মৃতির খাতা

হে স্মৃতির খাতা তুমিতো আমার শত্রু নও,তবে কেনো সেই পুরনো ব্যাথাগুলোকে বার বার এ হৃদয়ে জাগাও? কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – প্রেমময়ের প্রেম

হে চির উন্নত, চির প্রশান্ত, তব বাণীরে ভেজিলে কল্যাণ মন্ত্র করে, বঞ্চিত বন্দী অভাগীর তরে। কহিলে ডাকি খুঁজিস কারে নগর বন্দর ঘুরে?

কবিতা – পরিচয়

চির সুখী সদা আমি বাস করি শান্তি নীড়ে, নিভিয়ে মোম হাতড়ে বেড়াই আধারে আপনারে। কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – আলোক পিয়াসী তরণী

এ হেন হৃদয় তান, বাজুক সদা, ভরিয়া হৃদয়মূলে চির বৈভব বিতান। এ সুরও আশে, সারাটি জনম, গড়েছি কত যতনে, গড়েছি হৃদয় কত সে আশা, কত বাসনা বিহনে।

কবিতা – দীপ্তিমান তারুণ্য

দেশের ক্রান্তি লগ্নে আমি তরুণ সবুজ প্রাণ, গাইবো আমি দৃঢ় কন্ঠে তারুণ্যের জয়গান। কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – বঞ্চিতের মরমবেদনা

বঞ্চিতের আঁখিজল, যায়না বৃথা, সে হাহাকার -উঠে আসে এক ধ্রুব গহ্বর হতে, যেথা পৌঁছেনা অন্নজল। সে হাহাকার ভাসে কম্পিত বয়ানে

কবিতা – প্রেমানন্দ গাহনে

মম মানস আরতী, বিছায়ে পলে পলে, গড়ি রাজপ্রাসাদ -রজতাসনে বসে, ধীর স্থির আমি, বুনি মনে মনে, কত সুর কল্পিত ব্যাথা সম।

কবিতা – পৃথীবির সাথে সম্পর্ক

হে পৃথীবি, তুমি আমায় কি দিয়েছো? তুমি আমায় দিয়েছো ব্যাথা, আমার চারধারে বাড়িয়েছ শত্রু। তোমার জন্যই সমস্ত ব্যাথাগুলো ঘিরে রেখেছে আমায়।

কবিতা – প্রেম প্রার্থনা

প্রেম দাও মম তরে, তোমার সৃষ্টিরে ভালোবাসিবারে, ত্যাজিয়ে ভেদ পাইতে তব করুণাধারা । দাও প্রেম, সকলেরে আপন করিবারে।

কবিতা – আকাশের ডাক

আকাশ আমায় ডাকে, ভোর আকাশের শুকতারাটি হতে। ফ্রান্স বাবিলের শত নাবিকের নয়নের পাহাড়ায়, সত্যের হাওয়ারী, দিগন্ত সওয়ারী, হতে এ জীর্ণ ধরায়।

কবিতা – পাপ আশ্রয়

নয়ন মেলিয়া দেখি যতই বিস্তৃত রূপাধার, অনাহত পূজা পুষ্প সম সবই প্রতীক নির্মলতার। কবিতা - পাপ আশ্রয়। লাবিব মাহফুজ

কবিতা – পরাধীন দেহে স্বাধীন সত্ত্বা

বড়ো ব্যাথিত আমি, মম অধঃস্পষ্ট কোনো এক সত্ত্বা, যার অবস্থান আমার মাঝেই, যার লিপ্সা একমাত্র আমার অশ্রুতে। কবিতা।

কবিতা – প্রেম সকাশে

আসবে এমনও দিন, যেদিন মোর হৃদপদ্মে প্রিয় হইবে মূর্তমান। দ্বাদশ দল মাঝারে বাজিবে রাধা রাঙা চরণ, প্রিয় আসবে এমনও দিন।

কবিতা – বিপরীত অর্ঘ্য

আধার প্লাবনে হে আলোধারী, ধ্বংসস্তুপে হে উদ্দাম অভিসারী, নিষ্ঠুর তুমি, শুধু চাহনীতেই ক্ষান্ত, বুঝি পুরনো অতীত সংস্কারে তুমি শ্রান্ত! কবিতা।

কবিতা – অন্তপানে

চলেছি অন্তহীন মায়াবতী তীরে, পদ্মা ইছামতী শত ধারা দিয়ে পাড়ি, জীর্ণ একখানি ছোট নৌকা করে, নৌকা সেতো ঢুলি ঢুলি, পড়ি পড়ি!

কবিতা – অসমতা

বড়ো ব্যাথিত লজ্জিত আমি, হেরিয়ে কপট বাস্তবতা, অনাকাঙ্খিত সব বাধ্যতামূলক আজ, মনে জাগে আলো বাতাসে নরক স্পর্শতা। কবিতা।

কবিতা – কল্পনা

আজি ওগো প্রিয়া তুমি মোর, সঘন আষাঢ় রবষণে, নিশিথ সুর। গভীর মায়াবী নিশি, স্নিগ্ধ আলোকময় সাজে, বিন্দুস্ফুটিত বৃষ্টিজল! স্বচ্ছঢলে ঐক্যতান বাজে।

কবিতা – নিত্যরূপ

হে বসুন্ধরা, স্তব তোমা তরেহে শ্রীধারী, শির নোয়াইনু তোমা পরে।তুমি কোন লীলায়, এমন জ্যোতির্ময়সর্বাঙ্গ তব পূর্ণ, চির সুন্দরতায় - কবিতা।

কবিতা – চির সুন্দর পানে

আজি গোধূলী বাসরে, কর্মহীন প্রায় পরিত্যাক্ত আমি চরাচরে। ভ্রমিনু একা একা পদ্মা তীর ধার, নিমন্ত্রনহীন আগন্তুক যেন, এলাম আনমনে কি জন্য হেন

কবিতা – বাংলার তরে

আজি এ নিরব দুপুরে, নির্জন বাতায়নে, বসি একা একা দেখছি চাহিয়া, সূদুর আনমনে। কবিতা - বাংলা। লাবিব মাহফুজ

কবিতা – স্তব

মুক্তি চাহি আমি এ ত্রিতাপ জ্বালা হতে। হে বসুধাপতি, দিও বল মোরে কুৎসিত ত্যাজিতে! দিও শক্তি। কবিতা - স্তব। লাবিব মাহফুজ

কবিতা – প্রেমদানে

আজিকে সারাবেলা রিমঝিম রবে, ঝড়িল বৃষ্টি মায়াবী ছন্দে, মাতিল সহসা হৃদয় মম, শব্দমদে নৃত্তকৃত মরম আনন্দে। লাবিব মাহফুজ

কবিতা – সত্যপ্রাপ্তি

গভীর রাতে, পর্দা সরিয়ে বসেছিলাম, খোলা জানালাতে! ঝির ঝির মৃদু হাওয়ার কোলে, সৌরভস্নাত, উদ্ভাসিত, নয়নতারার আঁচলে।

কবিতা – অকূল নিমিত্ত প্রাণ

অনন্ত কাল, আমি এভাবেই দাঁড়িয়ে থাকবো -ডানে সপ্তসর্পিনী, বামে বিষবৃষুল কারাগার, স্থির, অদৃশ্য, ধ্যানমগ্ন আমি! মস্তক অজয় বিহার!

কবিতা – প্রলয়শিখা

চির অধীর চিত্তে মম বৈরাগ জীবনের, কুণ্ঠিত আমি। বঞ্চিত অসম পিয়াসী এ মন, সঞ্চিত সব ব্যাথা সুনিবিড়, আবদ্ধ গৃহকোণ -ত্যাজিয়া সকল গোলক সম -

কবিতা – প্রভাতী আযান

মুয়াজ্জিনের কন্ঠে শোনো প্রভাতী আযান, ঘুমের চাইতে নামাজ উত্তম বলছে মুয়াজ্জিন। মধুর কন্ঠে ঘুমে অচেতন। কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – অব্যক্ত তৃষ্ণা

কেন এলাম এ ক্রান্তি লগনে আজ, যে লগনে নেই কোনো মূল্য সে আবেগের - ভরা সন্ধ্যায় বাঁশ বাগানের মাথায় জেগে ওঠা সে চন্দ্রের

কবিতা – সাফল্যের আলিঙ্গন

বিপদকে সব তুচ্ছ করে, এগিয়ে যাবো সামনে, যতই আসুক বাধা ও ঝড়, মানবোনা হার এ জীবনে। কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – প্রিয় কবি নজরুল

সাম্যবাদী নজরুল তুমি আমার প্রিয় কবি, রিক্তের কান্না বুঝেছ বলেই, তোমায় ভালোবাসি খুবই। কবি নজরুল। কবিতা -লাবিব মাহফুজ

কবিতা – সন্তান

আজিকালের এই ক্রান্তি লগনে, নির্ভিক সাহসী যে বীর, মুক্তি দিতে এই জীর্ণ ধরারে, ঝড়াও রক্ত তব শ্রীর। জাগিয়াছো আজ সন্তান হয়ে দুঃখীনি সেই মার

কবিতা – সংগ্রামী সন্তান

তোমারী স্বাধীন শীর,ম উচ্চে তুলে ধর, যথার্থ সন্তান তুমিই যথার্থ বীর। কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – স্বাধীনতা

স্বাধীনতা তুমি এলে কিভাবে বাংলার ঘরে ঘরে, তোমারী পরশে আজকেও মানুষ, কেনো না খেয়ে মরে? পরাধীন জাতি। কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – উত্তরাধিকারী

বলি আমার বাংলা মায়ের প্রতি, কোথায় সেদিনের ঐশ্বর্য তোমার, কোথায় সে সুখ স্মৃতি? কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – জাগরণ

আছি আমরা কোথায় দাড়ায়ে, জানোকি মুসলিম ভাই, উত্তরণের জন্য তোমার সচেতনতা চাই। কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – মাওলা আলী আ. (সনেট)

ইসলামের মহা কান্ডারী হও তুমি, আল্লার সিংহ হয় উপাধি তোমার, আল্লাহ ছাড়া কারেও করোনিকো ভয়, বিরত্বে বিশ্ব মাঝে তুমি যে অমর।

কবিতা – শান্তির জয়

আমরা মুসলমান, দশ দিগন্তেই উড়বে মোদের বিজয় নিশান! কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – নতুন রূপ

দিনের পরে রাত গেলো, গেলো বর্ষাকাল, এখনো তো দেখলামনা, হিজল কদম ফুল! কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – সাম্যের প্রদীপ

তুমিও মানুষ আমিও মানুষ, একই খোদার সৃষ্টি, তোমার আমার বিভেদ দেখো, কেমন তোমার দৃষ্টি। কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – পদ্মার তীর

বিকেলে যাবে কি ভাই, সাথে মোর চলো যাই ঐ পদ্মার পাড়ে, ঝাকে ঝাকে যেথায় রুপালী ইলিশ, স্রোত কেটে কেটে ফিরে। লাবিব মাহফুজ

কবিতা – মৃত্যু

যখন আমি এ পৃথীবি ছেড়ে চলে যাবো, জিবনের মতো! শেষ দেখা হয়তো তাকে দেখে যেতে পারবো না। কেউ কি তার কানে কানে বলবে, আমি আর নেই!

কবিতা – স্বার্থক জিবন

আমার দেশের তরে, জীবন দিতে বলি, প্রস্তুত আমি! ‍যদি আসে ডাক! কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – নন্দিত অলিন্দে

পাজর ভাঙ্গা বৃদ্ধ নও, তরুণ তুমি ওগো, মুক্ত কালের মন্ত্রনাতেই, আজকে তুমি জাগো। কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – বাঙলার গান

এই পবিত্র বাঙলাদেশ, আমাদের, বাঙালীর। যতক্ষন আছে প্রাণ, এ দেহ এক মন, গাইবো সারাক্ষন, স্তব বাঙলার। - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – তারুণ্য

উদ্দিপ্ত তারুণ্য আছে শুধুই তোমার মাঝে, ক্ষাত্রঃশক্তি জাগ্রত করতে, তোমাকেই সাজে। লাবিব মাহফুজ

কবিতা – আগমনী

আমি আসছি, খুব শীঘ্র আমি আসছি -অন্যায় অনাচারের বুকে করতে পদাঘাত, আমি আসছি, জোর আর জুলুমকে, করতে ভূমিসাৎ। - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – দুরন্ত আবেগে

আসুক যতই বাধা আর ভয়, বিপদ সংকুল পথে, দুর্জয়ে করবো জয়। - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – সে তো নেই

বৃষ্টিস্নাত রাতে, দুটো জানালার মধ্যেে একটা জানালা খোলা ছিল! টেবিল ল্যাম্পটা জ্বালিয়ে, বসেছিলাম। বৃষ্টির ছোট ছোট ফোঁটাগুলো গায়ে লাগছিল।

কবিতা – চৈত্র দুপুর

নিঃশব্দে বসে আছি,মাঠের মাঝের বিশাল বট গাছের নিচে। নিঃশব্দে ঐদিকে চেয়ে আছি, সব যাতনা ভুলে। লাবিব মাহফুজ

কবিতা – যুদ্ধ

যুদ্ধ নয় যুদ্ধ নয়, করি শান্তি কামনা, কি দেয় যুদ্ধ মোদের, ব্যতিত যাতনা। জয়ী হলেও কষ্ট থাকে হৃদয় ও মাঝারে - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – সেই দিন

সেই দিন, এই শতদিন, মেলাতে পারিনা একটি দিনও, যেন সংজ্ঞাহীন। লাবিব মাহফুজ

কবিতা – শ্রাবণ

শ্রাবণ এর জলধারা বারবার ঝড়ছে, খাল বিল ডোবা নালা পানিতে ভরছে। বিরাম নেই জলনৃত্তের থেমে একটু থেমে - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – গরীবের মুখের অন্ন

দুমুঠো ভাত, একটু কাপড়, থাকার জায়গা, অন্ন আধো মুখের, দু বেলা খেতে পায় না, ওদিকে, সন্তান বড়লোকের শিশু পার্কের রঙিন দোলনার দোল খেতে ওরা চায় না।

কবিতা – নিষ্ঠুর কবর

কাঁদছে নবী মায়ের ধারে, দেখাও মাগো আমার বাবারে, একদিনও তো পেলামনা তাঁর দেখা, খোঁজ খবরে পাইনা তারে, এথায় রেখে আমাদেরে

কবিতা – কল্পনা

যখন আমি পড়তে বসি বইয়ের পাতার ফাঁকে, ডানা মেলে জাপটে ধরে কল্পনা আমাকে। যখন আমি ভূগোল পড়ি, চাই ভূগোলবিদ হতে..... কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – স্বাধীনতা

স্বাধীনতা তুমি জীর্ণ পৃষ্ঠায় লিখা একটি কবিতা, স্বাধীনতা তুমি টাকার জন্য বাবার কাছ সন্তানের ভনিতা। - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – মদিনা থেকে মক্কা

ইসলাম প্রচারের দায়ে, দেশ হতে দিলো তাড়ায়ে, ঠাঁই পেলো গিয়ে মদিনা য়, ইসলাম প্রচারিল সত্য সু-প্রতিষ্ঠিল সেখানে অনেকগুলো বছর কেটে যায়।

কবিতা – দুঃখ সাথী

জন্মিলে বাবাহীন, ছ’বছরে মাতৃহীন, পালিলো দাদা মুত্তালিব, আট বছরে দাদাহীন, দুঃখ সঙ্গী সারাদিন, ঠাঁই দিলো চাচা আবু তালিব।

কবিতা – মুহাম্মদের আদর্শ

চলিতে লাগিলেন -উত্তপ্ত মরুময় দুর্গম শুষ্ক পথে। চলিতে লাগিলেন -নির্ভীক সাহসীকতায়, সত্যের প্রদীপ হাতে। - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – মুহাম্মদ রাসুল

হযরতে মুহাম্মাদ আমার প্রিয় নবী, দিবানিশি অন্তরে আঁকি তোমার ছবি। হে রাসুল। কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – আল আমিন

হযরতে মুহাম্মাদ আল্লার রাসুল, দুনিয়ার কেউ নয় তাঁর সমতুল। কবিতা - লাবিব মাহফুজ

কবিতা – বিশ্বনবী (সনেট)

হযরত মুহাম্মাদ আল্লার রাসুল, বিশ্বনবী এবং ছিল মহামানব, দুনিয়ার পরে সত্য জাহির করলো, হেরে গেলো যত ছিল জালিম দানব।

কবিতা – ইচ্ছা

আমি হবো একজন বিখ্যাত কবি, মানসপটে আঁকবো আমি সারা বিশ্বের ছবি। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – বিষ্ময় ভরা চেহারাখানি তব

বিষ্ময় ভরা চেহারা খানি তব, অপরূপও রূপে মোর মুগ্ধ নয়নে, খুলে যবে মোর, নয়ন পাতা, অপলক, ব্যাপ্ত দেখি অনিমেষে, আনমনে।

সংগীত – সাধনও আরতী পরে মোর মানস মুরতী

সাধনও আরতী পরে মোর মানসও মুরতী, করিয়াছি খাড়া মোর প্রিয় স্বরূপে। ধিয়ানে সে অপরূপ, প্রশান্ত রূপে। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – কুসুমিত মোর প্রণয় চিত্তে

কুসুমিত মোর প্রণয় চিত্তে, হে প্রিয় রাখো তব রাঙা দু চরণ। তব প্রেম রূপ রহে যেনো নয়নও পাতে, যেন দৃষ্টিপথে প্রেমও ‍বৃষ্টি, ঝড়ে অনুক্ষণ।

সংগীত – কি করে কাঁদায় বলো

কি করে কাঁদায় বল, যারে এতো ভালোবাসি, দরদীয়ার নিষ্ঠুরতায়, কেঁদে কাটে সারানিশি। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – প্রাণে আমার একি দারুণ জ্বালা

প্রাণে আমার একি দারুন জ্বালা, প্রেম অনলে মোর অঙ্গ জ্বলে, গলে বিরহ মালা। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – খুঁজি তোরে দৃষ্টিপথে

খুঁজি তোরে দৃষ্টিপথে, সৃষ্টি ব্যাপী চরাচরে, অনন্ত রূপে লীলামাঝে, প্রেম স্বরূপে সংসারে। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – নয়নে লাগে যারে

নয়নে লাগে যারে, চায়না মন তার দোষ ‍গুণ বিচার, থাকে ঐ রূপ নিহারে। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – কেমনে চিনিব তোরে

কেমনে চিনিব তোরে, এ সংসারে কোন সে রূপ তোর, খুঁজিবো কোন চরাচরে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আশার প্রদীপ জ্বেলে আমি

আশার প্রদীপ জ্বেলে আমি, বসে আছি কূলে, তোমার বাদাম তোলা রূপ কাঠের নায়, নিবে আমায় তুলে। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – ঘোর তরঙ্গে সে নিদান বেলায় রে

ঘোর তরঙ্গে সে নিদান বেলায় রে, যেদিন আমার দুইকূল হবে অন্ধকার, সেই ঘোর সংকটে মুর্শিদ আমায়, মাঝি হয়ে কইরো পার।

সংগীত – সকল বেদে প্রণব, আকাশে শব্দ

সকল বেদে প্রণব, আকাশে শব্দ, শ্রীরূপ বাসুদেব, আশ্রিতের আশ্রয় -স্বরূপ রূপে বর্তমান, ভক্তিতে প্রণয়। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – যে প্রেমে মোর হবে প্রণয়

যে প্রেমে মোর হবে প্রণয়, হৃদ বাসরে ফুলশয্যায়, অসীমও মোর চিত্তাকাশে, প্রেমের আশ যে হয় উদয়। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – পাষানে বেঁধে এ প্রাণ

পাষানে বেঁধে এ প্রাণ, আর কতদিন, কতকাল সইবো নিরবে যাতনা। তব প্রেমের দায়ে পায়ে পায়ে, পাইলাম লাঞ্ছনা। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – দুঃখে ছাওয়া ভব মাঝে

দুঃখে ছাওয়া ভব মাঝে, পাব নাকি সুখের ঠাঁই, পাষাণ বন্ধুর লিখন বুঝি, কপালে সুখ নাই। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – বিরহ অনলে রে বন্ধু, জ্বলি নিশিদিন

বিরহ অনলে রে বন্ধু, জ্বলি নিশিদিন আর কত কাঁদাবি আমায়, ঝড়াবি নয়ন।

সংগীত – কেনরে হইলি বন্ধু এতোটা পাষান

কেনরে হইলি বন্ধু এতোটা পাষান, আর কতো পুরাইবি মোরে, দিবি জ্বালাতন। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – অন্তহীন কোন সূদুরের পানে

অন্তহীন কোন সূদুরের পানে, চেয়ে আছি অহর্নিশী, আকুলও পরাণে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – দোসর বিহিন একেশ্বরে

দোসর বিহিন একেশ্বরে, ছিলেন যখন পরোয়ারে, নিরূপে রূপ নিরাকারে, মহাশুণ্যে অবস্থান। এস্কে হয়ে মাতোয়ারা, আপন রূপ করলেন সৃজন। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আপন ও জ্যোতিতে আপনও ফিৎরাতে

আপনও জ্যোতিতে, আপনও ফিৎরাতে, গঠলেন সাঁই রাব্বানা আদমও অজুদ, অনন্ত অবতার প্রভু, আদমে মজুদ। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – এ কেমন মায়া ডোরে

এ কেমন মায়াডোরে বান্ধিলে আমারে, আমার দেহ মন প্রাণ পড়লো বাধা, তোমার প্রেমের রশি ধরে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – ওরে বন্দী হইলাম মায়া জালে

ওরে বন্দী হইলাম মায়া জালে, কি হবে শেষেরও কালে, বৃথা কাজে কাটাইলাম জিবন ওরে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – অধম গুনাহগার মা গো সন্তান তোমার

অধম গুনাহগার মা গো, সন্তানও তোমার, নাছুতও দরিয়া মাগো, তরীতে করিও পার। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – অনাদী অনন্ত কোরান

অনাদী অনন্ত কোরান, চিন তাহার বর্তমান, ইনছান কোরান না চিনিলে, হবে না সাধন ভজন। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – কি নিষ্ঠুর ও সাজিয়ারে বন্ধু

কি নিষ্ঠুর সাজিয়ারে বন্ধু, প্রাণে দিলি জ্বালা, তোর প্রেম অনলে ধূকে ধূকে, পুড়ে হইলাম কয়লা। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – ওরে আপন ঘরে নিত্য রূপে

ওরে আপন ঘরে নিত্য রূপে রয়েছে পাক পরোয়ার, খুঁজে দেখো নিত্যের খবর, নিত্য মাঝেই জগৎ সার। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – কি প্রেমের বাঁশি বাজাইলে

কি প্রেমের বাঁশি বাজাইলে আজমিরে এসে, ভক্তজনের আকুল প্রাণে, নূর নূরানী তখতে বসে। সংগীত ‘খাজা বাবার শান’ - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – নাছুত ও সাগরে রে দয়াল

নাছুত সাগরে রে দয়াল, আছি বিপাকে। ডাকি তোমায় অহর্নিশি আমায়, যেওনা রেখে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – কত আশা বান্ধিয়া পরাণে

কত আশা বান্ধিয়া পরাণে, আমি নিশিদিনে ডাকি দয়াল, রই চাহিয়া তাঁর পথপানে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – দরদীয়া রে, মরমে আসিয়া আমার

দরদীয়া রে, মরমে আসিয়া আমার বইসো সিংহাসনে। আমি নয়ন জলে পা ধুয়াইবো রে তোমায়, রাখিব যতনে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – এরাদা করিল আহাদ

এরাদা করিল আহাদ দেখিবে নিজেরে, সেই মানসে, আহমদে, আসিলে স্বাকারে। - সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আল্লাহ তে ওয়াছেল হয়ে

আল্লাহ তে ওয়াছেল হয়ে, লীলা করো ত্রিভূবনে, শক্তি নাই মহিমা গাওয়ার, রাসুলাল্লাহ তোমার শানে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – খোদা র ঘরে যাবি যদি

খোদা র ঘরে যাবি যদি, পবিত্র বাণী করে সার, তোর ভয় রবেনা কোনো কালে, দেহ হবে মোকাম মাওলার। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – ঈমান ও আমানে তুমি

ঈমান ও আমানে তুমি, রাহমাতাল্লিল আলামিন, ফানাফিল্লাহ হবে জাতে, তোমাতে হলে বিলীন। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – কত যতনে বাধানো এ সুর

কত যতনে বাধানো এ সুর, বাজিছে মোর হৃদয়ও বীণারও মাঝে। ডাকিছে শুধু যে তোমায়, চাহিছে শুধু যে তোমায়, বাদলও শ্রাবণও সাঝে।

সংগীত – অবুঝ মনরে

অবুঝ মন রে, কি কার্য তুই করলি ভবে, পারের ও লাগিয়া। যেদিন ডাক আসিবে যাইতে পারে, সেদিনের কথা ভাবিয়া। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – দাড়ায়ে নরক দ্বারে

দাড়ায়ে নরক দ্বারে, কোন অনলে করি ভয়, আগুন যে মোর নিত্য সাথী, ভালো লাগে নরক আশ্রয়। - সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আজিগো মধূরও ময়ূরও সিংহাসনে

আজিগো মধূরও ময়ূরও সিংহাসনে, হে প্রিয়, রাখো তব রাঙা দু চরণ, তব চরণও তলে মোর, মানসও প্রদীপ, জ্বালায়ে দেখি প্রিয়, প্রেমও পুষ্পানন। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – তোরা কে নিবি প্রেম আয়রে আয়

তোরা কে নিবি প্রেম আয়রে আয়, দয়াল চাঁন মুর্শিদ আমার, মদিনার ঐ ধুলায় বসে, বেলায়েতের প্রেম বিলায়। - সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আজি শ্রাবণের শীতল পরশে

আজি শ্রাবণের শীতল পরশে, হৃদয়ের বদ্ধ দুয়ার, যেনো খুলে যায়, একাকী পরাণ আমার ছুটিয়া এসে, কারে যেন প্রিয়া ভেবে জড়াইতে চায়।

সংগীত – আজি প্রেয়সী আমার

আজি প্রেয়সী আমার গোধূলী বাসরে, এসেছিলে প্রেমও সাঝে, নেঁচে বেণু সুরে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – এ ঘন নিকুঞ্জ মাঝে

এ ঘন নিকুঞ্জ মাঝে, গাহিছে বুলবুল, হে রাসুল, তোমারী শান, হে মরুর বকুল। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – অপরূপও তব রূপে

অপরূপও তব রূপে, অনন্ত রূপ দরশন, মুর্শিদ তব চরণ তলে, অভাগার সাধন ভজন। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – হে অনন্ত রূপময়

হে অনন্ত রূপ ময়, রূপ দর্শনে মোর আকুল পরাণে, উঠে প্রসন্নতা উৎসারী - চির প্রাণারাম শঙ্খ পদ্ম গদা চক্র, চতুর্ভূজধারী।

সংগীত – ভব মাঝে গুরু বিনে

ভব মাঝে গুরু বিনে পারের উপায় নাই, পারঘাটাতে দয়াল হরি, পাপীরে লইও ত্বরাই। - সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – শ্রী কৃষ্ণ চৈতন্যের চরণও কমলে

শ্রী কৃষ্ণ চৈতন্যের চরনও কমলে, পুজা অর্ঘ্য বিছাইলাম, প্রেমানন্দ মূলে। হে গোবিন্দ সদানন্দ হরি নামেতে নিতাই, গোঁরাচাঁন্দের - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – ভাবি তোমায় দিবানিশি

ভাবি তোমায় দিবানিশি, লয়ে বুকে হরিনাম, শ্রী গোবিন্দ প্রেমানন্দে, পুরাও মম মনষ্কাম। - সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – দিব্যকান্তি ললাটে তব

দিব্যকান্তি ললাটে তব, প্রেমবহ্নি ওঠে উজ্জলি - আকাঙ্খানৃত্ত মত্ত মরম মম, চাহে সে পথে বিসর্জিতে, বাসনাগুলিকে দিতে জলাঞ্জলি। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – মাতিয়ে এ প্রাণ, ওহে ভগবান

মাতিয়ে এ প্রাণ, ওহে ভগবান, লুকায়ে লুকায়ে কেন কর খেলা মোর সনে, অবলারে দিয়া আঘাত কি সুখ তুমি পাও মনে। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – ভবে আসছি আমি কেনো দয়াল

ভবে আসছি আমি কেন দয়াল, পাঠাইছো কি কারণে, না বুঝে সেই রহস্য আদি, কান্দি বসে ঘোর তুফানে। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – মন পাখিরে, মায়া ছেড়ে

মন পাখিরে - মায়া ছেড়ে আস তোমার আসলও নীড়ে। ধোকায় পড়ে না চিনলে সে ধন, তোর জিবন যাবে আধারে। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আমি চিনলাম না আমারে

আমি চিনলাম না আমারে, পরিচয় কি আমার, জানলাম না এ সংসারে। - সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – জন্মান্ধের মতই কাটালি জিবন

জন্মান্ধের মতই কাটালি জিবন, নয়ন খুলে চাইলি না - ভব জিবন কাটলো বৃথায়, কাল ঘুমে আর থাকিস না। - সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – হাতের কাছে রেখে সে ধন

হাতের কাছে রেখে সে ধন, খুঁজি কেন বিশ্ব ভরে, আমাতে রয়েছে যে জ্ঞান, তুলনাহীন চরাচরে। - সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – পূর্ব পশ্চিমে নাইরে মাবুদ

পূর্ব পশ্চিমে নাইরে মাবুদ, নাই নিচে উপরে, সবর্দা মোর সঙ্গে প্রভু, ও সে আমারও অন্তরে। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – কেটে যায় দিন রজনী

কেটে যায় দিন রজনী, সাধন বিহনে - আমার এভাবেই কি কাটবে জনম, গুরু কৃপা বিনে। - সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – খবর নিও দেহ তরীর

খবর নিও দেহ তরীর, গাফেল হয়ে থেকো না, সাধনার ধন কত নিকটে, দূরে ভাবলে পাইবে না। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – প্রেম সাগরে দেখলাম ডুবে

প্রেম সাগরে দেখলাম ডুবে, নাই সেথা তরঙ্গ ভয়, আত্মায় আত্মায় হইলে মিলন, মহাপিরিত তারে কয়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – চরণে মোরে কইরো কাঙাল

চরণে মোরে কইরো কাঙাল, চাইনা কোন ধন - আমার ভব পাড়ে রাসুল ছাড়া, নাইরে কেউ আপন। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – ভালোবাসা আমার ভাগ্যে নাই

ভালবাসা আমার ভাগ্যে নাই, কপালে থাকিলে পিরিত, পাইতাম তোরে হৃদয় ঠাই। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – কু সঙ্গ ছাড়িয়া রে মন

কু সঙ্গ ছাড়িয়া রে মন, রুজু হও তরিকায়, তরিক বিনে সত্য চিনা, যাবেনা এই কুহকায়। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – মনো প্রাণো সব সঁপিলাম

মনো প্রাণো সব সঁপিলাম, ঐ রাঙা চরণে, চরণ ছাড়া করলে গো আমায়, কোন আশা নাই জিবনে। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আশেক তোমার আমি বন্ধু

আশেক তোমার আমি বন্ধু, ফিরাইওনা আমারে, জিবন মরণ সপেছি তোমায়, ফেলনা ঘোর আধারে। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – চিরদিন কারে আমি

চিরদিন কারে আমি, খাওয়াইলাম যতন করে, সেতো পাষাণ আমায় ছেড়ে, থাকবে মাটির ঘরে। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – ভবে প্রেম বিনে আর সবি মিছে

ভবে প্রেম বিনে আর সবি মিছে, প্রেমেই হবে পাড়াপাড়, প্রেম সেতো পরম মানিক, প্রেম বিহনে নাই উদ্ধার। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – চিরদিন কোন সে আমি

চিরদিন কোন সে আমি, বসে বাসরে, ডাকলাম ওগো স্বামী, কোথায় তুমি, অন্তর্যামী। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – প্রেম বিহনে সে ভূবনে

প্রেম বিহনে সে ভুবনে, পৌঁছানো যাবে না, সেথায় যাবার একমাত্র তরী প্রেম, প্রেম ছাড়া হয় না সাধনা । - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – কি জন্যে আজো সূর্য্য

কি জন্যে আজো সূর্য্য, আলো দেয় ধরায়, প্রেম হল সে শাশ্বত আদি, বিশ্ব চলে সেই মায়ায়। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আমার আমার বলি সবাই

আমার আমার বলি সবাই, আমার বলতে কি আছে, আমি বলতে হাওয়াই পুঞ্জে, আমি সে কে বসে আছে। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – প্রেম নদীর তামাশা রে মন

প্রেম নদীর তামাসা রে মন, বুঝবি কি করে? যে প্রেমে সাই পরোয়ার, নূর কে বিভাজন করে! - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – দুই দিনের লাগিয়া মোরে

দুই দিনের লাগিয়া মোরে, পাঠাইছো এ মাঝ দরিয়ায়। যার বড় বড় তরঙ্গতে, পরান যে মোর কাপে হায়। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – কূপেতে আবদ্ধ যে ব্যাঙ

কূপেতে আবদ্ধ যে ব্যাঙ, ভাবে নিজেকে রাজা, কূপের বাইরে আসলে তাহার, ভাঙে মনের ভুল বুঝা। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – এ পাড়ে ফেলিয়া মোরে যাইও না

এ পাড়ে ফেলিয়া মোরে যাইও না দয়াল, তুমি বিনে কেউ নাই আমার, আমি তোমার চরণের কাঙাল। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আমি তোমায় ছাড়া আর কিছু চাইনা

আমি তোমায় ছাড়া আর কিছু চাইনা, দয়াল পারঘাটাতে ফেলে যেওনা আমায়, পারঘাটাতে ফেলে যেওনা। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – জান মন আত্মার ভেদ বিচার

জান মন আত্মার ভেদবিচার, না জানিয়া আত্মকথা -জিবন ব্যর্থ তার। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – ধর্মমতের মারপ্যাচেতে

ধর্ম মতের মারপ্যাচেতে, পইরো না আমার মন, সংশয়েতে যাইবে বেলা, কঠিন হয় সত্য দরশন। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – ভবে প্রেম করা কি সবার ভাগ্যে হয়

ভবে প্রেম করা কি সবার ভাগ্যে হয়, যে কইরাছে মহাপিরিত, তার নাইরে মরণের ভয়। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – না বুঝিয়া লানত বেড়ী

না বুঝিয়া লানত বেড়ী, নিল আজাজিল, বুঝল না সে আদম সুফির, কি হয় তার আকল। - সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – জগৎ মাঝারে সখা

জগৎ মাঝারে সখা, আমি অধম ভব ঘুরে, আশায় আশায় খ্যাপায় সম, পরশ পাথর খুজে ফিরে। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – প্রেম তরী এক আসলো ধরায়

প্রেম তরী এক আসলো ধরায়, কত পাপী তাপী মুক্তি পেল, এই তরীর উছিলায়। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – তুমি দয়াল অভাগার ধন

তুমি দয়াল অভাগার ধন, চির অক্ষমের আখি ধারা, ছেড়ে তোমায় খুঁজে ফিরি, বনে বনে হয়ে পাগল পারা। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – কারিগরি প্রভু তোমার কে বুঝিতে পারে

কারিগরি প্রভু তোমার কে বুঝিতে পারে, তুলনা নাই যাহার এ বিশ্ব চরাচরে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – ক্ষণে ক্ষণে নব বৃন্দাবনে

ক্ষণে ক্ষণে নব বৃন্দাবনে, করিতেছ একি লীলা - সৃষ্টি প্রলয় স্থিতি আদি, সবি তোমারে প্রেম খেলা। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আল্লাহ তোমার লীলা তোমার খেলা

আল্লাহ তোমার লীলা তোমার খেলা, কে বুঝিতে পারে - মাটি দিয়া বানাইয়া পুতুল, তার ভিতরে দিলা কোন ফুল, বানাইয়া মাকলুক আশরাফুল পাঠাইলা জাহেরে।

সংগীত – করিয়া সৃজন, সাকারে ত্রিভূবন

করিয়া সৃজন সাকারে ত্রিভুবন, কোন রূপে লুকায়ে সাঁই, মসজিদ মন্দিরে, খুজি তোমা তরে, বলোনা কোন রূপেতে পাই। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – সাধনার দেশে রে মন

সাধনার দেশে রে মন, থাকো সারাক্ষণ, দম স্মরণে, তার রূপ নয়নে, থাক নিরবধী কু রিপু দমনে, ঘুচে যাবে তোর সকল আধার, তোর অন্তর হবে খোদার সিংহাসন।

সংগীত – গুরু সত্য ভব মাঝে

গুরু সত্য, ভব মাঝে, সত্য ভক্ত প্রেমধারী, গুরু রূপে ডুবে দেখো, সদা সত্য অবতারী। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – প্রাণে মোর বিরহ ব্যাথা

প্রাণে মোর বিরহ ব্যাথা মাশুকরে, মনে তোর কত স্মৃতি গাথা, অভাগার সারাটা জিবন, না হলো আত্মজাগরণ, এসে যাবে চির কালশমন

সংগীত – কোথায় রে মধুর বৃন্দাবন

কোথায় রে মধুর বৃন্দাবন, মথুরা দ্বারকা ধাম, নিত্য চোখে চেয়ে দেখো, তোমার মাঝেই খোদার মোকাম। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – মন চায় প্রিয় তোরে

মন চায় প্রিয় তোরে, দেখি দুনয়ন ভরে, মেটেনা তৃষ্ণা হেরিয়ে, মুখখানি তব, জোছনা বিভব, আধার প্লাবনে আলো দেয় ছড়িয়ে।

সংগীত – শোনো রাধা মনস্কাম

শোনা রাধা মনস্কাম, ডাকছে রাধা প্রাণপতি, সাজায়েছি ধাম। রাতুলও চরণে এসে, শতদল কমলে বসে, মধূরও নয়নে হেসে, পুরাও মনষ্কাম।

সংগীত – আত্মতত্ত্ব জেনে করো সাধনা

আত্মতত্ত্ব জেনে করো সাধনা, কে তুমি ছিলে কোথায়, আছো কোথায়, যাবে কোথায়-এসব না জানিয়া কভূ, পিরিতে মইজো না। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আল্লাহ ছাড়া সেজদা হারাম

আল্লাহ ছাড়া সেজদা হারাম, দলিলেতে আছে প্রমাণ, ফেরেশতারা সেজদা দিলো কারে রে, আল্লার আদেশ, সেজদা করো আদমরে। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – নামাজ নামাজ শুনি সদায়

নামাজ নামাজ শুনি সদায়, কি ‍রূপ নামাজ বুঝি না, স্বরণ ছাড়া নামাজ হয়না, দলিল প্রমান দেখোনা। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – ধর্ম কি ধনীদের জন্যই রে দয়াল

ধর্ম কি ধনীদের জন্যই রে দয়াল, কাঙালের হজ্ব যাকাত কি হবে না? কি বিধান পাঠাইলে গো সাই, তোমার শরিয়তে ধর্ম পাইলাম না।

সংগীত – ইসলাম ধর্মের পাঁচটি বেনা

ইসলাম ধর্মের পাঁচটি বেনা, না মানলে মুসলমান হবে না। হবেনা তার আত্মজানা, আধারে পাবে না ঠাঁই। নামাজ রোজা কলেমা জাকাত, দেল কাবায় হজ্ব করতে পাই।

সংগীত – ভব পাড়ের তরী নবী

ভব পাড়ের তরী নবী, নবী বিনে নাই উদ্ধার। পুলসিরাতের কঠিন পাড়ি, তুমিই সম্বল আমার। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আমার জনম গেলো হেলায় হেলায়

আমার জনম গেলো হেলায় হেলায়, চিনলাম না গো দয়াল চাঁন, আমি অধম পাপী মুর্শিদ, তোমার তরীতে দিও স্থান। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – অন্ধভাবেই কাটলো জিবন

অন্ধভাবেই কাটলো জিবন, চক্ষু মেলে চাইলাম না, দয়াল যে মোর কত কাছে, দেখেও তাঁরে দেখলাম না। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আমার মনো প্রাণ ও সঁপিলাম দয়াল

আমার মনো প্রাণ ও সঁপিলাম দয়াল, তোমার রাঙা পায়, ছেড়োনা ছেড়োনা মুর্শিদ, ঘোর কালো অমাবস্যায়। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – গুরু বিনে ত্রিভূবনে

গুরু বিনে ত্রিভূবনে, জাহের বাতেনে মুক্তি নাই। চরণেতে রাইখো আমার সাঁই। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – অধরা মুর্শিদ চাঁন ও সে

অধরা মুর্শিদ চাঁন ও সে, তারে ধরাতলে কেমনে পাই, আমার মুর্শিদ বিনে সে ধন পেতে, আর তো কোনো উপায় নাই। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – এস্কেতে জোশ উঠিল

এস্কেতে জোশ উঠিল, সখা পয়দা করলো একেশ্বর, আপন অংশ করিল পর। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – প্রেম যমুনায় সাতার দিলাম

প্রেম যমুনা য় সাতার দিলাম, নাম ভরসা করে রে তোর, নাম ভরসা করে। সহায় সম্বল নামখানা তোর, কাঙালেরই শিরে। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – চুলের চাইতে চিকন সে পুল

চুলের চাইতে চিকন সে পুল, হিরার চাইতে ধার, ঘোর সংকটও নিদান কালে, কেমনে হবি পার। ভাব গান - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – কান্দাইয়া কি সুখ পাও দয়াল

কান্দাইয়া কি সুখ পাও দয়াল পাগলেরী মন, কৃপা করে ওহে মুর্শিদ দিও দরশন। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – প্রেম সকাশে প্রেমও আশে

প্রেম সকাশে, প্রেমও আশে, কত সাধক নিরজনে, ডাকছে বলে হরি হরি, শ্রী গোবিন্দ, দেখা দাওগা মোর সনে। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – বংশীধ্বনির সুরে মাখা

বংশিধ্বনির ‍সুর এ মাখা তব নাম খানি, এ হৃদয় মাঝে যেন বাঁজে নিশিদিন, হে অনন্ত রূপধারী, তব কৃপা বারি যেন, ঝড়িয়া পড়ে মোর শিরে সর্বক্ষন।

সংগীত – প্রেমও মালা চেয়ে গলে

প্রেম ও মালা চেয়ে গলে, কান্দি আমি দিবারাতে, যে প্রেমের কারণ, সাঁই নিরাঞ্জন, করছে কত লিলা জগতে। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – অমূল্য যে নিধি চাহি

অমূল্য যে নিধি চাহি, ঘুরে ফিরি চরাচরে, আমার মাঝেই সে ধন আদি, রয়েছে গুপ্ত আকারে। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – চিরদিন আমায় আমি

চিরদিন আমায় আমি, রাখলাম ভুলিয়ে কোথায়, হেথা যে মোর সবাই তো পর, অন্ধ আঁখি আধার মায়া য়। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – করিতে চাহি তব স্তব হে স্বামী

করিতে চাহি তব স্তব হে স্বামী হে জগৎপতি, এ ধরায় ক্ষুদ্র আমি, কি করে প্রকাশি তব বিভূতি! - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আসো হৃদয়ে প্রিয় আমার

আসো হৃদয়ে প্রিয় আমার আসোগো শ্যাম, তব চরণও পরেতে চাই, জানাতে প্রণাম। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – অমৃত হিয়ার নিভৃত অন্তরালে

অমৃত হিয়া র নিভৃত অন্তরালে, লুকায়ে হে দয়েশ্বর, কি লীলা তুমি করিতে চাহো, করিতে চাহো পান, কোন সুরাসুর। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – তুমি কৃষ্ণ দীনের সারথী

তুমি কৃষ্ণ দীনের সারথী, মম হৃদয় রাধা সম, যাচি তব দ্বারে হে প্রেমময়, প্রেম দানে করো দেহ, প্রেমালিঙ্গন ধাম। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – ওগো ভক্তপতি জনার্দন, শ্রীকৃষ্ণ ভগবান

ওগো ভক্তপতি জনার্দন, শ্রীকৃষ্ণ ভগবান, স্তব মম জন্মাধিজন্মে দিও শ্রীচরণ। আকুলিনী আমি তব প্রেমও অভিলাষে, প্রেমময়ী মুরতী হেরী শিতলিত নয়ন।

সংগীত – চরণও পরশে তব মরু সাহারায়

চরণও পরশে তব মরু সাহারায়, ফুটিল কাঞ্চন হয়ে জ্যোতির্ময়। সুঘ্রাণ স্পর্শে মাতিল এ ধরা, অপরূপও রূপ দেখো মরুরও ছায়ায়।

সংগীত – রুমঝুম রবে বৃষ্টি ঝড়ে অবিরাম

রুমঝুম রবে বৃষ্টি ঝড়ে অবিরাম, স্নান সেরে এ ধরা জানায় প্রণাম। মঙ্গলাপতি হে ধরণীত জ্যোতি, মহিমা সকলি তব নমঃ তব নাম।

সংগীত – রূপ মাধুরী তব হে প্রিয়তম

রূপ মাধুরী তব হে প্রিয়তম, নয়ন পটে মোর রয়েছে আঁকা, হয়ে আঁখি জ্যোতি, ওগো প্রাণপতি, হৃদ কমলে তব চরণ বাঁকা। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – জনমে জনমে সখি

জনমে জনমে সখি, পদতলে তব স্থান মোরে দিও। জীবনও ভরে যতনও করে, রেখেছি তোমারে, হৃদয়ও বাসরে, ফুলশয্যায় মম, আসনও করিও।

সংগীত – চির আকাঙ্খী আকুলিনী

চির আকাঙ্খী আকুলিনী, পিয়াসী তব, পুরাও হৃদ বাসনা, প্রার্থনা স্তব। মঞ্জুরিয়া হে অসীমও মহান, আসো আসো হৃদপদ্মে, আসো হে দেব।

সংগীত – মম হৃদয় পদ্মাশন তোমার

মম হৃদয় পদ্মাশন তোমার, ওগো কালাচাঁন, পাতিয়া দিলাম এ বুক, রাখো দু চরণ -হৃদ পদ্ম ফুটিছে প্রিয়, চরণেরও আশে ভালোবাসায় ভরেছে মন - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আশা ছিল যাবো পাড়ে

আশা ছিল যাবো পাড়ে, ত্বরায়ে এই নদী, আমার পথের সম্বল ভাঙা তরী, শক্তি দাওগো বিধি। - পাড়ে যাবার আশা এ অন্তরে। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – অতলও সাগরে আমি কান্দি একা একা

অতলও সাগর এ আমি, কান্দি একা একা, এ অতরে দয়াল বিনে, নাইরে কোনো সখা, আমার নাইরে কোনো সখা। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – কিসের ওপর আছে বসে

কিসের ওপর আছে বসে আমার এ ঘরখানা, ভাঙা পঁচা নরম খুঁটি, ঘরকি থাকবে না মনরে, ঘরকি থাকবে না? - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – থাকতে জীবন তোমার চরণ

থাকতে জীবন রাঙা চরণ, পাবো কেমন করে আমি, পাবো কেমন করে? ভব জীবন নাইরে আমার, মরে দেহ হবে আলোঘর - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – গুরু বিনে উপায় নাইরে

গুরু বিনে উপায় নাইরে, গুরুর চরণ ধরো, গুরু তোমার ভব তরী, গুরুর পায়ে মরো। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – দয়াল তোর প্রেমের মরা

দয়াল তোর প্রেমের মরা মরছি আমি, বাঁচবো কেমনে, এই মরা যে ভবের মরা, বুঝাই কেমনে। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – কেমন তোমার লীলা খেলা

কেমন তোমার লীলা খেলা বুঝি কেমন করে, ফেরেস্তারা সেজদা করে মাটির আদমরে। বানাইলা কাদামাটি দিয়া, মাটির আদমরে। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আমার মন পাখি যায় কোন’সে দেশে

আমার মন পাখি যায় কোন সে দেশে, একা একা উড়ে, ধরবো কেমনে, বাধবো কেমনে, শিকল দিয়া তারে। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – বিনয় করি দয়াল তোরে

বিনয় করি দয়াল তোরে, এ দেহ মন প্রাণ, রাখিস তোর চরণের পরে, আমায় সর্বক্ষণ। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – কেমন খেলা খেলাও মাওলা

কেমন খেলা খেলাও মাওলা, এ দেহ মাঝারে, আমি অধম অন্ধ বধির, চোখ নাই দেখিবারে। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আগুন পানি মাটি বাতাস

আগুন পানি মাটি বাতাস, এক জায়গাতে করি, বানাইলা জড় পিন্ড, মধ্যে আলো ভরি, কি এক আজব প্রাণী মাওলা, বুঝতে নাহি পারি।

সংগীত – আমার পরাণও পাখি

আমার পরানও পাখি, আমায় দিবে ফাঁকি, কান্দাবে এ দেহখানা, ভাঙা পঁচা এ ঘরের ধার, পাখি ধারে না, ও পাখি বন্দী থাকবে না।

সংগীত – এ দেহ মন প্রাণ

এ দেহ মন প্রাণ, আমার এ জিবন আমি, সঁপিয়াছি তব পায়, থাকতে চাই আমি সারাক্ষণ, তব করুণায় প্রভু তব করুণায়। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – এ নদী জলে প্রভু

এ নদী জলে প্রভু কুলু কুলু তানে, শুনি আমি মহিমা তোমার। কুঞ্জে ডাকে পাখি পুঞ্জে, সমীরণ দোলে গুঞ্জে, মেহেরবাণী শুধুই খোদার।

সংগীত – বিশ্বাসীগণ শুনরে শুন

বিশ্বাসী গণ শুনরে শুন, ভবের মায়ায় থাকবি কদিন, কুরিপুর তাড়নায় - রাখলে রোজা হবি সোজা, নফসে মুৎমাইন্নায়। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – হযরতে মুহাম্মদ মোস্তফা নবী

হযরতে মুহাম্মদ মোস্তফা নবী। দুই নয়নে দেখবো কি আর, নবী তোমার ছবিরে। সংগীত - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – দীপ জ্বেলে আজো আমি

দীপ জ্বেলে আজো আমি বসে থাকি প্রিয়। জানি তুমি আসবে ফিরে, জানি হৃদয় কোনে তুমি বসবে ঘিরে। লাবিব মাহফুজ।

সংগীত – জনম জনমের এ পরিচয়

জনম জনমের এ পরিচয়, কোনোদিন হবে কি শেষ? তোমার মাঝেই আমার সকল প্রেম, তুমি আমার প্রাণের বাংলাদেশ। - লাবিব মাহফুজ

সংগীত – হৃদয় প্রদীপ জ্বেলে

হৃদয় প্রদীপ জ্বেলে, দোতরা সুর তুলে, গাই কোন সুরে গান আমি, গাই কোন সুরে গান! গভীর নিশিথে একা, মন বলে পাবো দেখা, সুরেতে শক্ত হয় মায়ার বাধন।

সংগীত – অভিমানে দূরে সরে

অভিমান এ দূরে সরে চলে গেলে কেনো তুমি। চিনলেনা ভালোবাসা, ব্যর্থ জনম নিয়ে, কাঁদি শুধুই আমি। লাবিব মাহফুজ

সংগীত – আমি বিরহের গান শুধু গাই

আমি বিরহের গান শুধু গাই, এছাড়া জিবনে মোর নাই কিছু নাই, আমি বিরহের গান শুধু গাই। সংগীত - আপন খবর। বিরহের গান।

সংগীত – পাথরের আঘাত ও মন

কেনো তুমি আজ প্রিয়া একটি কথাতেই, কেমন যাতনা দিলে হৃদয়ে! কাঁদলেও হাজার জনম- জানি এ ব্যাথা, যাবেনা অশ্রুজলে ঝড়িয়ে।

সংগীত – মনে পড়ে শুধু তারে

হঠাৎ একদিন মাঝ রাতে কোনো, মায়াবী বাঁশিরও সুরে, ভেঙে যায় ঘুম, নিরালা একাকী, মনে পড়ে শুধু তারে। লাবিব মাহফুজ - সংগীত

সংগীত – আমার সোনার দেশ

আমার সোনার দেশ, আমার প্রাণের দেশ, সবুজ শ্যামল দেশ, আমার প্রিয় বাংলাদেশ। - লাবিব মাহফুজ। দেশের গান। দেশাত্মবোধক সংগীত।

অনুকাব্য – বোধির দ্বারে দাড়াও দয়াল

লাবিব মাহফুজ - আমি ছুটিবো তোমা পানে, শত জন্মে শত মরণে। যতই বাধুক মোরে ধরার মায়া, আমি টুটিবো নির্মোহে সব পাষান কায়া -

অনুকাব্য – আমি জন্ম জন্মের পিপাসিত

যেজন মজেছে সখি কালার পিরিতে, মহাভাবের ভাবুক সেজন, ভাবসাগরে রয় নিমজ্জন, প্রেম অগ্নি বান ঝরে সদা, তার নয়ন পাতে

অনুকাব্য – তোমারে পাই যদি

আপনার পানে ফিরে চাও মন, তব হৃদয়ের মানমন্দিরে, চিরকালের গ্রন্থ সেথা করে বিরাজন, পাঠ করো তারে, দিব্যনজরে। - লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – ধরাতে তুমি অনন্ত জ্যোতি

অনুকাব্য - হে মোর ভগবান, তব প্রেমও রূপ শিখা জ্বালো মম প্রাণে, মোরে নিত্য পরশ করো দান। হে দয়াময়, মহীয়ান। - লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – সে এক অপার আকাশ

চাই পথের ধারের পান্থশালা, ভর পেয়ালা, শারাব -সাকী! চাই না যেতে মন্দির মসজিদ, লোভের বুলি! প্রেমের ফাঁকি! - লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – বাঁধি আমি কোন মোহনায় ঘর

বাঁধি আমি কোন মোহনায় ঘর! কেনো জনম জনম আসি আমি, শত দুঃখ সুখে ভাসি – এইতো আমার পরম তীর্থ, আমি আমার পর! আমায় আমি খুঁজে ফিরি খুঁজি আমার ঘর।

অনুকাব্য – তুমি দেখা দিবে বলে

মাতাল করে দে আমারে, রূপের শারাব দিয়া, ঐ ডাগর আঁখির নেশার বাণে, বিধুক আমার হিয়া। লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – প্রাণের ঈশ্বরত্ব বোধ

প্রাণ এর ঈশ্বরত্ব বোধ জাগাইতে চাও? নিজেরে ত্যাজিয়া, মন সুভাবে মাতাও। চির নিত্য পরমাত্মা প্রাপ্ত হতে হলে, দয়াময়ের স্বভাব ধরো হৃদি অন্তঃস্থলে।

অনুকাব্য – পাঠ করো মন আপন দর্পণ

পাঠ করো মন আপন দর্পণ, হৃদ কাবায় যার রয় নিশান, দীল দরিয়ার অতল তলে, হেরা গুহায় রয় কোরান। লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – গুরু পানে চলো পাগল মন

যুগল চরণ পাইবার আশে, যে বাধা রয় গুরুর দেশে, দয়াময় তার উদ্দেশ্যে, নাযিল করে প্রেমরতন, গুরু পানে চলো পাগল মন।

অনুকাব্য – প্রেমের খেলায় গেলাম হেরে

যদি ভালোবেসে থাকি, নাইবা কাছে এলে, ভালোবেসে গড়বো তোমায়, আমার পলে পলে। নাইবা তুমি এলে – লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – প্রাণ মহিমার অতল সাগর

প্রাণ মহিমার অতল সাগর, যে নাবিকে দেয় পাড়ি, পায় সে প্রাণের শাখায় শাখায়, শাশ্বত প্রেমের নিত্যবারি। - লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – মরিবার বড় সাধ জাগে

যার সত্ত্বা জুড়ে প্রেম বিরাজে, দৃষ্টি মাঝে প্রেমের স্রোত, জগত তাহার হয় বৃন্দাবন, ধরার ধূলায় বয় জান্নাত। - লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – এ জিবন নয়তো সুদূর

এতো প্রভু প্রেম, সারা নিশি জেগে, আঁখিজলে লেখা তার গান, এতো চিরজনমের পাওয়া, জনমে জনমে, অমৃত কুঞ্জে বেধে রাখা প্রাণ।

অনুকাব্য – বিচিত্র তব সৃষ্টি লীলা

দৃষ্টি পথে তব হে মহিয়ান, বিচিত্র তব সৃষ্টি লীলার মাঝে মেলিয়া নয়ন, অবাক বিস্ময়ে, মুগ্ধ চাহনী তব ফিরিছে মম দ্বারে, জানি অপলক নেত্রে তুমি

অনুকাব্য – সিক্ত যে আজ মরণ সুধায়

জীবন প্রাণের রুধির ধারায়, সিক্ত যে আজ মরণ সুধায়, তিলে তিলে গড়ে তোলা জীবন প্রাসাদ, ধুলায় লুটায়ে আজ - লভিতেছি নব স্বাদ।

অনুকাব্য – আমি চিনেছি আপনারে

চির বিচিত্রার অবসান আমি, চাইনা হেন ধামে, স্তব শুধু আমারে তুমি, রাখিও স্ব-সিদ্ধ প্রণামে।

অনুকাব্য – আমি মিলিব তোমা সনে

নামে যাহার এতো সুধা, না জানি তার রূপটি কেমন! সে সুর সাগরে ভেসে বেড়ায়, রূপ সাগরে আসবে কখন?

অনুকাব্য – চৈতন্যের পানশালা

নফস এজিদের বশ্যতা না মেনে, হোসাঈন সম হায়, আপনারে বিলাও গুরুর শ্রীচরণে, মরণ কারবালায়।

অনুকাব্য – এ রজনীর সাগরতীরে

ভুলিয়াছি পথ, আমার পূর্বরথ, ফিরিবো কি ফের, আমি'র দ্বারে?এযে ভগ্নদশা, শুধু যাওয়া আসা, জিবনে মরণে, বাধিতেছে মোরে…

অনুকাব্য – সৃষ্টি স্বর্গের পথ

এ চাওয়া প্রভু তোমার তরে, হারাবো না আর কালের খেয়ায়, অনন্ত তোমার অখন্ড ধামে বাধিয়া রাখ ঐ চরণ মায়ায়।

অনুকাব্য – স্বর্গীয় সুখের বেদনা

স্বর্গীয় সুখের বেদনায়, নীলাভ বদন মোর রহে নিত্য বিষাদময়। যেজন করে সদা স্বর্গেরে সৃজন, আপনারই বক্ষে লুকায় তাহার জগতের সব বেদন!

অনুকাব্য – সাত সাহারার জল

প্রভূ - আমায় ফিরায়ে দাও প্রেম বেদনায়, সকল প্রাচুর্য পরিহারি –আমায় বাধিয়া রাখো যতনে যাতনায়, এনে বিরহ বিভাবরী…!

অনুকাব্য – সে পলকে আসে

প্রেমের মরূতে আমি ভীতু পরিযায়ী, সূদুর সলিল পানে নিরখিয়া আছি, আসুক সাইমুম, দিগন্ত ব্যাপী, হারাই আবারো, খুব কাছাকাছি!

অনুকাব্য – প্রাণ নিরত অনুরাগে

প্রেম! স্নিগ্ধ নয়, দগ্ধ করো মোরে। চন্দনে নয়, কলঙ্গ তিলকে –ভাসাও অবিরাম' বিভূতি বিহারে। যুগ যুগ সম্ভব! পুলক সম্ভারে!

অনুকাব্য – তোমারে ভালোবাসিবার সাধ

যদি নিশার শেষে, ভালোবেসে, সুর সাধো মোর গানে, আমিও সকল ছাড়ি, রইবো পড়ি, তোমার আলিঙ্গনে!

অনুকাব্য – স্মৃতির মিনারে মুরতী তাহার

একটা সকাল কেনো আলোয় ভরাও, বাকী সকালগুলোকে করতে আধার। এক জীবনে কেনো দাও এত ভালোবাসা, বাকী জীবনগুলো করে প্রেমহীন পাথার।

অনুকাব্য – এতো ভালোবাসি যারে

পূবালী বাতাস আনে শ্যামের সুবাস প্রিয়, নীলাম্বরী মেঘে সাদা পাল তুলে,, দোলে বন বনান্ত শ্যামল শিহরণে, মোর প্রিয়ার পরশ জাগে, মন্দির তলে।

অনুকাব্য – জিবন তো অনন্ত

তুমি মোহিত করে রাখো পরাণ আমার, নয়নের সীমানায় নাই বা রহিলে, বাহুর বাধনে তোমায় না পেলে ক্ষতি কি, জাগিয়া উঠিও মোর পরাণ কাঁদিলে। অনুকাব্য - লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – এ প্রেম অনন্তের

হৃদয় অন্দরে জাগে যে তৃষা, পাইতে তোমারে প্রভু আপন করে, এ তৃষা মহাকালের থাকিবে সতত, এ শাশ্বত চাওয়া শুধু পাইতে তোমারে। অনুকাব্য - লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – নয়ন ফেরাও আলোর পানে

হৃদয়ের হাহাকার, মরমের মর্মর, নয়নের তৃষা আনে যে ভালোবাসা, জগতের প্রতি পলে বিরাজে সে প্রেম, হৃদয়ে হৃদয়ে জ্বালে পরম তিয়াসা। অনুকাব্য - লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – মুক্তির বারতা আকাশে বাতাসে

আজ যা তোমার চতুর্ধারে, রূপ রস আর গন্ধে ভরা, সবই ধরার অনিত্য জড়, স্বপন সম, রয় অধরা। অনুকাব্য - লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – মানবের মহৎ প্রাণ

মানবও মহত্বে, সত্ত্বায়, মহান প্রভূ বিরাজিত, আপন ফিৎরাত সহযোগে, মানবাত্মায় অধিষ্ঠিত। অনুকাব্য - লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – যে পথে তোমার প্রাণ মহিমা

আ্যধাত্মিকতার প্রেম সাজেতে, সাজাও তোমার হিয়াখানি, রাঙাও হৃদয় ঐশী রঙে, স্বর্গ সুধা আনো ধরায় টানি। অনুকাব্য - লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – পাঠ করো মন আপন দর্পন

কাগজ সেতো মৃত বস্তু, প্রাণহীন কালীর অসার ভাব, জীবন্ত আর প্রাণান্ত বাণী, মানব সত্ত্বায় হয় উদ্ভব। অনুকাব্য - লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – অনাদী সে কোরান খানি

গ্রন্থ আদী শাস্ত্র যত, চির সত্যের ইশারা, সত্য সেতো মানব মাঝে, মানব সত্যের মহড়া। অনুকাব্য - লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – সৃষ্টি জ্ঞানের রহস্য ধারা

রূপময় এই জগৎ মাঝারে, আসিলে মহান অসীম হতে, পূনঃ তোমার সেই আলোক অভিসার, আপনার পানেই ফিরিয়া যেতে। অনুকাব্য - লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – প্রজ্ঞার তরে বন্দনা মোর

গুণ রূপ তোর খোদার আশীষ, প্রাণের পরতে রয় বাধা, গুণ হতে তোর প্রাণের খোরাক, পাবি সদা জাগলে ক্ষুধা। অনুকাব্য - লাবিব মাহফুজ

অনুকাব্য – অস্ত্র তোমার জ্ঞান মহিমা

নিত্যের অনিত্যতায় যখন, ধ্বংসস্তুপ হয় প্রাণ, খন্ডিত সে অনুভূতি সদা, মানব সাগরে জ্বালায় অনল দাহন। অনুকাব্য - লাবিব মাহফুজ

বাণী – অতিজাগতিক পরমময়তা

আল্লাহর গুণের পরিপূর্ণ প্রকাশ একমাত্র এই মানুষে। তাই মানুষ বাদে বাকী সকলই খন্ডিত চেতনায় আবদ্ধ। একমাত্র পূজনীয় এই মানব রূপ।

বাণী – ভক্তির বন্ধন

ওহী কালামের উৎস কোরআনের উৎপত্তিস্থল হলো এই মানুষ। যে তার সত্ত্বাস্থিত সবাক স্বভাব বা কালিমুন সিফাতের দ্বারা ঐশিবাণী বাক্যাকারে প্রকাশ করে।

বাণী – আত্মপরিচয়

জাত ও সিফাতের মিলন মোহনাই হলো এ মানুষ। যেখানে নূর সেতারার উজ্জীবনেই মানবাত্মার পূর্ণতা। মানবাত্মা পূর্ণ হলেই মানব স্বরূপে

বাণী – পূর্ণ শান্তির পরশ

কোরআন বা কালামকে মুখস্থ করতে হয় না। যে সত্ত্বা হতে কালাম আসে, সেই সত্ত্বাকে অর্ন্তবাহ্যে ধারণ করতে হয়। তবেই আসতে থাকে নিরবচ্ছিন্ন কালাম।

বাণী – সত্ত্বার অনন্ত আলো

তোমার হৃদয়ের সৌন্দর্যের অনুপাতেই তুমি অবলোকন করবে বাহিরের সৌন্দর্য। অতএব, হৃদয় কে সুন্দর করো। নিজের প্রাণ কে সুন্দর করো

বাণী – মহাপ্রেমের অমৃত

কোনো অলীক শক্তি বা কোনো পরাবাস্তব কেউ কখনোই আমার দেবতা নন। আমার দেবতা তিনিই যিনি নির্মিত হন আমার ভালোবাসার দ্বারা।

বাণী – পরমসত্ত্বার আশ্রয়

এ জগৎ সংসার তো তাহারই প্রেমপূর্ণ ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ। নিজেকে সঁপে দাও সে অনন্ত প্রেম পারাবারে। অবগাহন করো প্রভুর প্রেম সমুদ্রে।

বাণী – মানবী জান্নাত

যদি তুমি আবদ্ধ থাকো কামনার মধ্যে তবে তুমি বন্দী এবং নিশ্চিতই খুব খারাপ জায়গায় বন্দী। সেখান থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারলেই লাভ হবে মুক্তি।

বাণী – হৃদয় তীর্থের দ্বার

প্রভুর যথার্থ বিকাশ একমাত্র মানব রুপেই। মুহাম্মদ, কৃষ্ণ, ঈসা, মুসা, বুদ্ধ, কবীর, নানক, লোকনাথ সকলেই তো তিনি পূর্ণ প্রকাশিত।

বাণী – পরমানন্দ

তোমার আত্মা অনন্ত পরমাত্মারই পূর্ণ প্রকাশরূপ। বিচ্ছিন্নতার হেতুই তোমার অপূর্ণতা। পূর্ণ সংযোগ স্থাপন করো পরমের সাথে। দেখবে তুমিই সে পরম।

বাণী – মানবাত্মার নিত্যময়তা

হয় এক পরমসত্ত্বার কোলে আশ্রয় নাও, নয়তো দেশ হতে দেশ, মন্দির হতে মসজিদ, তীর্থে তীর্থে কেঁদে বেড়াও। যে পরম তত্ত্বে আশ্রয় লাভ করে সেই হয়ে ওঠে

বাণী – ঐশ্বরিক খেলা

সকল তীর্থের উৎসভূমি হৃদয় তীর্থের দুয়ার যার রুদ্ধ, সেই কেবল মক্কা, মদিনা, গয়া, কাশী তে তীর্থ করতে যায়। আর যার প্রস্ফুটিত হয়েছে হৃদয়, সে

বাণী – পরম দিশা

বাণী - আজো আমি দন্ডায়মান চির প্রবাহিত মানব সাগরের তীরে। সেই চির পরিচিত রূপে, অনাদী কালের সেই অনন্ত অকূল পারাবারে।

বাণী – সুদূরের আকর্ষণ

পতঙ্গ যেমন পুড়তে হবে জেনেও আগুনে ঝাপ দেয়, ঠিক তেমনি- প্রেমিকও, বিরহ ব্যাথা সইতে হবে জেনেই প্রেমে আত্মহুতি দেয়। এখানেই যে প্রেমের আনন্দ!

প্রবন্ধ – সুফি সংগীতের অমর স্রষ্টা কবিয়াল রমেশ শীল

অসাম্প্রদায়িক ধর্মীয় চেতনার বলিষ্ঠ জীবন সাধক কবিয়াল রমেশ শীল। তার গান মানুষকে ঐশী প্রেমের পথ দেখায়। জীবনবাদী ধর্মতত্ত্ববিদ কবির মুখে তাই

প্রবন্ধ – সত্ত্বা র স্বতঃপ্রমাণ

পরম সত্ত্বা হতেই এ জগত সমুহ আগত, পরম সত্ত্বাতেই স্থিতি এবং পরম সত্ত্বাতেই পরিণতি- সেহেতু জগতে নিত্যময়তার বিরুদ্ধবাদী কিছু থাকাটা অসম্ভব।

প্রবন্ধ – মানবতা মানব ধর্ম

মানুষের তরে যতগুলো বিধান ক্রিয়াশীল থাকবে তার অভ্যান্তরীন দর্শন-কেই আমি বলবো ধর্ম তথা মানবতা মানব ধর্ম। যার হবে মানুষের জন্য কল্যাণকর।

প্রবন্ধ – নর সুন্দর

হে মানব! তব পদরজধূলি ধরার প্রতি প্রস্তররেণুতে তোলে মহাপ্রেমের জাগরণ। ধরার ফুলে-ফলে বুলবুল প্রণয়ে ভাসে তোমার বাঁশরীর তান। হে নর সুন্দর।

প্রবন্ধ – নব নির্মাণ

জীবন-সিন্ধু মন্থন করিয়া অঞ্জলী ভরিয়া নাও মহাপ্রেমের অমৃত। জীবন দুয়ারে স্বাগত জানাও জাগরণকে। ওঠো কালনিদ্রা ত্যাজিয়া। জেগে উঠুক নব নির্মাণ।

প্রবন্ধ – ত্যাগের অনুশীলনে মোহাম্মদী দ্বীন – পর্ব ০২

মোহাম্মদ (সা) এর কলিজার টুকরা, হযরত আলী ও মা ফাতেমার দুলাল, ইমাম হুসাইন পরিপূর্ণ রূপে প্রতিষ্ঠিত করে গেলেন দ্বীনে মোহাম্মদী কে।

প্রবন্ধ – ত্যাগের অনুশীলনে মোহাম্মদী দ্বীন – পর্ব ০১

অপধার্মিকদের কল্যাণে আজ জগৎব্যাপী মূমুর্ষপ্রায় মোহাম্মদী দ্বীন। ত্যাগের অনুশীলনের বদলে আজ বকধার্মিকদের মন-মস্তিষ্কে চেপে বসেছে ভোগবিলাস।

প্রবন্ধ – ইনছানিয়াতের অনুসরণ

ইনছানিয়াতের অনুসরণ এর মাধ্যমে মানবাত্মার মানবধর্ম কায়েম হলেই বিশ্বব্যাপী প্রতিষ্ঠিত হবে শান্তি।প্রতিটি মানুষ বাস করবে খান্নাছমুক্ত আত্মায়।

প্রবন্ধ – আমার সত্য

ধ্যান সাধনার ফলে যখন বাহ্যিক চেতনা স্থবির হয়ে পড়ে, তখনই হৃদয়ে জাগ্রত হয় পরম সত্যে। তখনই উপলব্ধ হয় আমার সত্য, চির সত্য, সত্যের সুমহান দেশনা।

প্রবন্ধ – অনন্ত উন্মাদনা

উত্থান পতনে গড়া এই জীবন। যে জীবন এর নিত্যসঙ্গী দৈন্য-হতাশা, হাহাকার আর ব্যার্থতার পূঞ্জীভূত অভিমান। জগতে সেই সফল যার আছে অনন্ত উন্মাদনা ।

প্রবন্ধ – মহান আউলিয়া হযরত বিশর হাফি (র) এর জীবনী

আধ্যাত্মিকতার উচ্চ আসনে আসীন ছিলেন মহান আউলিয়া হযরত বিশর হাফি (র)। তিনি প্রভুপ্রেমে এতোটাই বিভোর ছিলেন যে, সবসময় আত্মসমাহিত হয়ে থাকতেন।

প্রবন্ধ – অমৃতনন্দা (নিত্যমুক্তির পথ ও পাথেয়)

সংসার হতে নিজেকে অবমুক্ত করে নিজেকে চেনা জানার সাধনায় লিপ্ত হওয়াই পরমার্থ। প্রভুকে হৃদিধামে স্থিত করে তাঁর শরণে থাকাটাই নিত্যধামে বাস করা।

প্রবন্ধ – স্বরূপ – অখন্ড মহাকালে ব্যাপৃত চিরন্তন স্বরূপ তত্ত্ব

স্বরূপ হলো অখন্ড জগতে স্থিত পরম সত্ত্বার রূপ। যার কোনো লয়, ক্ষয়, পরিবর্তন, পরিবর্ধন বা বিনাশ নাই। আমাদের স্বরুপ স্বয়ং পরম এর অংশ। প্রভূর অংশ।

প্রবন্ধ – অনুরাগ সাধনা র দ্বারা ভগবৎ প্রাপ্তি (সাধনমার্গ)

সাধনার মূল কথাটিই হলো অনুরাগ। ভক্ত হৃদয়ে যদি থাকে পূর্ণ অনুরাগ তবে সাধনা আপনা আপনিই হবে। আর অনুরাগ সাধনা না থাকলে সাধনা জোর করে করতে হয়।

প্রবন্ধ – সহজ মানুষ; যাদের অনুসরণেই কাঙ্ক্ষিত মুক্তি

সহজ মানুষ বা মহাপুরুষ যারা, পবিত্র ও জ্ঞানী মানুষ যারা, তাদের দেখানো পথই সিরাতুল মুস্তাকিম তথা প্রভুর পথ। জ্ঞানীদের পথে চললেই আল্লাহর পথে চলা হয়।

প্রবন্ধ – প্রভু আশ্রিত ও প্রভুতে সমর্পিত সাধকই মুক্ত

মানুষের একমাত্র বাসনা হওয়া উচিত আত্মসমর্পন এর মাধ্যমে প্রভুতে আশ্রয় ও চির স্থিতি লাভ করা। ভগবানের শরণ নেয়া। প্রভু আশ্রয়ে বাস করা।

প্রবন্ধ – মানুষ ও মনুষ্যত্ব – মানুষতত্ত্বের সহজ পাঠ

মানব মহত্ত্বের অনুসন্ধানই প্রকৃত ধর্ম। যারা মানুষ মহত্ত্বে অবিশ্বাসী, মানুষ রেখে নিরাকার কোনো কাল্পনিক প্রভুর ইবাদত করে চলেছে, তারা নিরেট গন্ডমূর্খ।

প্রবন্ধ – ঈশ্বর প্রাপ্তি

মানব জিবনের একমাত্র পূর্ণতা ও সফলতা হলো ঈশ্বর প্রাপ্তি তে। যদি কেউ লাভ করে ঈশ্বরকে, তবে জগতের লাভ করার তাঁর আর কিছুই থাকবে না। সে হবে প্রকৃত ধার্মিক।

প্রবন্ধ – প্রভুপ্রেম – পরমপ্রাপ্তির একমাত্র উপায়

পরম প্রভু চিরকালে প্রজ্জলিত সূর্য সম দীপ্তিময়। তাই তার উত্থান পতন বা জন্ম মৃত্যু বলে কিছু নেই। শুধু তিনি তাঁর ভক্তের আহ্বানে / প্রভুপ্রেম এ প্রকট হন মাত্র।

প্রবন্ধ – ভক্তি মার্গ – প্রভুপ্রাপ্তির একমাত্র পথ

ধর্ম মানেই অটল নিষ্ঠা ভক্তি। যার হৃদয়ে নেই অচলা ভক্তি, সে তো ধর্ম পথের জঞ্জাল ব্যতিত অন্য কিছু নয়। ভক্তি-বিশ্বাস-প্রেম, এ তিনের সমন্বয়েই প্রতিষ্ঠিত হয় ধর্ম।

প্রবন্ধ – কাজী নজরুল ইসলাম – আধ্যাত্মিকতার টানে

সুফি সাধনা তথা ধর্মীয় মরমীবাদ বা আধ্যাত্মিকতা তথা সুফিবাদ এর প্রতি আজন্ম দরদ ছিল কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর। সাধু সন্যাসীদের প্রতি ভক্তিভাব ছিল তাঁর ছোটবেলা থেকেই।

প্রবন্ধ – ওলীত্বের পথে বিস্ময়কর জার্নি – ইব্রাহিম আদহাম

বাদশাহীর বিনিময়ে দরবেশী খরিদ করে ইব্রাহিম ইবনে আদহাম সামান্য রাজ্যের বাদশাহ থেকে পরিণত হন পরকালের বাদশাহ তে। মারেফত এর সমুদ্রে অনেক বড় নাবিক হয়ে বিলিয়ে বেড়ার মুক্তির অমিয় সুধা।

প্রবন্ধ – প্রভুপ্রেম – অনুরাগ সাধনা (গুরু প্রেম)

ভক্তিই প্রেমের সরল বহিঃপ্রকাশ। প্রভুতে দুর্ণিবার আকর্ষণ অনুভূত হওয়াই ভক্তি। ভক্তি এমন এক অনুষঙ্গ যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধিই পাবে।

প্রবন্ধ – শাশ্বত চেতনার স্ফুরণ; মানবীয় অস্তিত্বের পরিণতি

এই ধ্বংসের অতলে নিমজ্জিত মানুষগুলোকেই প্রভু ডেকে ডেকে ফিরছেন শ্বাশত মুক্তির ধামে ফিরে আসার জন্য। নিত্য আনন্দের দেশে ফিরে আসার জন্য। প্রভু সমীপবর্তী হওয়ার জন্য।

প্রবন্ধ – জ্ঞান মার্গ – তত্ত্বজ্ঞানের প্রাসঙ্গিকতা ও মূল্য

“প্রভুজ্ঞান চিরনিত্য। তিনি স্বয়ং হাইয়্যুল কাইয়্যুম হয়ে চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী জগতে নিত্য আসীন। তাঁর পরিচয় জ্ঞানও তাঁর অস্তিত্বের মতো চিরনিত্য, শ্বাশত তথা চিরন্তন।”

প্রবন্ধ – ফুযায়েল ইবনে আয়াজ (র) এর পবিত্র জীবনী

ফুযায়েল ইবনে আয়াজ, মহাপ্রভুর প্রেমে জগত সংসারের মোহমায়া, লোভ ও সংসারাশক্তি সম্পূর্ণরুপে বলি দিয়েছিলেন তিনি। আল্লাহপ্রেমে বিভোর থাকতেন সবসময়।

প্রবন্ধ – ধর্ম ও ধর্মবিশ্বাস এর তালিকা (বিশ্বের বিভিন্ন ধর্ম)

মানুষের জীবন নির্দেশনাই ধর্ম। মানুষের শুদ্ধতার জন্য জ্ঞানীগণ প্রবর্তন করেছেন ধর্ম ও ধর্মবিশ্বাস। জগতে এমন মানুষও প্রচুর, যারা কোনো ধর্মবিধান পালন করে না।

প্রবন্ধ – সুফিবাদ’ই একমাত্র মুক্তি পথ

লেখক - লাবিব মাহফুজ চিশতী সুফিবাদ বা তাসাউফ হলো ইসলামী আধ্যাত্মবাদ বা দ্বীন ইসলামের প্রকৃত সত্য। যে সত্য মানুষের...

প্রবন্ধ – জালালউদ্দিন রুমী : আধ্যাত্মিকতার প্রবাদ পুরুষ

হৃদয়ের আলো দিয়ে আকাশ কে ছুঁতে পারা এক অমর কবি জালালউদ্দিন মুহাম্মদ রুমী (Rumi)। আধ্যাত্মবাদকে যিনি প্রতিষ্ঠিত করেছেন বিশ্ব সাহিত্যের পাতায় পাতায়, তিনিই জালালউদ্দিন রুমী।

প্রবন্ধ – ধর্ম – ধর্ম কি এবং ধর্মের আদ্যোপান্ত

আধ্যাত্মিক লেখালেখির প্লাটফর্ম আপন খবর এ নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে ধর্ম ও আধ্যাত্মিকতা বিষয়ক বিভিন্ন আর্টিকেল। তারই ধারাবাহিকতায় এবারে পাঠকদের জন্য থাকছে ধর্ম কি ও ধর্মের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোকপাত।

প্রবন্ধ – তাপসী হযরত রাবেয়া বসরী (র) এর জীবনী

মাঝে মাঝে পৃথীবিতে আবির্ভূত হয়েছেন এমন কিছু শক্তিমান সত্ত্বা, যারা জগত কে শিখিয়েছেন প্রভুপ্রেম। ‘আপনি আচরি ধর্ম’ তারা সকলকে দিয়েছেন শিক্ষা। প্রভুপ্রেমের মশাল প্রজ্জলিত করেছেন দ্বিগ্বিদিক। তেমনি একজন প্রভুপ্রেমিক তাপসী রাবেয়া বসরী (র)।

প্রবন্ধ – মহান আউলিয়া ‍উৎবা বিন গোলাম (র) এর জীবনী

মহান আউলিয়া উৎবা বিন গোলাম (র)। তিনি ছিলেন কঠোর তপস্বী এবং সাধনায় সিদ্ধ একজন মুক্তপুরুষ। যার নির্মল হৃদয়টি ছিল আল্লাহপ্রেমে ভরপুর। সাধনার পথে আসার পেছনে রয়েছে তাঁর চমকপ্রদ একটি ঘটনা।

প্রবন্ধ – সুফি হযরত আবু হাশেম মাক্কী (র) এর জীবন কথা

নবী করিম (সা) এর বিশিষ্ট অনুচর হযরত আনাস (রা), হযরত আবু হুরায়রা (রা) সহ বহু ধর্মনিষ্ঠ ও পূণ্যাত্মা মানুষদের সংস্পর্শধন্য বিশিষ্ট অলী হযরত আবু হাশেম মাক্কী (র)। তাদের সংস্পর্শে প্রভাবিত হয়েছেন আবু হাশেম মাক্কী (র)।

প্রবন্ধ – বিখ্যাত অলী খাজা হাবীব আজমী (র) এর জীবনী

ইরানের আজম নামক স্থানে জন্ম হযরত খাজা হাবীব আজমী (র) এর। বাস করতেন বসরা শহরে। সেখানে ছিল তাঁর সুদের ব্যবসা। পরবর্তীতে সুদ ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে হযরত খাজা হাসান বসরী (রা) এর নিকট মুরীদ হন হযরত খাজা হাবীব আজমী (র)।

প্রবন্ধ – বিত্তশালী সুদ ব্যবসায়ী থেকে যুগশ্রেষ্ঠ অলী

বসরা শহর। সে শহরেই বাস করতেন এক নামকরা সুদ ব্যবসায়ী। ব্যবসায় তিনি সিদ্ধহস্ত। শহরজোড়া তাঁর প্রচুর খাতক। বিরাট কারবার। অত্যন্ত কঠোর চিত্তের ব্যবসায়ীটি সারাদিন বাড়ি বাড়ি ঘরে সুদ আদায় করেন।

প্রবন্ধ – কায়মনে তুই মানুষ হ’

মানুষতত্ত্বেই নিহিত প্রকৃত সত্য। মানুষ, মানুষ হয়ে উদ্ঘাটন করে সেই মহাসত্যের দ্বার। যাকে বলা হয় ‘ফাতিহাতুল কিতাব’। কামনা বাসনা বিবর্জিত মোহমুক্ত চরম নিরপেক্ষ একজন শুদ্ধ ও পবিত্র মানুষই হলো মহান আল্লাহর হাকিকত।

প্রবন্ধ – বিশিষ্ট আউলিয়া হযরত ওয়াসে (র) এর জীবনী

হযরত ওয়াসে (র) ছিলেন তাঁর ‍যুগের বিখ্যাত সাধক ও ধর্মপ্রাণ অলী। কৃচ্ছসাধনার দ্বারা তিনি নিজেকে নিয়ে গিয়েছিলেন এক অনন্য উচ্চতায়। দারিদ্রতার কষাঘাতে জর্জরিত হয়েও তিনি সারাজীবন নিজেকে ব্যাপৃত রেখেছিলেন প্রভুর উপাসনায়।

প্রবন্ধ – বিখ্যাত অলী মালেক ইবনে দীনার (র) এর জীবনী

পতিত মানব জাতিকে পথ প্রদর্শনের নিমিত্তে যুগে যুগে এ ধরাধামে আগমন করেছেন অসংখ্যা পূণ্যাত্মা। তাদেরই একজন হলেন হযরত মালেক ইবনে দীনার (র)। খাজা হাসান বসরী (রা) এর সমসাময়িক ছিলেন তিনি। অত্যন্ত উচ্চমানের সাধক ছিলেন তিনি।

প্রবন্ধ – মহাজীবনের সুরধ্বনী

প্রেম লীলা বৈচিত্রের এ জগতে যে আত্মা সমূহ স্থিত রয়েছে স্বীয় স্বকীয়তায়, ধরে রেখেছে নিজেকে, হারিয়ে যেতে দেয়নি - তারাই টিকে আছে মহাকালের এ চিরন্তন খেলায়। তারাই জগতের পূর্ণ মানব, পূণ্যাত্মা। তারাই জগতের মূলাধার। তারাই প্রভুর মূর্তরুপ।

প্রবন্ধ – যে ঘটনা বদলে দিলো খাজা হাসান বসরীর জীবন

সরাসরি মহানবী (সা) এর সানুরাগ সংস্পর্শধন্য খাজা হাসান আল বসরী (রা)। এলমে মারিফতের দীক্ষা নেন নবী (সা) এর গুপ্তজ্ঞানের ধারক বাহক মাওলা আলী (আ) এর নিকট হতে। তাঁর যামানার সর্বোচ্চ জ্ঞানী হিসেবে তাঁকেই ধরা হতো।

প্রবন্ধ – আউলিয়াকূল শিরোমণি ইমাম জাফর সাদিক (র)

বেলায়েতী জামানার অন্যতম একজন আউলিয়া হলেন ইমাম জাফর আস সাদিক (র)। মহানবী (সা) এর আদর্শের ধারক ও বাহক ছিলেন ইমাম জাফর আস সাদিক (র)।

প্রবন্ধ – ভারতবর্ষে অলী আউলিয়াদের ধর্ম প্রচার

যুগে যুগে দেশে দেশে কালে কালে প্রতিটি জনপদে আবির্ভুত মহান অলী আউলিয়া গণের পবিত্র জীবনাচারনে বার বার জগতে প্রতিধ্বনিত হয় পবিত্র ধর্মচেতনার সুরধ্বনি। আবহমান কাল থেকেই পবিত্রাত্মা তথা আউলিয়াগণের দ্বারা ধর্ম প্রচার হয় জগতে।

প্রবন্ধ – হযরত খাজা হাসান বসরী (রা.) এর পবিত্র জীবনী

জগৎগুরু মোহাম্মদ (সা) এর সানুরাগ সংস্পর্শধন্য খাজা হাসান আল বসরী। একদিন নবী (সা) এর পানি পান করার পাত্র থেকে পানি পান করে ফেললেন শিশু হাসান বসরী। পেয়ালায় পানির পরিমান কম দেখে নবী (সা) জিজ্ঞেস করলেন, পানি পান করেছে কে?

প্রবন্ধ – খাজা ওয়ায়েস করনী (র) এর পূতঃ জীবনগাঁথা

যুগে যুগে এ ধরনীতে আবির্ভূত হন স্রষ্টার কিছু প্রিয় বান্দা। তাদের অনুকরণ-অনুসরণের জোর তাগিদ দেয়া হয়েছে সকল ধর্মেই। আমাদের আজকের আলোচনায় থাকছে এমনই এ জোতির্ময় সত্ত্বা “হযরত খাজা ওয়ায়েস আল ক্বরণী”।

প্রবন্ধ – প্রভুগুণে গুণান্বিত হলেই লাভ হবে চির মুক্তি

মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ, এ শ্রেষ্ঠত্ব এসেছে তার মেধা, গঠন ও সুরত শৈলীর কল্যাণে। সে সৃষ্টিকে এমন করে সৃজন করে কুল আলমকে করেছে সুশৃঙ্খল, প্রাধান্য পেয়েছে প্রভুত্বের। মহান আল্লাহ পাক এই মানুষের মননে ছাবেত হয়ে তার প্রশংসার সবটুকু কুড়িয়ে নিয়েছেন।

প্রবন্ধ – যে পথে তোমার শাশ্বত কল্যাণ

সর্বযুগে মানব জাতিকে অজ্ঞানতার বিষকূপ থেকে উদ্ধার করার জন্য পৃথীবিতে আবির্ভূত হন এক একজন মহাপুরুষ। যারা আপনত্যাগী সিদ্ধযোগী। সুফিবাদ।